• প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৪৪ পিএম

পলাতক আরও একজন, উদ্ধার গাঁজার আনুমানিক মূল্য ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ আব্দুস সালাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার উজান কাশিয়ার চর (বালুর চর) এলাকায় তাঁর নিজ বসতঘরে অভিযান চালিয়ে এসব গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আল আমিন (৪৫) নামে অপর এক ব্যক্তি পালিয়ে যান।


জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আব্দুস সালামকে তাঁর বসতঘর থেকে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তবে আল আমিন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।


গ্রেপ্তার আব্দুস সালাম গৌরীপুর উপজেলার উজান কাশিয়ার চর (বালুর চর) এলাকার বাসিন্দা। পলাতক আল আমিন একই উপজেলার সুতিরপাড় এলাকার মুন্সির বাড়ির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আব্দুর রাজ্জাক।


পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, গ্রেপ্তার ও পলাতক দুজনই দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের বিরুদ্ধে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।


পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ, ময়মনসিংহ।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৩ পিএম

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষিকার ধস্তাধস্তি ও মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী ওই দুই শিক্ষকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।


ঘটনাটি ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। বুধবার (১৪ অক্টোবর) তদন্তের জন্য বিদ্যালয়ে যান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বিভাগ।


উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, ভিডিওটি প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে ধারণ করা হলেও মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।


ভিডিওতে থাকা দুই শিক্ষক হলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষিকা আসমা বেগম। তাদের বিয়ে হয় ২০০৪ সালে। তাদের একটি মেয়ে রয়েছে। প্রায় ১৪ বছর ধরে তারা আলাদা থাকলেও বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। পারিবারিক বিরোধ নিয়ে তাদের মধ্যে আদালতে মামলাও চলছে।


প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন বলেন, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মাঝেমধ্যে সেই বিরোধ বিদ্যালয় পর্যন্ত গড়ায়। বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে এমন ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি বলেও স্বীকার করেন তিনি। এর আগেও দুই থেকে তিনবার বিদ্যালয়ে তাদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান আফজাল হোসেন।


সহকারী শিক্ষিকা আসমা বেগমের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


বিদ্যালয়ের ভেতরে শিক্ষকদের এমন আচরণে শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ সব খবর

অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৯ পিএম

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে রাতভর বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় একটি মাদক মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে তাঁর কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া নাশকতার মামলায় আসাদ চেয়ারম্যানসহ একজন এবং অন্যান্য মামলায় আরও ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।


ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর দিবাগত রাত থেকে ১৪ অক্টোবর সকাল ৬টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।


পুলিশ জানায়, অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসংক্রান্ত একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। ওই মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪ ধারায় তিনজন এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ বিভিন্ন পরোয়ানাভুক্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ১৪ জন।


এদিকে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঈশ্বরগঞ্জ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ও মোটরসাইকেল তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে পুলিশ। বিশেষ করে নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল চালানো, হেলমেট ব্যবহার না করা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া সড়কে চলাচলের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।


পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোটরসাইকেল চালকদের বৈধ রেজিস্ট্রেশন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও হেলমেট সঙ্গে রাখতে হবে। আইন অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতাও কামনা করেছে পুলিশ।

সর্বশেষ সব খবর

কাদের মির্জা-স্ত্রী-ছেলে

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৩১ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুল ও ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকের নামে ৩ কোটি ৫২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় তাদের আসামি করে তিনটি মামলা করেছে সংস্থাটি।


গতকাল মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস। তিনি জানান, সোমবার বিকেলে দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মঙ্গলবার সকালে আদালতে মামলার কপি দেওয়া হয়।


আবদুল কাদের মির্জা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি। তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই।


দুদক সূত্রে জানা যায়, আবদুল কাদের মির্জার নামে ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য মিলেছে। এ ছাড়া তাদের ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকের নামে ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুদক।


দুদকের সূত্রে আরও জানা যায়, ১৯৯৯ থেকে ২০০১ সাল এবং ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সম্পদ অর্জন করেন আবদুল কাদের মির্জা। অন্যদিকে, তার স্ত্রী গৃহিণী এবং বৈধ আয়ের কোনো উৎস না থাকা সত্ত্বেও তার নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।


অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও মামলার বাদী চিন্ময় চক্রবর্তী বলেন, কমিশনের অনুমোদনের পর তিনটি মামলা করা হয়েছে। তদন্তে এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:০৫ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগআলীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে দুইটি চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। 



কারখানা ভবনটি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি জানিয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বলেছেন, ভবনটিতে কাচও রয়েছে। এ কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এতে আগুন নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।



এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক সাইদুল আলম জানান, ঘটনাস্থলে পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রিজার্ভে থাকা পানি দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ চলছে।



এদিকে, আগুনে পোড়া ভবন ও আশপাশের ভবনগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কারখানাটি থেকে এখনো ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছে। আগুনের খবর পেয়ে কারখানার সামনে আশপাশের এলাকার হাজারো মানুষ ভিড় করেছেন।




আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ও ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর সদস্যরাদের যোগ দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। বুধবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আইএসপিআর।



বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আজ দুপুর পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।



ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানার ইউনিট-২-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার বিভিন্ন অংশে। পরে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া বাড়তে থাকে। কারখানার ভেতরে থাকা ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও বিভিন্ন মালামাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে কারখানার কোন তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।



ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, ওই কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের তিনটি, উত্তরা ফায়ার স্টেশনের তিনটি, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্নের চারটি, কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের চারটি, রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ও পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের তিনটিসহ ২০টি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া মিরপুর থেকে একটি হ্যাজম্যাট টেন্ডার ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।



এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজ–খবর রাখা হচ্ছে বলে জানান গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন।




অগ্নিকাণ্ডে হতাহত হওয়ার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে কালাম নামে ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীকে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:০৩ পিএম

দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও সীমান্তবর্তী এলাকায় রাতভর বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও বিক্রয় নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় মদ, ইয়াবা ট্যাবলেট, ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও বিক্রয় নিষিদ্ধ সিরাপ। এসব পণ্যের মোট সিজার মূল্য এক লাখ ৯৯ হাজার ৪০০ টাকা।


বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীন এনায়েতপুর, ফকিরগঞ্জ ও বাশালগাঁও বিওপির সদস্যরা সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরের বিরল এবং ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ ও হরিপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় এসব মাদকদ্রব্য ও সিরাপ উদ্ধার করা হয়।


বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ২৪ বোতল ভারতীয় মদ, ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৯১ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং ৩৩৪ বোতল বিক্রয় নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।


উদ্ধার করা পণ্যগুলোর বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক জানিয়েছেন, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৫৪ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগআলীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 


আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ও ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর সদস্যরাদের যোগ দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। বুধবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আইএসপিআর।


বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আজ দুপুর পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।


ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানার ইউনিট-২-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার বিভিন্ন অংশে। পরে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া বাড়তে থাকে। কারখানার ভেতরে থাকা ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও বিভিন্ন মালামাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে কারখানার কোন তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


কারখানা ভবনটি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি জানিয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম বলেন, ভবনটিতে কাচও রয়েছে। এ কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এতে আগুন নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, ওই কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের তিনটি, উত্তরা ফায়ার স্টেশনের তিনটি, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্নের চারটি, কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের চারটি, রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ও পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের তিনটিসহ ২০টি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া মিরপুর থেকে একটি হ্যাজম্যাট টেন্ডার ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজ–খবর রাখা হচ্ছে বলে জানান গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন।

সর্বশেষ সব খবর