ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৬:১৪ এএম

সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে আদালতে নেওয়ার সময় ‘টেনশন না করতে বলা’ দুই পুলিশ সদস্যকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে চিঠি দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।


বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক চিঠিতে এ তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডেপুটি রেজিস্টার মাহমুদুল হাসান।


চিঠিতে বলা হয়, ডিএমপি থেকে প্রেষণে ট্রাইব্যুনালে কর্মরত কনস্টেবল মো. জামাল হোসেন ও কনস্টেবল মো. সোলাইমান হোসেনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, ২৯ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি হাসানুল হক ইনুকে এজলাস থেকে হাজতখানায় আনা-নেওয়ার সময় দুই কনস্টেবল শৃঙ্খলাবহির্ভূত কথাবার্তা বলেন। ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে তাদের এ আচরণ দৃশ্যমান হয়, যা ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা ও বিচারিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।


সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইনুকে এজলাসকক্ষ থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় দুই পুলিশ সদস্য তাকে বলেন, ‘টেনশন কইরেন না, আমরা আছি তো স্যার।’ 


এ ঘটনায় ট্রাইব্যুনাল তাদের তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।


প্রসঙ্গত, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বর্তমানে বিচার চলছে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে। 


গতকাল (বুধবার) তার পক্ষে ষষ্ঠ দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৪ মে দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।




খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

  • প্রকাশ : রবিবার ২৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:০৪ পিএম

খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন আপন খালাতো ভাই আজিজুর রহমান টাইগার।


রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে ডিপজলের খালাতো ভাই এ ওয়ান ট্রেডিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টাইগার এ মামলা করেন।



মামলায় ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।


বাদীপক্ষের আইনজীবী মাজহারুল ইসলাম মারুফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে ডিবি পুলিশের ডিসিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামি ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।


মামলায় অভিযোগ করা হয়, আজিজুর রহমান টাইগারের সুনাম, সুখ্যাতি, ব্যাবসায়িক সফলতা, দেশ-বিদেশে পরিচিতিতে ঈষান্বিত হয়ে ডিপজল বিভিন্নভাবে তার অপচেষ্টায় লিপ্ত। তারই ধারাবাহিকতায় ম্যানেজার আব্দুল গণি গত বছরের ৩ অ্যাগাস্ট আজিজুর রহমান টাইগারের বিরুদ্ধে দারুস সালাম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।



সেখানে অভিযোগ করা হয়, টাইগারের নির্দেশে ৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিলশাদ, সাইদুর রহমানসহ ১০-১৫ জন তাদের (ডিপজলের) ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজিতে জোর করে সাইনবোর্ড ভেঙে তাদের নামে লাগানোর চেষ্টা করে। তারা জমির মালিকানা দাবি করে সামনের মাস থেকে ভাড়া দাবি করে। তবে জিডির তদন্তে টাইগারের সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ। পরদিন ডিপজল তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দেন।



টাইগার দাবি করেন, ওই সম্পত্তির (নাভানা সিএনজি) মালিক তিনি নিজে। ডিপজল ওই সম্পত্তি তার দাবি করে তাকে সমাজে তাকে হেয় করতে চেয়েছেন।



বাদী অভিযোগ করেন, ডিপজল শুধু ফেসবুক পোস্টে ক্ষ্যান্ত হননি। টেলিভিশন, বিভিন্ন পত্রিকায়, অনলাইন নিউজপোর্টালে বিষয়টি প্রচার করে। এতে তার সামাজিক সম্মানহানী করে, ব্যাবসায়িক সুনাম ও কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছেন।


সুপ্রিম কোর্ট

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:২৯ এএম

হাইকোর্ট বিভাগের ১০টি ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে আজ বৃহস্পতিবার ৭ হাজার ৮৫৩টি পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এটি এক কার্যদিবসে পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তির নতুন রেকর্ড। সুপ্রিম কোর্ট থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, সম্প্রতি পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৯ কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে একদিন করে) মোট ৩৫ হাজার ৭৯২টি পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন পর্যন্ত পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা ও পুরাতন রিট মামলা মিলিয়ে মোট ৪২ হাজার ৬৯৯টি পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। 


সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ এবং রিট মোশন বেঞ্চে দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলছে। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, মামলা জট হ্রাস এবং বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত এ বিশেষ উদ্যোগের আওতায় ধারাবাহিকভাবে বিপুল সংখ্যক পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন এবংরিট মোশন বেঞ্চে বিচারপতিরা দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে পুরাতন ক্রিমিনাল মিস ও পুরাতন রিট মামলা নিষ্পত্তির বিশেষ এ কার্যক্রম শুরু করেন। পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৪১ এএম

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।


আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। এর ফলে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে চলমান মামলায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হলো।


এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনার পর হাজতখানায় রাখা হয়। দুপুর ১২টার দিকে তাকে আদালতে তোলা হয়।


প্রসিকিউশন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে মোজাফফর হোসেনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।


প্রসিকিউশন জানায়, মোজাফফরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে বৃহস্পতিবার হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।


উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


জিয়া হত্যার আসামি মোজাফফর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:১৩ এএম

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। 


এদিন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।


প্রসিকিউশন জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে আজ হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করবে প্রসিকিউশন।


এর আগে, ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন।


উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


এদিকে, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ২১ জুলাই দিন ধার্য ছিল। ওই দিন আরও দুই মাস সময় চেয়েছে প্রসিকিউশন। কিন্তু মোজাফফরের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগ থাকায় নতুন তারিখ দেননি আদালত। এজন্য তাকেও আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।


হাইকোর্ট

  • প্রকাশ : রবিবার ১৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৫৬ এএম

নারী লাশের পোস্টমর্টেম করতে বাংলাদেশের পোস্টমর্টেম করা হাসপাতালগুলোতে নারী ডোম নিয়োগের নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ রোববার (১৯ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। 


আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. মনির উদ্দিন। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মনির উদ্দিন জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেছেন।


রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। এর আগে বাংলাদেশের পোস্টমর্টেম করা হাসপাতালগুলোতে একজন করে নারী ডোম নিয়োগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়। আইনজীবী মো. মনির উদ্দিন এ আবেদন করেন।


এতে বলা হয়, বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ রাষ্ট্র। ইসলাম ধর্মসহ সব ধর্মের নারীর লাশ সতর বা পর্দার অন্তরালে রাখা বিধান রয়েছে। ময়নাতদন্ত একটা আইনি প্রক্রিয়া হলেও নারীর ক্ষেত্রে পরপুরুষের স্পর্শ বা উপস্থিতি গ্রহণযোগ্য নয়। ইতিপূর্বে পুরুষ কর্তৃক বাংলাদেশে মৃত নারীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদ প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে নারী ডোম থাকলে গোপনীয়তা ও মর্যাদা রক্ষা পাবে। সড়ক দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে যদি কোনও নারী মারা যায় তাহলে তার পরিবার এমনিতেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকে। এমন পরিস্থিতিতে যখন জানতে পারে কোনো পুরুষ সদস্য তাদের পরিবারের প্রিয় নারী সদস্যের পোস্টমর্টেম করবে তাহলে তা হয় আরও হৃদয়বিদারক। যদি কোনো নারী ডোম তাদের কাজটি করতো তাহলে ওই দুঃসময়ে তারা একটু সান্ত্বনা পেতো। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমান যুগে নারীরা সব ক্ষেত্রে পুরুষের সঙ্গে কাজ করছে।


এতে আরও বলা হয়, ময়নাতদন্তের মতো জায়গায় যদি নারী ডোম থাকে তাহলে ধর্মীয় বিষয়টি রক্ষা পাবে এবং বৈষম্য দূর হবে। আধুনিক সমাজের নারী রোগীদের বা মরদেহের সুরক্ষা নিশ্চিত করা একটি যুগোপযোগী চাহিদা। মানবাধিকার সনদ অনুযায়ী মৃত্যুর পরও একজন মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন নিশ্চিত করা জরুরি। মর্গে অনেক সময় পুরুষ ডোমের দ্বারা মৃত নারীর শরীরে বিকৃত যৌনাচারের ঘটনা ঘটেছে।


আবেদনে বলা হয়, গত ২২ অক্টোবর, ২০২৫ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা এক তরুণীর লাশের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার করার অভিযোগ উঠে মর্গের ডোম আবু সাঈদের (২৯) বিরুদ্ধে। মর্গের চিকিৎসক এ বিষয়ে নিশ্চিত করার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়; যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া ২০ নভেম্বর ২০২০ সালে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে লাশের সঙ্গে যৌনাচারের অভিযোগে যতন কুমার পালের ভাগ্নে মুন্না ভগত (২০) ডোমকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর সে নিজের দোষ স্বীকার করেছে।


এছাড়া এক-দুই জন নয়, ১০০ জন নারীর লাশের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের কথা নিজের মুখে স্বীকার করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহীওর এক মর্গ রক্ষী কেনেট ডগলাস (৬০)। সে ১৯৭৬ সালের থেকে ১৯৯২ সালে রাতের শিফটে কাজ করার সময় মর্গে আসা ১০০টি নারী লাশের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করেছে। এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে বাংলাদেশের যেসব হাসপাতালে পোস্টমর্টেম হয়, সবগুলো হাসপাতালে একজন নারী ডোম নিয়োগ এবং মহিলা লাশের সম্ভ্রম রক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।


তবে সে আবেদনে সাড়া না পাওয়ায় তিনি জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।


হাইকোর্টে একদিনে ৬৩৪০ মামলা নিষ্পত্তির রেকর্ড

এ পর্যন্ত নিষ্পত্তি ৩২ হাজার ৯০০ মামলা


সুপ্রিম কোর্ট

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:১৪ এএম

হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ ও রিট মোশন বেঞ্চে আজ বৃহস্পতিবার ৬ হাজার ৩৪০টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে ৬ হাজার ৩১৭টি পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। একই সঙ্গে রিট মোশন বেঞ্চে ২৩টি পুরাতন রিট মামলা নিষ্পত্তি করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 



এতে বলা হয়, পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত সাত কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে একদিন করে) মোট ২৬ হাজার ১৫৩টি পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা এবং ৬ হাজার ৭৪৭টি পুরাতন রিট মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন পর্যন্ত পুরাতন ক্রিমিনাল মিস মামলা ও পুরাতন রিট মামলা মিলিয়ে মোট ৩২ হাজার ৯০০টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। 



সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ এবং রিট মোশন বেঞ্চে দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলছে। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, মামলা জট হ্রাস এবং বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত এ বিশেষ উদ্যোগের আওতায় ধারাবাহিকভাবে বিপুল সংখ্যক পুরাতন মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। 


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন এবংরিট মোশন বেঞ্চে বিচারপতিরা দীর্ঘদিনের পুরাতন মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে পুরাতন ক্রিমিনাল মিস ও পুরাতন রিট মামলা নিষ্পত্তির বিশেষ এ কার্যক্রম শুরু করেন। পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।