সংগৃহীত ছবি
খুলনার পাইকগাছায় এক ভোজ আয়োজনে রান্নার সময় গরুর মাংসের রং বদলে সবুজ হওয়ার ঘটনার ‘সম্ভাব্য’ কারণ বর্ণনা করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।
ল্যাব পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফলের বরাতে সংস্থাটি বলছে, রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসার কারণে মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক (এক ধরনের আয়রন ও প্রোটিনযুক্ত উপাদান, যা পেশিকোষে অক্সিজেন জমা রাখে এবং এর জন্য মাংসের লাল বা গোলাপি রঙের দেখায়) পদার্থের রাসায়নিক রূপান্তরের কারণে মাংস সবুজ রঙ ধারণ করেছে।
গত ২৭ অগাস্টের ল্যবরেটরি পরীক্ষার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিএফএসএ। সেখানে বলা হয়, “নমুনায় কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা পিগমেন্ট উৎপাদনকারী সিউডোমোনাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে মাংসে কোনো পচনশীল দুর্গন্ধ বা আঠালো ভাবও ছিল না। যা নিশ্চিত করে, এই রঙ পরিবর্তন কোনো ব্যাক্টেরিয়াঘটিত বা পচনের কারণে ঘটেনি।”
ল্যাবরেটরি থেকে পাওয়া পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিএফএসএর খাদ্য বিশ্লেষণ শাখার প্রতিবেদন বলছে, “স্পেক্ট্রোফোটোমেট্রিক পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, ফ্রিজে দীর্ঘক্ষণ সংরক্ষণ এবং পরবর্তী সময়ে রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসার কারণে মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক রূপান্তর বা গাঠনিক পরিবর্তনের কারণে সবুজ রঙ ধারণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”
এ বিষয়ে বিএফএসএর খুলনা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, “আজকেই (রোববার) এ প্রতিবেদন আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে এই নমুনা মাংসগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে। আমাদের কাছে পাঠানো প্রতিবেদনে মাংসগুলো সবুজ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।”
এর আগে গত ২২ জুলাই কুলনার পাইকগাছা পৌরসভার মডার্ন বেকারির কর্মচারীরা কর্মস্থলে একসঙ্গে ভোজের আয়োজন করেন। সেজন্য বাজার থেকে গরুর মাংস কিনে আনেন তারা। তবে রান্নার সময় গরুর মাংসের রং বদলে সবুজ হয়ে যেতে শুরু করে।
এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে রান্না করা মাংসের কড়াই নিয়ে স্থানীয় থানায় হাজির হন রান্নার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
বেকারির কর্মচারীদের ভাষ্য, তেল-মশলা দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে রান্না শুরুর কিছুক্ষণ পরই মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং বদলে নীলচে-সবুজ হতে থাকে। যতই নাড়াচাড়া করা হচ্ছিল, পরিবর্তিত রং ততই গাঢ় হচ্ছিল। বিষয়টি দেখে তারা চুলা থেকে কড়াই নামিয়ে অন্যদের ডাকেন।
পরে রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে প্রথমে যান তারা মাংস বিক্রেতার দোকানে। তিনিও এ ঘটনা দেখে বিস্মিত হন। পরে তারা মাংসসহ কড়াই নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। সেখান তাদের থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলে কড়াইসহ তারা থানায় যান।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবুজ মাংসের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঘটনাটি নিয়ে দেশব্যাপী শুরু হয় আলোচনা। এর প্রেক্ষিতে মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার কারণ জানতে পরীক্ষার জন্য নমুনা ২৬ জুলাই বিএফএসএর ল্যাবে পাঠানো হয়।
নাকে অক্সিজেনের নল। পাশে সিলিন্ডার। স্পিডবোটে মুমূর্ষু ৮০ বছরের এক বৃদ্ধা শুয়ে আছেন স্বজনদের কোলে। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের ধাক্কায় কখনো ওপরে উঠছে নৌযানটি, আবার আছড়ে পড়ছে নিচে।
এর মধ্যে মুষলধারে বৃষ্টি। বৃদ্ধাকে সাদা পলিথিনে ঢেকে কোনোরকমে বৃষ্টিতে বাঁচানোর চেষ্টা। এভাবেই গুরুতর অসুস্থ মাকে নিয়ে সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রামের পথে সাগর পাড়ি দিতে হয়েছে জাহাঙ্গীর কবিরকে।
আজ রোববার সকালে ধারণ করা সেই যাত্রার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সন্দ্বীপভিত্তিক একাধিক ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
ভিডিওটি দেখে অনেকে বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন জরুরি মুহূর্তে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নিরাপদে চট্টগ্রামে নেওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে।
মুমূর্ষু রওশন আরা বেগম সন্দ্বীপ পৌরসভার তালতলি বাজারসংলগ্ন ছটাই বাড়ির বাসিন্দা। তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর বলেন, তাঁর মা কয়েক বছর ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শনিবার সন্ধ্যা থেকে তাঁর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। রোববার সকালে স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল সন্দ্বীপ মেডিক্যাল সেন্টারে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে দ্রুত চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
আজ বিকেলে জাহাঙ্গীর বলেন, তাঁর মা এখন চট্টগ্রাম শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) ভর্তি আছেন। তাঁর অবস্থা এখন কিছুটা ভালো হলেও আশঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে মেডিক্যাল সেন্টার থেকে রওশন আরাকে নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন স্বজনেরা। বেলা দুইটার দিকে চট্টগ্রামের ওই হাসপাতালে পৌঁছান। এর মধ্যে তাঁকে অক্সিজেন দিতে হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্বাভাবিক নৌযান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছিল।
জাহাঙ্গীর বলেন, জরুরি রোগী পারাপারের জন্য ঘাটে গিয়ে তাঁরা কোনো বিশেষ সহায়তা পাননি। শেষ পর্যন্ত কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়ায় একটি স্পিডবোটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।
ভিডিওতে দেখা যায়, সাগর উত্তালের পাশাপাশি বৃষ্টিও হচ্ছিল। স্পিডবোটে রওশন আরাকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। বৃষ্টি থেকে তাঁকে আড়াল করারও তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হলেও বাতাসে তা বারবার সরে গিয়ে তিনি বৃষ্টিতে ভিজে যান।
জাহাঙ্গীর বলেন, ‘এমন দুর্ভাগ্য আমাদের, জরুরি চিকিৎসায় পারাপারের ব্যবস্থা নেই। উল্টো জীবনের শঙ্কা নিয়েই রোগী নিয়ে সাগরে ঝাঁপ দিতে হয়।’
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বশির আহম্মেদ বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রামসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ সময় সাগর উত্তাল থাকে। ১ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত এই সতর্কসংকেত বহাল থাকবে।
সন্দ্বীপে জরুরি রোগী পারাপারের জন্য দুটি সি-অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে অচল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি সি-অ্যাম্বুলেন্স ২০০৮ সাল থেকে গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়াবাগানে স্থলভাগে পড়ে আছে। এক দিনের জন্যও সেটি রোগী পরিবহনে ব্যবহার করা হয়নি।
২০১৫ সালে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আরও একটি সি-অ্যাম্বুলেন্স সন্দ্বীপে দেওয়া হয়। সেটিও একবারের জন্যও চলাচল করেনি বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। বর্তমানে সেটি হারামিয়া ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রাঙ্গণে পড়ে আছে।
মুমূর্ষু রোগী পারাপারে সি-অ্যাম্বুলেন্স কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মানস বিশ্বাস বলেন, ‘ওই দুটি সি-অ্যাম্বুলেন্স অচল হয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে। আমরা নতুন সি-অ্যাম্বুলেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন জানিয়ে এখনো কোনো সাড়া পাইনি।’
এসপি রুহুল কবীর খান
মাদকবিরোধী অভিযান, চাঁদাবাজি, সড়ক অবরোধ, যানজট নিরসন, মোবাইল গেইম- জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির সাধ্যমে সামাজিক আন্দোলনের পথ ধরে চুয়াডাঙ্গার আইন-শৃঙ্খলার আমূল পরিবর্তনে উন্নয়ন ও প্রত্যাশার নতুন ঠিকানা হয়ে উঠেছে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) রুহুল কবীর খান।
বিগত মাসের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে এমন তথ্য উঠে এসেছে,চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।
২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খানের তত্ত্বাবধানে ও নেতৃত্বে দর্শনা থানাধীন আকন্দবাড়িয়ায় একটি বড় ধরনের মাদকবিরোধী র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। "মাদকের আগ্রাসন দৃশ্যমান, প্রতিরোধেই সমাধান", প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এ সভায় তিনি মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা সদর থানার উদ্যোগেও মাদকবিরোধী বিশেষ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চলতি পআগস্ট মাসে চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের হাতিকাটায় জেলা পুলিশ এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একটি বড় অনলাইন জুয়া ও মাদক সিন্ডিকেটের সন্ধান পায়, যেখান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ চক্রের মূল হোতাদের আটক করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
আগস্ট মাসের শেষের দিকে (২৮ আগস্ট ২০২৬) পুলিশের দায়ের করা পূর্বের মাদক মামলার শক্তিশালী তদন্ত ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা আদালত এক মাদক ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন, যা পুলিশের অপরাধ দমনে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ২২ আগস্ট দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় একটি কাভার্ড ভ্যান থেকে ৩৩০ কেজি প্রক্রিয়াজাত করা চুল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খানের সরাসরি দিকনির্দেশনায় জেলা ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) ও দামুড়হুদা থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে দ্রুততম সময়ে ঘটনার ক্লু উদ্ধার করে এবং লুণ্ঠিত মালামালসহ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
আইনশৃঙ্খলা তদারকির অংশ হিসেবে আগস্টের ১৯ তারিখে পুলিশ সুপার আলমডাঙ্গা থানাধীন আসমানখালী পুলিশ ক্যাম্পের বার্ষিক পরিদর্শনের মাধ্যমে গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশনা দেন।
আগস্টের শেষ সপ্তাহে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ এবং হাটবোয়ালিয়া ক্যাম্প পুলিশ বিশেষ রাত্রিকালীন অভিযান চালিয়ে মাদক, চুরি ও নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইনে একাধিক মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার ও আলামত জব্দ করেছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ, অপরাধমুক্ত এবং শান্তিময় হিসেবে গড়ে তুলতে এক অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়ে চলেছেন নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) রুহুল কবির খান। যোগদানের পর থেকেই তিনি মাদক, চাঁদাবাজি, জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে এক মাস ধরে জেলাজুড়ে পরিচালিত তার বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে নেওয়া দূরদর্শী পদক্ষেপগুলো ইতিমধ্যেই সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। তৈরি হয়েছে একটি দুর্বার সামাজিক আন্দোলন এবং উন্নয়ন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির নতুন ঠিকানা।
চুয়াডাঙ্গাকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে পুলিশ সুপার রুহুল কবির খানের নির্দেশে জেলা পুলিশ দিনরাত সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে। গত এক মাসে জেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা ও মাদকপ্রবণ পয়েন্টগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল, ইয়াবা, গাঁজা ও দেশি-বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে চিহ্নিত বেশ কয়েকজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে।
শুধু মাদকই নয়, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বাঁধা জুয়ার আস্তানাগুলো গুঁড়িয়ে দিচ্ছে পুলিশ। পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের কারণে জেলার কুখ্যাত জুয়াড়িরা এখন এলাকাছাড়া।
তরুণ ও যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে অনলাইন জুয়া এবং ক্ষতিকর মোবাইল গেমের (যেমন- ফ্রি ফায়ার, পাবজি) বিরুদ্ধে অভিনব এক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছেন এসপি রুহুল কবির খান।
বিভিন্ন পার্ক, চায়ের দোকান ও স্কুল-কলেজের আশেপাশে অভিযান চালিয়ে মোবাইল গেমে আসক্ত কিশোরদের আটক করে সচেতন করা হচ্ছে।
আটককৃতদের থানায় এনে শাস্তির বদলে তাদের অভিভাবকদের ডেকে কাউন্সেলিং করা হচ্ছে, যা চুয়াডাঙ্গায় অপরাধ দমনে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
সাধারণ ব্যবসায়ী এবং পরিবহন খাতের ওপর চেপে বসা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন নতুন এসপি। মহাসড়ক কিংবা বাজার-কোথাও কোনো ধরনের অবৈধ চাঁদা আদায় বরদাশত করা হচ্ছে না। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে চাটুকার ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
রুহুল কবির খান চুয়াডাঙ্গায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই পুলিশি সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে বিগত যেকোনো সময়ের চেয়েও দ্রুততর সাথে সাথে । থানায় জিডি বা অভিযোগ করতে এসে এখন আর সাধারণ মানুষকে কোনো হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের বক্তব্য—"বর্তমান এসপি স্যারের কঠোর ও সততারুণ্য পদক্ষেপের কারণে চুয়াডাঙ্গার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন আগের চেয়ে অনেক উন্নত এবং নিরাপদ।"
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক নেতৃত্ব ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো সমাজকে অপরাধমুক্ত করা সম্ভব। এসপি রুহুল কবির খানের এই সাহসী অভিযান চুয়াডাঙ্গাবাসীর মনে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে চার নারী ও চার পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সোনাইমুড়ী উপজেলার পূর্ব মির্জানগর গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে মো.সোহাগ (৪০), নজরপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে ইকবাল হোসেন (৪২), দৌলতপুর গ্রামের ইসমাইলের ছেলে জুনায়েদ (২৭) এবং হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা গ্রামের মিলন উদ্দিনের ছেলে মোঃ মুন্না (২৩)।
আজ রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরের দিকে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার চৌমুহনী বাজারের মিয়ামী ও স্কাইভিউ হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নোয়াখালীর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসির সার্বিক তত্ত্বাবধানে হোটেল দুটিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮জন জন নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নোয়াখালী ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌমুহনীর দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চার নারী ও চার পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সাতমাথা এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের নির্মাণাধীন ড্রেন খননকাজ কাজ করার সময় মাটির নিচ থেকে বের হয়ে এসেছে বিপুলসংখ্যক গুলি
বগুড়া মহানগরীর ব্যস্ততম এলাকা সাতমাথায় নির্মাণাধীন ড্রেনের মাটি খুঁড়তে গিয়ে ৩৩৪টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে সাতমাথার জিলা স্কুলের প্রাচীরসংলগ্ন এলাকা থেকে গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়।
সিটি করপোরেশনের চলমান ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের কাজের সময় শ্রমিকেরা মাটির নিচে গুলিগুলো দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে সেখানে লোকজন জড়ো হন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিগুলো উদ্ধার করে।
একসঙ্গে এতগুলো গুলি কীভাবে এল, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। গুলিগুলো কত বছরের পুরোনো, কোথা থেকে সেখানে এল এবং কোনো ঘটনার সঙ্গে এগুলোর যোগসূত্র আছে কি না, সেটিও জানা যায়নি।
সাতমাথা বগুড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। নগরীর বিভিন্ন সড়ক এসে এখানে মিলিত হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই এলাকায় মানুষের ব্যাপক চলাচল থাকে। এমন একটি ব্যস্ত স্থানের মাটির নিচে বিপুলসংখ্যক গুলি পাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাতমাথা ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন ধরনের নির্মাণকাজ হয়েছে। তবে নির্মাণাধীন ড্রেনের মাটি খননের সময় একসঙ্গে এতগুলো গুলি পাওয়ার ঘটনা তাঁদের কাছে অস্বাভাবিক।
নির্মাণাধীন ড্রেন থেকে মোট ৩৩৪টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী। গুলিগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর এগুলোর ধরন, সময়কাল ও উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আবারও বেড়েছে ডাকাতির আতঙ্ক! অভিযোগ উঠেছে, গত দুই বছরের মতো এবারও পদ্মার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ডাকাতচক্র।
স্থানীয়দের দাবি, ডাকাতরা নিয়মিত ডাকাতি করলেও দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এলাকায় চলাফেরা করছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাতের বেলায় বিভিন্ন বাড়িতে ডাকাতি করার সময় কেউ ডাকাতদের চিনে ফেললে তাকে পরবর্তীতে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে মুখ খুললে ডাকাতরা রাতের অন্ধকারে গুলি করে হত্যার হুমকিও দিয়ে যাচ্ছে।
শুধু প্রাপ্তবয়স্ক নয়-পরিবারের ছোট শিশুদের নিয়েও দেওয়া হচ্ছে ভয়াবহ হুমকি। অভিযোগ রয়েছে,কোনো বাড়িতে ছোট ছেলে-মেয়ে থাকলে তাদের ক্ষতি করার আশঙ্কা দেখিয়ে পরিবারের সদস্যদের নীরব থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকি কোনো বাড়িতে যুবতী মেয়ে থাকলে তাদের সঙ্গে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর হুমকি দিচ্ছে ডাকাতরা এমন কথা বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। নাম-ঠিকানা ও পূর্বের অপরাধের তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে রয়েছে। স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে ডাকাতচক্রের সদস্যদের নাম-ঠিকানা, পূর্বের ডাকাতির ঘটনা এবং তাদের বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন শাখা, কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ এবং জেলার বিভিন্ন গোয়েন্দা শাখায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরও অভিযুক্তদের অনেকেই অল্প সময়ের মধ্যে জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। ফলে এলাকায় তৈরি হয়েছে এক ধরনের ‘ধরলেও ফিরে আসে, আবারও ডাকাতি করে’-এমন আতঙ্ক। ডাকাতির চক্রই সন্ত্রাসী চক্রের সদস্য-আরও অনুসন্ধানে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত ডাকাতচক্রের কয়েকজন সদস্য ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়নের বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, এসব বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন গোয়েন্দা শাখা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবগত রয়েছেন। 'আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি থাকলেও আতঙ্ক কাটছে না’,পদ্মায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ও রাতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
তাদের প্রশ্ন-একই চক্রের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ, তথ্য-প্রমাণ ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরও যদি তারা জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে কীভাবে?
ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়নে ডাকাতচক্রের তৎপরতা, স্থানীয়দের প্রাণনাশের হুমকি, পূর্বের অপরাধের তথ্য এবং অভিযুক্তদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপারের মুঠোফোনে ফোনকল করা হলে তিনি ফোনকল রিসিভ করেনি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এ্যান্ড অপারেশন) এর মুঠোফোনে জানার জন্য ফোনকরা হলে তিনিয়ো ফোনকলে রিসিভ করেনি। তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধু অভিযান নয়-ডাকাতচক্রের মূল হোতা, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে চরাঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনাজপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফল করতে শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাদ মাগরিব দিনাজপুর শহরের জেল রোডস্থ জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে একটি সুশৃঙ্খল র্যালি আয়োজনের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্য ও শৃঙ্খলার পরিচয় তুলে ধরতে হবে। তিনি বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও নেতৃবৃন্দ যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি তার সঙ্গে একমত থাকবেন এবং দলীয় কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করবেন।
তিনি আরও বলেন, দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ব্যক্তির চেয়ে দল বড় এবং দলের চেয়ে দেশ বড়-এই নীতিকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় যাওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে না পারলেও তার মন পড়ে থাকবে নেতাকর্মীদের সঙ্গে। পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচির সার্বিক বিষয়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় তিনি দলীয় ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে বিচক্ষণতার সঙ্গে এবং দলের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় রেখে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গেও তিনি দলীয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
সভায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মাহাবুব আহমেদ, মো. হাসানুজ্জামান উজ্জল, কেন্দ্রীয় তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও দিনাজপুর জেলা তাঁতীদলের সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম গুরু, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মো. আনিসুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুরাদ আহমেদ, প্রচার সম্পাদক মো. বাবু চৌধুরী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, দপ্তর সম্পাদক মো. আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান বাদশা, সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হালিমসহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া দিনাজপুর জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. রেজা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন মন্ডল বকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কাইয়ুম, জেলা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদক মো. হাসু খাঁন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম, বাস্তহারা দলের দিনাজপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ্জালাল রোজ, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. নুরুজ্জামান সরকারসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সভায় অংশ নেন।
সভায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের সমন্বয়, শৃঙ্খলা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।