ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই ছবিটি পোস্ট করেছেন তারেক রহমান।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে মানুষের যে ভালোবাসা ও দোয়া পেয়েছেন সেজন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ফেসবুক নিজের ভেরিফাইড পেজে তিনি এ কথা লিখেছেন।
তারেক রহমান লিখেছেন, প্রিয় বাংলাদেশের বন্ধুরা, বোনেরা ও ভাইয়েরা, গত বৃহস্পতিবার দিনটা সারা জীবনের জন্য আমার হৃদয়ে অবিস্মরনীয় হয়ে থাকবে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর আমি আবার আমার মাতৃভূমির মাটিতে পা রেখেছি। আপনাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, ঢাকার রাস্তাজুড়ে মানুষের ঢল, আর লাখো মানুষের দোয়া… এই মুহূর্তগুলো আমি কোনো দিন ভুলতে পারব না। সবার প্রতি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা।
তিনি লেখেন, এই ফিরে আসা নিয়ে আমার আর আমার পরিবারের মনে যে ভালোবাসা আর সম্মান কাজ করছে, তা শুধুমাত্র কথায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। যারা সব প্রতিকূলতার মাঝেও আমাদের পাশে ছিলেন, কখনো আশা হারাননি, আপনাদের সাহস আমাকে প্রতিনিয়ত শক্তি জোগায়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লেখেন, নাগরিক সমাজের মানুষজন, তরুণরা, পেশাজীবী, কৃষক, শ্রমিক… সব শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের ধন্যবাদ। আপনারাই আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন, বাংলাদেশ তখনই সবচেয়ে শক্তিশালী হয়, যখন এদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকে।
এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি দায়িত্বশীলতা ও যত্নের সঙ্গে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আর যারা আমার ফিরে আসার সময় নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করেছেন, সেই সাথে দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, সেইসব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সেবার গুরুত্ব অপরিসীম।
আমি অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা আমার দেশে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছেন। গণতন্ত্র, বহুদলীয় সহাবস্থান এবং জনগণের অদম্য ইচ্ছাশক্তির ওপর জোর দেওয়া এসব ভাবনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতির আশাবাদ এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানকেও আমি গুরুত্ব দিচ্ছি। এসব পরামর্শ আমি বিনয় ও সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করছি।
গতকাল আমি শুধু কোনো স্বপ্নের কথা বলিনি, আমি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি বাস্তব পরিকল্পনার কথা বলেছি; যে বাংলাদেশে শান্তি ও মর্যাদা থাকবে, যেখানে প্রতিটি মানুষ নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে, আর প্রতিটি শিশু আশার আলো নিয়ে বড় হবে।
এই পরিকল্পনা সব বাংলাদেশিদের জন্য। একটি ঐক্যবদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের জন্য। সবাইকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবার মত বাংলাদেশের জন্য।
দেশে ফিরে আসার সময় আমাকে বরণ করে নেবার জন্য, আপনাদের ধন্যবাদ। আল্লাহ বাংলাদেশকে এবং আপনাদের সবাইকে সবসময় তাঁর রহমতে রাখুন।
বিএনপির সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এই ক্ষমা চান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি স্টার নিউজের একটি টক শোতে সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের শিরশ্ছেদের দুঃখজনক ঘটনাটি নিয়ে সংকীর্ণভাবে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করতে গিয়ে আমি আবেগবশত বলেছিলাম, ‘আমি এই পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না।’
আমার এই মন্তব্যটি করা একেবারেই ঠিক হয়নি এবং আমি তা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রত্যাহার করছি। আমার এই মন্তব্যের মাধ্যমে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার-পরিজন এবং আমাদের প্রবাসী ভাইবোনদের মনে যে কষ্ট ও আঘাত দিয়েছি, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
কামরুজ্জামান রতন বলেন, মানুষ ভুল করতেই পারে, আর ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ মহান আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। আমার ওই মন্তব্যটি জন্য আমি দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।
এ নিয়ে স্টার নিউজের অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে স্টার নিউজের টক শো ‘কড়া আলাপ’-এ ‘সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড ও আমাদের কূটনীতির ব্যর্থতা’ শীর্ষক আলোচনায় সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মন্তব্য করেন কামরুজ্জামান রতন। তার সেই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুঃখ প্রকাশ করে মন্তব্যটি প্রত্যাহার করেন তিনি।
নায়িকা পরীমনি। ছবি: ফেসবুক থেকে
আপত্তিকর কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় তোলপাড় দেশের বিনোদন অঙ্গন। এবার সেই ঘটনায় সরাসরি মাছরাঙা টেলিভিশনকেই দায়ী করলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি।
চ্যানেলটির অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওগুলো সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেগুলো ডিলিট করে অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত দুঃখ প্রকাশকে ‘অপর্যাপ্ত’ উল্লেখ করেন নায়িকা পরীমনি। তিনি দাবি করেন, এই কাণ্ড তার স্বাভাবিক জীবন, মানসিক শান্তি এবং পেশাগত কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।
গত সোমবার দিনগত রাতে আপলোড হওয়া এসব কনটেন্ট মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অ্যাকাউন্টে দেখা যায়। প্রথম দুটির ভিডিওর ভিউ যথাক্রমে প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার এবং ১ লাখ ৪৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এ ছাড়া হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া ও বিপুলসংখ্যক মন্তব্য জমা পড়ে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে পরীমণি লেখেন, ‘ডিয়ার মাছরাঙা টেলিভিশন, আপনাদের এই জাস্ট একটা ফটো কার্ডের দুঃখ প্রকাশ কোনো কাজেই দিচ্ছে না। আপনারা আমার স্বাভাবিক জীবনটা আবার দুর্বিষহ করে দিয়েছেন। এর সম্পূর্ণ দায়ভার আপনাদের।’
তিনি আরও জানান, ট্রোল ও বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের কারণে নিজের বাচ্চাদের ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারছেন না। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো আইনি পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।
অন্যদিকে, মাছরাঙা টেলিভিশনের দাবি, তাদের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির মাল্টিমিডিয়া ম্যানেজার সংবাদমাধ্যমকে জানান, অননুমোদিত প্রবেশের মাধ্যমে এই কনটেন্টগুলো ছাড়া হয় এবং তারা দায়ীদের শনাক্ত করতে আইনি ব্যবস্থার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে অন্য অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ডিপফেকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেও, ক্ষুব্ধ পরীমণি সরাসরি মাছরাঙা টেলিভিশনকেই পুরো মানসিক ও পেশাগত ক্ষতির জন্য দায়ী করেছেন।
আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন মেহজাবীন
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর ঘটনার পর ৪ দিন পার হয়ে গেলো এবং এরইমধ্যে আমরা জানতে পারলাম যে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানকার জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে-এমনটাই জানিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের পুত্র।
পোস্টে ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। সোহেল তাজ বলেন, যাই হোক যে কারণেই হয়ে থাকুক আমি এখনো আগের ন্যায় একই ভাবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
তবে তাজউদ্দীন আহমেদের পুত্র মনে করেন, সালমান মুক্তাদিরের উচিত হবে বিএনপির মত একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে যে ঢালাও ভাবে চাঁদাবাজির অভিযোগ তিনি করেছেন সেটা প্রত্যাহার করে নেওয়া।
এদিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টে সাড়ে ১০ হাজারের মত রিয়্যাকশন পড়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে মাঝআকাশে একটি বিমানে দুই বাংলাদেশি যাত্রীর তুমুল মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফ্লাইট চলাকালে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই যাত্রী হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চরম বাকবিতণ্ডার পর দুই ব্যক্তি একে অপরকে কিল-ঘুষি ও চড় মারতে থাকেন। একপর্যায়ে মারামারির ধাক্কায় একজনের পরনের টি-শার্ট ছিঁড়ে যায়। মাঝআকাশে হঠাৎ এমন হাতাহাতির ঘটনায় বিমানে থাকা সাধারণ যাত্রী, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিমানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেবিন ক্রু ও পাশে থাকা অন্য যাত্রীরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তারা দুজনকে থামানোর চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে তাদের টেনে আলাদা করে শান্ত করেন।
এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মহিউদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানি নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।’
আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া
বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম করেছেন বলে অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এর মধ্যে বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগই ১১ হাজার কোটি টাকার। বাকি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বিভিন্ন পদে নিয়োগ, প্রকল্প, টেন্ডার এবং ঘুষ লেনদেন ঘিরে। এসব অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে এখন অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক।
আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে এমন খবর সামনে আসতেই নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে এক পোস্টে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এনসিপির এই মুখপাত্র ফেসবুকের ওই পোস্টে লিখেছেন, ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে।’
একইদিন বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে এক সংবাদ সম্মেলনেও দুদকের অভিযোগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। আসিফ মাহমুদ সেখানে বলেন, দুদকের সংস্কার না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি এখনও আগের মতোই ব্যবহৃত হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই নাম্বারটা একটু আগে ঠিকমতো উনারা নিজেরা বসে সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হয়। একবার শুনি, ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা, যেটা আমার দুই মন্ত্রণালয়ের বাজেটও ছিল না।
এরপর একবার শুনি ১১ হাজার কোটি টাকা। কয়েকদিন আগে শুনলাম ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। ২ কোটি ৭৬ লাখ থেকে ১১ হাজার কোটিতে উঠে যায়, তাহলে বিষয়টি নিয়ে সরকারের নিজেদের মধ্যে আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
এনসিপির এই মুখপাত্র বলেন, এখন সরকার যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে কাউকে তারা পাকড়াও করবে, তাহলে এর অনেক পদ্ধতি আছে। আমরা দেখেছি, আগে দুদক কী কী করেছে। বিএনপির ওপরেই করেছে। আওয়ামী লীগের সময়ের দুর্নীতি নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। আওয়ামী লীগের কয়জন লোকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে?
নিজের বিরুদ্ধে করা মামলার প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, প্রথম রাজনীতির যে ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে মামলাটা করা হলো, সেটা আমার বিরুদ্ধে করা হলো। আমি আমার জায়গা থেকে অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমি দুই দিন আগে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আপনাদের দেখিয়েছি যে, বিএনপির সময় হওয়া একটি পদোন্নতির জন্য আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যখন তারা দেখল যে, ওইটাতে তো কাজ হলো না, এখন আরেকটা দাও। তারপর কালকে আরেকটা দেবে। এটা দিতে থাকুক, আমরা এটার জন্য প্রস্তুত আছি।
দুদকের সংস্কার প্রসঙ্গে এনসিপি মুখপাত্র বলেন, আমরা যখন দেখছি যে, দুদকের সংস্কারটা করা হয়নি, অধ্যাদেশটা যখন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে, তখনই আমরা বুঝতে পেরেছি যে এই দুদক কীসের জন্য ব্যবহৃত হবে। পূর্বে যে কারণে ব্যবহৃত হয়েছিল, ভবিষ্যতে সে কারণেই ব্যবহৃত হবে।
ইসলামি বক্তা হাবিবুর রহমান মিছবাহের ‘দশম স্ত্রী’ হতে চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাথিনা তাবাসসুম মীম। গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্টটি দেন তিনি। এরপরই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
পোস্টে মীম লেখেন, ‘আমি কি ১০ নম্বর বউ হতে পারি? জীবনে বহুত টিকটক করেছি, এখন আপনাকে বিয়ে করে যদি জান্নাতে যেতে পারি। জান্নাতে যাওয়ার সুযোগটা করে দেন প্লিজ।’
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টটিতে ১ হাজার ৬০০ জনের বেশি প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মন্তব্য এসেছে ৪০৯টি এবং পোস্টটি শেয়ার হয়েছে ২২ বার। মন্তব্যের ঘরে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়াও দেখা যায়।
এইচ এম আনাস আব্দুল্লাহ নামের একজন মন্তব্য করেন, ‘টিকটক করলে কি জাহান্নামি নাকি?’ রাব্বি হাসান লেখেন, ‘আপনি এত দুষ্টু কেন?’ এ ছাড়া অন্য মন্তব্যকারীরাও বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
মীমের এই পোস্টের পর মিছবাহের ব্যক্তিগত জীবন ও একাধিক বিয়ের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আলোচিত ইসলামি বক্তা ও ৩১৩ প্রোপার্টিজের চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান মিছবাহের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যৌতুক দাবির অভিযোগে মামলা হয়েছে।
গত ২০ আগস্ট মিছবাহের পঞ্চম স্ত্রী মোসা. হুমায়রা জান্নাত ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০২০ সালের ৪ মে মিছবাহের সঙ্গে হুমায়রা জান্নাতের বিয়ে হয়। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিছবাহ’ নামে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিয়ের সময় মিছবাহ তার আগের চারটি বিয়ের তথ্য গোপন করেছিলেন। পরে হুমায়রা জানতে পারেন, তাকে ছাড়াও মিছবাহ মোট নয়টি বিয়ে করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, এসব বিয়ের কোনোটি কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়নি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ বি এম ইবরাহিম খলিল বলেন, হুমায়রা জান্নাত মিছবাহের পঞ্চম স্ত্রী। এরপর তিনি আরও চারটি বিয়ে করেছেন- এ হিসেবে মোট নয়টি বিয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে একাধিক নারীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।