ইঁদুরে তার কেটে দেওয়ার কারণে ঢাকার কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটর সিগন্যালের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ট্রাফিক ক্যামেরা দুই দিন বা ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ ছিল। তবে কারিগরি ত্রুটি দূর এবং সংযোগ তার মেরামত করার পর ক্যামেরাগুলো আবার সম্পূর্ণ সচল করা হয়েছে।
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ দাবি করেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্যটি সঠিক নয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সব এআই ক্যামেরা সচল রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়, কারওয়ান বাজারের পর বাংলামোটরের এআই ক্যামেরাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অনেকের মধ্যে ধারণা তৈরি হয় যে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
ডিএমপির আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম বিশ্লেষক শারমিন আফরোজ গণমাধ্যমকে জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় এআই ক্যামেরা ব্যবস্থার কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। তবে, এটি কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম স্থগিতের কারণে নয়। মূলত ওই এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ অবকাঠামো-সংক্রান্ত কিছু কারিগরি কাজ চলাকালে ক্যামেরা ব্যবস্থার সংযোগ তার বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে সাময়িকভাবে ক্যামেরাগুলোর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে।
তিনি জানান, প্রয়োজনীয় মেরামত ও কারিগরি ত্রুটি দূর করার পর ক্যামেরাগুলো আবারও সচল করা হয়েছে। বর্তমানে কারওয়ান বাজার এলাকায় তিনটি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং আরও একটি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান।
শারমিন আফরোজ বলেন, এআই ক্যামেরা ব্যবস্থা বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। বর্তমানে রাজধানীতে ১১০টি এআই ক্যামেরা সচল রয়েছে। আরও ১০টি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইঁদুরের তার কেটে দেওয়ার কারণে ঢাকার দুই সিগন্যালের এআই ক্যামেরা দুই দিন বন্ধ ছিল। পরে মেরামত শেষে সেগুলো আবার সচল করা হয়েছে।
ডিএমপির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে এবং সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এআইভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থার পরিধি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বক্তব্য রাখছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। ছবি: সংগৃহীত
গত শুক্রবার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো লায়ন জেলা ৩১৫ এ২ আয়োজিত পক্ষকালব্যাপি ‘অক্টোবর সেবাপক্ষ ২০২৬ ‘কার্যক্রম । লায়ন জেলা ৩১৫ এ২ এর গভর্নর লায়ন মহসিন ইমাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারহানা শারমীন, এমপি।
ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আন্তর্জাতিক পরিচালক লায়ন নাজমুল হক, গ্যাট এরিয়া লিডার লায়ন কাজী সাইফুল, এলসিআই এফ এরিয়া লিডার একে এম রেজাউল হক, কাউন্সিল চেয়ারপার্সন লায়ন মোসলেহউদ্দিন আহমেদ অপু, পিডিজি ফোরাম চেয়ারপার্সন লায়ন শফিকুল আজম ভূইয়া, আই পিডিজি লায়ন শংকর কুমার রায়, ১ম ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন এমরান ফারুক মইন, ২য় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন কিশোয়ার খান, পিডিজি লায়ন শেখ আনিসুর রহমান, কেবিনেট সেক্রেটারি লায়ন অ্যাডভোকেট এনায়েতউল্লাহ শফিক, ক্যাবিনেট ট্রেজারার খাদিজা বিনতে মনির তিয়াশা, লিও জেলা ৩১৫এ২ এর সভাপতি লিও শুভ্র দে সরকারসহ বিশিষ্ট লায়ন নেতৃবৃন্দ ।
লায়ন জেলা ৩১৫ এ২ এই কার্যক্রমের আওতায় ১৩০০ এর বেশি সেবা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষকে সেবা প্রদান করেছে ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ফারহানা শারমীন বলেন, লায়ন জেলা ৩১৫ এ২ মানব সেবায় যে অবদান রেখে চলেছে তা প্রশংসার এবং একই সাথে আরো প্রচারের দাবি রাখে । প্রধান অতিথি লায়ন সেবায় সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সব ধরণের সহযোগিতা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। অনুষ্ঠান শেষে অধিক সংখ্যক সেবা প্রদানকারী ক্লাবগুলোকে পুরস্কার প্রদান করা হয় ।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর হাজারীবাগে এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়-গুদামে হামলা-ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় করা মামলার বাদীকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বাদীকে বলা হয়েছে, আজ শনিবারের মধ্যে সমঝোতা না করলে তাঁর ‘লাশ পড়ে থাকবে’।
গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে মামলার বাদী কুরিয়ার সার্ভিসটির ব্যবস্থাপক আফসার উদ্দিনকে ফোন করে এ হুমকি দেওয়া হয়।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, তিনি বাদীর সঙ্গে কথা বলেছেন। বাদীর সঙ্গে হুমকিদাতার কথোপকথনের অডিও তাঁকে (ওসি) পাঠানো হয়েছে। অডিওটি যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়টিকেও মামলার তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে।
হুমকির বিষয়ে জানতে মামলার বাদী আফসারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মামলার বাদীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে মূল আসামি সাইফুল ও জুয়েল এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম নিয়ে তাঁদের নেতৃত্বেই কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়-গুদামে হামলা চালানো হয়েছিল। এখন তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় আছেন।
বাদীর সঙ্গে হুমকিদাতার কথোপকথনের অডিওতে শোনা যায়, হুমকিদাতা সালাম দিয়ে আফসারকে বলছেন, ‘ভাই মামলার বাদী যে হলেন আপনার নিজের মামলার বাদী কে হবেন?’
এ সময় বাদী বলেন, ‘কোনটা ভাই?’ জবাবে হুমকিদাতা বলেন, ‘কোনটা আপনি বোঝেন না?’
এরপর ওই ব্যক্তি অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন। তিনি বাদীকে বলেন, ‘কালকের (শনিবার) মধ্যে যোগাযোগ করার ব্যবস্থা করা না হলে লাশ পড়ে থাকবে।’
পরে বাদী এই ব্যক্তির পরিচয় জানতে চান। জবাবে হুমকিদাতা বলেন, ‘তোর বাপ বলছি।’ এ কথা বলে তিনি আবার গালাগাল করেন।
তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘কালকের দিন সময় দিলাম, তোর বাপের সাথে কথা বলে ঝামেলা শেষ করতে বল। না হলে সবার আগে তোর লাশ পড়ে থাকবে।’
ব্যবস্থাপক আফসার আবার পরিচয় জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘নাম-পরিচয় জানোস না, কেডা ফোন দিতে পারে?’
এ সময় বাদী নিজে এই প্রতিষ্ঠানের মালিক নন বলে জানান। তখন মুঠোফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, ‘মালিক না তো বাদী হইছোস কেমনে?’ এরপর হুমকি দেওয়া ব্যক্তি ফোন কেটে দেন।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ‘এখন থেকে জমির ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনকে দিতে হবে’-এই কথা বলে হাজারীবাগে এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের গুদাম ও কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট চালানো হয়। ভাঙচুর শেষে কয়েক লাখ টাকার পণ্য ও সিসিটিভি ক্যামেরা খুলে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের ভাষ্য, হামলাকারীরা নিজেদের শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের লোক পরিচয় দিয়ে হামলা চালায়। প্রতিষ্ঠানটি দুই বছর আগে শিকদার গ্রুপের কাছ থেকে চুক্তির মাধ্যমে জমিটি ভাড়া নেয়। তবে এখন থেকে জমির ভাড়া ইমনকে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
হামলার ঘটনায় করা মামলায় এখন পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং সংলগ্ন ঘুন্টিঘর এলাকার মাদক স্পট থেকে গ্রেপ্তার কয়েকজন
রাজধানীর দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং সংলগ্ন ঘুন্টিঘর এলাকার মাদক স্পটে এবার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিএমপি জানায়, দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো– শামসুল হক, মো. ইকবাল হোসেন জিহাদ, আরাফাত হোসেন শামীম, মো. আব্দুল্লাহ রাহুল, মোহাম্মদ হোসেন, সাইমুর, ইমন, অভি, মো. রাফিন, জুনায়েদ হোসেন, মো. সাইদ হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মো. ইমরান আরাফাত, মো. মারুফ হোসেন, সাহিদুর, মো. উজ্জল, মো. রবিন, মো. মাসুদ, মো. দুলু, ফরিদ বেপারী, মো. জনি, কবির, ইউসুফ, মো. আল রাব্বি, মো. শুভ, মো. শাওন, মো. সেন্টু মিয়া ও একজন শিশু। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত কয়েকদিনে একাধিক অভিযানের পরও স্পটটিতে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন চলছিল। পরে শুক্রবার বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে সেখান থেকে ২৮ জন মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে এই স্পটেই গত শনিবার অস্ত্র উঁচিয়ে অভিযান চালিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন সদ্য সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত রোববার ইশরাক হোসেনকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। এরপর সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেন পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
এরপর স্পটটিতে দুই দফায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে আরও ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
‘মুখে ল’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য মো. দিদার
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কুখ্যাত ‘মুখে ল’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য মো. দিদারকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন বোটঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, জাওরা রাব্বি ও ভান্ডারি ইমনের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘মুখে ল’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য দিদার। তার বাবার নাম ইউসুফ আলী এবং মায়ের নাম কুলসুম বেগম। বর্তমানে তিনি মোহাম্মদপুরের কাটাশুরের নামার বাজার এলাকায় থাকতেন।
গ্রেপ্তার দিদারের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও মারামারিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. জুয়েল রানা।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর রায়েরবাজার বোটঘাট এলাকায় রায়েরবাজার ফাড়ির আক্কেল আলী নেতৃত্বে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় একাধিক ডাকাতি প্রস্তুতি মারামারি সহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। তিনি মোহাম্মদপুরের আলোচিত কিশোর গ্যাং ‘মুখে ল’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।
ছবি : সংগৃহীত
রাতের বেলা খানিকটা শীতের আবহ তৈরি হলেও ঢাকার চিত্র ভিন্ন। তাপমাত্রা খানিকটা কমার মধ্য দিয়ে ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব টের পাওয়া গেলেও গরমের রেশ এখনো বিদ্যমান। তবে এই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে নিত্যপণ্যের বাজারেও। শীত না এলেও এই মৌসুমের কিছু সবজি বাজারে এসেছে। বরাবরের মতোই এসব সবজি বেশ চড়া দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে পুরনো সবজিগুলোর দাম খানিকটা কমতে শুরু করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বাড্ডা, রামপুরা, সেগুনবাগিচা, মগবাজার ও কারওয়ানবাজারসহ কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি বছরের মতোই এবারও আগাম বাজারে এসেছে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিম। যে সবজিগুলোর শীতের মধ্যে ব্যাপক সরবরাহ যেমন থাকে তেমনি ভোক্তার চাহিদাও থাকে ব্যাপক। তবে আগাম সবজির উৎপাদন কম থাকায় পণ্যগুলোর দাম থাকে খানিকটা চড়া। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারে এখন ছোট ও মাঝারি আকারের ফুলকপি পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিটি ফুলকপি বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত দামে। একইভাবে বাজারে আসা প্রতিটি বাঁধাকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি দামে নতুন আসা শিমের। নতুন শিমের স্বাদ নিতে ভোক্তাকে গুণতে হচ্ছে অন্তত ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। যদিও এই দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০ টাকা বা তারও বেশি কম। এ ছাড়া কোথাও কোথাও অবশ্য অল্প পরিমাণে মুলাও বিক্রি করতে দেখা গেছে।
মেরুল বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টের সবজি বিক্রেতা শরিফুল ইসলাম কে বলেন, সপ্তাহ দুয়েক ধরেই ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিম বাজারে এসেছে। তবে ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে দামও কমছে।
বিক্রেতারা জানান, শীতের সবজির সরবরাহ পুরোপুরি না আসা পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন সবজিগুলো এখনো বাজারে ভোক্তার চাহিদা পূরণ করছে। এর মধ্যে পটোল, বেগুন, ঝিঙা, বরবটি, লাউ, ঢ্যাঁড়স-সহ নানান সবজি রয়েছে। পূজার ছুটির কারণে একদিকে ক্রেতা কম অন্যদিকে নতুন সবজির আগমন, দুই চাপে দাম খানিকটা কমতে শুরু করেছে।