হামের টিকা

  • প্রকাশ : রবিবার ১২ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৫:১৬ এএম

রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন জায়গায় হামের টিকাদান কর্মসূচি চলছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকেও পৃথকভাবে এ টিকাদান কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। আজ রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগর ভবনে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।


একই সময়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়োজনে মহাখালীর কড়াইল এলাকায় একটি স্কুল মাঠে আরেকটি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। 


এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।


অন্যদিকে সকাল ৯টায় মোহাম্মদপুর মেটারনিটি হাসপাতাল (১৪/৩৫ শাহজাহান রোড) প্রাঙ্গণে বিএনপির পক্ষ থেকে হামের টিকাদান কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। 


এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার।


এছাড়া সকাল ৯টায় শান্তিনগরের পীর সাহেব গলির মুখে বিএনপির আরেকটি উদ্যোগে টিকাদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।


এছাড়া সকাল ৯টায় শান্তিনগরের পীর সাহেব গলির মুখে বিএনপির আরেকটি উদ্যোগে টিকাদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:১০ পিএম

রাজধানীর মিরপুরে শিকড় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে মিরপুর-১১ নম্বরের জমজম টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।


ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নেভানো হয়েছে। চলন্ত অবস্থায় বাসটিতে আগুন লাগে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিক ধারণা তাঁদের।


এ ছাড়া মিরপুর-১ আনসার ক্যাম্প এলাকায় একই সময়ে অভিজাত পরিবহনের আরেকটি বাসে আগুনের ঘটনা ঘটে। তবে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নেভানো হয় বলে জানিয়েছে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে তিনি জানান।


এ ছাড়া, রাত আটটার দিকে রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় গাড়ির একটি গ্যারেজের সামনে আরেকটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পুলিশ বলছে, বাসটি আলিফ পরিবহনের। রাস্তার পাশে বাসটি পার্কিং করা ছিল। কে বা কারা পেছনের দিকে আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। উপস্থিত লোকজন সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভায়।


গতকাল শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর মালিবাগের সোহাগ বাস কাউন্টারের সামনে দুটি, সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে আগারগাঁওয়ে বেতার ভবনের সামনে, সাড়ে ছয়টার দিকে মহাখালী এলাকায়, রাত আটটার দিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে এবং রাত নয়টার দিকে মগবাজার মোড়ে একটি করে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 


সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান ফটকের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে আরও তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ইবাদুর রহমান নামের এক অটোরিকশাচালক আহত হন। আর রাত ১১টার দিকে রামপুরা বিটিভি ভবনের সামনে ২টি এবং রাত ১২টার দিকে নিউমার্কেট এলাকার ঢাকা কলেজের সামনে একটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।


এসব ঘটনায় বিভিন্ন থানায় মামলা হলেও কে বা কারা জড়িত, তা এখনো পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।


গতকালের এসব ককটেল বিস্ফোরণের পর নগরজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, উড়ালসড়ক ও প্রবেশপথগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল ও নজরদারি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০০ পিএম

রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানার পিছনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রাজধানীর আরও কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা।


আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে শপিংমলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সন্ধ্যার দিকে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবনের কাছাকাছি এবং মহাখালী এলাকায় পৃথক এ বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া গুলিস্তান, বঙ্গবাজার, বাবুবাজার ব্রিজসহ বেশ কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা। 


মহাখালী এলাকায় সন্ধ্যার দিকে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। প্রায় একই সময় আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবন সংলগ্ন এলাকায় সড়কের ওপর আরও একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।


এর আগে জুমার পর মালিবাগের ফরচুন শপিং মলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হয়। ওই ঘটনায়ও তাৎক্ষণিকভাবে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।


গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় ৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওইদিন প্রথমে জগন্নাথ হল গেট এলাকায় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর টিএসসি এলাকায় আরও একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার পর ঢাবি ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।


এছাড়াও ওইদিন দুপুরে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৫২ পিএম

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে তাদের আটকের পর তেজগাঁও থানায় নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।


ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কর্মকর্তারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।


ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, আটকরা সেখানে গোপন বৈঠক করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে অভিযান চালানো হয়।


আটকরা কোন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তাৎক্ষণিকভাবে তা জানায়নি পুলিশ।


ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আটকদের শেরেবাংলা নগর থানায় নেওয়া হয়েছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি, সিটিটিসি ও এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) কর্মকর্তারা সেখানে আছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।



সর্বশেষ সব খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৪ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। আজ রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে জগন্নাথ হলের সামনে দুটি এবং টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এতে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।



এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসলাফিল রতন বলেন, তারা ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সহকারী প্রক্টররা গিয়েছেন। ঘটনাটি কারা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।


এ ঘটনায় কারও আহত হওয়ার তথ্য এখনও পায়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দপ্তর। এসব হাতবোমা কারা ফাটিয়েছে কিংবা একটির সঙ্গে অন্যটির সংযোগ আছে কি না সেটিও এখনও বলতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ।


প্রক্টর কার্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মী দলের প্রধান ইউসুফ হারুন বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, ককটেল ফাটার সময় কেউ এদিকে গাড়িতে করে যায়নি। 


তিনি বলেন, ধারণা করছি- কেউ হয়ত জগন্নাথ হলের উপর থেকে মেরেছে। অন্যদিকে টিএএসির পাশে মেট্রোরেল সংলগ্ল রাস্তায় যে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটা বাইকে করে কেউ মেরে দিয়ে চলে গেছে।


সর্বশেষ সব খবর

ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্য দেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:১১ পিএম

রাজধানীর প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্লক চেকসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। অপরাধীরা যাতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকায় এসে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে, সেজন্য আগাম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পাশাপাশি সন্দেহভাজনদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। সোমবার সকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে আগস্ট ২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্লক চেকসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অপরাধ সংঘটনের আগেই তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও তাৎক্ষণিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।


অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে সিটিটিসি, ডিবি ও থানা পুলিশকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে ডিউটি করতে হবে, যাতে কোনো এলাকায় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শূন্যতা সৃষ্টি না হয় এবং দায়িত্ব পালনে কোনো ঘাটতি না থাকে।


আবাসিক হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেলের অতিথিদের তালিকা নিয়মিত সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, হোটেলগুলো থেকে অতিথিদের তথ্য সংগ্রহের কার্যকর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনের সময় যেন এসব তথ্য দ্রুত পাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।


সভায় আগস্ট মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।

 

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৬ পিএম

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গুলশানে মিছিলে অংশগ্রহণকারী ৪০ জনকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ 


এর আগে গতকাল শনিবার মিছিলে সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে ৩২ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছিল ডিএমপি। তিনি বলেছিলেন, ‘এ ঘটনায় ১১৮ জনের নামে মামলা হয়েছে। এর মধ্যে অজ্ঞাত ৮০ থেকে ১০০ জন’ যারা সরাসরি ককটেল বিস্ফোরণসহ রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত ছিল।’ 


এছাড়া মিছিলের সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করার কথা জানিয়েছিল গুলশান থানা পুলিশ। অর্থাৎ এ নিয়ে মোট ৭৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।


শুক্রবার দুপুরে গুলশান–১ এ আওয়ামী লীগের ব্যানারে একটি মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন মো. আরাফাত (২০) ও আ. রহিম (৪৯)।


পুলিশ জানায়, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান–১ এর ভোলা মসজিদের সামনে থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করার চেষ্টা চালান। পুলিশ এগিয়ে গেলে তারা ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে।


গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ সদস্য গুলশান এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিলের চেষ্টা করেন। এ সময় নিকেতন এলাকায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশের এক উপপরিদর্শক তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে পাঁচটি তাজা ককটেল ফেলে পালিয়ে যান। 


ওসি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে তারা স্লোগান দেন মিছিলে। মিছিলটি প্রায় ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে গুলশান এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকশ’ লোক একটি মিছিল বের করেছেন। সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর