• প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৭ পিএম

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ, এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নরসিংদীর পলাশে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে যুব র‍্যালি, আলোচনা সভা, যুব ঋণের চেক ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুবকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।


রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. শাজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ।


এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জুয়েল রানাসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সুধীজন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্য এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।


আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সামাজিক অগ্রগতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ। দেশের বিপুল যুবশক্তিকে দক্ষতা, মেধা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল কর্মপ্রচেষ্টায় কাজে লাগাতে পারলে উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।


তারা আরও বলেন, যুবকদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তাদের সম্ভাবনাকে উৎপাদনশীল শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। পাশাপাশি যুবসমাজকে সুশৃঙ্খল ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে কার্যকর পরিকল্পনা এবং নির্ভুল ডাটাবেজ প্রণয়ন জরুরি। সুপরিকল্পিতভাবে যুবশক্তিকে কাজে লাগানো গেলে একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।


অনুষ্ঠানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যুব ঋণের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে যোগ্য যুবকদের মধ্যে ঋণের চেক এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪৬ পিএম

হেমন্তের শুরুতে উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে শীতের পদধ্বনী শুরু হয়েছে। সারাদিন সূর্যের উত্তাপ থাকলেও বিকেলের দিকে কমে যাচ্ছে সূর্যের প্রখরতা।রাতে কুয়াশা এবং ভোর রাতে শীতের কাঁথা গায়ে দেওয়ার চাহিদা জানিয়ে দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। বিকেলে শহরের কোথাও কোথাও শীতের ভাপাপুলির দোকান জানান দিচ্ছে প্রকৃতিতে শীতের আমেজ।


বাংলা পুন্জিকা মতে পৌষ ও মাঘ মাস শীতকাল। বর্তমানে শুরু হয়েছে হেমন্তকাল। ইংরেজি নভেম্বর মাসের দিকে দেখা হয় শীতের আমেজ। ঠাকুরগাঁও জেলা হিমালয়ের পাদদেশের জেলা হওয়ায় প্রতি বছর এখানে আগাম শীত পড়ে ।এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।ইতোমধ্যে রাতে কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। সকালে দুর্বাঘাস আর ধানের শীষে শিশির জমে থাকা শিশির বিন্দু ঝলমতে আলোয় মুক্তার ন্যায় চিকচিক করছে। সকালের দিকে ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় মোটর সাইকেলের চালকদের মোটা কাপড় ও রেইনকোর্ট ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে। এ সময় কৃষকরা তাদের গরু মহিষ নিয়ে মাঠে চড়াতে নিয়ে যায় শীতের ছোয়া পেতে। আর আলু,পটল,মূলা চাষীরা সকাল সকাল জমিতে আলু রোপণসহ অন্যান্য কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন অনেকে।আবার অনেক চাষী করলা, লাউ ইত্যাদি মাঠ থেকে সংগ্রহ করে পাইকারদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।


স্থানীয়রা বলছেন, এ বছর দীর্ঘ কয়েক মাস প্রখর রোদ ও প্রচন্ড গরম পড়ায় বর্তমানে হাল্কা ঠান্ডায় শরীর মন জুড়িয়ে যাচ্ছে।দিনে রোদের তাপ থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকেই পড়তে থাকে হালকা কুয়াশা। রাত বাড়ার সঙ্গে কুয়াশাও বাড়তে থাকে। সেই সাথে বাতাসের আদ্রতা কমে যাওয়ায় রাতে কাথা গায়ে দিতে হচ্ছে। 


বিশেষ করে, ভোরে উত্তরের জেলা অভিমুখে আসা দ্রুতগামী কোচের চালকদের অনেক জায়গায় কুয়াশা ভেদ করে হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালিয়ে আসতে হচ্ছে। সেই সাথে সিরাজগঞ্জ পার হ‌ওয়ার  পরপরই যাত্রীদের ঠান্ডায় কাতর হয়ে পড়তে হচ্ছে ইতোমধ্যে।


শীতকালের আরেক অনুসংগ মজার খাবার শীতের ভাপাপুলি। শীতকালে শহর গ্রাম সর্বত্র শীতের ভাপাপুলির দোকান বসে।সেখানে সকল বয়সের মানুষজন পৌকান পিঠা, পোয়া পিঠা, চিতুয়া পিঠা ইত্যাদি খেতে সকল বয়সের মানুষজনকে ভীড় করতে দেখা যায়। এ বছর ইতোমধ্যে আদালত চত্বরে শুরু হয়েছে শীতকালীন পিঠার দোকান।


 আবহাওয়া অফিস দেয়া তথ্য মতে গত ঠাকুরগাঁওয়ে কয়েকদিন ধরে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে।

সর্বশেষ সব খবর

আগুন জ্বালিয়ে আন্দোলনকারীদের সড়ক অবরোধ

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৯ পিএম

পাঁচ দফা দাবিতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে চতুর্থ দফায় সড়ক অবরোধ শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে সাজেক সড়কে শান্তিপূর্ণভাবে এ অবরোধ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এক দিনের বিরতির পর রোববার আবারও অনির্দিষ্টকালের জন্য এ কর্মসূচি শুরু করে সংগঠন দুটি।


সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসের সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবিতে এ অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে।


সোমবার সকাল থেকে অবরোধ চলাকালে সাজেক সড়কে বড় ধরনের যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। অবরোধকারীরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির চেষ্টা করেন। তবে কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।


গত ২২ অক্টোবর থেকে টানা ১০ দিন সাজেকে সড়ক অবরোধ চলে। তবে সাজেকে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য মালামাল আনা-নেওয়া এবং স্থানীয় মানুষের মৌলিক চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রোববার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অবরোধ শিথিল করে সংগঠন দুটি। শিথিলের সময় শেষ হওয়ার পর সোমবার সকাল থেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়।


টানা অবরোধের কারণে সাজেকের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রোববার এক দিনের জন্য অবরোধ শিথিল করা হলেও ওই দিন পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি নামে একটি শ্রমিক সংগঠন খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি সড়কে অবরোধ ডাকায় সাজেক সড়কে কোনো পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করতে পারেনি।


সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, অবরোধের কারণে এ সড়কে বড় ধরনের যানবাহন চলাচল করছে না। তবে মাঝেমধ্যে কয়েকটি অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে। এখন পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।


সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে গত ২৬ অক্টোবর উজোবাজারে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বৈঠকে আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবির চারটি বিষয়ে সমঝোতা হলেও একটি দাবি নিয়ে মতপার্থক্য থাকায় আলোচনা অমীমাংসিত থেকে যায়। তবে পরবর্তী আলোচনার জন্য এখনো কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৭ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় আগুনের শিখা জ্বালিয়ে নতুন করে মিলেছে গ্যাসের সন্ধান, মিলতে পারে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।


সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে সুন্দলপুর সাউথ-১ এর একটি কুপে ডিলিং শেষে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। তবে ডিএসটি পরীক্ষা শেষে গ্যাসের পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।


প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট করে গ্যাসের সন্ধান মিলবে এবং জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ।


বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এর ডিলিং ইনসার্জ রকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কূপটিতে খনন কাজ শেষে আজ দুপুরে আগুনের শিখা জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয় এবং অতিরিক্ত আগুনের উত্তাপ্ত হাওয়ার কারণে আগুনের শিখা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়েছে।  ফায়ার সার্ভিসের উপস্থিতিতে নতুন করে আগুনের শিখা জ্বালানো হবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২১ পিএম

আপন ঠিকানায় ফিরতে চান পথভূলে কলাপাড়ায় চলে আসা কুলসুম বেগম ওরফে শানুখালা (৭০)। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষ্ণনউপ উপজেলা গর পৌরসভার মৃত কুদ্দুস শিকদার স্ত্রী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঝিকরগাছা উপজেলা সমাজসেবা অফিসে কর্মরত মনোয়ারা বেগম।


জানাগেছে, শানুখালা গত ১২ দিন পূর্বে ঝিকরগাছা থেকে তার পালিত নাতনির বাড়ি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় যাওয়ার জন্য রওনাহন। ঘটনাক্রমে তিনি কলাপাড়ায় এসে পৌঁছান। অনুমান করাযায় তিনি কলারোয়ার কথা বলায় বাস স্টাফ তাঁকে পটুয়াকালীর কলাপাড়ায় নিয়ে এসেছেন। গুগলের তথ্য অনুযায়ী কলাপাড়া থেকে ঝিকরগাছার  দূরত্ব ২৭৭ কিলোমিটার। কুলসুম বেগম কলাপাড়ায় এসে ভ পথ হারিয়ে পথে পথে  ঘুরছিলেন। এমতাবস্থায় কলাপাড়ার মানবিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন 'পাশে দাঁড়াই' এর সভাপতি নয়নাভিরাম গাইন এর নজরে আসলে। তার কাছে নাম পরিচয় জানতে চাওয়াহয়। উত্তরে তিনি শুধু ঝিকরগাছা ব্যাতিত কিছু বলতে পারেনি। পরবর্তীতে সোসাল মিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর। তার পরিচয় ও ঠিকানা শনাক্ত হয়। 


পরিচয়ে জানাযায়,তিনি ঝিকর গাছায় কৃষ্ণনগর পৌরসভায় ৪ নং ওয়ার্ডে বসবাস করতেন। তার নিজের ভিটেমাটি ও রক্তের সম্পর্ক বলতে কেউ নেই। সেখানে অন্যের বাড়িতে একটি ঝুপড়ি ঘরে থাকতেন। খাওয়া পরা চলে মানুষের সাহায্যের মাধ্যমে। এক কথায় পৃথিবীতে আপন বলতে তার কেউ নেই। তবে স্থানীয়রা তাকে অত্যন্ত ভালো বাসেন। তাই তারা চান শানু খালা তাদের কাছে ফিরে যাক।


এদিকে সংবাদটি কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আরিফুজ্জামানের নজরে আসলে তিনি যোগাযোগ করেন ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে। এরপর সেখান থেকে আশ্রয় দাতা সেচ্ছাসেবী সংগঠন পাশে দাঁড়াই এর সভাপতি নয়নাভিরাম গাইন এর সাথে যোগাযোগ করে ঝিকরগাছা উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মচারী মনোয়ারা বেগম। তিনি শানুখালার পরিচয় নিশ্চিতের পাশাপাশি তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হন। এদিকে শানু খালা তার গন্তব্যে ফিরে যেতে বারবার আকুতি করছেন।


পাশে দাঁড়াই সেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে সভাপতি নয়নাভিরাম গাইন বলেন, আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে ঠিকানাহীন একটা অসহায় মানুষ কে আশ্রয় দিয়েছি। কিন্তু আমাদের সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা আবেদন জানাই কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সমাজ সেবা অফিসের মাধ্যমে শানু খালাকে তার নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দিবে। এমনটা তাদের কাছে প্রত্যাশা।


এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আরিফুজ্জামান বলেন,আমি সকল বিষয়ে অবগত আছি। আমি ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি। আশা করছি তার যাওয়ার ব্যাবস্থা হবে।

সর্বশেষ সব খবর

ইফতেখার হোসাইন

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৩ পিএম

বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতির (বাপাজস) ২০২৭–২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটিতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক ইফতেখার হোসাইন।


ইফতেখার হোসাইন পূর্ববর্তী কমিটিতে প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রায় ১১ বছর ধরে নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকতা ও জনসংযোগে ১৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ভারতের এমসিআর হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে জনসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণে তিনি পূর্ণ অর্থায়নে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় সংবাদপত্রে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কলাম ও ফিচার লেখেন।


গত ১৬ অক্টোবর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সমিতির সাধারণ সভায় ২০২৭–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি মো. আবুল কাসেম শিখদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (সুমন) এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রেস প্রকাশনা দপ্তরের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম (শিবলী)।


২০২৭–২০২৮ মেয়াদের জন্য ২৭ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য পদধারী হলেন সিনিয়র সহসভাপতি রফিকুল ইমলাম পান্না (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর) ও মো. নজরুল ইসলাম (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান (চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়) ও মো. সাইফুল ইসলাম (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়), সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আল-আমিন খান (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), দপ্তর সম্পাদক ফরহাদ রহমান সরকার (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সালমান সাদেকীন চয়ন (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়), সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোস্তাক জাহান (বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস) এবং ক্রীড়া সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম (চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়)।


এ ছাড়া কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু (বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. বশিরুল ইসলাম (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়), গোলাম মর্তুজা (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), কামরুন নাহার (ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), খাদেমুল ইসলাম (হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), মো. সাহেদ হাসান (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়), খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), আবু সালেহ মুহাম্মদ মূসা (ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়) এবং ফররুখ মাহমুদ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)।


উল্লেখ্য, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জনসংযোগ কর্মকর্তাদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জনসংযোগ কার্যক্রমের উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতি (বাপাজস) প্রতিষ্ঠিত হয়।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৩২ পিএম

নীলফামারী জেলার ৬টি উপজেলা ও ২টি ক্যাম্প সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়মবহির্ভূত অতিরিক্ত ফি আদায়,খাজনা খারিজ ছাড়া জমি দলিল সম্পাদন, সিন্ডিকেট বাণিজ্য এবং ঘুষের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী চক্র প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে ২ থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা। এতে সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা যেমন সর্বস্বান্ত হচ্ছেন, তেমনি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।


​অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলার ৬টি উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে ৩৪২ জন দলিল লেখক কর্মরত রয়েছেন। এর মধ্যে নীলফামারী সদর অফিসে ১৪২ জন, ডোমারে ৪৩ জন, ডিমলায় ৯৬ জন, জলঢাকায় ১০২ জন, চিলাহাটিতে ২৪ জন, সৈয়দপুরে ৪২ জন এবং কিশোরগঞ্জে ৬৮ জন দলিল লেখক রয়েছেন। সদর উপজেলায় প্রতি মাসে গড়ে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০টি দলিল সম্পাদন হয়।


​নিয়ম অনুযায়ী জাবেদা নকল বা দলিলের সার্টিফাইড কপির সরকারি ফি ৪০০ টাকা হলেও সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এর পরেও দিনের পর দিন ঘুরিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অনেক অফিসে সাব-রেজিস্ট্রার এজলাসে না বসে নিজ চেম্বারে বসে দলিল সম্পাদন করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।


​নীলফামারী পৌরসভার কলেজপাড়া মধ্য হাড়োয়ার বাসিন্দা মানিক (৩৪) জানান, একটি সাধারণ দলিল সংশোধনের জন্য সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ তাঁর কাছ থেকে ৭৮ হাজার টাকা নিয়েছেন, অথচ এই কাজের প্রকৃত সরকারি ও আনুষঙ্গিক খরচ মাত্র ৩ হাজার টাকা। সবুজপাড়ার আরেক ভুক্তভোগী জানান, ১০ শতক জমি রেজিস্ট্রি করার নামে আব্দুল্লাহ তাঁর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।


​অভিযুক্ত দলিল লেখক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে নামে ও বেনামে প্রতারণার মাধ্যমে ৩০-৪০ বিঘা জমি দখল করা এবং সম্প্রতি শহরের উকিলের মোড়ে ৯ কোটি টাকা দিয়ে একটি বিলাসবহুল বাড়ি কেনার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে আব্দুল্লাহর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজের জমি বিক্রি করে বাড়ি কেনার দাবি করেন। তবে স্থানীয় সূত্র জানায়, এসব সম্পত্তির বড় একটি অংশ সাবেক জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার ছত্রছায়ায় অর্জিত হয়েছে।

​

কিশোরগঞ্জ উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুলের চেম্বারকে কেন্দ্র করেও প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৭০ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেন হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সামিউল নামের এক ক্রেতা ১৭ শতক জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে তাঁর কাছে ৪৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়, অথচ এর সরকারি খরচ ছিল মাত্র ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। ডিমলা উপজেলায় ৩ জন চিহ্নিত দলাল সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নিয়ন্ত্রণ করেন এবং প্রতি দলিলে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা করে আদায় করেন বলে জানা গেছে।


​প্রতিদিন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে সাধারণ মানুষ পদে পদে হয়রানির শিকার হলেও প্রতিকার মিলছে না। সচেতন মহল মনে করেন, এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও দলিল লেখক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সরকার রাজস্ব হারানো অব্যাহত থাকবে।গত ২-৬-২০১১ সালে জাল দলিদ তৈরী করে দলিল লেখক শফিয়ার রহমান সরকার, জাল দলিল নং ৫৩০০/১১। আবুল হোসেন শাহ জাল দলিল তৈরি বিষয়ে বাদী হয়ে নীলফামারী আমলী আদালতে মামলা করেন।এরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত আসামীর প্রতি সমন জারী করেন।


এ বিষয়ে জেলা রেজিস্ট্রার এস. এম. সোহেল রানা মিলন বলেন,জাল দলিল প্রমানিত হওয়ায় আদালতে আমরা প্রতিবেদন দিয়েছি, অতিরিক্ত টাকা  নেওয়ার এবং চেম্বারে বসে দলিল সম্পাদন করার বিষয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ সব খবর