দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৮:৫৯ এএম

ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানাধীন দাপুনিয়া ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে সুমি ওরফে সুমা (৩০) নামে এক গৃহবধূকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর অত্যন্ত তৎপরতা দেখিয়ে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই মূল রহস্য উদঘাটনসহ ঘাতক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ভিকটিম সুমার স্বামী অলিউল্লাহ নিজ জমিতে লাগানো গাছের ডাল কাটছিলেন। এ সময় অলিউল্লাহর বড় ভাই খলিলুর রহমান খলিলের স্ত্রী নাছিমা আক্তার (৪০) গাছের ডাল কাটতে বাধা প্রদান করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়।


পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে হাতাহাতির এক পর্যায়ে নাছিমার স্বামী খলিলুর রহমান খলিল (৩৫) ঘর থেকে একটি ছুরি এনে ভিকটিম সুমি ওরফে সুমার বাম কাঁধের নিচে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একই দিন বেলা ১১:২০ ঘটিকায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


হত্যাকাণ্ডের সংবাদ পাওয়া মাত্রই ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ কামরুল হাসান মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় কোতোয়ালী মডেল থানার একটি চৌকস টিম বিশেষ অভিযানে নামে। মাত্র ১ ঘণ্টার ব্যবধানে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দুই আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তারা হলেন: মোঃ খলিলুর রহমান খলিল (৩৫) মোছাঃ নাছিমা আক্তার (৪০ ​গ্রেফতারের পাশাপাশি পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিটিও উদ্ধার করেছে। আইনি ব্যবস্থা ​এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের পিতা মোঃ গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।


​কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।




ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভর্তি পরীক্ষা

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:৫২ পিএম

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন টাঙ্গাইলে "তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শহরের আশেকপুর জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত ২ মাস ব্যাপী (১ম ব্যাচ) এর ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়।


দেশের অন্যতম আইটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের আগ্রহে জেলার বিভিন্ন উপজেলার মোট ১৫৬ জন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। 


সকালে ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী মোঃ নাহিদ হাসান। এ সময় তিনি পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।


এ সময় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটির সভাপতি ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ফাতেমা বেগম এবং সহ-সভাপতি ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রথীন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেডের জেলা কো-অর্ডিনেটর মো: জুয়েল রানা উপস্থিত ছিলেন।


ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেডের জেলা শাখার সহকারী কো-অর্ডিনেটর তৌহিদুর রহমান, প্রশিক্ষক ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার সঙ্গীতা সরকার, ডিজিটাল মার্কেটিং ও প্রশিক্ষক মো: রানা আহমেদ, প্রশিক্ষক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার মাহবুবুর রহমান সহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিবৃন্দ ভর্তি পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।


পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, লিখিত পরীক্ষার চুড়ান্ত ফলাফল এসএমএস এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের জানানো হবে এবং আগামীকাল বুধবার লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।


উল্লেখ্য, "তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন” শীর্ষক এই জাতীয় প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দেশের তথ্যপ্রযুক্তি-জ্ঞান সম্পন্ন যুব ও যুব মহিলাদের এআই-ভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তি, ফ্রিল্যান্সিং এবং ডিজিটাল দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে আন্তর্জাতিক কর্মবাজারের উপযোগী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা। ২০২৬ সাল থেকে দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে হাজারো তরুণ-তরুণী আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে। সেই সঙ্গে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকারত্ব হ্রাস, দক্ষ ফ্রিল্যান্সার ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করাও এ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।


সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্প দেশের যুবসমাজকে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান ও বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:০৭ পিএম

যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুলের যশোর শহরের নীলগঞ্জ এলাকার বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে নেমেছেন স্থানীয় শত শত মানুষ। এ সময় এমপির বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে যশোর-নড়াইল মহাসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানান বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে সড়কটিতে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।


স্থানীয়দের অভিযোগ, নীলগঞ্জ এলাকার আল মাদ্রাসাতুশ শারইয়াহ ও সংশ্লিষ্ট মসজিদকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার সকালে এমপি গোলাম রসুল ও তার মেয়ে অনন্যা বিরুদ্ধে মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থী আয়ান এবং রেক্সনা নামে এক নারীর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে ওই নারীর মাথা ফেটে যায় বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।


জানা যায়, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে মীমাংসা হয়। তবে মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসা খুললে গোলাম রসুল তা বন্ধ রাখতে বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপরই স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। প্রতিবাদে সকাল ১০টার দিকে তারা একত্রিত হয়ে এমপির বাড়ির সামনে অবস্থান নেন এবং বিক্ষোভ শুরু করেন।


বিক্ষোভকারীদের আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সব সময়ই গোলাম রসুল ও তাঁর মেয়ে খারাপ আচরণ করে আসছেন।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভ চলাকালে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি মীমাংসার উদ্দেশ্যে গোলাম রসুলের এক স্বজন ঘটনাস্থলে এলে বিক্ষুব্ধ জনতার একাংশ তাঁর ওপর চড়াও হয়। এ সময় তাঁকে মারধরের ঘটনাও ঘটে। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিক্ষোভকারীরা যশোর-নড়াইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তারা এমপি গোলাম রসুল ও তাঁর মেয়ের বিচারের দাবিতে দীর্ঘ সময় সড়কে অবস্থান করেন।


খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তিনি জানান, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। সংবাদপত্রের সাবস্ক্রিপশন


সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এমপির বাড়ির সামনে স্থানীয়দের অবস্থান অব্যাহত ছিল এবং মহাসড়কে যান চলাচল আংশিকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল।


এ বিষয়ে যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রসুলের স্ত্রী শারমিন ভিনা জানান, তার মেয়ে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি বলেন, মাদ্রাসা বন্ধ থাকলেও সেখানে শিশুরা বিভিন্ন সময় এসে গোলযোগ সৃষ্টি করে। এর প্রতিবাদ করেছিলেন তাঁর মেয়ে অন্যনা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে শত্রুতা তৈরি হয়েছে। এখন অহেতুকভাবে তাদের বাড়িতে হামলা করে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৩৫ পিএম

নোয়াখালীর সেনবাগে বোনকে দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর আবুল কাশেম (৬০) নামে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।


সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেনবাগ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিন্নাগুনি গ্রামের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।


নিহত আবুল কাশেম উপজেলার ৪ নম্বর কাদরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদপুর গ্রামের রমিজ উদ্দিন ভূঁইয়া বাড়ির মৃত নুর মিয়ার ছেলে।


পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ২৩ জুলাই অসুস্থ অবস্থায় আবুল কাশেম সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। পরে হাতে ক্যানোলা লাগানো অবস্থায় তিনি বিন্নাগুনি গ্রামে তার বোনের বাড়িতে বোনকে দেখতে যান। সেখান থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা ডোবার পাশ থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে সেখানে গিয়ে একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।


সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সরকার বলেন, বোনের বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই আবুল কাশেম নিখোঁজ ছিলেন। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:৪৬ পিএম

কিশোরগঞ্জ জেলার হাটে হাটে বিক্রি হচ্ছে নতুন পাট। দামও মিলছে ভালো। এতে সন্তুষ্টি জানিয়েছেন চাষিরা। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, মণপ্রতি পাটের দাম মিলছে গড়ে চার হাজার টাকা। জেলার হাওরাঞ্চলের নিচু জমিতে পাটের আবাদ হয় না। সাধারণত জেলার দুই ফসলি ও তিন ফসলি উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে পাটের চাষ করেন কৃষকরা। বোরো ধানের মৌসুমেই তারা পাটের আবাদ করেন। গত বৃহস্পতিবার কটিয়াদী উপজেলার সহস্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের সুতি এলাকায় দেখা গেছে, সেতুর দুই পাশের রেলিংয়ে কাঁচা পাট শুকানো হচ্ছে। জেলার কৃষিপ্রধান এলাকার প্রায় সব সেতুই এখন কাঁচা পাটে ঢাকা।


কয়েক দিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন অগভীর জলাশয়ের ধারে পচা পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর কাজ করছেন শ্রমিকরা। অন্যদিকে সেগুলো রোদে শুকিয়ে বাড়িতে নিয়ে পরিমাপ করে আলাদা আলাদা বান্ডেল করে বেঁধে রাখা হচ্ছে। হাটের দিন আশপাশের এলাকার কৃষকরা পাট নিয়ে আসছেন বিক্রির জন্য।


কটিয়াদীর গাগলাইল গ্রামের কৃষক নূরুল হকের সঙ্গে কথা হয় গত বৃহস্পতিবার। চলতি মৌসুমে তিনি এক একর জমিতে পাটের চাষ করেন। এতে ৩০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। তাঁর জমিতে পাট হয়েছে অন্তত ১৫ মণ। নূরুল হক বলেন, এখন বাজারে প্রতিমণ পাট চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে চার হাজার টাকা মণ হলেও পাট যত পুরোনো হবে, দাম ততই বাড়তে থাকবে। তিনি অর্ধলক্ষাধিক টাকা আয়ের আশা করছেন।


করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের মুড়িকান্দি গ্রামের কৃষক মাজহারুল ইসলাম। তিনি এবার পাটের আবাদ করেছেন দেড় একর জমিতে। গত শনিবার তিনি বলেন, তাঁর এলাকার কয়েক দিন আগে চার হাজার টাকা মণ দরে পাট বিক্রি হয়েছে। তবে এখন বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৮০০ টাকা দরে। কিছু দিনের মধ্যে দাম আবারও বাড়তে পারে। 


কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জে এবার প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ বেল।


জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বলেন, এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে। কৃষক দামও ভালো পাচ্ছেন। এবার পাটের জাগ দেওয়ার পানির সংকট ছিল না। কিছু অসচেতন কৃষক আছেন, ছোট ডোবায় অগভীর পানিতে পাট জাগ দেন। এর ফলে তাদের পাটের মান কিছুটা খারাপ হয়। চাষিদের বেশি পানিতে ও স্বচ্ছ পানিতে পাট জাগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এতে পাটের মান ভালো হবে। 

বিষয় : পাট


  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৩৭ পিএম

আসন্ন পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র হওয়ার দৌড়ে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন পটুয়াখালী পৌর বিএনপি ও দি-পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন।


মোঃ কামাল হোসেন ১৯৮০ সালে পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক হওয়ার মধ্যে দিয়ে তার রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৮৪-১৯৮৫ সাল পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।এরপর ১৯৯০ এবং ১৯৯৩ সালে তিনি পর পর দুই বার কাউন্সিলের মাধ্যমে পটুয়াখালী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর তিনি (২০২১-২০২২) সাল সততার সাথে পটুয়াখালী পৌর বিএনপির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে ২০২২ সালে তিনি পটুয়াখালী পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।এছাড়াও তিনি একোয়ারস্টেট নূরানী মাদ্রাসার সভাপতি,চরপাড়া জামে মসজিদ এর সাধারণ সম্পাদক ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি।


তার পিতা আলহাজ্ব মোঃ আবদুর রশিদ চুন্নু মিয়া যিনি পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক ২ বারের আহবায়ক।তার বড় ভাই মুহাম্মদ মুনির হোসেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক।


২০০৬-২০২৪ এর ৫ আগস্ট এর আগ পর্যন্ত তিনি ও তার পরিবার দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। দীর্ঘ সতেরো বছর আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি অসংখ্য বার আওয়ামীলীগ এর সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন।তাকে একাধিক মিথ্যা মামলার আসামী হতে হয়েছে এবং এই মিথ্যা মামলায় তাকে অনেক হয়রানি হতে হয়েছে। একাধিকবার তার বাসা, অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়েছে।২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনে তিনি উত্তরার আজমপুরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।


মোঃ কামাল হোসেন খুবই সৎ এবং দয়াবান ও একজন মানুষ। তিনি সবসময়ই গরিব-দুঃখী মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন।দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীর রাজনীতিতে তিনি নিজের এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন।


জেলা ও পৌর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মতে, দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং কর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে মোঃ কামাল হোসেন নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।তারা মনে করেন আসন্ন পৌর নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে দলটির সবচেয়ে যোগ্য ও শক্তিশালী প্রার্থী।


স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক ঐতিহ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও গভীর জনসম্পৃক্ততার কারণে মোঃ কামাল হোসেন আসন্ন পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।


আসন্ন পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ কামাল হোসেন দৈনিক নওরোজকে জানান, তিনি পটুয়াখালীকে একটি মাদকমুক্ত,সন্ত্রাসমুক্ত,আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পৌরসভা হিসেবে গড়তে চান।


  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৩৩ পিএম

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ প্রকৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবারের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২৬ জুলাই রবিবার  অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে সংগঠনের সদস্য ও উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।


আয়োজকরা জানান, টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবার শুধু উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সমাজ ও পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেও বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরিবেশ সুরক্ষা ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।


কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, একটি গাছ শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং নির্মল বাতাস, পরিবেশের ভারসাম্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি করে গাছ লাগানো এবং গাছের পরিচর্যা করা।


টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক, সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তারা সবাইকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।


টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবার—উদ্যোক্তা উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতায়ও অঙ্গীকারবদ্ধ।


এসময় উপস্থিত ছিলেন,মোঃ আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের,মোঃ রফিকুল ইসলাম,রোখসানা পারভীন,উর্মি আক্তার পরী,খাইরুন্নেসা সেতু,সামসুন্নাহার সালমা,লাকি খান,মাজেদা আক্তার,আরো অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।