ছবি : সংগৃহীত
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে ফল প্রকাশ করা হয়।
চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। এ বছর গত ২ জুলাই থেকে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল।
গত বছর ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
এ বছর গত ২ জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
বোর্ডভিত্তিক পাসের হারের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।
এ ছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ প্রকাশ হয়েছে
চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর মোট পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। আজ শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফল প্রকাশ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে৷
এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১.৮০ শতাংশ। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ৪৫.০৬, কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮.০৪, যশোর বোর্ডে ৪৪.৯২ শতাংশ, চট্রগ্রাম বোর্ডে ৫২.০৭, বরিশাল বোর্ডে ৪৪.৮৪ শতাংশ, সিলেট বিভাগে ৫০.৯০ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫.৯৮ এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ।
এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯.৪৩ শতাংশ।
ছবি : সংগৃহীত
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। আজ শনিবার প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ বেলা ১১টায় রাজধানীর সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরপর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষার ফল একযোগে অনলাইন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রকাশ করা হয়। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রথমে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। পরে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের পর আরও ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পান। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১।
পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত ওয়েবসাইট eduboardresults.gov.bd (https://eduboardresults.gov.bd) এবং educationboardresults.gov.bd (https://educationboardresults.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারছেন। এ ছাড়া নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাচ্ছে।
মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাচ্ছে। এ জন্য HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। যেমন: HSC Dha 123456 2026।
উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন ১২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী।
ছবি : সংগৃহীত
এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল শনিবার প্রকাশিত হবে। বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রকাশিত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তিন ভাবে ফল জানা যাবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাবে।
পাশাপাশি মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। এজন্য HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: HSC Dha 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হবে আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২ জুলাই। এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। অবশ্য পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ শনিবার প্রকাশ হবে। বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রকাশিত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ জুলাই; শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
ফল জানা যাবে যেভাবে: শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাবে।
মোবাইল ফোনে এসএমএসে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদাহরণ: HSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদ্ধার করা অবিস্ফোরিত বোম
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মঞ্জুরুল বাছিতের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের ঠিক আগে ধানমন্ডির কলাবাগান এলাকায় ওই বাসার সামনে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় চারজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, এ ঘটনার পর সেখান থেকে আরও তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারকের বাসার সামনে চার থেকে পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে। যে তিনটি ককটেল অবিস্ফোরিত ছিল, সেগুলো উদ্ধারের পর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা নিষ্ক্রিয় করেছেন।
“পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে,” বলেন তিনি।
ঘটনার বিষয়ে বিচারকের এক স্বজন বলেছেন, জুমার নামাজের ঠিক আগমুহূর্তে তাদের বাসার সামনে দুর্বৃত্তরা তিনটি ককটেল নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে দুটি বিস্ফোরিত হয় এবং একটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় ছিল।
তবে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের এক কর্মকর্তা বলেছেন, খবর পেয়ে তাদের দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। হুমায়ুনি কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপান সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের মাধ্যমে একদিকে যেমন বাংলাদেশের জন্য জাপানের উন্নয়ন সহযোগিতা চলমান থাকা এবং বৃদ্ধি পাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত হয়েছে, অন্যদিকে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন ক্ষেত্র প্রশস্ত হয়েছে।
হুমায়ূন কবির বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি—‘সবার আগে বাংলাদেশ’কে ভিত্তি করে এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে যোগাযোগ, পরিবেশ, কৃষি, মানবসম্পদ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা, টেকসই অর্থনীতি আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থীতিশীলতা এবং রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে জাপানের নিরবিচ্ছিন্ন সহায়তার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রত্যাবর্তন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে, ২৬ অক্টোবর জাপানে পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ ছাড়া বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে এক ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন (প্রায় ৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়েও তারা আলোচনা করেন। বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করতে জাপানি একটি প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়েও তারা আলোচনা করেন।
সফরকালে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা দলিল স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি মোট ৪৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন (প্রায় ২৯৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) মূল্যের দুটি ‘ইয়েন-লোন’ (ঋণ সহায়তা) প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।
এই চুক্তিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি টহল জাহাজ সংগ্রহের জন্য ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন (১৩ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পর্যন্ত অনুদান সহায়তা সংক্রান্ত চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জাপানে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, সরকারি পর্যায়ের চুক্তির বাইরেও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো)-তে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।