প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ইমাম, মুয়াজ্জিন ও বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার বেলা সোয়া ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বগুড়ার বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে আইবাস সিস্টেমে ‘সেন্ট বাটন’ প্রেস করে সম্মানীর টাকা পূর্বনির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে দেশের হাজারো মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন এবং মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার উপাসকেরা প্রথমবারের মতো সরাসরি রাষ্ট্রীয় ভাতার আওতায় এলেন।
সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় দেশজুড়ে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজক ও পালকসহ উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সম্মানী পাবেন।
পাইলট প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ অর্থ থেকে ইমাম ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা ও খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।
এ ছাড়া মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার জন্য মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রধান দায়িত্বশীল ব্যক্তি (পুরোহিত/অধ্যক্ষ/যাজক) পাবেন ৫ হাজার টাকা ও সহকারী দায়িত্বশীল ব্যক্তি (সেবাইত/উপাধ্যক্ষ/সহকারী পালক) পাবেন ৩ হাজার টাকা।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ অনুষ্ঠানে সম্মানীর পাশাপাশি উৎসব বোনাস দেওয়ার কথাও জানান।
তিনি জানান, মসজিদে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় ১ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে।
দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। তবে যেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে সরকারের কাছ থেকে কিংবা বিদেশি সংস্থা থেকে নিয়মিত অনুদান পায়, সেসব আপাতত এ সুবিধার বাইরে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী সকালে সচিবালয়ে অফিস করেন। নিজের দপ্তরে প্রবেশের আগে ডিজিটাল হাজিরা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
গত বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে বলেন, “সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই নির্দেশনা কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রধানমন্ত্রী নিজের কার্যালয়েই তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। তার কাছে উপস্থাপন করা ফাইল ও অন্যান্য সরকারি নথিতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ না লিখে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ ব্যবহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।”
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধারাবাহিক ইতিবাচক উদ্যোগের অংশ। এর মাধ্যমে পদমর্যাদার আনুষ্ঠানিক বিশেষণের চেয়ে দায়িত্ব, জনসেবা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সামনে আনার বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
একই সঙ্গে দাপ্তরিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও হাজিরার প্রথা অনুসরণ করে নজির তৈরির চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রী।
কার্যালয়ে প্রবেশের সময় অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো প্রধানমন্ত্রীও নিয়মিত অনলাইন হাজিরা দিচ্ছেন। দিনের কাজ শেষে কার্যালয় ছাড়ার সময়ও নির্ধারিত পদ্ধতিতে বের হওয়ার হাজিরা দিয়ে অফিস ত্যাগ করছেন।
সরকারপ্রধান হয়ে দাপ্তরিক নিয়ম নিজের ক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও নিয়ম মেনে চলার বার্তা দিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশাসনে সময়ানুবর্তিতা, জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের অংশ। রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিই যখন সাধারণ দাপ্তরিক নিয়ম মেনে চলেন, তখন প্রশাসনের অন্যদের কাছেও একই নিয়ম অনুসরণের প্রত্যাশা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ও অপ্রয়োজনীয় আড়ম্বর কমাতেও একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারি কার্যক্রম ও প্রচারণায় তার ছবি ব্যবহার না করা, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং তার চলাচলের সময় সাধারণ মানুষের জন্য ট্রাফিক সিগন্যাল বন্ধ না রাখার মতো উদ্যোগ এরই মধ্যে নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী দেশে ও দেশের বাইরে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়া পতাকাবাহী গাড়ি ব্যবহার করছেন না। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এমন একটি বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তি বিশেষ সুবিধা বা বিশেষ সম্বোধনের পরিবর্তে নিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন।
নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে তাঁকে আদালতে হাজির করে কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
সিআইডি সূত্র জানায়, রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ৯ আগস্ট ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেদিনই তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ১২ আগস্ট তাঁর জামিন আবেদন করা হলে তা নামঞ্জুর করেন আদালত। গত ২৭ আগস্ট আদালত তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে রিমান্ডে নেয় তদন্ত সংস্থা সিআইডি। চার দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার সঙ্গে তাঁর জড়িত থাকার তথ্য মিলেছে।
আদালতে উপস্থাপন করা পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়, ডন মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামিদের চেনেন বলে জানিয়েছেন। সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অবগত ছিলেন। কিন্তু সালমান শাহর মৃত্যুর বিষয় ও মামলার অভিযোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি কৌশলের আশ্রয় নেন। অনেক তথ্য কৌশলে গোপন করেন। তবে মামলার ঘটনার আগে-পরে তাঁর আচরণ ও কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে অনেক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।
তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মুজিবুর রহমান জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার নাকি আত্মহত্যা করেন- সেই প্রশ্নের মীমাংসা এখনও হয়নি।
সচিবালয়ে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান
বিএনপির শাসনামলে সংবাদমাধ্যমে সরকারের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা যেখানে আছি, সংবাদমাধ্যম আছে বলেই সেখানে আছি। সংবাদমাধ্যম যে ভূমিকা নিয়েছে সব সময়, আমাদের যত অর্জন, গণতন্ত্রের যে পর্যায়ে আছে বাংলাদেশ, আমার মনে হয়, তার সমান সমান কৃতিত্ব সংবাদমাধ্যমের।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সময় আপনারা ফ্রি মিডিয়া পাবেন। মিডিয়া বা সাংবাদিকতায় আমাদের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করার কোনো ইচ্ছা নাই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এটা বিশ্বাস করেন যে, সবাই মিলে কাজ করলে স্বপ্নের বাংলাদেশ হবে, সোনার বাংলাদেশ হবে।’
সাইবার সুরক্ষা (সংশোধনী) আইন ২০২৬ এর খসড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা একটি অধ্যাদেশ ছিল। আমরা এখনো আলোচনার পর্যায়ে আছি। কিছু কিছু শব্দ আছে, যেগুলো দ্বিতীয় অর্থ আছে। আমরা গত ১৭ বছরে দেখেছি, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট থেকে শুরু করে অন্যান্য কিছু সংবাদমাধ্যমকে দমিয়ে রাখার জন্য ব্যবহার হয়েছে।
‘আইন তো আর একদিনের জন্য হয় না, আমরা খুব সতর্ক থাকার চেষ্টা করছি, কোনো শব্দ যেন আগামীতে এ ধরনের দরজা না খুলে দেয়,’ যোগ করেন তিনি। পার্থ বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য সোশ্যাল হারমোনি। এই যে আমরা ইদানীং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখছি, গণতন্ত্রের নামে গালিগালাজ, অ্যাবিউসিভ ল্যাঙ্গুয়েজ...যা যা হচ্ছে, এই জিনিসগুলোকে কীভাবে আমরা আইনের মধ্যে আনতে পারি, একইসঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকেও শ্রদ্ধা করতে পারি—কোনোভাবেই যেন দুটি সাংঘর্ষিক না হয়, এ ব্যাপারেই আমরা বারবার কথা বলার চেষ্টা করছি। আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছি, কোনোভাবেই কোনো কণ্ঠ দমন করার জন্য এই আইন করা হচ্ছে না। যেটা আমরা আগে দেখে এসেছি।’
সামাজিক সচেতনতা জরুরি উল্লেখ করে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটা কিছু পেলেই শেয়ার করে দেওয়া, এই জিনিসগুলো যে মানহানিকর সেটা মানুষকে বোঝাতে আমরা কর্মসূচি নেব। আপাতত আমরা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কথা বলছি যাতে আইনটা এমন হয়—ভবিষ্যতে এটা দিয়ে মানুষকে অ্যাবিউস করার সুযোগ না থাকে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লি যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, যে প্রক্রিয়ায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে- তাতে সন্তুষ্ট নয় ঢাকা। তবে ভারতে সরকার প্রধানের দ্বিপাক্ষিক সফর হতে পারে বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন বসছে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। এবারের আয়োজক ভারত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সফর নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই ছিল নানা আলোচনা। ভারতের পক্ষ থেকেও কয়েক দফায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দিল্লি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। যাচ্ছেন না নয়াদিল্লিতে।
তবে ভারতে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক সফর হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে হলো তার অবসান।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এএমএম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন ইসি তফসিল চূড়ান্ত করার পর ইসি সচিব আখতার আহমেদ তফসিল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৭ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২৯ সেপ্টেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর। প্রতীক বরাদ্দ ৮ অক্টোবর এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ অক্টোবর। আপলি ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর। আপিল নিষ্পত্তি ৬ অক্টোবর। প্রতাহারের তারিখ ৭ অক্টোবর। প্রার্থীরা প্রচার শুরু করতে পারবেন ৮ অক্টোবর থেকে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা পাঁচ লাখ ১৫ হাজার।
গত ২০ অগাস্ট জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির এ প্রার্থী পরদিন শপথ নিলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়।
ছবি : সংগৃহীত
মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে আগামীকাল শুক্রবারের মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বুধবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এর পরের ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।