জন্মদিনে এবার পরীমনির নতুন পরিকল্পনা

ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি মানেই চমক। তার জন্মদিন মানে তো আরও চমক। গেল কয়েক বছর ধরে এ চমক দেখিয়ে আসছেন ঢালিউডের এ লাস্যময়ী। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার পর জমকালো আয়োজনে জন্মদিন উদযাপন করেন পরীমনি।

এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

গত বছরগুলো জন্মদিনে নতুন নতুন রূপধারণ করে হাজির হন পরী। গত বছরের জন্মদিনে সবুজ অরণ্যে ময়ূরপঙ্খী বেশে দেখা মেলে ডানা কাটা পরীর। তার আগের বছরের জন্মদিনে পরী ধারণ করেছিলেন প্রজাপতির রূপ। 

সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানীর পাঁচতারা হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালের বলরুম ও আশেপাশের সবটুকু জায়গাজুড়ে সবুজ অরণ্য। বলরুমের প্রবেশ মুখে দেখাই দেখা যায় প্রাণহীন ময়ূরের। ভেতরেও ময়ূরের পালক দিয়ে সাজানো। আলো-আধারির খেলায় সেই বুজ অরণ্যে প্রাণোচ্ছল দেখা মিলল রক্ত মাংসের পরীর।

২৪ অক্টোবর, শনিবার রাত ১০টায় নিজের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে এসে হাজির হন পরী। পরীর এবারের জন্মদিনের থিম ছিল সবুজ। সে অনুসারে পরী নিজেও সবুজ গাউনে ময়ূরপঙ্খীর সাজে হাজির হয়েছিলেন যেমন তেমনি অতিথিরাও কেউ কেউ সবুজ পোশাক পরে এসেছিলেন।

পরী জানান, প্রকৃতিকে ভালোবেসেই এবার সবুজ রং বেছে নিয়েছেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলে জন্মদিনের অনুষ্ঠান। মিডিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেক কাটেন পরী মনি।

আগামী ২৪ অক্টোবর পরীমনির জন্মদিন। এবারের আয়োজনেও ভিন্নতা থাকছে বলে জানা গেছে। গেল বছর পরীমনি জন্মদিনে ড্রেস কোড ছিল সবুজ রঙের। এর আগের বছর ছেলেদের জন্য ছিল সাদা আর মেয়েদের বেগুনি রঙের।

পরীমনি এবার জন্মদিনে ড্রেস কোড রং নির্ধারণ করেছেন লাল এবং সাদা। 

এদিকে নিজের জন্মদিন নিয়ে ভিন্ন ইঙ্গিত দিয়েছেন পরীমনি। একটি প্রচলিত গল্প নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন নায়িকা। তার মাধ্যমে জানিয়েছেন, যারা তার বিপদে পাশে ছিলেন তারাই এবারের জন্মদিনে পরীর সঙ্গে আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। 

বুধবার (২০ অক্টোবর) দেওয়া পরীমনির স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘‘এক লোক একটা আস্ত বড় গরু গ্রীল করে তার মেয়েকে বললেন, ‘আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভোজের জন্য ডাকো।’

মেয়েটি রাস্তায় গিয়ে চিৎকার করতে থাকল, ‘আমাদের বাসায় আগুন লেগেছে কে কোথায় আছো আমাদের সাহায্য করো!’

অল্প কিছু সংখ্যক মানুষ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসল। বাকিরা এমন ভাব করল, যেন তারা কিছু শুনতেই পায়নি! যারা সাহায্যের জন্য আসল তারা পেট পুরে মজাদার সেই খাবার খেলেন।

বাবা আশ্চর্য হয়ে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘মা যারা এসেছেন তাদের কাউকেই আমি চিনি না! আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা সব কোথায়?’ মেয়েটি উত্তরে বলল, ‘যারা এসেছেন তারাই আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী! তারা কিন্তু খাবার খেতে আসেননি। তারা এসেছে আমাদের বাড়ির আগুন নিভাতে। এরাই আমাদের আপনজন।’ মূলত, যারা বিপদের সময় তোমার পাশে থাকেনি! তারা তোমার আনন্দের অংশীদার হওয়ার যোগ্যতাও রাখে না!’’


বিনোদন এর সাম্প্রতিক