ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:২৬ পিএম

জিমেইল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই স্তরের নিরাপত্তা–সুবিধা (টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন) ব্যবহার করেন অনেকেই। এ প্রক্রিয়ায় ই-মেইলে আসা ভেরিফিকেশন কোড বা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও সহজ করতে নতুন সুবিধা চালু করছে গুগল। ‘কপি কোড’ নামের এ সুবিধার মাধ্যমে ই-মেইল না খুলেই জিমেইলের ইনবক্স থেকে সরাসরি যাচাই কোড কপি করা যাবে।   


নতুন সুবিধাটি জিমেইলের অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপে পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যে জিমেইলের অ্যান্ড্রয়েড ২০২৬.০৯.০৭.এক্স এবং আইওএস ৬.০.২৬০৯০৭ সংস্করণে সুবিধাটি যুক্ত করা হয়েছে। ‘কপি কোড’ সুবিধা চালু হলে ইনবক্সে ভেরিফিকেশন কোড–সংবলিত কোনো ই-মেইল এলে তার প্রিভিউ অপশনের পাশে ‘কপি কোড’ নামে একটি নতুন বাটন দেখা যাবে। সেখানে ট্যাপ করলেই ভেরিফিকেশন কোডটি ফোনের ক্লিপবোর্ডে কপি হয়ে যাবে। 


এরপর নির্দিষ্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে কোডটি সরাসরি পেস্ট করা যাবে। ফলে যাচাই কোড দেখার জন্য প্রতিবার ই-মেইল খুলে বার্তাটি পড়ার প্রয়োজন হবে না। বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ই-মেইলে ওটিপি এলে ব্যবহারকারীকে প্রথমে ই-মেইল খুলে বার্তাটি পড়তে হয়। এরপর কোডটি কপি করে নির্দিষ্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে পেস্ট করতে হয়। নতুন সুবিধা চালু হলে এই পুরো প্রক্রিয়াটি আরও দ্রুত করা যাবে।


অ্যান্ড্রয়েডের গুগল মেসেজেসে আগে থেকেই একই ধরনের সুবিধা রয়েছে। এসএমএসে যাচাই কোড এলে নোটিফিকেশন থেকেই সেটি কপি করা যায়। এবার ই-মেইলে আসা ভেরিফিকেশন কোডের ক্ষেত্রেও জিমেইল একই ধরনের দ্রুত কপি করার সুবিধা দিচ্ছে।

বিষয় :



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:০৪ পিএম

স্মার্টফোন এখন দিনের বড় একটা সময় আমাদের সঙ্গেই থাকে। ফোন ব্যবহার না করার সময় কখনো টেবিলে, কখনো বিছানায়, আবার কখনো ডেস্কের ওপর রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু ফোনটি কোন দিক করে রাখা হচ্ছে, সেদিকে খুব কম মানুষই নজর দেন। বিশেষ করে ক্যামেরা মডিউল বাইরে বেরিয়ে থাকা ফোনের ক্ষেত্রে ভুলভাবে রাখার কারণে ক্যামেরার গ্লাসে আঁচড় পড়তে পারে। তাই ফোন ব্যবহারের পাশাপাশি সেটি রাখার অভ্যাসের দিকেও একটু নজর দেওয়া প্রয়োজন।


ক্যামেরা নিচে রেখে ফোন রাখলে কী সমস্যা?


বর্তমান সময়ের অনেক স্মার্টফোনে একাধিক ক্যামেরা ও সেন্সর নিয়ে তৈরি মডিউল ফোনের পেছনের অংশ থেকে কিছুটা উঁচু হয়ে থাকে। ফলে ফোনটি ক্যামেরার দিক নিচে রেখে কোনো শক্ত জায়গায় রাখলে মডিউলের একটি অংশ সরাসরি সেই পৃষ্ঠের সংস্পর্শে আসতে পারে।


টেবিল বা ডেস্ক দেখতে পরিষ্কার হলেও সেখানে থাকা অতিক্ষুদ্র ধুলোকণা কিংবা বালুকণার মতো কণা ক্যামেরা গ্লাসের সঙ্গে ঘষা খেতে পারে। বারবার এমন হলে সূক্ষ্ম দাগ পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। অবশ্য একবার ক্যামেরা নিচে করে ফোন রাখলেই সঙ্গে সঙ্গে ক্যামেরা নষ্ট হয়ে যাবে বিষয়টি এমন নয়। তবে দীর্ঘদিন একইভাবে রাখলে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি বাড়তে পারে।


স্ক্রিন উপরে রাখাই তুলনামূলক নিরাপদ


ফোন কিছুক্ষণের জন্য টেবিল বা অন্য কোনো সমতল জায়গায় রাখার ক্ষেত্রে স্ক্রিন উপরের দিকে রাখলে ক্যামেরা মডিউল সরাসরি পৃষ্ঠের সঙ্গে ঘষা খায় না। ফলে ক্যামেরা গ্লাসে আঁচড় পড়ার আশঙ্কাও তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তবে ফোনের স্ক্রিন নিয়ে যাদের দুশ্চিন্তা রয়েছে, তারা ভালো মানের স্ক্রিন প্রটেক্টর ব্যবহার করতে পারেন। একই সঙ্গে ফোন রাখার জায়গাটিও পরিষ্কার রাখা জরুরি। কারণ ধুলো বা শক্ত কোনো কণা ফোনের যে অংশই হোক, তার সঙ্গে বারবার ঘর্ষণ তৈরি করলে ক্ষতি হতে পারে।


নোটিফিকেশন এড়াতে অনেকে স্ক্রিন নিচে রাখেন


অনেক ব্যবহারকারী ফোনের স্ক্রিন উল্টে রাখেন যাতে বারবার নোটিফিকেশন দেখে মনোযোগ নষ্ট না হয়। এই অভ্যাসের সুবিধা থাকলেও ক্যামেরা মডিউল যদি ফোনের পেছন থেকে বেশি উঁচু হয়ে থাকে, তাহলে সরাসরি শক্ত পৃষ্ঠের ওপর রাখার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা ভালো। এক্ষেত্রে এমন ফোন কভার ব্যবহার করা যেতে পারে, যার ক্যামেরা অংশের চারপাশে সামান্য উঁচু বর্ডার রয়েছে। এতে ফোনটি স্ক্রিন নিচে করে রাখলেও ক্যামেরা গ্লাস সরাসরি টেবিলের সঙ্গে ঠেকে থাকার সম্ভাবনা কমে।


শুধু ফোনের দিক নয়, জায়গাটাও গুরুত্বপূর্ণ


ফোন কীভাবে রাখা হচ্ছে, তার পাশাপাশি কোথায় রাখা হচ্ছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ধুলোময়, বালিযুক্ত বা খসখসে জায়গায় ফোন রাখার অভ্যাস এড়িয়ে চলা ভালো। বিশেষ করে ক্যামেরা মডিউল পরিষ্কার করার সময় শক্ত কাপড় বা কোনো ধারালো বস্তু ব্যবহার না করে নরম মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করা উচিত।


সব মিলিয়ে, ফোন টেবিলে রাখার ক্ষেত্রে স্ক্রিন ওপরে রাখা ক্যামেরা মডিউলের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ অভ্যাস। আর স্ক্রিন নিচে রাখার প্রয়োজন হলে ক্যামেরা সুরক্ষিত রাখে এমন কভার ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৮ এএম

সৌরজগতের অন্য কোনো গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। জার্মানির ফ্রি ইউনিভার্সিটি অব বার্লিনের বিজ্ঞানীরা নতুন এক গবেষণায় শনি গ্রহের বরফাবৃত উপগ্রহ এনসেলাডাসের ভূগর্ভস্থ মহাসাগরে অতি ক্ষুদ্র জীবাণু বেঁচে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং ভবিষ্যতে ভিনগ্রহের অনুসন্ধানকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


নতুন এ গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে শনি গ্রহের বরফাবৃত উপগ্রহ এনসেলাডাসের ভূগর্ভস্থ মহাসাগরের কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করেন। এরপর সমুদ্রের তলদেশের হাইড্রোথার্মাল ভেন্টে বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া নিয়ে পরীক্ষা করেন তারা। 


গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়াগুলো অক্সিজেন ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে এবং হাইড্রোজেন ও কার্বন ডাই–অক্সাইড ব্যবহার করে তাদের বিপাক ক্রিয়া পরিচালনা করে। ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো শনি গ্রহের অত্যন্ত কঠিন পরিবেশেও প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালোভাবে টিকে রয়েছে।


ফ্রি ইউনিভার্সিটি অব বার্লিনের বিজ্ঞানী নোজাইর খাওয়াজা জানান, এই ফলাফল অবাক করার মতো। ৫০০ কিলোমিটার ব্যাসবিশিষ্ট এনসেলাডাসের উপরিভাগের তাপমাত্রা মাইনাস ২০১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায়। তা সত্ত্বেও এর পাথুরে কেন্দ্রের ভূতাপীয় প্রক্রিয়ার কারণে বরফের নিচে বিশাল তরল জলের মহাসাগর রয়েছে।


শনি গ্রহের বরফাবৃত উপগ্রহ এনসেলাডাসের দক্ষিণ মেরুতে ফাটল রয়েছে। সেই ফাটল দিয়ে ভূগর্ভস্থ মহাসাগরের পানি এবং বরফের কণা শত শত মাইল উঁচুতে ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে আসে। নাসার ক্যাসিনি মহাকাশযান অতীতে এই বরফের কণাগুলোর মধ্য দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উপাদান সংগ্রহ করেছিল। 


এ বিষয়ে বিজ্ঞানী ফ্রাংক পোস্টবার্গ জানিয়েছেন, প্রাচীন পৃথিবীতেও কোনো অক্সিজেন ছিল না এবং এই জীবাণুগুলো সেই পরিবেশেই বিবর্তিত হয়েছে। যদিও এনসেলাডাসে আসলেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে কি না, এখনো তা নিশ্চিত নয়। তবে এই গবেষণা প্রমাণ করে সেখানে প্রাণের টিকে থাকার উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৩ এএম

গ্রাহক সেবা ও বিক্রয় সহায়তার অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করতে এআই মডেলে রিয়াল-টাইম ভিজুয়াল অ্যাভাটার যোগ করেছে গুগল, যা কথা বলার পাশাপাশি মুখের অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তুলবে বলে দাবি নির্মাতার। গেল সপ্তাহে নিজেদের সবচেয়ে উন্নত লাইভ ডায়লগ মডেল হিসেবে ‘জেমিনাই ৩.৮ লাইভ’ ও ‘লাইভ এক্সটেন্ডেড থিংকিং’ মডেল উন্মোচন করেছে গুগল।


কোম্পানিটি বলেছে, এর মূল উদ্দেশ্য ‘ডেভেলপার ও এন্টারপ্রাইজগুলোকে নির্ভরযোগ্য ও উৎপাদনমুখী ভয়েস এজেন্ট তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করা’।


পাশাপাশি, জেমিনাইয়ের সঙ্গে কথা বলার প্রক্রিয়া আরও স্বাভাবিক করেছে গুগল, যাতে ব্যবহারকারীরা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমেই জটিল বিভিন্ন কাজ সহজে করতে পারেন বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।


এবার এ প্রযুক্তিটির সঙ্গে ভিডিও যোগ করে গুগল এনেছে ‘জেমিনাই ৩.৮ লাইভ উইথ লাইভ অ্যাভাটার’, যা লাইভ ডায়লগ মডেলগুলোর সঙ্গে প্রায় রিয়াল-টাইম ভিজুয়াল উপস্থিতি যোগ করেছে।


প্রযুক্তিটি ‘এমন এক অভিজ্ঞতা তৈরি করে, যা গতিশীল ভিজুয়াল পার্সোনার মাধ্যমে শোনে, দেখে ও কথা বলে’।


সহজভাবে বললে, এসব অ্যাভাটার সেলস সাপোর্ট ও কাস্টমার সার্ভিসের মতো কাজ করার জন্য তৈরি হয়েছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতেও হয়ত ব্যবহারকারীদের এগুলোর সঙ্গে আলাপ করতে হতে পারে।


ব্লগে প্রকাশ পাওয়া বেশ কয়েকটি ভিডিওতে গুগল বাস্তবসম্মত ও কার্টুনধর্মী উভয় ধরনের অ্যাভাটারই দেখিয়েছে। এগুলো নিখুঁত লিপ-সিঙ্কিং, স্বাভাবিক অভিব্যক্তি ও ‘সাবলীলভাবে কথা বলার’ মতো কাজ করতে পারে।


গুগল বলেছে, এসব অ্যাভাটার ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিক ও মাল্টিমোডাল আলাপ আরও সহজ হবে। কারণ এগুলো দেখার, শোনার ও কথা বলার পাশাপাশি মুখের অভিব্যক্তির মাধ্যমেও যোগাযোগ করতে পারবে।


জেমিনাইর উন্নত রিজনিং বা যুক্তি দেখানোর সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এসব অ্যাভাটার তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে লাইভ অ্যভাটারগুলো চলমান আলাপ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ডে টুল কল ট্রিগার ও ডেটা সংগ্রহ করতে পারে।


গুগল বিভিন্ন ধরনের ‘প্রিসেট অ্যাভাটারের’ বড় লাইব্রেরি অফার করবে। এ ছাড়া বিভিন্ন কোম্পানি চাইলে তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড স্টাইলিং বা চরিত্রের পরিচয় ধরে রাখতে উচ্চমানের রেফারেন্স ছবি ব্যবহার করে নিজেদের পছন্দমতো অ্যাভাটার কাস্টমাইজ করে নিতে পারবে।


কোম্পানিটি বলেছে, এসব সুবিধা কেবল এন্টারপ্রাইজ অ্যালাওলিস্টিংয়ের মাধ্যমেই পাওয়া যাবে। লাইভ অ্যাভাটারগুলো ‘পরিচয়কে সম্মান জানাতে ও এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট স্বচ্ছ রাখতে কঠোর সুরক্ষাব্যবস্থার’ ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং প্রতিটিতে গুগলের ‘সিন্থআইডি’ ওয়াটারমার্ক ব্যবহৃত হয়েছে।


লাইভ অ্যাভাটারটি বিশেষভাবে গুগলের জেমিনাই এন্টারপ্রাইজ গ্রাহকদের জন্য ডিজাইন করা হলেও খুব শিগগিরই ব্যবহারকারীরা নিজেদের কম্পিউটার বা ফোনের স্ক্রিনে কাস্টমার সার্ভিস বা সেলস অ্যাভাটার হিসেবে এর কার্যকারিতা দেখতে পাবেন।


এ পর্যন্ত গুগল যা দেখিয়েছে ও এআই দিয়ে তৈরি অপ্রয়োজনীয় কনটেন্টের প্রতি মানুষের অনীহা বিবেচনা করলে এগুলো হয়ত সবার কাছে সমানভাবে জনপ্রিয় নাও হতে পারে।


সর্বশেষ সব খবর

নতুন সিম

  • প্রকাশ : শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫০ পিএম

নতুন সিম কেনার প্রয়োজন হতে পারে নানা কারণে নতুন নম্বর নেওয়া, ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য আলাদা সংযোগ রাখা কিংবা পুরোনো সিমের সমস্যা। 


তবে নতুন সিম কেনার সময় শুধু পছন্দের নম্বর বা সস্তা ইন্টারনেট প্যাক দেখলেই হবে না। নিবন্ধন, পরিচয় যাচাই, অপারেটরের নেটওয়ার্ক এবং ব্যবহারের প্রয়োজন সবকিছু বিবেচনা করে সিম কেনা উচিত।


নিজের নামে সিম নিবন্ধন করুন


নতুন সিম কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সেটি নিজের পরিচয়পত্রের তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করা। 


অন্য কারো নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করা ভবিষ্যতে নানা সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই সিম কেনার সময় নিবন্ধনের তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন।


সিম কেনার পর সেটি সত্যিই আপনার নামে নিবন্ধিত হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করে নেওয়া ভালো। আপনার পরিচয় ব্যবহার করে অন্য কোনো নম্বর নিবন্ধিত আছে কি না, সে বিষয়েও নিয়মিত খোঁজ রাখা নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।


অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র থেকে কিনুন


রাস্তায় বা অনলাইনে অচেনা ব্যক্তির কাছ থেকে সিম কেনার বদলে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের অনুমোদিত কাস্টমার কেয়ার বা বিক্রয়কেন্দ্র থেকে সিম নেওয়া নিরাপদ। এতে পরিচয় যাচাই ও নিবন্ধনের প্রক্রিয়াটি নিয়ম মেনে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 


সিম কেনার সময় অযথা নিজের এনআইডির ছবি, আঙুলের ছাপ বা ব্যক্তিগত তথ্য অপরিচিত কারো সঙ্গে শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনীয় যাচাইয়ের বাইরে কেউ অতিরিক্ত তথ্য চাইলে সতর্ক থাকুন।


আপনার এলাকায় কোন অপারেটরের নেটওয়ার্ক ভালো?


নতুন সিম কেনার আগে শুধু অফার দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। আপনি যেখানে বেশি সময় থাকেন বাড়ি, অফিস কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেখানে কোন অপারেটরের নেটওয়ার্ক ভালো, তা আগে জেনে নিন। 


কোনো অপারেটরের নেটওয়ার্ক আপনার এলাকায় দুর্বল হলে সস্তা ডাটা প্যাক থাকলেও তা খুব একটা কাজে আসবে না। প্রয়োজনে পরিবারের সদস্য বা পরিচিতদের অভিজ্ঞতা জেনে নিতে পারেন।


কল বেশি, নাকি ইন্টারনেট?


সিম কেনার আগে নিজের ব্যবহারের ধরন বুঝে নিন। নিয়মিত কল করলে ভয়েস কলের সুবিধা ও সংশ্লিষ্ট প্যাকেজ দেখুন। আর ইন্টারনেটই যদি প্রধান প্রয়োজন হয়, তাহলে ডাটা প্যাকের মেয়াদ, পরিমাণ এবং দাম তুলনা করুন। 


শুধু বড় ডাটা অফার দেখবেন না। প্যাকটির মেয়াদ কতদিন, নির্দিষ্ট অ্যাপের জন্য ডাটা কি না এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কী হবে এসব শর্তও দেখে নিন।


নম্বরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্ট যুক্ত করবেন?


নতুন নম্বরটি যদি ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মতো গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করতে চান, তাহলে নম্বরটি দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরিকল্পনা করুন। কারণ ভবিষ্যতে সিম হারানো বা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলে এসব অ্যাকাউন্টে প্রবেশের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে।


সিম কেনার পরও সতর্ক থাকুন


নতুন সিম হাতে পাওয়ার পর সেটি সক্রিয় হয়েছে কি না এবং নিবন্ধনের তথ্য ঠিক আছে কি না নিশ্চিত করুন। সিম হারিয়ে গেলে দ্রুত অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেটি বন্ধ বা রিপ্লেস করার ব্যবস্থা করুন।


সবশেষে মনে রাখুন, নতুন সিম কেনা শুধু একটি নম্বর নেওয়ার বিষয় নয়। নিজের নামে সঠিক নিবন্ধন, নিরাপদ বিক্রয়কেন্দ্র, ভালো নেটওয়ার্ক, উপযুক্ত প্যাকেজ এবং ভবিষ্যৎ ব্যবহারের পরিকল্পনা এই কয়েকটি বিষয় যাচাই করেই সিম কিনলে পরে ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৮ পিএম

মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এজেন্ট মিউজ চালু হয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে। এরইমধ্যে এতে একের পর এক নতুন সুবিধা যোগ করার ঘোষণা দিয়েছে মেটা। ব্যবহারকারীর প্রতিদিনের কাজ সহজ করতে ই-মেইল, ক্যালেন্ডার, কেনাকাটা থেকে শুরু করে কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজও মিউজকে দিয়ে করানো যাবে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর মেনলো পার্কে মেটার বার্ষিক কানেক্ট অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ মিউজের নতুন এসব সুবিধার কথা জানান।


তার ভাষ্য, ভবিষ্যতে মিউজ আরও উন্নত হয়ে কোটি কোটি মানুষের ব্যক্তিগত এআই সহকারী হিসেবে কাজ করবে।


মিউজের অ্যাভাটারের নাম রাখা হয়েছে জলি। মেটার তৈরি ‘মিউজ স্পার্ক’ নামের মাল্টিমোডাল এআই মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই এজেন্ট ব্যবহারকারীর বিভিন্ন ডিভাইস ও ডিজিটাল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কাজ করতে পারে।


মিউজের থাকবে নিজস্ব ডিজিটাল অ্যাভাটার


এত দিন মিউজ ছিল মূলত একটি ভার্চুয়াল এআই সহকারী। এবার সেটিকে দেওয়া হচ্ছে চেহারা, শরীর ও কণ্ঠ।


নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজের মিউজের জন্য একটি আলাদা ডিজিটাল অ্যাভাটার তৈরি করতে পারবেন। সেই অ্যাভাটারের সঙ্গে ভিডিও কলে সরাসরি কথা বলাও যাবে। ব্যবহারকারী তাকে প্রশ্ন করতে পারবেন, বিভিন্ন কাজের নির্দেশ দিতে পারবেন ও সরাসরি আলাপ করতে পারবেন।


স্মার্ট চশমাতেও থাকবে মিউজ


মেটার স্মার্ট চশমার সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে মিউজ। ফলে ব্যবহারকারী কেবল চশমার সঙ্গে কথা বলে এআই এজেন্টকে বিভিন্ন কাজের নির্দেশ দিতে পারবেন।


মেটার তথ্য অনুযায়ী, চশমায় নির্দিষ্ট ‘ওয়েক ওয়ার্ড’ বললেই মিউজ সক্রিয় হবে। এরপর এটি ব্যায়ামের নির্দেশনা দিতে, খাবারের হিসাব রাখতে, অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে কিংবা সামনে দেখা কোনো পণ্য কিনতে সহায়তা করতে পারবে।


কোনো কাজের নির্দেশ দেওয়ার পর মিউজ পেছনে কাজ চালিয়ে যেতে পারবে এবং কাজ শেষ হলে ব্যবহারকারীকে জানাবে। তবে এই সুবিধা ঠিক কবে চালু হবে, তা নির্দিষ্ট করে জানায়নি মেটা। 


ম্যাক কম্পিউটারও চালাতে পারবে মিউজ


মিউজকে ম্যাক কম্পিউটারে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে মেটা। ব্যবহারকারী এআই এজেন্টকে কোনো কাজের দায়িত্ব দিয়ে কম্পিউটার থেকে দূরে সরে গেলেও মিউজ সেই কাজ চালিয়ে যেতে পারবে।


মেটার প্রধান এআই কর্মকর্তা আলেকজান্ডার ওয়াং বলেন, ছোট ব্যবসা পরিচালনা থেকে শুরু করে প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজে মিউজকে ব্যবহার করা যাবে। ডেস্কটপে থাকা বিভিন্ন অ্যাপও এআই এজেন্টটি পরিচালনা করতে পারবে।


Meta's New Muse AI Agent May Be the Creepiest Ever Released


মিউজের থাকবে নিজস্ব ই-মেইল ঠিকানা


মিউজ যেহেতু ব্যবহারকারীর হয়ে পেছনে থেকে বিভিন্ন কাজ করবে, তাই তার নিজস্ব ই-মেইল ঠিকানা দেওয়ার পরিকল্পনাও করছে মেটা।


এই সুবিধা চালু হলে ব্যবহারকারীরা কোনো ই-মেইল মিউজকে ফরোয়ার্ড করতে পারবেন। এমনকি কোনো ই-মেইল থ্রেডেও মিউজকে যুক্ত করা যাবে, যেন সে ব্যবহারকারীর হয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারে।


তবে কবে এই সুবিধা চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানায়নি মেটা। 


অনলাইন কেনাকাটাতেও মিউজ


অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রেও মিউজকে আরও সক্রিয় করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে মেটা।


মেটার দাবি, মিউজ শপিফাইয়ের বিশাল পণ্যভান্ডারে পণ্য খোঁজ করতে পারবে ও বিভিন্ন পণ্য কেনার প্রক্রিয়াতেও সহায়তা করবে। পেমেন্টের ক্ষেত্রে পেপালের জন্যও বাড়তি সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।


অন্যরাও ‘কানেক্টর’ যুক্ত করতে পারবেন


মেটা সম্প্রতি ডেভেলপারদের জন্য মিউজের প্ল্যাটফর্ম খুলে দিয়েছে। ফলে অন্য প্রতিষ্ঠান ও ডেভেলপাররাও নিজেদের তৈরি ‘কানেক্টর’ মিউজের সঙ্গে যুক্ত করতে পারবেন।


আলেকজান্ডার ওয়াং জানান, এই সুবিধা চালুর এক সপ্তাহেরও কম সময়ে মেটার কাছে ১ হাজার ৫০০টির বেশি আবেদন এসেছে।


মেটার পরিকল্পনা, ভবিষ্যতে মিউজ কেবল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার এআই হবে না, বরং ব্যবহারকারীর হয়ে বিভিন্ন ডিজিটাল কাজও সম্পন্ন করতে পারবে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩৭ পিএম

বাসা কিংবা অফিসে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই একটা সমস্যায় পড়ি— রাউটারের কাছে থাকলে ইন্টারনেট যেন আগুনের মতো ছোটে, কিন্তু একটু দূরে গেলেই গতি নেমে আসে তলানিতে। আবার একসঙ্গে ঘরের সবাই মিলে ফোন, ল্যাপটপ বা টিভিতে কাজ শুরু করলেও ইন্টারনেট যেন হাঁপিয়ে ওঠে!


এমন হলে অনেকেই ধরে নেন, রাউটারটি বুঝি নষ্ট হয়ে গেছে এবং এখনই নতুন একটা কেনা দরকার। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় তেমন নয়। রাউটারটি কোথায় রাখা হয়েছে, আপনার ও রাউটারের দূরত্ব কতটুকু, ঘরের দেয়াল কিংবা আশপাশের অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রের বাধা এবং একই সময়ে কতগুলো যন্ত্র যুক্ত আছে— এসবের ওপর ইন্টারনেটের গতি অনেকখানি নির্ভর করে। তাই নতুন রাউটার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কয়েকটি সহজ বিষয় একটু পরীক্ষা করে দেখতে পারেন—


১. রাউটার রাখুন ঘরের ঠিক মাঝখানে


ওয়াই-ফাইয়ের সিগন্যাল চারদিকে সমানভাবে ছড়াতে রাউটারটি ঘরের তুলনামূলক খোলা ও মাঝখানের জায়গায় রাখা উচিত। আলমারির ভেতরে বা কোণায় লুকিয়ে না রেখে এমন উচ্চতায় রাখুন, যেখান থেকে সিগন্যাল সহজে যাতায়াত করতে পারে। টেক জায়ান্ট গুগলের মতে, রাউটার ও আপনার ডিভাইসের মাঝে দেয়াল বা বাধা যত কম থাকবে, গতি তত ভালো মিলবে।


২. বেশি দূরে যাবেন না


রাউটার থেকে আপনার দূরত্ব যত বাড়বে, সিগন্যালও তত দুর্বল হতে থাকবে। এর সঙ্গে যদি যোগ হয় ঘরের ভারী দেয়াল বা আসবাবপত্র, তবে গতি আরও কমে যায়। তাই ঘরের কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় ওয়াই-ফাই স্লো মনে হলে খেয়াল করুন— মাঝখানে কতগুলো দেয়াল বা বাধা রয়েছে।


৩. অতিরিক্ত ডিভাইস যুক্ত নেই তো?


একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যখন একসঙ্গে অনেকগুলো ডিভাইস চলে, তখন তারা মোট ব্যান্ডউইথ ভাগ করে নেয়। যেমন—একজন টিভিতে ৪কে ভিডিও দেখছেন, অন্যজন ল্যাপটপে বড় ফাইল ডাউনলোড করছেন আর আপনি ফোনে গেম খেলছেন। স্বভাবতই গতি ভাগ হয়ে কম মনে হবে। তাই যেসব ডিভাইসে এই মুহূর্তে ইন্টারনেট প্রয়োজন নেই, সেগুলোর ওয়াই-ফাই বন্ধ রেখে দেখতে পারেন।


৪. চেষ্টা করুন ৫ গিগাহার্টজ (5GHz) ব্যান্ড


আজকালকার প্রায় সব আধুনিক রাউটারে ২.৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজ— এই দুটি ফ্রিকোয়েন্সি থাকে। গুগল জানিয়েছে, ২.৪ গিগাহার্টজের তুলনায় ৫ গিগাহার্টজে ডাটা ট্রান্সফারের গতি অনেক বেশি পাওয়া যায়। তবে এটি আপনার রাউটার ও ফোনের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে, কারণ পুরোনো কিছু ডিভাইসে ৫ গিগাহার্টজ সাপোর্ট নাও করতে পারে।


৫. রাউটারের পাশে এসব যন্ত্র রাখবেন না!


বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আসুস (ASUS)-এর মতে, আমাদের ঘরের কিছু বৈদ্যুতিক ও তারবিহীন যন্ত্র ওয়াই-ফাই সিগন্যালে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়। বিশেষ করে মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লুটুথ স্পিকার বা হেডফোন, কর্ডলেস ফোন এবং ধাতব আসবাবের পাশে রাউটার রাখলে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে পড়ে।


৬. একবার রিস্টার্ট দিয়ে দেখুন


সবকিছু ঠিক থাকার পরও ইন্টারনেট স্লো মনে হলে রাউটারটি একবার বন্ধ করে ১০-১৫ সেকেন্ড পর আবার চালু করুন। গুগলের পরামর্শ অনুযায়ী, রাউটার বা নেটওয়ার্ক রিস্টার্ট দেওয়াটা অনেক সময় ধীরগতির জটিলতা মুহূর্তেই সমাধান করে ফেলে।


৭. সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার আপডেট রাখুন


আপনার ফোনের মতো রাউটারের ভেতরেও একটি সফটওয়্যার থাকে, যাকে ‘ফার্মওয়্যার’ বলা হয়। আসুস তাদের গ্রাহকদের সবসময় রাউটারের ফার্মওয়্যার সর্বশেষ সংস্করণে হালনাগাদ রাখার পরামর্শ দেয়। এতে পারফরম্যান্স ও সিকিউরিটি দুটিই ভালো থাকে।


৮. সমস্যা কি আসলেই রাউটারে, নাকি লাইনে?


সবশেষে মনে রাখা ভালো— সমস্যা সবসময় আপনার ঘরের রাউটারে নাও হতে পারে। আপনার ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (ISP) মেইন লাইনে সমস্যা থাকলেও গতি কমে যেতে পারে। তাই স্পিড টেস্ট করে যদি দেখেন আপনার প্যাকেজের তুলনায় গতি অনেক কম আসছে, তবে শুরুতেই রাউটার না বদলে সোজা আপনার ইন্টারনেট প্রোভাইডারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।


সর্বশেষ সব খবর