মৌসুমী-ফল আম
জাতভিত্তিক আম সংগ্রহের তারিখ নির্ধারণ করেছে সরকার। সে অনুযায়ী সাতক্ষীরায় গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, গোলাপখাসসহ স্থানীয় জাতের আম পাড়া শুরু হয়েছে ৫ মে থেকে। এবার সর্বশেষ জাত হিসেবে গৌরমতি ১৪ আগস্ট সংগ্রহ শুরু হবে। এর মধ্যে সংগ্রহ করা যাবে অন্যান্য আম।
অর্থাৎ মে মাস আম সংগ্রহ শুরু হলেও জাত এবং জেলাভিত্তিক আম পরিপক্কতার সময় ভিন্নতার কারণে আম অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সংগ্রহ করা যাবে। এর আগে সারা দেশের আম সংগ্রহের তারিখ ম্যাংগো ক্যালেন্ডার (সময়সূচি) করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
গত রোববার খামারবাড়িতে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের উদ্যোগে আম সংগ্রহের ক্যালেন্ডার তৈরি সংক্রান্ত সভা হয়। সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সভাপতিত্ব করেন।
সভায় আম বিজ্ঞানী, কৃষিবিদ, রপ্তানিকারক, আম উৎপাদনকারী বিভিন্ন জেলার কৃষি বিভাগের উপপরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর ম্যাংগো ক্যালেন্ডার চূড়ান্ত করা হয়।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের আম বিশ্বের ৩৭টি দেশে রপ্তানি হয়। রপ্তানিকৃত দেশের সঙ্গে আমাদের কৃষিজ পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি উভয় রাষ্ট্রের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জড়িত। এ কারণে রপ্তানির ক্ষেত্রে আম সঠিক সময় সংগ্রহ এবং বাজারজাতকরণ অতি গুরুত্বপূর্ণ। সভায় জাতওয়ারি জেলাভিত্তিক আম সংগ্রহের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বক্তারা জানান, মানসম্মত আম রপ্তানি এবং বাজার ব্যবস্থায় স্থায়িত্ব ধরে রাখার জন্য ঠিক পরিপক্ক ধাপে আম সংগ্রহ করা প্রয়োজন। পাকা আম পরিপূর্ণ পুষ্টতায় না পৌঁছানো পর্যন্ত গাছ থেকে পাড়া উচিত নয়। কারণ অপুষ্ট আম ঠিকমতো পাকে না এবং স্বাদে টক বা অল্প মিষ্টি হয়। জলবায়ু ও ভৌগোলিক কারণে আম পরিপক্কতার সময়ে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এজন্য মানসম্মত আম রপ্তানির লক্ষ্যে জেলাওয়ারি জাতভিত্তিক আম সংগ্রহের সময় নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. শরফ উদ্দিন। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আম রপ্তানি ও বিপণন ব্যবস্থা বিষয়ে আলোচনা করেন মোহাম্মদ আরিফুর রহমান।
রপ্তানিযোগ্য আমের জাত ও সংগ্রহের সময়
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রপ্তানিযোগ্য আমের জাত অনুযায়ী আম সংগ্রহের সময়সূচি তৈরি করেছে। পাশাপাশি স্থানীয় আবহাওয়া ও জলবায়ুর ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনও আমের সময়সূচি তৈরি করে থাকে। অপরিপক্ব আম সংগ্রহ ও বাজারজাত ঠেকাতে এরই মধ্যে আম সংগ্রহের সময়সূচি ঘোষণা করেছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন।
নির্ধারিত সময়ের আগে কোনো জাতের আম পাড়া বা বিক্রি করা যাবে না বলেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরা: জেলা প্রশাসনের সময়সূচি অনুযায়ী গত ৫ মে থেকে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, গোলাপখাস, বৈশাখী ও বোম্বাইসহ স্থানীয় বিভিন্ন জাতের আম পাড়া শুরু হয়েছে। ১৫ মে থেকে হিমসাগর, ২৭ মে থেকে ল্যাংড়া এবং ৫ জুন থেকে আম্রপালি আম সংগ্রহের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত তারিখ থেকে আরও পাঁচ থেকে সাতদিন পরে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ আম সংগ্রহ শুরু হবে ১২ মে থেকে। হিমসাগর, খিরসাপাত ২২ মে, ল্যাংড়া ১০ জুন ও বারি আম-৩ (আম্রপালি) ১৫ জুন থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গা জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ১৫ মে থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ১৫ মে, হিমসাগর, খিরসাপাত ২৭ মে, ল্যাংড়া ১০ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ২০ জুন ও বারি আম-৪ জাত ২২ জুন থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
যশোর: যশোর জেলায়ও রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ১৫ মে থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ১৫ মে, হিমসাগর, খিরসাপাত ২৮ মে, ল্যাংড়া ১০ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ২১ জুন ও বারি আম-৪ জাত ২৩ জুন থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
মেহেরপুর: মেহেরপুর জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ১৬ মে থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ১৬ মে, হিমসাগর, খিরসাপাত ২৮ মে, ল্যাংড়া ১১ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ২২ জুন, ফজলি ২৩ জুন ও বারি আম-৪ জাত ২৪ জুন থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ২০ মে থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ২০ মে, হিমসাগর, খিরসাপাত ২৯ মে, ল্যাংড়া ১১ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ২২ জুন, ফজলি ২৪ জুন ও বারি আম-৪ জাত ২৬ জুন থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
নাটোর: নাটোর জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ২৫ মে থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ২৫ মে, হিমসাগর, খিরসাপাত ৩০ মে, ল্যাংড়া ১২ জুন, বারি আম-২ লক্ষণভোগ ও ব্যানানা ম্যাঙ্গো ১৬ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ২৫ জুন, ফজলি ২৬ জুন ও বারি আম-৪ জাত ৫ জুলাই থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
রাজশাহী: রাজশাহী জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ২৫ মে থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ২৫ মে, হিমসাগর, খিরসাপাত ৩০ মে, ল্যাংড়া ১২ জুন, বারি আম-২ লক্ষণভোগ ১৬ জুন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ১৮ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ২৫ জুন, ফজলি ২৬ জুন, বারি আম-৪ জাত ৫ জুলাই ও বারি আম-১২ গৌরমতি ৩১ জুলাই থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ২৬ মে থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ২৬ মে, হিমসাগর, খিরসাপাত ৪ জুন, ল্যাংড়া ১৪ জুন, বারি আম-২ লক্ষণভোগ ১৮ জুন, হাড়িভাঙ্গা ২০ জুন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ২২ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ২৭ জুন, ফজলি ৩০ জুন, বারি আম-৪ জাত ৬ জুলাই ও বারি আম-১২ গৌরমতি ৪ আগস্ট থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
নওগাঁ: নওগাঁ জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ১ জুন থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ১ জুন, হিমসাগর, খিরসাপাত ৮ জুন, ল্যাংড়া ১৭ জুন, হাড়িভাঙ্গা ২২ জুন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ২৩ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ২৮ জুন, ফজলি ৩০ জুন, বারি আম-৪ জাত ৮ জুলাই ও বারি আম-১২ গৌরমতি ৮ আগস্ট থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
রংপুর: রংপুর জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ৩০ মে থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ৩০ মে, ল্যাংড়া ১৮ জুন, হাড়িভাঙ্গা ২৩ জুন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ২৩ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ৩০ জুন, বারি আম-৪ জাত ১৫ জুলাই ও বারি আম-১২ গৌরমতি ১১ আগস্ট থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
দিনাজপুর: দিনাজপুর জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ২ জুন থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ২ জুন, হিমসাগর, খিরসাপাত ১৮ জুন, ল্যাংড়া ২০ জুন, হাড়িভাঙ্গা ২৪ জুন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ২৮ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ১ জুলাই, বারি আম-৪ জাত ২০ জুলাই ও বারি আম-১২ গৌরমতি ১২ আগস্ট থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও জেলায় রপ্তানিযোগ্য আম পাড়া শুরু হবে ৩ জুন থেকে। এর মধ্যে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ৩ জুন, হাড়িভাঙ্গা ২৬ জুন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ৩০ জুন, বারি আম-৩ (আম্রপালি) ৪ জুলাই, বারি আম-৪ জাত ২০ জুলাই ও বারি আম-১২ গৌরমতি ১৪ আগস্ট থেকে সংগ্রহ শুরু হবে।
সচিবালয়ে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান
বিএনপির শাসনামলে সংবাদমাধ্যমে সরকারের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা যেখানে আছি, সংবাদমাধ্যম আছে বলেই সেখানে আছি। সংবাদমাধ্যম যে ভূমিকা নিয়েছে সব সময়, আমাদের যত অর্জন, গণতন্ত্রের যে পর্যায়ে আছে বাংলাদেশ, আমার মনে হয়, তার সমান সমান কৃতিত্ব সংবাদমাধ্যমের।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সময় আপনারা ফ্রি মিডিয়া পাবেন। মিডিয়া বা সাংবাদিকতায় আমাদের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করার কোনো ইচ্ছা নাই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এটা বিশ্বাস করেন যে, সবাই মিলে কাজ করলে স্বপ্নের বাংলাদেশ হবে, সোনার বাংলাদেশ হবে।’
সাইবার সুরক্ষা (সংশোধনী) আইন ২০২৬ এর খসড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা একটি অধ্যাদেশ ছিল। আমরা এখনো আলোচনার পর্যায়ে আছি। কিছু কিছু শব্দ আছে, যেগুলো দ্বিতীয় অর্থ আছে। আমরা গত ১৭ বছরে দেখেছি, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট থেকে শুরু করে অন্যান্য কিছু সংবাদমাধ্যমকে দমিয়ে রাখার জন্য ব্যবহার হয়েছে।
‘আইন তো আর একদিনের জন্য হয় না, আমরা খুব সতর্ক থাকার চেষ্টা করছি, কোনো শব্দ যেন আগামীতে এ ধরনের দরজা না খুলে দেয়,’ যোগ করেন তিনি। পার্থ বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য সোশ্যাল হারমোনি। এই যে আমরা ইদানীং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখছি, গণতন্ত্রের নামে গালিগালাজ, অ্যাবিউসিভ ল্যাঙ্গুয়েজ...যা যা হচ্ছে, এই জিনিসগুলোকে কীভাবে আমরা আইনের মধ্যে আনতে পারি, একইসঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকেও শ্রদ্ধা করতে পারি—কোনোভাবেই যেন দুটি সাংঘর্ষিক না হয়, এ ব্যাপারেই আমরা বারবার কথা বলার চেষ্টা করছি। আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছি, কোনোভাবেই কোনো কণ্ঠ দমন করার জন্য এই আইন করা হচ্ছে না। যেটা আমরা আগে দেখে এসেছি।’
সামাজিক সচেতনতা জরুরি উল্লেখ করে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটা কিছু পেলেই শেয়ার করে দেওয়া, এই জিনিসগুলো যে মানহানিকর সেটা মানুষকে বোঝাতে আমরা কর্মসূচি নেব। আপাতত আমরা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কথা বলছি যাতে আইনটা এমন হয়—ভবিষ্যতে এটা দিয়ে মানুষকে অ্যাবিউস করার সুযোগ না থাকে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লি যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, যে প্রক্রিয়ায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে- তাতে সন্তুষ্ট নয় ঢাকা। তবে ভারতে সরকার প্রধানের দ্বিপাক্ষিক সফর হতে পারে বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন বসছে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। এবারের আয়োজক ভারত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সফর নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই ছিল নানা আলোচনা। ভারতের পক্ষ থেকেও কয়েক দফায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দিল্লি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। যাচ্ছেন না নয়াদিল্লিতে।
তবে ভারতে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক সফর হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে হলো তার অবসান।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এএমএম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন ইসি তফসিল চূড়ান্ত করার পর ইসি সচিব আখতার আহমেদ তফসিল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৭ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২৯ সেপ্টেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর। প্রতীক বরাদ্দ ৮ অক্টোবর এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ অক্টোবর। আপলি ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর। আপিল নিষ্পত্তি ৬ অক্টোবর। প্রতাহারের তারিখ ৭ অক্টোবর। প্রার্থীরা প্রচার শুরু করতে পারবেন ৮ অক্টোবর থেকে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা পাঁচ লাখ ১৫ হাজার।
গত ২০ অগাস্ট জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির এ প্রার্থী পরদিন শপথ নিলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়।
ছবি : সংগৃহীত
মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে আগামীকাল শুক্রবারের মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বুধবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এর পরের ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
সায়মা ওয়াজেদ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ। বুধবার পদত্যাগপত্র দিয়েছেন তিনি। ওই পদত্যাগপত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থাটি। জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএইচওর তদন্তের মধ্যে থাকা অবস্থায় পদত্যাগ করলেন সায়মা ওয়াজেদ। তিনি গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে।
২০২৪ সালের শুরুতে পাঁচ বছরের মেয়াদে ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন সায়মা ওয়াজেদ। তবে গত বছরের শেষ দিকে তাঁকে বিনা বেতনে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠায় সংস্থাটি। এর আগে ওই বছরের মার্চে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাঁর বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা করে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩ জুলাই ২০২৬ তারিখের এক চিঠিতে সায়মা ওয়াজেদের আইনজীবীরা জানান, ডব্লিউএইচও তাঁর বিরুদ্ধে চীন সফরের ক্ষেত্রে আর্থিক জালিয়াতি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ এনেছে। সায়মা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুসের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে সায়মা আরও জানান,বাংলাদেশে একটি জমির প্লট অবৈধভাবে অধিগ্রহণের অভিযোগ করেছে ডব্লিউএইচও। তাঁর দাবি, ডব্লিউএইচওতে যোগ দেওয়ার আগেই তিনি ওই জমি অর্জন করেন এবং শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য আইনের আওতায় তিনি এর বৈধ মালিকানা পেয়েছেন।
পদত্যাগপত্রে সায়মা ওয়াজেদ বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর সেবা করার লক্ষ্যেই তিনি আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তাঁকে দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালনে ক্রমাগত বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তাঁকে বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠানোর কারণে প্রায় এক বছর ধরে কোনো পারিশ্রমিক পাননি। এতে তাঁর আর্থিক পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে ডব্লিউএইচওর নেতৃত্বের প্রতি তাঁর আস্থা ও বিশ্বাসও নষ্ট হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
এদিকে, এর আগে দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছিল, সায়মা ওয়াজেদকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ডব্লিউএইচও। সূত্রগুলো জানায়, আগামী ১২ অক্টোবর এ পদের জন্য মনোনয়ন আহ্বান করা হতে পারে। ডিসেম্বরে আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর ২০২৭ সালের ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন হতে পারে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের অধীনে বাংলাদেশ ও ভারতসহ এ অঞ্চলের দেশগুলো রয়েছে। আঞ্চলিক পরিচালকরা বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব ও জরুরি পরিস্থিতিতে ডব্লিউএইচওর কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংস্থার নীতিমালা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
জুলাইয়ের চিঠিতে সায়মা তাঁর বিরুদ্ধে ভ্রমণ-সংক্রান্ত জালিয়াতির অভিযোগও অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, ৯০১ ডলারের একটি অর্থ ফেরত পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়ায় তাঁর এক সহকারীর প্রশাসনিক ভুলের কারণে বিষয়টি তৈরি হয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একটি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন এবং ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রোসের কাছে এ যোগ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট করেছিলেন।
সায়মা ওয়াজেদ এ বিষয়ে রয়টার্সকে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। মন্তব্যের অনুরোধে ডব্লিউএইচওও তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া দেয়নি। গত মাসে সংস্থাটি জানিয়েছিল, সায়মা ছুটিতে রয়েছেন; তবে গোপনীয়তার কারণে তাঁর বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করবে না।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সাময়িক সংকটকালে শিল্পখাত যাতে গ্যাস সংকটের সম্মুখীন না হয় সেজন্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ (বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্ন উত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এক প্রশ্নের উত্তরে আমি এ কথা জানান। এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আকস্মিক বা সাময়িক সংকটকালীন সময়ে শিল্পখাত যাতে গ্যাস সংকটের সম্মুখীন না হয় সেজন্য সরকার নিম্নরূপ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে:
২০৩০-৩১ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১৫০টি কূপ খনন; দেশিয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে মোট ৪,৫০০ লাইন কি.মি. ২ডি সাইসমিক (দ্বি-মাত্রিক) সার্ভে এবং ৪,২০০ বর্গ কি.মি. ৩ডি সাইসমিক (ত্রি-মাত্রিক) সার্ভে পরিচালনা; সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উত্তোলনের লক্ষ্যে কাজী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের জন্য গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখ আন্তর্জাতিক বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বিড দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ;
স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ Onshore Model PSC 2026 প্রণয়নের কার্যক্রম গ্রহণ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে বিদ্যমান ২টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে কমবেশি গড়ে দৈনিক ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। ভবিষ্যতে আকস্মিক গ্যাস সংকটে শিল্পখাত যেন বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য মহেশখালির কুতুবজোমে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়িতে একটি ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী কুতুবজোম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল হতে ২০২৮ সালে এবং ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল হতে ডিসেম্বর ২০৩০ সাল নাগাদ রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ করা হবে আশা করা যায়।
এছাড়া, পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূল বিবেচনায় গভীর সমুদ্রে কোনো সুবিধাজনক স্থান নির্বাচন করে জরুরি ভিত্তিতে নতুন একটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে মেইনল্যান্ডে এনে আগ্রহী গ্রাহক শিল্প প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। গ্যাস প্রাপ্তি সাপেক্ষে শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিক-এর মত পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।