• প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৪ জুন, ২০২৬, সময় : ৭:২৩ এএম

আবদুল মোনায়েম মুন্না ও নূরুল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদনের কথা জানানো হয়েছে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে।


এর আগে, ২০২৪ সালের ৯ জুলাই আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি ও নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে যুবদলের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। 


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে রয়েছেন— 


১. সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ২. সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল ৩. সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া ৪. সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ ৫. সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ৬. সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল ৭. সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী ৮. সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান ৯. সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু ১০. সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান ১১. সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম ১২. সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল ১৩. সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ১৪. সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার ১৫. সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু ১৬. সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ ১৭. সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন ১৮. সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক ১৯. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল ২০. সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন ২১. সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু ২২. সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক ২৩. সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র) ২৪. সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য) ২৫. সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না ২৬. সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু ২৭. সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ২৮. সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন ২৯. সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ ৩০. সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে) ৩১. সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন ৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক ৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ ৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু ৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন ৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া ৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল ৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন ৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট ৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির ৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন ৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ ৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল ৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার ৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক ৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক ৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন ৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন ৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক ৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার ৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু ৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহাব ৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব) ৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ ৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম ৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে) ৬১. সহ সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন ৬২. সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ ৬৩. সহ সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল ৬৪. সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ ৬৫. সহ সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন ৬৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া ৬৭. সহ সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান ৬৮. সহ সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি ৬৯. সহ সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান ৭০. সহ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল ৭১. সহ সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন ৭২. সহ সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন ৭৩. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ ৭৪. সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ ৭৫. সহ সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল ৭৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ৭৭. সহ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম ৭৮. সহ সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ ৭৯. সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল ৮০. সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদুল হক ৮১. সহ সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না ৮২. সহ সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা ৮৩. সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী ৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জুয়েল ৮৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার ৮৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা ৮৭. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন ৮৮. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ৮৯. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম ৯০. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন ৯১. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম ৯২. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ৯৩. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল ৯৪. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম ৯৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ ৯৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম রিপন ৯৭. প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার ৯৮. সহ প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান ৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন ১০০. সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল ১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন ১০২. কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন ১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক ১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি ১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ ১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল ১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মোঃ মাসকুরুল আলম সৌরভ ১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম ১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন ১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল ১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম ১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু ১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি ১১৪. সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মেজবাহউদ্দিন মেজু ১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন ১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু ১১৭. সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল ১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী ১১৯. সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম ১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু ১২২. ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ ১২৩. সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার ১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী ১২৫. সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন ১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী ১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স ১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি ১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান ১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম ১৩১. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন ১৩২. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল ১৩৩. সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহিদ হাসান ১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) ১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার ১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান ১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া ১৪০. সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ ১৪১. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান ১৪২. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার ১৪৩. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ্বাস ১৪৪. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব ১৪৫. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু ১৪৬. সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ ১৪৭. সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু ১৪৮. সদস্য মাহমুদুল করিম সজল ১৪৯. সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন ১৫০. সদস্য মো. এমরান হোসেন শাহীন ১৫১. সদস্য ফখরুল বিন খালেক।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:১১ পিএম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যারা ১৫ বছর ধরে গুম, খুন ও নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের আশকারা দিচ্ছেন কেউ কেউ। সাপ নিয়ে নাড়াচাড়া করবেন না, সেই সাপই ছোবল দিয়ে শেষ করে দেবে।


মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।


শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো স্বাভাবিকভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন শেষে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে পারেনি। দলটি সব সময় লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়ে বিদায় নিয়েছে। কেউ যদি আবার সেই পথ অনুসরণ করতে চান, তা হলে তাদের পরিণতিও ভিন্ন হবে না। 


বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা কোনো প্রতিহিংসার বিচার চাই না, ন্যায়বিচার চাই। অন্যায়ভাবে কাউকে ফাঁসি দেওয়া তো দূরের কথা, কারও একটি লোম ধরে টান দেওয়া হোক তাও আমরা চাই না। তবে ন্যায়বিচার হলে প্রতিটি অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে। এই বাংলাদেশ আমাদের সবার। কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির হাতে বাংলাদেশকে ইজারা দেব না। আমরা আমাদের বাংলাদেশকে দেখে-শুনে রাখব, পাহারা দিয়ে রাখব।


জামায়াতের নেতাদের ত্যাগের কথা উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, জীবন একটাই— এ জীবন আল্লাহর জন্য ও মানবতার জন্য উৎসর্গ করতে আমরা প্রস্তুত। তবে কোনো অন্যায়ের কাছে আমরা মাথানত করব না। ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার সময় আমার দলের নেতাদের পা কাঁপেনি, ঠোঁট কাঁপেনি। কারণ তারা বিশ্বাস করতেন, তাদের ওপর জুলুম করা হয়েছে এবং তারা শহিদ হয়ে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।


বিগত সময়ে গুম ও হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমার দলের অনেক সহকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। তাদের কারও কারও কবর এখনও পরিবারের সদস্যরা খুঁজে পাননি। অনেক মা-বাবা এখনও জানেন না, তাদের সন্তান বেঁচে আছেন, নাকি মারা গেছেন। মারা গিয়ে থাকলে তার কবর কোথায়, সেটিও তারা জানেন না। গত ১৫ বছরে এসব ঘটনা ঘটেছে, এরপরও কেউ কেউ সেই শক্তিকে আশকারা দিচ্ছেন।


বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রাজনীতি যদি মানুষ হত্যা করার নাম হয়, তা হলে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে পারে। কিন্তু রাজনীতি যদি মানুষের কল্যাণে দেশ গড়া, দেশকে এগিয়ে নেওয়া, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্য দূর করার নাম হয়, তা হলে আওয়ামী লীগের সেই যোগ্যতা নেই। এ কারণে বাংলাদেশে দলটির রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, ওই দলের মধ্যে যারা ভালো মানুষ এবং দেশকে ভালোবাসেন, তারা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী রাজনৈতিক ঠিকানা খুঁজে নেবেন। তবে ফ্যাসিবাদ বাংলাদেশে আবার ফিরে আসবে, এমন কল্পনা কাউকে না করার আহ্বান জানান তিনি।


সর্বশেষ সব খবর

হামিদুর রহমান আযাদ

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:২৯ পিএম

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার নৃশংস হামলায় নিহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ২৮ অক্টোবর শুধু একটি তারিখ নয়; এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে রক্ত, কান্না ও নির্মমতার এক কলঙ্কিত অধ্যায়। সেদিন মানুষের জীবনের ওপর যেভাবে বর্বরতা চালানো হয়েছিল, তা সভ্য সমাজের বিবেককে আজও নাড়া দেয়।


তিনি বলেন, চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ শেষে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট সেদিন দেশব্যাপী তাণ্ডব চালায়। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামীর জনসভায় লগি-বৈঠা, লোহার রড ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে ঢাকাসহ সারাদেশে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ১৪ জন নেতাকর্মী নিহত এবং সহস্রাধিক মানুষ আহত হন। নিহতদের নিথর দেহের ওপর নৃত্য করে উল্লাসের যে পৈশাচিক দৃশ্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছিল, তা জাতির বিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। সন্তানহারা মা-বাবা, স্বামীহারা স্ত্রী এবং স্বজনহারা পরিবারগুলোর বুকফাটা আর্তনাদ আজও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে।


তিনি আরও বলেন, ২৮ অক্টোবরের ঘটনায় দায়ের করা মামলা তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রত্যাহার করে বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। দীর্ঘদিন ধরে বিচার না হওয়া নিহতদের পরিবারের প্রতি চরম অবিচার। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা ক্ষমতার দাপট হত্যাকাণ্ডের বিচার আটকে রাখার অজুহাত হতে পারে না। আমরা প্রতিশোধ চাই না, আমরা ন্যায়বিচার চাই; আমরা প্রতিহিংসা চাই না, আমরা হত্যাকারীদের আইনের আওতায় দেখতে চাই।


ড. হামিদ আযাদ বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল- দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটবে। অতীতের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে। তাই ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলো পুনরায় সচল করে নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। শহীদদের রক্ত যেন বৃথা না যায়, তাঁদের পরিবারের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান যেন ঘটে- তাই আজ জাতির নৈতিক দায়িত্ব।


পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে ২৮ অক্টোবর নিহতদের শহীদ হিসেবে কবুল করার দোয়া করেন। আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ব্যক্তিদের এবং তাঁদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি নিহতদের রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক কামনা করেন।

সর্বশেষ সব খবর

ডা. তাসনিম জারা ও নুসরাত তাবাসসুম

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৫৫ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম বলেছেন, আমি তাসনিম জারা আপাকে অনেক সম্মান করি, উনি জোট ঘোষণার পরপর পদত্যাগ করেন। তিনি তখন পিসি (এনসিপির সর্বোচ্চ পরিষদের অংশ) মেম্বার ছিলেন। আমি তখন এক্সিকিউটিভ বোর্ডের মেম্বার ছিলাম। আমি রাগান্বিত ছিলাম কারণ, তার পদত্যাগ নিয়ে কখন কী হয়েছে, সেটি আমাদের কাছে পরিষ্কার করা হয়নি। 


সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাতকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।


নুসরাত তাবাসসুম বলেন, জারা আপু জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের আলোচনার অংশ ছিলেন। তিনি আলোচনার পর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। তার এ সিদ্ধান্তের পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলছি- এই জিনিসটা নিয়ে তার রাজনৈতিক আশা-আকাঙ্ক্ষা, উচ্চাকাঙ্খা ও পরিকল্পনা- যে কারোর থাকতে পারে।


‘তিনি শুধু জামায়াতের সঙ্গে জোটের জন্য পদত্যাগ করেছে- এটা বলা ভুল। আরও অসংখ্য কারণ এখানে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।


ত্রয়োদেশ জাতীয় নির্বাচনের আগে এনসিপিতে ভাঙন দেখা দেয়। তরুণ মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল কিছু নেতা বেরিয়ে যান। 


দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ ও যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীনসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে দূরে সরে যান। তখন সামান্তা শারমিনসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতার দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তারা দল ছাড়েননি। নির্বাচনের পর থেকেই পদত্যাগীদের দলে ফেরানোর চেষ্টা করে আসছে এনসিপি। 


সম্প্রতি এনসিপি বেশ কিছু নেতার বক্তব্যে তাদের দলে ফেরানোর বিষয়ে আগ্রহ শোনা যায়। 

সর্বশেষ সব খবর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৫ পিএম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, দেশে এখন কায়দা করে মাদ্রাসাগুলোকে সাধারণ স্কুলে রূপান্তর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সমাজের একটি পক্ষ চায় না দেশে নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটুক। কারণ নৈতিক শিক্ষা না থাকলে খুব সহজেই চাঁদাবাজ ও লুণ্ঠনকারী তৈরি করা যায়। 


মেধা ও চরিত্রের সঠিক সমন্বয় না হলে সমাজ জঙ্গলে পরিণত হয়। এ জন্য তিনি দেশের সামগ্রিক সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায়ও বাধ্যতামূলকভাবে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানান।


আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত দিনব্যাপী ‘১৪তম হিফজুল কোরআন অ্যাওয়ার্ড ও কোরআন উৎসব ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসাগুলো এখন ভূতুড়ে মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। এমপিওভুক্ত যেসব মাদ্রাসা আছে, সেগুলোর অবস্থাও ভালো নয়। সিলেবাসকে সংকুচিত করা হয়েছে। মাদ্রাসা নিয়ে এ ধরনের ষড়যন্ত্র যারা করছে, তারা কি আমাজনের জঙ্গল থেকে এসে করছে? না, এ দেশের মানুষেরাই, সন্তানেরাই করছে।


অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে আগত তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন শাখার কৃতী হাফেজদের মধ্যে বর্ণাঢ্য ‘১৪তম হিফজুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পদক ও বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। কৃতী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কোরআনে কারিম হিফজ সম্পন্ন করার পেছনে বাবা-মায়ের অপরিসীম ত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অনুষ্ঠানে উপস্থিত তাঁদের অভিভাবকদেরও বিশেষ ‘অভিভাবক সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।


অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও বাংলাদেশ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টের সভাপতি অধ্যাপক কামাল উদ্দীন আবদুল্লাহ জাফরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম এবং গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন আইয়ুবী, তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ ওলীউর রহমান চিশতি, ডিরেক্টর আ. ন. মু. রাশিদুল ইসলাম সায়েম, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ড. মীম আতিকুল্লাহ প্রমুখ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৫০ পিএম

মানিকগঞ্জে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবকের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা নেওয়ার পর আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. তমাল মানিকগঞ্জ সদর থানা ও এনসিপির জেলা কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।


অভিযোগে তমাল বলেন, মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সুপারভাইজার পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আরিফুল ইসলাম তাঁর কাছ থেকে জামানত হিসেবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন। এ সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল প্যাডে একটি নিয়োগপত্রও দেওয়া হয়। তবে ওই নিয়োগপত্র নিয়ে হাসপাতালে যোগ দিতে গেলে তাঁর নামে কোনো নিয়োগ হয়নি বলে জানতে পারেন তমাল।


পরে টাকা ফেরত চাইলে আরিফুল নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে চাকরি দেওয়া সম্ভব নয় জানিয়ে টাকা ফেরত না দেওয়ার পাশাপাশি গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তমাল।


মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল সরবরাহের কাজ করছে কে এস এফ ট্রেড লিমিটেড। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির মানিকগঞ্জ জেলার দায়িত্বে রয়েছেন আরিফুল ইসলাম। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. শামীম হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “অভিযোগটি সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন। যে কেউ অভিযোগ দিলেই তো হয় না। ঘটনার সত্যতা তদন্তে বেরিয়ে আসবে।”


আরিফুল ইসলামের বাবা ও মানিকগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, তাঁর ছেলে চাকরি দেওয়ার মতো কোনো পদে নেই। এ ধরনের কোনো বিষয় তাঁর জানা নেই এবং অভিযোগ থাকলে আরিফুল নিজেই তা দেখবেন।


এনসিপির মানিকগঞ্জ জেলা কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি তাঁরা পেয়েছেন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, ডিউটি অফিসারের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। অভিযোগ হাতে পাওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

এলিজা জামান

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:১৫ পিএম

ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান। তিনি  বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। 


পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মহিলা দলের বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খানের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। পরে মঈন উদ্দীন খান সাংবাদিকদের জানান, সোমবার মনোনয়নপত্র জমার নির্ধারিত দিনে এলিজা জামান মনোনয়নপত্র জমা দেন।


মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এলিজা জামান। সংরক্ষিত আসনে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ায় বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই হবে। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বুধবার আপিল করার সুযোগ থাকবে। 


কেউ আপিল করলে তার নিষ্পত্তি হবে ২৯ অক্টোবর। ১ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এরপর ২ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। পরবর্তীতে সব প্রক্রিয়া সেরে ১২ নভেম্বর ভোটের তারিখ রাখা হয়েছে তফসিলে।


সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনের নিয়ম অনুযায়ী, এ আসনটি বিএনপিই পাবে। ফলে এ আসনে অন্য কোনো দলের প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ নেই। মনোনয়নপত্রে কোনো জটিলতা না থাকলে নিয়ম অনুযায়ী বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এলিজা জামানই নির্বাচিত হবেন। সেক্ষেত্রে ভোটের তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন হবে না, যাচাই বাছাই ও আপিল নিষ্পত্তির আনুষ্ঠানিকতা সেরেই তাঁকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।


ঢাকার মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠলে ১ অক্টোবর তিনি পদত্যাগ করেন। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয় এবং উপ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ সব খবর