প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের আমন্ত্রণ এসেছিল ভারত থেকে। গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠান। আমন্ত্রণ ছিল মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের পক্ষ থেকেও। এরপরে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়েরও আমন্ত্রণপত্র আসে বেইজিং সফরের জন্য। শেষ পর্যন্ত ভারত বা চীন নয়, সরকারপ্রধান হিসেবে নিজের প্রথম বিদেশ সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছেন তারেক রহমান।
২১ ও ২২ জুন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর কুয়ালালামপুর যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে তারেক রহমান এই সফরে যাচ্ছেন।
কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করে জানা গেছে, মালয়েশিয়া সরকার গত সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে চিঠি দিয়েছে। দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে অর্থাৎ ২২ জুন দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি আয়োজনের বিষয়ে কথা চলছে।
এই সফরের আলোচ্যসূচি এবং বিস্তারিত কর্মসূচি এখনো ঠিক হয়নি। ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের দিকে এগুলো চূড়ান্ত হতে পারে।
সূত্রগুলো বলছে, আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং ভারত-চীন প্রতিযোগিতার বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য নির্ধারণে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে সরকার। সে কারণে দিল্লি বা বেইজিংয়ের পরিবর্তে তৃতীয় একটি দেশকে বেছে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
কূটনীতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের গন্তব্য শুধু প্রটোকলের বিষয় নয়; এটি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকারেরও একটি প্রতীকী বার্তা। সেই বিবেচনায় ভারত বা চীনের পরিবর্তে মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা যেতে পারে।
বিবেচনায় ভূরাজনীতি আর ভারসাম্য
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসে। এরপর আলোচনায় ছিল, প্রথম সফরে ওমরাহ পালনের জন্য তিনি সৌদি আরব যাবেন কি না? অতীতে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীদের সৌদি আরবে প্রথম যাওয়ার নজির রয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে ওমরাহ পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সৌদি সফরের পরিকল্পনা আর এগোয়নি। তারেক রহমানের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ভুটানের মতো সার্কভুক্ত দেশ দিয়ে শুরু করা যায় কি না, সে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছিল সরকারের উচ্চপর্যায়ে।
এরপর গত এপ্রিল থেকে চীন আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিল তারেক রহমানকে বেইজিং সফরে নিতে। গত ৬ মে বেইজিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর বৈঠকের অন্যতম আলোচ্যসূচি ছিল তারেক রহমানের সফর। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জুনের শেষ সপ্তাহে বেইজিং নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়। গত ২৩ মে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের পক্ষ থেকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠিও আসে ঢাকায়।
চীনের দূতাবাস থেকে ২৩ থেকে ২৬ জুন সফরের চিঠি পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরটি চীনে নাকি অন্য কোনো দেশে হবে, তা নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা হয়। কিন্তু চীন বা ভারত—এ দুই দেশের পরিবর্তে তৃতীয় দেশ হিসেবে তখন মালয়েশিয়ার বিষয়টি সামনে আসে। কারণ, ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পরপরই তারেক রহমানকে ফোনে শুভেচ্ছা জানানোর সময় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
এ প্রেক্ষাপটে এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুই দেশের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও জনপরিসরে সমালোচনা এড়াতে সরকার মালয়েশিয়াকে অগ্রাধিকার দেয়।
ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঈদের ছুটির ঠিক আগে গত ২৪ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য মালয়েশিয়া সফরের বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরু করে বাংলাদেশ হাইকমিশন। মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এতে ইতিবাচক সাড়া দেয়। ১ জুন কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে আনোয়ার ইব্রাহিমের পক্ষ থেকে ২১ ও ২২ জুন দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের আমন্ত্রণ নিশ্চিত করা হয়।
সম্পর্কের সমীকরণে মালয়েশিয়া
ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (বিআইপিএসএস) প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনীরুজ্জামানের মতে, প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া ইতিবাচক। দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য, অর্থনীতিসহ নানা ক্ষেত্রে সহযোগিতা উত্তরোত্তর বাড়ছে। বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য মুসলিম দেশটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। সামগ্রিক কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিলে প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া যাওয়ার সিদ্ধান্তটা বেশ ভালো।
মালয়েশিয়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফর শুরুর বিষয়টিকে বাংলাদেশের ভারসাম্যমূলক কূটনৈতিক অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকে। তাঁদের মতে, ভারত ও চীনের ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আর বিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য ভারসাম্য রেখে এগিয়ে চলাটা জরুরি।
আলোচ্যসূচি এখনো চূড়ান্ত না হলেও আসন্ন সফরে অভিবাসন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা খাতে সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
শিক্ষা খাতে সহযোগিতার বিষয়ে মালয়েশিয়ার আগ্রহের প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশের একাধিক কূটনীতিক এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম শিক্ষা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অন্তত ১১ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন মালয়েশিয়ায়। দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যা দ্বিতীয়। দেশটিতে এখন চীনের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬২ হাজার।
সামগ্রিকভাবে মালয়েশিয়া শুধু শ্রমবাজার নয়, শিক্ষা, বিনিয়োগ ও উৎপাদনশিল্পে নতুন অংশীদার খোঁজার মতো বিষয়গুলোতে গুরুত্ব পেতে পারে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরে।
ছবি : সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পরিত্যক্ত হয়ে থাকা শেখ হাসিনার ধানমন্ডির বাসভবন সুধা সদন থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে ধানমন্ডির ৫ নম্বর রোডের ওই বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধারের তথ্য দিয়েছেন ধানমন্ডি থানার এসআই ওয়াদুজ্জামান।
মো. শাকিল নামে ২০ বছরের ওই যুবকের বাসা মোহাম্মদপুরে হলেও তিনি থাকতেন ধানমন্ডির জিগাতলার শিবপুর টালি অফিস এলাকায়।
এসআই ওয়াদুজ্জামান বলেন, “আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি সুধা সদনের একটি পরিত্যক্ত কক্ষে অজ্ঞাত এক যুবক গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে আছে৷ পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি।”
আঙুলের ছাপ শনাক্তের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার কথা বলছে পুলিশ।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রমনা বিভাগের উপ কমিশনার জাহিদুল ইসলাম বলেন, “রিকশাচালক এই যুবক মাদকাসক্ত ছিলেন। কিছুদিন আগে স্ত্রী চলে গেছে। বাবা-মায়ের সাথে দীর্ঘদিন সম্পর্ক নেই। এসব নানা কারণে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। এই হতাশা থেকেই সে গত রাতে বাসাটি ফাঁকা পেয়ে আত্মহত্যা করে বলে আমরা ধারণা করছি।”
শেখ হাসিনার স্বামী পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ডাকনাম সুধা মিয়া। সেই হিসেবে বাড়িটির নামকরণ করা হয়েছিল সুধা সদন। বাড়িটি একসময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত কার্যালয় হয়ে উঠেছিল। সেখানে নেতাকর্মীরা নিয়মিত আসা যাওয়া করতেন।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে শেখ হাসিনার ধানমন্ডির ওই বাড়িতে কয়েকদফা হামলা-ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়। এরপর থেকে বাড়িটি পরিত্যক্ত। সেখানে এখন ভবঘুরেদের যাতায়াত।
প্রতীকী ছবি
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে প্রাণহানি ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়াও গত একদিনে নতুন করে আরও ৬৯১ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে। আজ শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগেই ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৮১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৭২১ জন ও হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ৬১৩ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১৫ হাজার ২৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৫ হাজার ২৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ১ লাখ ১ হাজার ৫৩৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনকই রয়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এডিসবাহিত এই রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে। আজ শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন করে ৪৩৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৮৩ জন, ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪১ জন, খুলনা বিভাগে ৪১ জন, রংপুর বিভাগে ৩০ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৯ জন এবং সিলেট বিভাগে একজন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১২ হাজার ৬৪০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ নারী।
এদিকে, একই সময়ে ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১১ হাজার ৪৯৭ জন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নভো থিয়েটারে দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি স্বনির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ারও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন ভেরিফিকেশন ট্রেনিং এমবেডেড সিস্টেম পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স এবং অ্যাডভান্স প্যাকেজিং— এসব ক্ষেত্রে কাজ শুরু হয়েছে। দেশের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রবেশ করেছেন। সেমিকন্ডাক্টর খাতকে একটি জাতীয় অগ্রাধিকারভিত্তিক খাত হিসেবে আমরা বিবেচনা করছি। এই খাতের উন্নয়নে খুব সম্ভবত একক কোনো মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, এটা একটা সম্মিলিত জাতীয় মিশন।
তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি এই সেক্টরকে কীভাবে সামনে এগিয়ে নেয়া যায়, তার জন্য আমরা কতগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি; বিশেষ করে এই বাজেটে সেমিকন্ডাক্ট শিল্প তৈরির সব কাঁচামালের ওপরে সব ধরনের ট্যাক্স বা শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সার্ভিসের রপ্তানি আয়ের ওপরে নগদ ইনসেন্টিভ বা প্রণোদনা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তা উদ্ভাবন বাস্তবায়নের জন্য সরকার প্রথমবারের মতো বছরে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ অনুদানও রেখেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সর্বাত্মক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। বিনিয়োগবান্ধব নীতি কর সুবিধা, বন্ডের সুবিধা প্রদান এবং বিশেষায়িত অবকাঠামো নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ) এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সামিটে নীতিনির্ধারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন। দুদিনে ১১টি প্লেনারি সেশন, সাতটি কৌশলগত প্যানেল আলোচনা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
সামিটে টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টসের চিফ টেকনোলজি অফিসার ড. আহমেদ বাহাই, পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিমিত্রিওস পেরুলিসসহ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য দেবেন। এ ছাড়া গ্লোবালফাউন্ড্রিজ, এনএক্সপি, অ্যাপলাইড ম্যাটেরিয়ালস, স্যান্ডিস্ক, ক্রেডো এবং ভিয়েতনাম সেমিকন্ডাক্টর অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।
সামিটের পাশাপাশি ‘বিইএআর ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। এতে শিক্ষার্থী ও স্টার্ট-আপ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবিত সেমিকন্ডাক্টর, এআই, রোবোটিক্স, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য ডিপ-টেক খাতের উদ্ভাবন ৩৫টি স্টলে প্রদর্শন করা হবে।
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বায়োটেকনোলজি ও রোবোটিক্স খাতের সক্ষমতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ তুলে ধরতে রাজধানীতে আজ থেকে শুরু হয়েছে ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট-২০২৬’। এরইমধ্যে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নভো থিয়েটারে দু’দিনব্যাপী এ সামিট শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা যায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ) এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সামিটে নীতিনির্ধারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন। দুদিনে ১১টি প্লেনারি সেশন, সাতটি কৌশলগত প্যানেল আলোচনা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
সামিটে টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টসের চিফ টেকনোলজি অফিসার ড. আহমেদ বাহাই, পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিমিত্রিওস পেরুলিসসহ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য দেবেন। এছাড়া গ্লোবালফাউন্ড্রিজ, এনএক্সপি, অ্যাপলাইড ম্যাটেরিয়ালস, স্যান্ডিস্ক, ক্রেডো এবং ভিয়েতনাম সেমিকন্ডাক্টর অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।
সামিটের পাশাপাশি ‘বিইএআর ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। এতে শিক্ষার্থী ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবিত সেমিকন্ডাক্টর, এআই, রোবোটিক্স, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য ডিপ-টেক খাতের উদ্ভাবন ৩৫টি স্টলে প্রদর্শন করা হবে।
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে শুক্রবার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং উপদেষ্টাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
এই ঘটনা ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক মুহূর্ত। রাষ্ট্রপতির ভূমিকা তখন কেন্দ্রীয় হয়ে ওঠে। যদিও শপথ অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। এরপরই শুরু হয় আরও বড় বিতর্ক।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাষ্ট্র পরিচালনার সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় বারবার আলোচনায় আসে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের নাম। ওই দিন রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর কাছে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। জরুরি ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি। পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের বিষয়ে আপিল বিভাগের মতামত চান তিনি। আদালতের মতামতের ভিত্তিতে ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের শপথ পড়ান মো. সাহাবুদ্দিন।
আওয়ামী লীগের আমলে রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হওয়া মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভও হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়নি। বিশেষ করে বিএনপি তখন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চায়নি। ফলে নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির পদে থেকে যান মো. সাহাবুদ্দিন।
নির্বাচন–পরবর্তী পরিস্থিতি
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ১৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান। এর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি ও সরকারের রাজনৈতিক পটভূমিতে বড় ধরনের ভিন্নতা তৈরি হয়। মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের মনোনীত রাষ্ট্রপতি; অন্যদিকে নতুন সরকার বিএনপির নেতৃত্বাধীন। তারপরও ক্ষমতায় এসে বিএনপি সরকার তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে সরানোর পথে যায়নি। তবে নির্বাচনের পর থেকেই তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলছিল।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণের সর্বশেষ নজির তৈরি হয়েছিল ২০০২ সালে। ক্ষমতাসীন বিএনপির সঙ্গে বিরোধের জেরে ওই বছরের ২১ জুন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তখনকার স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সাক্ষাৎকার ঘিরে বিতর্ক
২০২৪ সালের অক্টোবরে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, তাঁর কাছে শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নেই এবং তিনি শুনেছেন, শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র দেওয়ার সময় পাননি। এই বক্তব্য প্রকাশের পর দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। কারণ, ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সেনাপ্রধান বলেছিলেন, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারে সেই বিবরণ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয় তখন।
সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্রনেতারা এবং রাজনৈতিক গোষ্ঠী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে। বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ হয়। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা বঙ্গভবন ঘেরাও কর্মসূচিও পালন করেন। নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের পর প্রশ্ন ওঠে, তাঁকে সরানো সম্ভব কিনা। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের জন্য সংসদে অভিশংসন প্রক্রিয়া প্রয়োজন। ফলে সে সময় অনেক সংবিধান বিশেষজ্ঞ বলেন, রাজনৈতিক দাবি থাকলেও সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতিকে সরানো সহজ নয়। ফলে রাজনৈতিক বিতর্ক চললেও তিনি দায়িত্বে বহাল থাকেন।
নতুন সংসদেও রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বিতর্ক
চলতি বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ নিয়েও বিতর্ক দেখা দেয়। সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধী দল রাষ্ট্রপতির অতীত ভূমিকা, বিশেষ করে শেখ হাসিনার পদত্যাগ প্রসঙ্গ তুলে সমালোচনা করে। এক পর্যায়ে বিরোধী সদস্যরা ওয়াকআউট করেন। ফলে সরকার পরিবর্তনের পরও রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শেষ হয়নি; বরং নতুন সংসদেও তা ফিরে আসে।
সব সময় বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন
বাংলাদেশের অধিকাংশ রাষ্ট্রপতি তাদের সাংবিধানিক সীমার মধ্যেই থেকেছেন এবং খুব কমই সরাসরি রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়েছেন। মো. সাহাবুদ্দিনের ক্ষেত্রে চিত্রটি ছিল ভিন্ন। দায়িত্ব নেওয়ার আগে তাঁর রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করা কিছু ঘটনা, সামাজিক মাধ্যমে পুরোনো কার্যকলাপ, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় তাঁর সাংবিধানিক ভূমিকা এবং পরে দেওয়া সাক্ষাৎকার– সব মিলিয়ে তিনি এমন এক রাষ্ট্রপতিতে পরিণত হন, যাঁকে ঘিরে বিতর্ক কখনও পুরোপুরি থামেনি।
৭৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। যদিও রাষ্ট্রপতির পদটি সাংবিধানিকভাবে মূলত আনুষ্ঠানিক, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তাঁর ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ব পায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মো. সাহাবুদ্দিন মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাঁর পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।