পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন নগরায়ন গড়তে, টাঙ্গাইলে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্ন অভিযান শুরু করেছে স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) দিনব্যাপী পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডের আশেকপুরে ছাত্র ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তানভীর হাসান খান রুবেল এর নিজ উদ্যোগে এ পরিষ্কার পরিছন্নতা অভিযান শুরু করা হয়।
আশেকপুর জোবায়দা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের রাস্তাটি জঙ্গলে ভরা ছিলো। প্রতিনিয়ত পথচারী ও বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা ওই রাস্তায় যাতায়াত করতে সাপ পোকার ভয়ে আতঙ্কিত থাকতো।
ধীরে ধীরে রাস্তাটি জনসাধারণের চলার অনুপযোগী হয়ে উঠেছিল। রাস্তাটির দুই ধারে জঙ্গল পরিষ্কার করে দেয়ায় এখন মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। প্রশংসিত হচ্ছে টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম। এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তানভীর হাসান খান রুবেল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ১৫নং ওয়ার্ডে নানা অভিযোগে ভরা। এ বিষয় নিয়ে বারবার পৌর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও কোন ফল পাচ্ছে না জনসাধারণ।
আপনারা জানেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী একটি উক্তি ব্যবহার করেন করবো কাজ গরবো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। এই দেশকে জঞ্জাল মুক্ত করতে পরিকল্পিত নগরায়ন গড়তে কাউকে না কাউকে তো এগিয়ে আসতে হবে। তাই নিজ উদ্যোগেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে আমাদের এই কাজ অব্যাহত থাকবে।
দেশব্যপী তীব্র গ্যাস সংকট, অসহনীয় লোডশেডিং,গ্যাস, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট ১১ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করেছে ১১ দলীয় ঐক্য, ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুৃপুরে জেলা প্রশাসক রফিকুল হক এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা দ্রুত স্মারকলিপিটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর প্রেরণ করব।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশে চলমান অর্থনৈতিক ও নাগরিক সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গ্যাস সংকট, দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছে।
১১ দফা দাবিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন এবং দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না পেলেও অনেক গ্রাহককে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এসব বিষয়ে সরকার প্রধানকে দ্রুত নজর দিতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়েতে সেক্রেটারী ও সমন্বয়ক, ১১ দলীয় ঐক্য মোহাম্মদ আলমগীর, সহকারি সেক্রেটারী কফিল উদ্দিন আহাম্মদ, এনসিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল বিন হায়দার, এনসিপির জেলা যুগ্ন আহ্বায়ক সামসুল আলম। সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা ফজলে রাব্বী মোর্তজাবীসহ ১১ দলের নেতাকর্মীরা।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে জেলা জাায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া না হলে জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ১১ দলীয় ঐক্য শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।
মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী
জামালপুরের মাদারগঞ্জে কার্যক্রম রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী নামে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা। রাজনীতি ছেড়ে বাকি জীবন কোরআন সুন্নাহ মোতাবেক চলতে চান বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (০৬ জুলাই) তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এ ঘোষণা দেন গোলাম রব্বানী।রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া ওই নেতা পৌর শহরের বালিজুড়ী পূর্বপাড়ার বাসিন্দা। তিনি আব্দুল আলীম মির্জা কাশেম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক।
জানা গেছে, আশির দশক থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগে সম্পৃক্ত হওয়ার মাধ্যমে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন গোলাম রব্বানী। পরে মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের ৩ বারের সভাপতি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য, সর্বশেষ জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক পদের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটিতে নেই।
পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে মোহাম্মদ গোলাম রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবইলে বলেন, ‘আমি ২০১৮ সালে পবিত্র হজ পালনের সময় কাবাঘর ছুয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম রাজনীতি থেকে বিদায় নিব। কারণ, রাজনীতি আমার জন্য না। এতদিন পদত্যাগ না করতে পারলেও আজ করলাম। আমি আওয়ামী লীগের আমলেও অআনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিদায় নিয়েছি।
তিনি বলেন, সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এতদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিতে পারিনি। এখন সুযোগ হয়েছে। তাই রাজনীতি থেকে বিদায় নিলাম। বাকি জীবন আমি কোরান সুন্নাহ মোতাবেক চলতে চাই। এ নিয়ে কেউ অহেতুক বিভ্রান্ত হবেন না। আমি যা করেছি, স্বজ্ঞানে করেছি।
প্রসঙ্গত, গোলাম রব্বানীর বর্তমানে বয়স চলছে ৫৮ বছর। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর নাশকতা,বিস্ফোরকসহ কয়েকটি মামলা জর্জিত হোন তিনি। আদালতে আত্মসমর্পণ করে টানা সাড়ে ৩ মাস কারাগারভোগ করেন তিনি।
ছবি : সংগৃহীত
জীবদ্দশায় চল্লিশার আয়োজন করেছেন জামালপুরের ইসলাম উপজেলার পলবান্ধা ইউনিয়নের পূর্ব বাহাদুরপুর গ্রামের বৃদ্ধ আব্দুস সামাদ (৭০)।
বুধবার (৫ আগস্ট) নিজ বাড়িতে দুই হাজারের অধিক মানুষ নিয়ে চল্লিশার আয়োজন করেন তিনি। সামাদ আলী (৭০) ওই এলাকার মৃত শুকর আলীর ছেলে।
দাওয়াত খেতে আসা একই এলাকার নুরুল ইসলাম (নুর) বলেন, সামাদ সংসার জীবনে বেশ সুখেই দিন কাটাচ্ছেন। তার সংসারে রয়েছে ৩ মেয়ে ও ৪ ছেলে। এলাকায় বিত্তশালী কৃষক হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। ছেলেরা কেউ বিয়ে করে আলাদা আবার কেউবা লেখাপড়া করছেন।
তিনি আরও বলেন, সামাদ চিন্তা করেন নিজের জমিজমা ভাগ-বাটোয়ারা করে দিয়ে দেবেন। এরপর অপেক্ষা পরপারে চলে যাওয়ার। এর মধ্যে মাথায় আসে তিনি মারা গেলে সন্তানরা যদি চল্লিশা না করে। এ জন্য তিনি নিজের চল্লিশা জীবিত অবস্থায় করে যেতে মনস্থির করেন।
নুরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বললে তাদের সম্মতিতে আয়োজন করেন চল্লিশা। এজন্য তিনি বেশ কয়েক দিন সময় নিয়ে লোকজনকে দাওয়াত দেন। বুধবার দুপুরে বাড়িতে সামিয়ানা টানিয়ে দুই হাজারের অধিক নারী-পুরুষকে খাওয়ান।
দাওয়াত খেতে আসা আব্দুল কদ্দুস বলেন, জীবিত ব্যক্তি নিজের চল্লিশার আয়োজন করেছেন সেটি ব্যতিক্রম ঘটনা। তৃপ্তি সহকারে আমরা খেয়েছি।
সামাদের ছেলে সামিউল বলেন, বাবার ইচ্ছায় তিনি জীবিত অবস্থায় এ মেজবানির আয়োজন করেন। তাই আমাদেরও সম্মতি ছিল। তবে বাবা না থাকলেও আমরা তার আত্মার শান্তির জন্য এটা করতাম।
মেয়ে সাজেদা বলেন, বাবার একটা সন্দেহ দূর করতেই এ আয়োজনে সবার সম্মতি ছিল। এতে আমাদেরও ভালো লাগছে। তবে আমার ভাইয়েরা সাধ্যমতো অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন।
বৃদ্ধ সামাদ আলী বলেন, আমি শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছি। নামাজ ছাড়া এখন তেমন কোনো কাজকর্ম করি না। সবার সঙ্গে কথা বলে এ আয়োজন করেছি। চল্লিশার জন্য এক লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি গরু, ২০ হাজার টাকার একটি খাসি কিনেছি।
ময়মনসিংহে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ দুইজন কথিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং ডিবি (দক্ষিণ)-এর ওসি মুহাম্মাদ মাহবুবুল হকের নির্দেশনায় এসআই (নিঃ) বিপুল কুমার সাহা সঙ্গীয় ফোর্সসহ বুধবার (৫ আগস্ট) রাত ৮টা ২৫ মিনিটে কোতোয়ালী মডেল থানার রঘুরামপুর ঠাকুরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ হাজার টাকা। এ সময় রঞ্জন দাস (৪৮) ও মিঠুন চন্দ্র কর (৩৫) নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা উভয়েই রঘুরামপুর ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
ডিবি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত আলামতের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা জানিয়েছে, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।
নাটোরের লালপুরে ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বাড়ি ফেরার পথে দিনে-দুপুরে অটো চার্জার ভ্যান থামিয়ে ছিনতাই হওয়া ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধারসহ ছিনতাইকারী দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে লালপুর থানা পুলিশ। একই সাথে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামীদের আটক ও ছিনতাইকৃত টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের গোপালপুর বটতলা এলাকার মোঃ আলমাছ আলীর ছেলে মোঃ সবুজ আলী (২০) এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের ভাদুর বটতলা (বাগানপাড়া) এলাকার মোঃ শরিফুল ইসলামের ছেলে মোঃ সোহাগ আলী (১৯)।
পুলিশ জানায়, গত ০৪ আগস্ট সকাল ১১ টার দিকে ভুক্তভোগী মোছাঃ জেসমিন নাহার (৪০) ডাচ বাংলা ব্যাংক লালপুর শাখা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করে ভ্যানিটি ব্যাগে নিয়ে চার্জার ভ্যানযোগে নিজ বাড়ি বৈদ্যনাথপুরে যাচ্ছিলেন। পথে বৈদ্যনাথপুরস্থ যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সংলগ্ন সাঁকোর পাকা রাস্তার উপর পৌঁছালে চলন্ত মোটরসাইকেলে এসে দুই ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেসমিন নাহার ওই দিনই বাদী হয়ে লালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামে পুলিশ, পরবর্তীতে মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার অভিযান পরিচালনা করে দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়া ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।
আজ (৬ আগষ্ট) দুপুরে লালপুর থানা চত্বরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করে লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় পরিত্যক্ত একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের ধারণা, নিহত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বগাজান চৌরাস্তা জামে মসজিদের পাশের একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের বয়স আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ বছর। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে ওই ব্যক্তিকে বগাজান বাজারে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তাঁর কথাবার্তা ও চলাফেরা দেখে স্থানীয়দের মনে হয়েছিল, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। এ সময় খোরশেদ নামের এক ব্যক্তি ওই ব্যক্তির ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে তাঁর পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা চান। পোস্টে কেউ তাঁকে চিনে থাকলে বগাজান বাজারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকেলে বাজারে অবস্থানকালে ওই ব্যক্তিকে ঘাস টেনে খেতেও দেখা যায়। পরে রাতে তিনি বাজারেই ছিলেন। বগাজান বাজারের হোটেল ব্যবসায়ী দুলাল বলেন, বুধবার রাত ১০টার দিকে দোকান বন্ধ করার আগে তিনি ওই ব্যক্তিকে একটি রুটি খেতে দিয়েছিলেন।
ভালুকা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হাবিল নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি পুকুরে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে মরদেহের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এসআই মো. মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ওই যুবকের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।