জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবির তথ্য ফাঁসের জেরে এক ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এনসিপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ছাত্রদল নেতার নাম আব্দুল গাফফার (২৯)। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বড় দেইল গ্রামের মাওলানা মোছলেহ উদ্দিনের ছেলে। গাফফার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হান্নান মাসউদের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাতিয়ার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বড় দেইল গ্রামে গাফফারের পৈতৃক বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই হাতিয়া উপজেলা ছাত্রদল স্থানীয় সাগরিয়া বাজারে এ হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
ছাত্রদল নেতা আব্দুল গাফফার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হান্নান, রিফাত ও মাহিম সেইফ হোমে ছিল। তখন আমিই হান্নান মাসউদকে সেইফ করছি। তখন তাদের সব গুলো ভিডিও থেকে সব কাজ আমি করে দিতাম। হাতিয়ার রাজনীতিতে তাকে আমিই প্রতিষ্ঠিত করছি। তার কারণে হান্নানের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠে। তার রাজনৈতিক গার্ডিয়ান হিসেবে ৫ আগস্টের পর দেড় মাস আমি তার সাথে ছিলাম। যার কারণে তার অনেক কিছু আমি জানি। ৫ আগস্টের পর তিনি নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীকে বিমানবন্দর পৌঁছে দিতে পরিকল্পনা করেন। এজন্য তিন কোটি টাকা দাবি করেন। তখন এতে আমি বাধা দেই।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, হান্নানের তিন কোটি টাকা দাবির এ ঘটনা গত বুধবার (৩ জুন) গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁনকে জানাই। পরে এ নিয়ে তিনিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। পরে আমি রাশেদ খাঁনের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি আমার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করি। এ ঘটনার পর থেকে হান্নান মাসুদ আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এরপর থেকে তার অনুসারীরা আমাকে ফেসবুকে নানা রকম হুমকি ও গালাগাল দিতে থাকে। একপর্যায়ে হান্নান মাসউদকে তার অনুসারীদের আমাকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানাই। তিনি বলেন, তার ওই সব লোকজন তার নিয়ন্ত্রণে নেই। তারা তার কথা শুনেনা। তারা যা করার করুক।
ছাত্রদল নেতা গাফফার অভিযোগ করে আরও বলেন, সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরীকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবির তথ্য ফাঁসের জেরে হান্নানের যোগসাজশে তার অনুসারীরা আমার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালায়। ওই সময় হামলাকারীরা আমাদের ভবনের একটি জানালা ভাঙচুর করে, প্রধান ফটকে হামলা করে। পরবর্তীতে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে চলে যায়। আমার বৃদ্ধ মা জান্নাত আরা বেগম (৬০) ও বাবা মোছলেহ উদ্দিন (৬৯) একাই বাড়িতে থাকেন। তারা এখনও ভয়ে আছে। মা-বাবা বলছে আমি যেন আর কোন বক্তব্য না দেয়। আবারও তারা বাড়িতে হামলার আশঙ্কা করছে।
হাতিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবির স্টেটম্যান দেওয়ায় গত দুদিন ধরে ছাত্রদল নেতা গাফফারকে প্রকাশ্যে হান্নাস মাসউদের অনুসারী এনসিপি নেতাকর্মিরা হুমকি-ধমকি দেয়। যারা হুমকি দিয়েছে তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
হাতিয়া উপজেরা এনসিপির আহ্বায়ক সামছুল কিবরিজ বলেন, ছাত্রদল নেতা গাফফার দৃঢ়ভাবে বলছে এটা এনসিপির নেতাকর্মি করেছে। তাহলে আমরা ধরে নেব, তারা নিজেরাই ভাইরাল হওয়ার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। স্থানীয় এমপি মুঠোফোনে আমাকে বিষয়টি অবহিত করলে আমি ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে বিএনপির নেতাকর্মিরা একটি অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, আমার নিজের বাড়িতে হামলা হয়। আমি সে গুলো ট্যাকেল দিয়ে উঠতে পারিনা। আমি আরেকজনের বাড়িতে হামলা করব। পুরোপুরি একটা সাজানো নাটক করা হয়েছে। যাতে করে আমাকে হেয় করা যায়। চেষ্টা করে যাক, দেখা যাক কি করতে পারে।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, গ্রামের বাড়িতে একতলা ভবন। ওই ভবনের দক্ষিণ পাশে অন্ধকার, ওই দিক থেকে কেউ একজন ঢিল মারছে। ইটের টুকরা এসে পড়লে জানালার অংশ বিশেষ ভেঙ্গে যায়। কে মারছে কাউকে দেখা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গুলসা,পাবদা ও টেংরা মাছের সাথে কার্প জাতীয় মাছের মিশ্র চাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার(১৫ অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ওই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।
প্রশিক্ষণে আধুনিক উপায়ে গুলসা পাবদা ও টেংরা মাছ চাষে জলাশয় প্রস্তুতি থেকে মাছ বিক্রয় পর্যন্ত নানান দিক তুলে ধরা হয়। জলাশয় প্রস্তুতিতে চুন ও লবণ প্রয়োগ খাবার ও পানি প্রস্তুতিতে ১৫ দিন পরপর পরিমাণ মতো অটোপালিশ,চিটাগুড়,ইস্ট পাউডারের সংমিশ্রণের প্রয়োগের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রশিক্ষণ প্রদান করেন, জেলা মৎস্য অফিসের সহকারী পরিচালক কামরুন নাহার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুন কুমার মন্ডল, কিশোরগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা(অ:দা:) আব্দুস সালাম, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান।
উল্লেখ্য, ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের রাজস্ব খাতের আওতায় উক্ত প্রশিক্ষণে উপজেলার ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করেছে পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। একই সাথে দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রধান সহ মন্দির পরিদর্শন করেছেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস।
বৃহস্পতিবার ( ১৫ অক্টোবর ) বিকেলে পঞ্চগড় পৌর শহরের দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় থাকা ৩৫টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সাথে নাশকতা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি।
এ ছাড়া জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য চালু করা হয়েছে মনিটরিং সেল বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
একই সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অপপ্রচার প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে। পরে তিনি পঞ্চগড় শহরের বিভিন্ন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন।
এসময় পঞ্চগড় ১৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ১৮ বিজিবি আওতাধীন পঞ্চগড় জেলায় সীমান্ত এলাকায় যতগুলো পূজা মন্ডপ রয়েছে সেগুলো নিরাপত্তায় আমরা কাজ করছি। আমাদের টহল দল সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। আমরা জেলা প্রশাসন এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছি। ২৪ ঘন্টা আমাদের বিজিবি টহল দল তৎপর রয়েছে। যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতিতে আমরা পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছি।
রাজশাহী ও নাটোর জেলার বিভিন্ন চলমান ও প্রস্তাবিত পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তিনি প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, বাস্তবায়ন পরিস্থিতি এবং নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
সকালে রাজশাহীতে পৌঁছে প্রতিমন্ত্রী পবা উপজেলার নওহাটা ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকায় ‘রাজশাহী ও নাটোর জেলার অন্তর্গত বারনই নদী পুনঃখনন, দূষণমুক্ত ও দখলমুক্তকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরে তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভা এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপর নদীপথে চর আসারিয়াদহ ইউনিয়নে যান। এ সময় নদীভাঙন রোধ, নদীতীরবর্তী জনপদ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা এবং স্থানীয় মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরে রাজশাহী শহরের আই-বাঁধ, টি-বাঁধ ও শহর রক্ষা বাঁধ এলাকাও পরিদর্শন করেন।
দুপুরে নাটোরে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত ‘বড়াল নদী অববাহিকায় পানিসম্পদ পুনর্বাসন (বড়াল নদী ড্রেজিং, নারদ নদ ও মুসা খাঁ নদী পুনঃখনন)’ শীর্ষক প্রকল্পের এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রকল্পের প্রস্তাবনা ও বাস্তবায়ন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অবহিত হন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, নদী, খাল ও জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ ও জনজীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনস্বার্থ, কারিগরি সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি সুফলকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল হক মিলন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন, রাজশাহীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী আবুল হোসেন তুহিনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা।
সফরকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিমন্ত্রীকে প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা, বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন।
খুলনা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক
খুলনায় শারদীয় দূর্গাপূজা ২০২৬ ইং উপলক্ষে আজ ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিং প্রদান করেন খুলনা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক।
এ সময় তিনি বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ব্রিফিংয়ে এসপি ডিউটিরত সকল সদস্যকে উৎসাহ যোগান এবং সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।
উক্ত ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিঃ পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এস. এম. আল বেরুনী, অতিঃ পুলিশ সুপার ট্রাফিক ও ডিএসবি, আবির সিদ্দিকী শুভ্র, অতিঃ পুলিশ সুপার, (বি-সার্কেল) মোঃ খায়রুল আনাম, বিপিএম-সেবা, অতিঃ পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) মোঃ সালাউদ্দিন সহ ডিউটিতে মোতায়েনকৃত ফোর্সবৃন্দ।
ড্রেনের পাশে নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ড্রেনের পাশে পড়ে থাকা একদিন বয়সী এক নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকেরা শিশুটিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশগঞ্জ এলাকায় সমীরের বাড়ির গলির পেছনে ড্রেনের পাশে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে মহেশগঞ্জ বাজার এলাকায় পথচারীরা নবজাতক কন্যাশিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, নবজাতকের পরিচয় ও তার মা-বাবার সন্ধান বের করার চেষ্টা চলছে। কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে রেখে গেছে, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬
"দূর্বার তারুন্য, দূর্নীতি রুখবেই" এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ঝালকাঠির নলছিটিতে দুর্নীতি দমন কমিশন পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল দশটায় সরকারি নলছিটি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় উপজেলার সরকারি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাওতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নলছিটি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নান্দিকাঠি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। বিচারকরা প্রতিযোগিতায় নলছিটি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কে বিজয়ী ও সরকারি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় রানারআপ ঘোষণা করেন। শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন নলছিটি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ইকরা অমি আলম।
বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন, নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতীক কুমার কুন্ডু, নলছিটি উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ সমিটির সভাপতি শামসুল আলম খান বাহারের সভাপতিত্বে এসময় আর-ও উপস্থিত ছিলেন, নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান, সরকারি নলছিটি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খায়রুল বাশার, প্রভাষক মানবেন্দ্র মুখার্জী, জয়নাল আবেদীন, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য আবদুল কুদ্দুস, শাহাদাত আলম, শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, নলছিটি সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মল্লিক মনিরুজ্জামান।