• প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫২ পিএম
  • আপডেট : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫৮ পিএম

এসএসসির ফলে এগিয়ে ছাত্রীরা

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫২ পিএম

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনে ছাত্রদের পেছনে ফেলেছে ছাত্রীরা। এবার ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৭ জন। এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।


ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রীরা ছেলেদের চেয়ে ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে।


এবার ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯০৯ জন। অন্যদিকে, ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্রের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন।


জিপিএ-৫ অর্জনেও ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। এবার মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র।


সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ঢাকা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা। এ বোর্ডে ৩৩ হাজার ২৫৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রী ১৮ হাজার ৩৩৩ জন এবং ছাত্র ১৪ হাজার ৯২০ জন।


জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় ঢাকা বোর্ডের পর রয়েছে রাজশাহী। এ বোর্ডে ১৬ হাজার ৩১৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। দিনাজপুরে ১৩ হাজার ৬৩৯, যশোরে ১১ হাজার ৪৭৮, কুমিল্লায় ৯ হাজার ৮১৪, চট্টগ্রামে ৯ হাজার ৩৯৮, ময়মনসিংহে ৫ হাজার ৭০০, সিলেটে ৩ হাজার ৮৩৬ এবং বরিশালে ২ হাজার ৭৭৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।


নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর বাইরে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৬ হাজার ৭১৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৫১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।


এবার সার্বিক পাসের হারও গত বছরের তুলনায় কমেছে। ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবার তা কমে হয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।


একইভাবে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও কমেছে। গত বছর ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এবার পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ৩ হাজার ৮৮৩টি কেন্দ্রে।




ইংরেজিতে পাস ৭৫ শতাংশের কম

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:২৭ পিএম

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সাতটিতেই ইংরেজিতে পাসের হার ৭৫ শতাংশের নিচে। আজ সোমবার সকালে প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর ফল থেকে এই তথ্য জানা গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়।


বিষয়ভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নয়টি বোর্ডের মধ্যে আটটিতেই ইংরেজি বিষয়ের পাসের হার বাংলা ও গণিত- উভয় বিষয়ের চেয়ে কম।


ময়মনসিংহে ইংরেজিতে পাসের হার সবচেয়ে কম- ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এরপর সিলেটে ৬৯ দশমিক ১১ শতাংশ এবং বরিশালে ৬৯ দশমিক ২৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ইংরেজিতে পাস করেছে।


যশোরে ইংরেজিতে পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৪ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭২ দশমিক ২৭ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭২ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং রাজশাহীতে ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।


শুধুমাত্র কুমিল্লা ও ঢাকা বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭৫ শতাংশের উপরে ছিল। কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ৮১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ঢাকায় ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী ইংরেজিতে পাস করেছে। অধিকাংশ বোর্ডে বাংলায় পাসের হার ছিল ৯০ শতাংশের উপরে। 


অন্যদিকে, দিনাজপুর বাদে বাকি সব বোর্ডেই গণিতের ফল ইংরেজির চেয়ে ভালো।


দিনাজপুরে গণিতে পাসের হার ৭১ দশমিক ০৫ শতাংশ। এই বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭২ দশমিক ৯১ শতাংশ।


১৯ বছরের মধ্যে এবার পাসের হার সবচেয়ে কম

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:০৫ পিএম

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। স্কুলের গণ্ডি পেরোনো এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা পাস করা মোট শিক্ষার্থীর ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ।


এই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট। আর পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।


গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করে। ২০০৭ সালের পর চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার সবচেয়ে কম। ওই বছর ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল।


এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।


এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় গত ২১ এপ্রিল। গত ২০ মে এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয়। দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।


তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার ‍দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের দীর্ঘ দিনের রেওয়াজ থাকলেও এবার তা সম্ভব হয়নি।


সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সোমবার সকাল ১০টায় একযোগে ফল প্রকাশ করে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।


শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছে।


  • এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক ও সমমানের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেছে।
  • এর মধ্যে নয়টি সাধারণ বোর্ডে ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।


এবারও পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা- দুদিক দিয়েই এগিয়ে আছে মেয়েরা।


  • ছাত্রদের পাসের হার যেখানে ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ, সেখানে ছাত্রীদের মধ্যে ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ পাস করেছে।
  • মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন।
  • আর ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন।
  • আর পূর্ণাঙ্গ জিপিএ, অর্থাৎ পাঁচে পাঁচ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র।


যেভাবে মিলবে ফল


সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া সমন্বিত ফলাফলের ওয়েবসাইট www.eduboardresults.gov.bd বা https://www.educationboardresults.gov.bd/v2/home থেকে পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারছে।


পাশাপাশি পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানতে পারবে।


যে কোনো অপারেটরের মোবাইল থেকে মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর লিখতে হবে।


এরপর স্পেস দিয়ে 2026 অর্থাৎ পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।


ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR।


মাদ্রাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফল জানতে SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।


আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।


প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে।


খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু মঙ্গলবার


সোমবার যেসব পরীক্ষার্থী আশানরূপ ফল পাবেন না, তারা মঙ্গলবার থেকে খাতা পুনর্নিরীক্ষাণের আবেদন করতে পারবেন।


ঢাকা বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এবার https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করে খাতা পুনর্নিরীক্ষাণের আবেদন করতে হবে শিক্ষার্থীদের।


সেখানে তাদের মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলে ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।


আবেদনের সময় স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে 'ফি প্রদান করুন' বাটনে ক্লিক করতে হবে।


প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি দিতে হবে পরীক্ষার্থীদের। দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।


ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে 'জমা দিন" বাটনে ক্লিক করতে হবে।


ঢাকা বোর্ড জানিয়েছে, ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।


এছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে। তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদন করা বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।


হাতে হাতে বা ম্যানুয়ালি শিক্ষা বোর্ডগুলো খাতা পুনর্নিরীক্ষণের কোনো আবেদন নেবে না।


ফলের ভিত্তিতে একাদশে ভর্তি, শূন্য থাকবে পৌনে আট লাখ আসন


চলতি শিক্ষাবর্ষেও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।


আগের মতই কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং এসএসসি ও।সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এবং পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।


গতবারের মত এবারও মেধা বা মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় একাদশে ভর্তির বিধান রেখে চলতি বছরের একাশনে ভর্তির নীতিমালার খসড়া তৈরি করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে প্রস্তাব হিসাবে পাঠানো হয়েছে। তবে রোববার রাত পর্যন্ত চলতি বছরের একাদশের ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই নীতিমালায় আবেদনগ্রহণ ও ফল প্রকাশের বিস্তারিত সূচি থাকবে।


উচ্চমাধ্যমিক কলেজ-মাদ্রাসাগুলোতে ফলের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম চললেও নটর ডেম কলেজ, হলিক্রস কলেজের মত চার্চ পরিচালিত কলেজগুলোতে বেশ কয়েকবছর আগে দেওয়া আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা হবে।


সারা দেশের উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোয় একাদশ শ্রেণিতে আসন রয়েছে ২৬ লাখের বেশি। অন্যদিকে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজারের বেশি। ফলে বরাবরের মত এবারও একাদশ শ্রেণিতে পৌনে ৮ লাখ আসন ফাঁকা থেকে যাবে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:১৪ এএম

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬-তে। আজ সোমবার সকাল ৮টা ১৭ মিনিটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্ট থেকে এ তথ্য জানা যায়।


গতকাল রোববার দুপুরে কারখানাটিতে আগুন লাগে। আগুনে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁয়। দুজনের বাড়ি নাটোর। একজনের বাড়ি রাজশাহী।


নিহত ব্যক্তিরা হলেন নওগাঁর ফরিদ, শুভ, রুবেল প্রামাণিক, সুমন, কলিমউদ্দিন, মোহন প্রামাণিক, সুমন প্রামাণিক, মিনহাজ, হৃদয়, শাহিন, আবদুল জলিল, মজিদুল, সাগর, নাটোরের শামিম, সাব্বির ও রাজশাহীর শ্যামল।


মর্মান্তিক এ অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রাণহানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গভীর শোক, আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জানিয়েছেন। পরিবারগুলোর এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোকের সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তসহ মরদেহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সৌদির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিকভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দিচ্ছে।


সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৫১ এএম

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 


এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিলো ৬৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে। চলতি বছরের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।


২০২৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন পরীক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন।


নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে (১১টি শিক্ষা বোর্ড) গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী।


এর আগে, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় আজ সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে। সকালে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রম প্রকাশ করা হয়।


এসএসসির ফল প্রকাশ

  • প্রকাশ : সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৩২ এএম

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ফল প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ। 


এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪.০৫ শাতংশ। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ।


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে পাসের হার তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। 


মন্ত্রী জানান, এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।


পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছেন। ফল দেখা যাচ্ছে ‘eduboardresults.gov.bd’ (https://eduboardresults.gov.bd) এবং ‘educationboardresults.gov.bd’ (https://educationboardresults.gov.bd) ওয়েবসাইটে।


এসএমএসের মাধ্যমে এসএসসির ফল জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে ইংরেজিতে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হচ্ছে। উদাহরণ, SSC DHA 123456 2026। এছাড়া ১৬২২২ নম্বরেও এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাচ্ছে।


মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার্থীরা ‘Dakhil MAD 123456 2026’ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানতে পারছেন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ‘SSC TEC 123456 2026’ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হচ্ছে।


এবার পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল শিট পেতে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিতে হবে।


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।


এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ শিক্ষার্থী।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাতারবাড়ি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ছবি: পিএমও

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:১৬ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাতারবাড়ি আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। 


কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ১২শ’ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন।


তিনি আজ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে এসে পৌঁছান। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান।


প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক এ কথা জানান।


প্রধানমন্ত্রী সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন।




এ সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিচালন কার্যক্রম, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা, প্ল্যান্টের পরিচালন দক্ষতা, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন।


একই সঙ্গে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তাঁর সামনে তুলে ধরা হয়।


ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়া তারেক রহমান দেশীয় প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রশংসা করে তাঁদের উৎসাহ প্রদান করেন। এসময় প্রকল্প এলাকায় প্রধানমন্ত্রী একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন ।


মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিটের সমন্বয়ে মোট ১,২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন। বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে আধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের জন্য বন্দর সুবিধা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোড এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি ঋণ সহায়তা দিয়েছে।


ব্রিফিং শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে বের হন।


দুপুর সাড়ে ১২টায়  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রস্তাবিত ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শনের উদ্দেশে রওনা হন এবং ১২টা ২৯ মিনিটে সেখানে পৌঁছান। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁকে প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত করেন।


একই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প এবং নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানও দেখানো হয়।


পরে প্রধানমন্ত্রী এলপিজি, এলএনজি ও কয়লা টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এসব প্রকল্পের পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ ব্যবহার সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি বিস্তারিত তথ্য নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মতামত ও দিক-নির্দেশনা দেন।


প্রধানমন্ত্রী পরে কয়লা জেটি পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে তিনি মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। কয়লা পরিবহন ও খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় বন্দর অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে এর সমন্বিত কার্যক্রম সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করা হয়।


এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত অস্থায়ী এলপিজি জেটি এবং ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত বিষয় তাঁর সামনে তুলে ধরেন।


পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ও দক্ষ ব্যবহার, প্রকল্প পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।


প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। এসব অবকাঠামোর পরিকল্পিত ও কার্যকর ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


মাতারবাড়ি প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য দেশের স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা। বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের বন্দর, সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এই বৃহৎ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


মাতারবাড়ি প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষ করে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে বাঁশখালীর উদ্দেশে রওনা হোন।


এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামছুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা প্রমুখ।