সিলেটে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১২:৩০ পিএম

নানা আয়োজনে সিলেটে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে বাংলা নতুন বছর ১৪৩৩। পহেলা বৈশাখের সকাল থেকেই নাচ-গান আর বর্ণিল পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে নগরী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, যেখানে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ। 



সকালে ‘শ্রুতি সিলেট’-এর আয়োজনে নববর্ষ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন বছরে সরকার সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, যারা অতীতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব চায়নি, তারা এখনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে দেশের জনগণ তা প্রতিহত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।





এদিকে, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সিলেট জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি মুরারি চাঁদ কলেজ,সরকারি মদন মোহন কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসেও বর্ণিল আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ করা হচ্ছে। 



বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আজ সকাল ৯টায় সিলেট সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে সিলেট জেলা প্রশাসন। বর্ষবরণ উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার সময় জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। 


এ দিন সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী ও গোত্র নির্বিশেষে এক মিলনমেলায় অংশগ্রহণ করেছে, যা জাতির ঐক্যের প্রতীক। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ এবং সিলেট অঞ্চলের মানুষও সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই মিলনমেলার মাধ্যমে সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 


নববর্ষ উপলক্ষে সারদা হল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন আবৃত্তি, নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করে। এছাড়া ক্বিন ব্রিজের নিচে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার, বিভিন্ন হাসপাতাল ও শিশু পরিবার (এতিমখানা) সমূহে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়। 



জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় সংগীত এবং বৈশাখী সংগীত ‘এসো হে বৈশাখ’ পরিবেশনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্বিন ব্রিজ সংলগ্ন সারদা হল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশরাফুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষার্থীও সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। 




এদিকে,শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। সকাল থেকেই পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে ছিল নববর্ষের রঙিন উচ্ছ্বাস। বাঙালি সংস্কৃতির অংশ হিসেবে মাছ, তরমুজ, ডাকটিকিটের বক্স, হাত পাখাসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যের প্রতীক নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। নববর্য উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাভবন-ই এর সামনে থেকে এক আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। 



শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই জায়গা গিয়ে শেষ হয়।শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের উন্নয়নে আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করব। 


আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থীরা যেন নববর্ষের শপথ নিয়ে মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করে। শিক্ষাজীবনে পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; পড়ালেখা ও খেলাধুলা উভয় ক্ষেত্রেই একে অন্যকে সহযোগিতা করতে হবে। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, আমি শাবিপ্রবি পরিবারের সকল সদস্যকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমরা পুরোনো খাতা বন্ধ করে নতুন খাতা উন্মোচন করি-এটাই নববর্ষের বার্তা। অতীতের ভুল-ভ্রান্তি ও ত্রুটি-বিচ্যুতি ভুলে নতুনভাবে কাজ শুরু করব।


এ দিনে তিনি দেশের খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের কথা স্মরণ করেন এবং সবার শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি সুন্দর আয়োজনের জন্য আয়োজক ও শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিঠির সভাপতি ও ছাত্র উপদেশ নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ইফতেখার রহমান। 



পরবর্তীতে বিকাল ৩টায় মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিকে,বর্ষবরণ উৎসবকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।




  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:১৫ পিএম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ভালুকায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা ও পৌর যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।


কর্মসূচি উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে যুবদলের নেতাকর্মীরা ভালুকা সরকারি কলেজ মাঠে সমবেত হন। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে কলেজ মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়।


র‍্যালিটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভালুকা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন উপজেলা ও পৌর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।


কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, ভালুকা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব হাতেম খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন পাঠান এবং পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান উল্লাহ খান রুবেল।


যুবদলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভালুকা উপজেলা যুবদলের সভাপতি তারেক উল্লাহ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান খান রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজমুল হক মন্ডল, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিল্টন এবং জেলা যুবদলের সদস্য ও হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া। এ ছাড়া ভালুকা পৌর যুবদল নেতা মিসবাহুল ইসলাম সা'দসহ উপজেলা ও পৌর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েক হাজার নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশ নেন।


এ ছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রিয়াদ পাঠান, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাবু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদ উল্যাহ চৌধুরী ধ্রুব, সদস্যসচিব তোজাম্মেল হক বকুল, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. সুজন এবং কৃষক দলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম তারুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৪ পিএম

ঐতিহাসিক বড় মাঠ দ্রুত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দিনাজপুর। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অজুহাতে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ থাকা ঐতিহ্যবাহী এই মাঠ ফিরে পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। 


আন্দোলনকারীদের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মাঠটি খুলে দেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচি হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।


গতকাল বুধবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে ‘বড় মাঠ রক্ষা কমিটি’। এতে বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন, খেলোয়াড়, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, রাজনৈতিক দল, আইনজীবী, ছাত্র-ছাত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ জনতা পরে শহরের পৌরসভা-সংলগ্ন রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।


বড় মাঠ রক্ষা কমিটির কার্যকরী আহ্বায়ক গোলাম নবী দুলালের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রেহাতুল ইসলাম খোকার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি খালেকুজ্জামান বাবু, সহসভাপতি আখতারুজ্জামান জুয়েল, অধ্যাপক আব্দুল জলিল, রেজাউর রহমান রিজু, অ্যাডভোকেট মেহেরুল ইসলাম, পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন লাবু, মেহেরুল্লাহ বাদল, ডাক্তার শহীদুল্লাহ প্রমুখ।


বক্তারা বলেন, এ অঞ্চলের অন্যতম বড় ও ঐতিহ্যবাহী এই মাঠে বিভিন্ন জাতীয় টুর্নামেন্ট, খেলাধুলা, এশিয়ার বৃহত্তম ঈদের জামাত (গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ ময়দান সংলগ্ন), বাণিজ্য মেলা, রাজনৈতিক সমাবেশ ও ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রতিদিন সকাল-বিকাল সাধারণ মানুষ ও ডায়াবেটিস রোগীরা এখানে হাঁটাচলা ও নির্মল বিনোদনের সুযোগ পান। কিন্তু দীর্ঘ এক বছর ধরে এ মাঠে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় যুবসমাজ খেলাধুলা থেকে বিচ্যুত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। মাঠটি উন্মুক্ত করার দাবিতে বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়াসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত মাঠটি উন্মুক্ত করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।


কমিটির সদস্য সচিব রেহাতুল ইসলাম খোকা বলেন, ‘এই মাঠ দিনাজপুরের প্রাণ এবং অসংখ্য খেলোয়াড় তৈরির আঁতুড়ঘর। এখন লেখাধুলা বন্ধ। মাঠটি উন্মুক্ত করার দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।’ 


আহ্বায়ক গোলাম নবী দুলাল হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘খেলার জন্য উপযুক্ত বিকল্প কোনো মাঠ না থাকায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে পড়ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মাঠ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত না করলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’


সার্বিক বিষয়ে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্যাম্প করেছিল। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মাঠ ব্যবহারের দাবিতে স্থানীয়রা এর আগেও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন, আজও করেছেন। আন্দোলনকারীদের এই যৌক্তিক দাবি ও স্মারকলিপি আমরা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। 



ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৩৮ পিএম

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আজ মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেই নদী ও সাগরে ইলিশ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন জেলেরা। এ কারণে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীর তীর এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে পল্লিতে এখন ব্যস্ত সময় কাটছে। জাল ও ট্রলার মেরামতসহ নদী-সাগরে নামতে জ্বালানি ও খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। 


প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন রাখতে ৮ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে দেশের নদী ও সাগরে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়। ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চর খোন্দকার ও পূর্ব চর চান্দিয়া এলাকার জেলেপাড়াগুলোতে গতকাল বুধবার সকালে ঘুরে দেখা গেছে, জেলেরা বাড়ির আঙিনা ও রাস্তার পাশের খোলা জায়গায় বসে জাল মেরামত করছেন। কেউ জাল গুছিয়ে রাখছেন, আবার কেউ নৌকা মেরামত শেষে নদীতে নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


স্থানীয় জেলে হারাধন জল দাস বলেন, ‘২২ দিন খুব কষ্টে কেটেছে। আমরা তো মাছ ধরা ছাড়া অন্য কোনো কাজ পারি না। নদীতে মাছ ধরে আমাদের সংসার চলে। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে যেন নদীতে নামতে পারি, সে জন্য সবকিছু প্রস্তুত করে রাখছি।’


চর খোন্দকার এলাকার ট্রলারমালিক জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘অন্য সময়ের তুলনায় এবার সাগর ও নদীতে জেলেদের জালে ইলিশ কম ধরা পড়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সাগরে ট্রলার পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলেরাও ইতোমধ্যে ঘাটে এসে ট্রলারে অপেক্ষা করছেন।’


দীর্ঘদিন মাছ ধরতে না পারায় ঋণের কিস্তি, সংসারের খরচ ও নৌকা-জালের দেনা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অনেক জেলে। নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি খাদ্য সহায়তার বরাদ্দ থাকলেও অনেকে চাল পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। তবে নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় তাদের পরিবারগুলোতে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে।


এদিকে প্রজনন মৌসুম শেষে ১ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের নদনদীতে জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের ইলিশকে জাটকা বলা হয়। এ সময় জাটকা ধরা, বিক্রি, মজুত ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। তবে বড় আকারের ইলিশ ও অন্যান্য মাছ ধরার ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়। মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও জেলেরা আশা করছেন, গতবারের তুলনায় এবার ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে।


সোনাগাজী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাছলিমা আকতার বলেন, ‘এবার নিষেধাজ্ঞা আগের তুলনায় অনেক বেশি সফল হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাধারণ মানুষ ও জেলেদের সহযোগিতায় এটি সম্ভব হয়েছে। সাধারণ জেলেরা নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার ব্যাপারে আন্তরিক ছিলেন। আশা করি, ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে।’


জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা ও জেলেদের সচেতন করা হয়েছে।



ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৪ এএম

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে।  বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী—এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোট গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সকালে ভোটারদের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। সাধারণ ভোটাররা নির্বিঘ্নে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চলতি বছরেই দুবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে খুশি স্থানীয় ভোটাররা।


সকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে ভোট দিচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেক উৎসাহও দেখা যাচ্ছে।


অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। তিনি নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেন। তার অভিযোগ, কয়েকটি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একাধিক অভিযোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রশাসন নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।


রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। পাঁচটি দলের পাঁচজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই। অন্যদিকে, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন। এ ছাড়া অন্যান্য দলের আরও তিনজন প্রার্থী রয়েছেন।


উপনির্বাচন ঘিরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন অফিস সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। নিরাপত্তায় প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন আনসার সদস্য ও সাতজন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এ ছাড়া আনসার ব্যাটালিয়ন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও এসআরবি সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।


দেশের একমাত্র ঠাকুরগাঁও-১ আসনে এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় সারা দেশের মানুষের নজর রয়েছে এ নির্বাচনের দিকে। এ কারণে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবারই প্রথম ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে দুটি হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় মুখর ছিল শহর ও গ্রামাঞ্চল। ভোটারদের সমর্থন পেতে প্রার্থীরা নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ভোটের হিসাব কোন দিকে যায়, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।


স্থানীয় ভোটাররা জানান, নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হবে। দীর্ঘদিন পর ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে ।


ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে বডি ক্যামেরার মাধ্যমে নির্বাচনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচনের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। ভোটারদের উপস্থিতি ও উৎসাহও বেশ ভালো দেখা যাচ্ছে।


‘চা খাওয়ার টাকা দিলেও তো খুশি হতাম’

যুবদল নেতা-মৎস্য কর্মকর্তার কথোপকথন


উপজেলা যুবদল সচিব সচিব হাফেজ আবদুর রহিম ও সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৩৬ এএম

ভোলার মনপুরায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে টাকা লেনদেনের বিনিময়ে মেঘনায় মাছ শিকারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখার বিরুদ্ধে।


এ ঘটনায় মৎস্য ব্যবসায়ী ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবদুর রহিমের সঙ্গে সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখার কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।


এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেছেন মৎস্য ব্যবসায়ী ও উপজেলা বিএনপি নেতারা।


বুধবার সকাল থেকে মেঘনায় মাছ শিকারে টাকা লেনদেনের অডিও রেকর্ডটি ভাইরাল হয়।


উপজেলা বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন প্রিন্স লেনদেনের অডিও রেকর্ডটি পোস্ট করে লেখেন- ‘এই হলো গরিবের পেটে লাথি মারার অবরোধ, সবকিছু ভাগবাটোয়ারার খেলা।’


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খোদ উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা সাগরে মাছ ধরার দুই শতাধিক ট্রলারের প্রত্যেকটি থেকে ২৫-৩০ হাজার টাকা নিয়ে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মাছ ধরার অঘোষিত অনুমোদন দেন। পরে এই টাকা তিন ভাগ করে সবার কাছে পৌঁছে দেন অডিও ভাইরাল হওয়া মৎস্য ব্যবসায়ী ও যুবদল নেতা।



এ বিষয়ে অভিযুক্ত মৎস্য ব্যবসায়ী ও যুবদল সচিব সচিব হাফেজ আবদুর রহিমের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


তবে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা জানান, বিষয়টি শুনেছি। সত্যতা নিশ্চিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা জানান, এটি অনেক আগের রেকর্ড। এরপর তিনি অফিসে চা খাওয়ার দাওয়াত দেন।


নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খান সালমান হাবিব জানান, বিষয়টি নজরে এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



ভারতীয় নাগরিক অঞ্জনা ভৌমিকের (৫৬) মরদেহ। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:২১ পিএম

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় নাগরিক অঞ্জনা ভৌমিকের (৫৬) মরদেহ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিজিবির উপস্থিতিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আগরতলা থেকে উড়োজাহাজে কলকাতায় যাচ্ছিলেন অঞ্জনা ভৌমিক। যাত্রাপথে বিমানের দরজায় ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি অবতরণ করে।


এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে দুই ক্রু সদস্য, একজন রোগী, একজন চিকিৎসক ও একজন প্যারামেডিকসহ মোট সাতজন ছিলেন। অবতরণের পর রোগীকে দ্রুত কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার মরদেহ ভারতে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে মৃত ব্যক্তি ও তার সঙ্গে থাকা নিকটাত্মীয়ের পাসপোর্ট না থাকায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন তাদের ট্রাভেল পারমিট প্রদান করে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার দুপুরে তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে মরদেহটি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


নিহত অঞ্জনা ভৌমিক ভারতের আসাম রাজ্যের কামরূপ জেলার আজেরা এলাকার বাসিন্দা। মরদেহের সঙ্গে তার বোন শান্তা ভৌমিকও ছিলেন।