তারেক-রহমান

  • প্রকাশ : রবিবার ০৭ জুন, ২০২৬, সময় : ১১:৩৬ এএম

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তখন আলোচনায় ছিল ভারত দিয়েই প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর শুরু হবে কি না। 


এরপর এসেছে ভুটান, নেপাল, চীন, সৌদি আরব এবং সবশেষ মালয়েশিয়ার নাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর কোন দেশে হবে- গত কয়েক মাস ধরেই তা ছিল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনের আলোচনায়। 


চলতি মাসের শেষ দিকে চীন সফর যখন মোটামুটি চূড়ান্ত বলে শোনা যাচ্ছিল তখন আবার সামনে এসেছে মালয়েশিয়া সফর চূড়ান্ত হওয়ার তথ্য। তাহলে কি সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তারেক রহমানের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের গন্তব্য মালয়েশিয়া? একেক সময় একেক রকম আলোচনা ওঠায় বিষয়টি নিয়ে সব মহলই কিছুটা দ্বিধান্বিত। আবার দলের শীর্ষ পর্যায়ের কোনো নেতাও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলছেন না।


শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এসে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পক্ষে তারেক রহমানকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান। নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের প্রেক্ষাপটে ভারতকে প্রথম সফরের সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে দেখা হচ্ছিল তখন। 


বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতকে ‘স্বাভাবিক কূটনৈতিক পছন্দ’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। একই সময়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা হয়েছিল, প্রথম সফরটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী কোনো ছোট রাষ্ট্র দিয়ে শুরু করা যায় কি না। সে ক্ষেত্রে ভুটানের নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় আসে। 


সার্কভুক্ত দেশ হিসেবে ভুটানে প্রথম সফর বাংলাদেশের প্রতিবেশীকেন্দ্রিক কূটনীতির ইতিবাচক বার্তা দেবে- এমন যুক্তিও আলোচনায় ছিল। কিছু কূটনৈতিক মহলে নেপালের নামও অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচিত হয়, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আমন্ত্রণের তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।


সরকার গঠনের সপ্তাহখানেকের মধ্যে আরেকটি সম্ভাব্য গন্তব্য সামনে আসে, সেটি সৌদি আরব। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ছিল ওমরাহ পালন ও মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি আরব যেতে পারেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের কারণে সেই পরিকল্পনা আর এগোয়নি।


এপ্রিল মাস থেকে চীন সরকার তারেক রহমানকে বেইজিং সফরের জন্য আগ্রহ দেখাতে শুরু করে। মে মাসে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য চীন সফর আলোচনায় আসে। পরে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র ঢাকায় পৌঁছায়। 


জুনের শেষ সপ্তাহে সম্ভাব্য চীন সফর নিয়ে তখন ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, প্রযুক্তি সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক কূটনীতি সফরের মূল আলোচ্য হতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যেই ভারত ও চীনের আমন্ত্রণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্নটি সরকারের জন্য বড় কূটনৈতিক বিবেচনায় পরিণত হয়। 


নীতিনির্ধারকদের আশঙ্কা ছিল, প্রথম সফর যদি দিল্লি বা বেইজিংয়ে হয়, তাহলে সেটি আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে একটি বিশেষ বার্তা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হতে পারে। ফলে তৃতীয় কোনো বন্ধুরাষ্ট্রকে প্রথম সফরের গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ার চিন্তা গুরুত্ব পায়।


এই প্রেক্ষাপটে সামনে আসে মালয়েশিয়ার নাম। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম নির্বাচনের পরপরই তারেক রহমানকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। পরে কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে ২১-২২ জুন কুয়ালালামপুর সফরের আমন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। সরকারও সেই আমন্ত্রণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।


সূত্রমতে, মালয়েশিয়াকে প্রথম সফরের গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়া বাংলাদেশের ‘ভারসাম্যমূলক পররাষ্ট্রনীতি’র প্রতিফলন। এর মাধ্যমে ঢাকা একদিকে ভারত ও চীনের প্রতিযোগিতার মধ্যে নিরপেক্ষ অবস্থানের বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের পথ খুলছে।


তবে মালয়েশিয়া সফর চূড়ান্ত হলেও ভারত ও চীন সফরের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, মালয়েশিয়া সফরের পর দিল্লি ও বেইজিং-দুই রাজধানীতেই প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।


সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর ঘিরে আলোচনায় ভারত, ভুটান, নেপাল, সৌদি আরব, চীন ও মালয়েশিয়ার নাম উঠে এলেও শেষ পর্যন্ত মালয়েশিয়াই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের গন্তব্য হিসেবে এগিয়ে আছে। এই পুরো প্রক্রিয়া নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির প্রথম বড় কূটনৈতিক পরীক্ষাও মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।


মালয়েশিয়ার সঙ্গে তারেক রহমানের সম্পর্ক পুরোনো


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বিএনপি সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমান ব্যক্তিগতভাবেও একাধিকবার মালয়েশিয়া সফর করেছেন। প্রথমবার তিনি ২০০৩ সালে মালয়েশিয়া সফর করেন। 


এরপর ২০০৫ সালে আবারও দেশটি সফর করেন। সে সময় তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এরপর লন্ডনে অবস্থানকালে ২০১৪ সালের ২ জুন মালয়েশিয়া সফর করেন তারেক রহমান। ওই সময় তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।


সূত্রমতে, আগামী ২১ জুন তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। এটিই হবে তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফর, যা রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক- বিভিন্ন দিক বিবেচনায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।


শ্রমবাজার ও কর্মসংস্থানের প্রত্যাশা


বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জাগো নিউজকে জানান, বাংলাদেশের শ্রমশক্তির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের পর এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রায় নয় লাখ বাংলাদেশি কর্মী বৈধভাবে কাজ করছেন। এখনো লাখ লাখ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের নানা দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির ফলে এ খাতে অনেক ক্ষতি হয়েছে।’


প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের বিপুল সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে বলে মনে করেন শায়রুল।


দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ব্যক্তিগতভাবে মালয়েশিয়ার পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও আবহাওয়া পছন্দ করেন। ২১ জুনের এ সফরের মাধ্যমে শুধু নতুন সরকারের প্রথম বিদেশ সফরের অধ্যায়ই শুরু হচ্ছে না, একই সঙ্গে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসছে।


শেষ পর্যন্ত এ সূচি ঠিক থাকলে পরের গন্তব্য চীন না ভারত সেদিকেই থাকবে সবার নজর।



সর্বশেষ সব খবর

হেফাজতে ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:০০ এএম

পাবনা সদরের একটি আবাসিক মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সম্প্রতি স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত এক শিক্ষককে আটক করে।


এই পরিস্থিতির পর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু নিপীড়ন বা যেকোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড যেমন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, ঠিক তেমনি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াও মোটেও সমর্থনযোগ্য নয়।


শনিবার সন্ধ্যায় এক যৌথ বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান এসব কথা বলেন। সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী গণমাধ্যমকে এই বিবৃতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক আচরণ ও নীতিভ্রষ্টতার অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনটি এই অবস্থান ব্যক্ত করল। উল্লেখ্য, বেশ কিছু কওমি ও সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ওপর যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে।


বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা সুস্পষ্টভাবে জানান, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। শিশু নির্যাতনের বিষয়টিকে একটি ‘পুরোনো সামাজিক ব্যাধি’ হিসেবে উল্লেখ করে তারা বলেন, এটি নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ স্কুল, মাদ্রাসা কিংবা সমাজের অন্যান্য স্থানেও কম-বেশি এই সমস্যাটি বিদ্যমান রয়েছে।


নিজস্ব কওমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতের উদ্যোগ তুলে ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ দেশের ৬টি কওমি মাদ্রাসা বোর্ড এবং তাদের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কঠোর নির্দেশাবলী জারি করেছে।


উক্ত নির্দেশনায় প্রতিটি মাদ্রাসায় অবিলম্বে ‘শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি’ গঠন বা সক্রিয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো শিশু নির্যাতন বা অনৈতিক আচরণের লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেলে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাদ্রাসা বোর্ডগুলোতে শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ সেল এবং সরাসরি অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালুর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানে এই সুরক্ষা কমিটি না থাকলে, নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পাওয়া গেলে কিংবা অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে সেই মাদ্রাসার অধিভুক্তি বা সনদ স্থগিত অথবা বাতিল করার স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।


পরিশেষে হেফাজত নেতারা জোর দিয়ে বলেন, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের শারীরিক নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। স্কুল-মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর নিরাপত্তা নীতি অনুসরণের পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো ধরনের নৈতিক পদস্খলনের জন্য দোষীকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি—উভয় ধরনের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার শিথিলতা বা আপস করা হবে না।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৩২ পিএম

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।


শনিবার সন্ধ্যায় পল্টন থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী।


তিনি জানান, বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে মিছিলের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিলেন ১৯ জন। তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী। এ সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। পল্টন থানা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার ব্যক্তিরা ভোলা, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় এসেছেন। সন্ধ্যার দিকে বায়তুল মোকাররম এলাকায় ঝটিকা মিছিল করার উদ্দেশ্যে তারা জড়ো হয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।


গ্রেফতারের পর তাদের পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ সব খবর

মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৩ পিএম

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-খতিবদের ভাতা বিতরণে ব্যাপক দুর্নীতি এবং দলীয়করণের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।


চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের রাজনীতির কঠোর সমালোচনা করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপির দিন ফুরিয়ে আসছে। তাদের অতীতের লুটপাট ও ভুয়া ইতিহাস সৃষ্টির অপচেষ্টা এ দেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিএনপি নিয়মিত জামায়াতের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের আয়োজনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হলে এ জনপদকে শূন্য করে ফেলা হবে। তাই ঠাকুরগাঁওকে বাঁচাতে হলে আগামী ২৯ তারিখ ব্যা


লট বিপ্লবের মাধ্যমে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করে বিএনপিকে ‘লাল কার্ড’ দেখাতে হবে। ১৯৯৬ সালের মাগুরা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিএনপি অতীতেও নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতি করতে গিয়ে ক্ষমতা হারিয়েছিল। বর্তমান নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপির চেষ্টা করা হলে এ ঠাকুরগাঁও থেকেই সরকার পতনের কঠোর আন্দোলন শুরু হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।


বিএনপির বিগত সাত মাসের শাসনকালের সমালোচনা করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিএনপি এই সময়ে টেন্ডারবাজি, সার সিন্ডিকেট ও সার ডিলার নিয়োগসহ সব ক্ষেত্রে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়েছে। 


ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিএনপির প্রার্থীর কঠোর সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ওই প্রার্থী বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপস করে রাজনীতি করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা, নির্যাতন বা হয়রানির ইতিহাস নেই। নির্বাচনে কোনো ধরনের টালবাহানা বা কারচুপির চেষ্টা করা হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে জামায়াত নেতারা বলেন, ভোটে কোনো ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপি হলে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। প্রয়োজনবোধে ঠাকুরগাঁও আসন থেকেই সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।


ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলমগীরের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম এবং ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।


এছাড়াও বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

সর্বশেষ সব খবর

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৪ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেছেন, বাজারে গিয়ে পণ্য কেনেন না রাজনৈতিক দলের অনেক নেতা। তাদের হয়ে অন্যরা বাজার করেন। ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও পণ্যের দাম সম্পর্কে তাদের যথাযথ ধারণা নেই।


শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে লিফলেট বিতরণ ও এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।


নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, আমরা যখন বাজারে যাই, তখন পণ্য কিনতে গিয়ে দেখি, সেগুলো আমাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নেই। তাহলে দরিদ্র মানুষের কী অবস্থা হবে? তিনি বলেন, এনসিপির পুনর্গঠিত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী দিনের লড়াইয়ের প্রস্তুতি হিসেবেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৭ বছরে বাংলাদেশের মানুষ যখন ধরে নিয়েছিল, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব নয়, তখন আমরা রাজপথে নেমেছিলাম। আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও প্রতিবাদ করেছে, ভবিষ্যতেও করবে।


নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, নির্বাচনের পর সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, দলীয়করণ হবে না, সবকিছু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা হবে এবং জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠন করা হবে। কিন্তু এসব প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় তারা আমাদের বলেছেন, সরকার যেন তাদের পেটে লাথি মারার চেষ্টা করছে। গণ-অভ্যুত্থানের সময় আমরা যেভাবে অংশ নিয়েছিলাম, তেমনি এ সময়ও অনেক রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন ব্যক্তি হাল ছেড়ে দিয়েছেন।


তারা মনে করছেন, এই সরকারকে কিছু বলা যাবে না, তাদের বিরুদ্ধে কিছু করা যাবে না, তাদের ধরা যাবে না, স্পর্শও করা যাবে না। বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, বিএনপি সরকার সবকিছুর ঊর্ধ্বে, তাদের কোনো জবাবদিহি নেই। সেই অসম্ভবকে আবারও সম্ভব করতে আমরা মাঠে নেমেছি। আমরা দেখাতে চাই, বিএনপি সরকারকেও জবাবদিহির আওতায় আনা যায়, তাদের নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করা যায়।


তিনি বলেন, এটি কোনো দলের দাবি নয়। দলমত-নির্বিশেষে ধনী-গরিব সবার দাবি, আমরা পেট ভরে খেতে চাই, সুস্থভাবে বাঁচতে চাই এবং সবকিছু নিজেদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চাই।


নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, আমরা যারা গ্রাম থেকে এসেছি, যাদের মা-বাবা এখনো গ্রামে থাকেন, যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এবং কখনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না, তাদের কাছে এক টাকাও অনেক মূল্যবান। এ কারণেই আমরা যখন বাজারে গিয়ে পণ্য কিনতে চাই, তখন দেখি, সেগুলো আমাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। তাহলে দরিদ্র মানুষের কী অবস্থা হবে? এই পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানাতেই আজ আমরা রাজপথে নেমেছি।


তিনি জানান, ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে মানুষের কাছে যাবেন তারা। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।


জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, আমরা চাই না, আপনারা এনসিপিতে যোগ দিন। আপনারা কোন রাজনৈতিক দল করেন, সেটিও আমাদের কাছে বিবেচ্য নয়। আমরা আপনাদের অধিকারের জন্য রাজপথে নেমেছি। নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াই আপনাদেরই করতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি আপনাদের হয়ে এই লড়াই করে দেবে না।

সর্বশেষ সব খবর

মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসের মুন হলরুমে তিনি এসব কথা বলেন।

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৫১ পিএম

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো ভালো লক্ষণ দেখছি না। বিএনপির একজন অবসরপ্রাপ্ত ক্যাডারকে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বসানো হয়েছে। একজন দলীয় লোককে এখানে কেন আনতে হবে?


শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসের মুন হলরুমে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।


তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, যিনি সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকেন, তিনি তার এলাকায় গিয়ে বলেছেন, যে জায়গায় বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হবেন না, সেখানে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হবে না। এটা লজ্জার বিষয়। এর মাধ্যমে আগেই জনগণকে ভয় দেখানো হচ্ছে। নির্বাচনের আগে আমরা অবশ্যই মাঠ পরিষ্কার করার চেষ্টা করব। যখন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের নিশ্চয়তা পাব, তখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।


ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা সৌভাগ্যক্রমে একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পেয়েছি। তিনি সব মন্ত্রণালয়ে সার্ভিস দেন। তার প্রধান দায়িত্ব নিজের মন্ত্রণালয়ের লোকদের দেখভাল করা। কিন্তু তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেন না, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেন না, সমাজে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেও পারলেন না। দৃশ্যমান কোনো উন্নতি নেই।


তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা আছেন এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো। এই ‘আগের চেয়ে ভালো’র মাপকাঠি কী, তা আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম না।


জেলা জামায়াতের আমির ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহেদ আলীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আমির আলীর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমদ।


এর আগে সকালে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে পৌঁছালে জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ডা. শফিকুর রহমানকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহেদ আলী, হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কাজী মখলিছুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী, হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমদ ও ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ফরিদ উদ্দিনসহ অন্য নেতারা।


পরে পুলিশের একটি চৌকস দল জামায়াতের আমিরকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।


জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজ জেলা শহর মৌলভীবাজারে এটিই জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের প্রথম সফর। তার সফর ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।


এর আগে সকাল ৮টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মো. ফখরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের আমির ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহেদ আলী, সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মো. শাহজাহান আলী, সিলেট জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. জয়নাল আবেদীন, মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আজিজ আহমদ কিবরিয়া এবং ছাত্রশিবিরের মৌলভীবাজার শহর সভাপতি কাজী দাইয়ান আহমদ।


মতবিনিময় সভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান জেলা জামায়াত আয়োজিত ওয়ার্ড দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। বিকালে তিনি রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:১৭ পিএম

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ১২ নভেম্বর। এ নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর। হাতে সময় মাত্র দুই দিন, এরপরই শুরু হবে প্রার্থিতা যাচাই ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ।


শনিবার (২৪ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।


ইসির ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়। ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৮ অক্টোবর আপিল করা যাবে। ২৯ অক্টোবর এসব আপিল নিষ্পত্তি করবে কমিশন।


তপশিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১ নভেম্বর। পরদিন ২ নভেম্বর প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ নভেম্বর। সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় আলোচনায় আসেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। ওই ঘটনার পর বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন।


এরপর মিষ্টি পদত্যাগ করলে সংসদ সচিবালয় তার আসন শূন্য ঘোষণা করে। ওই শূন্য আসনে প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য উপনির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা থেকে শুরু করে প্রতীক বরাদ্দ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১২ নভেম্বর ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ নির্বাচনের ভোটপর্ব সম্পন্ন হবে। 

সর্বশেষ সব খবর