সৈয়দপুর শাখার যুগ্ন-আহবায়ক মোস্তফা ফিরোজ ওরফে ভিপি ফিরোজকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:১৯ পিএম

নীলফামারীর সৈয়দপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সৈয়দপুর শাখার যুগ্ন-আহবায়ক মোস্তফা ফিরোজ ওরফে ভিপি ফিরোজকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।


আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে সৈয়দপুর শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল ইসলাম রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘নাশকতার মামলায় সম্পৃক্ততা থাকাসহ তার বিরুদ্ধে সিআর’ মামলা রয়েছে। 


উল্লেখ্য, সৈয়দপুর পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ডের কুন্দল পশ্চিমপাড়া এলাকার আলহাজ্ব জহির উদ্দিনের ছেলে মোস্তফা ফিরোজ রাজনীতির পাশাপাশি একজন ইটভাটা ও সার ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নিয়ে পরাজিত হন।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৭ পিএম

নীলফামারীর জলঢাকায় শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার পথে পিকাপ গাড়ি ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী নব দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। 


আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের কালিগঞ্জ দিঘির পাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 


নিহতরা হলেন- ডোমার উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নের দক্ষিণ গোমনাতি এলাকার মৃত হিরম্ব রায়ের ছেলে পলাশ (২২ ) ও তার স্ত্রী জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের কালিগঞ্জ ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মিন্টু চন্দ্র রায়ের মেয়ে মনি রানি (১৯)। 




পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৬ মাস আগে পলাশ রায়ের সঙ্গে মনি রানির বিয়ে হয়। আজকে সন্ধ্যার দিকে পলাশ তার স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে ডোমার উপজেলা থেকে এসে জলঢাকা উপজেলার কালিগঞ্জ ডাঙ্গাপাড়ার শ্বশুর বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময়ে কালিগঞ্জ দিঘিরপাড় এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকাপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে দুইজনের মৃত্যু হয়। 


এবিষয়ে জলঢাকা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। পিকাপ গাড়ীটি আমরা আটক করেছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ সব খবর

জাতীয় নাগরিক পার্টি সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:০৩ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, আমরা সরকারকে শুরুর সময় থেকে দাবি জানিয়ে এসেছি তারা যেন সংবিধান সংশোধন পরিষদ গঠন করেন। সেখানে আমরা সংবিধানের বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করব তার মধ্যে দিয়ে গনভোটের রায় বাংলাদেশে বাস্তবায়িত হবে। সরকার বিভিন্নভাবে সংশোধন যে কমিটি আছে সেটার মধ্যে দিয়ে প্রবল করে তুলছে। সেখানে তাদের মেজোরোটি আছে তারা মনে করেন তাদের মেজোরোটি দিয়ে সংবিধানের সংশোধনী গুলো নিজেদের মতো করে করতে পারবে এজন্য তারা বিরোধী দলের কোন কথা শুনছে না। আজকে যারা সংবিধান সংশোধন কমিটির মিটিং ডেকেছে আমরা স্পষ্ট করে বলেছি এরমধ্যে দিয়ে সংকটের সুরাহা হবে না বরং সংকটের পথকে আরও বেগবান করা হবে। জাতীয় নাগরিক পার্টি সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বয়কট করেছে।  


আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী মনছারের ঘাটের কৃষক সমাবেশ ও গনশুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।


আখতার হোসেন আরও বলেন, সরকার গনভোটের সঙ্গে তামাশা শুরু করেছে। তারা গনভোটের গনরায়কে অস্বীকার করেছে যদিও তারা সাহস করে গনভোটকে অবৈধ বলতে পারেনি। কিন্তু তারা বিভিন্নভাবে বলার চেষ্টা করেছে তারা গনভোটের একাংশ মানে অন্য অংশকে মানে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো বাংলাদেশের সত্তর শতাংশ মানুষ গনভোটের পক্ষে ভোট দিয়েছে। দূরভাগ্যের বিষয় হলো যে সংবিধানের ফ্যাসিবাদী যে কাটামোগুলো আছে সেগুলো তারা অব্যাহত রাখতে চায়। সে কারনেই তারা এই সংবিধানের পরিপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য একটা ফ্যাসিবাদী কাঠামো থেকে যে পরিবর্তন দরকার তারা সেটা না করে একটা সংশোধনী আনতে চায়। তারা ইতিমধ্যে সংবিধান সংশোধনের জন্য একটা কমিটি গঠন করেছে। আমাদের সেখানে তারা আহবান জানিয়েছিল আমরা সংসদের বিরোধী দল হিসেবে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টিকে দাওয়াত দিয়েছিল আমরা জানিয়েছিলাম জাতীয় নাগরিক পার্টি সংবিধান সংশোধনের যে কমিটি সেখানে অংশগ্রহণ করবেনা। কারন সংবিধান সংশোধন কমিটি যে আইডিয়ার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছে সেটিতে জুলাই সনদ ও গনভোটের কোন বাস্তবতা নাই। সংবিধানের বিষয়ে কিভাবে সংশোধন করা হবে সেটি গনভোটে রায় দেওয়া হয়েছে সেটি অবশ্যই সংবিধান সংশোধন পরিষদের মধ্যে দিয়ে সুরাহ করতে হবে। সংবিধান সংশোধন বিষয়গুলো সংবিধান সংশোধন পরিষদের মাধ্যমে না করে সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে করা হয় তাহলে বাংলাদেশ যে সাংবিধানিক সংকটের মধ্যে আছে সেটি আরও গাড় হবে।


এসময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও দিনাজপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক আবু সাঈদ লিওনসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

সাবেক ইউপি সদস্য ছুরমান রেজা

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৩১ পিএম

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনাসেতু মহাসড়কে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দরুণ এলাকার পরিত্যক্ত একটি ফিলিং স্টেশনে আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ছুরমান রেজা নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ছুরমান রেজা সদর উপজেলার ভাটচান্দা গ্রামের হানিফ রেজার ছেলে ও গালা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য।


এ বিষয়ে ছুরমান রেজার ভাই হালিম রেজা জানান, তিনি ব্যবসার পাশাপাশি একবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। কি থেকে কি হলো কিছুই বুঝতে পারছেন না। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দুর্বৃত্তদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

 

টাঙ্গাইল সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে মূল রহস্য জানানো যাবে।

সর্বশেষ সব খবর

মাদ্রাসায় না পড়তে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল এই দুই কিশোর

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:১৭ পিএম

সিলেটের দুই মাদ্রাসা ছাত্র অপহৃত হয়েছে বলে সম্প্রতি অভিযোগ করে তাদের পরিবার। ওই দুই কিশোরের একজনের অভিভাবকের ইমোতে মারধরের ভিডিও পাঠিয়ে মুক্তিপণও চাওয়া হয়। 


পরে জানা যায়, মাদ্রাসায় না পড়তে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল এই দুই কিশোর। গতকাল শনিবার এই দুই ছাত্রকে উদ্ধার করেছে এসআরবি-৯। মাদ্রাসায় পড়ার আগ্রহ না থাকায় তারা নিজেরাই আত্মগোপন করে বলে জানায় এসআরবি। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিলেটের জৈন্তাপুরের ফতেহপুর ইউনিয়নের হরিপুর বাজারের মায়ের দোয়া শাহজালাল রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে এসআরবি-৯-এর একটি দল। 


এমন তথ্য জানিয়েছেন এসআরবি-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ। এই দুই মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ হওয়ার পর একজনকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মারধরের ভিডিও দেখিয়ে মুক্তিপণ দাবি করার ভিডিও নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। উদ্ধার হওয়া দুই কিশোর হলো- সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার উত্তর মনসুরপুর গ্রামের বেবুল আহমদের পুত্রপিতামাতার  মো. সাইদ মাসুদ চৌধুরী নাইম (১৫) এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বড়বন গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র মো. তামিম আহমদ (১৫)। তারা সিলেট নগরীর খাদিমপাড়া এলাকার জাবালে নূর হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী।


বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ফজরের নামাজের সময় দুই কিশোর এক সঙ্গে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে তারা মাদ্রাসায় ফিরে না আসায় পরিচালক তোফায়েল আহমেদ বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের জানান। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থান ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে অভিভাবকেরা শাহপরাণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। 


এরপর গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে নাইমের বাবার মোবাইল ফোনের ইমো অ্যাপে নম্বরবিহীন একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে টাকা দাবি করা হয়। একই দিন সন্ধ্যায় ওই অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিও কল আসে। সেখানে নাইমের মতো দেখতে এক কিশোরকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মারধর করার দৃশ্য দেখানো হয়। পরে আরও একটি ভিডিও পাঠানো হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে হরিপুর বাজারের মায়ের দোয়া শাহজালাল রেস্টুরেন্ট থেকে নিখোঁজ দুই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়।

 

ওই দুই কিশোরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদের বরাত দিয়ে এসআরবি জানায়, তারা মাদ্রাসায় পড়তে অনাগ্রহী ছিল। তাদের মধ্যে একজন এর আগে আরও দুইবার মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। গত ১৫ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার পর তারা নিজেরাই জৈন্তাপুরের হরিপুর বাজারে চলে যায় এবং ওই রেস্টুরেন্টে কাজ শুরু করে। 


তবে ইমো অ্যাকাউন্ট নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবি প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, এ ব্যাপারে আমরা ওই দুই কিশোরকে জিজ্ঞেস করে ছিলাম, তারা জানিয়েছে- এই ভিডিও তাদের না, তারা এমন কোন ভিডিও পাঠায়ও নি। ওই এএসপি বলেন, শিশু নিখোঁজের ঘটনা জানাজানির পর কোন স্বার্ণান্বেষী গোষ্ঠি অন্য কোন শিশুর ভিডিও পাঠিয়ে পরিবারের কাছে টাকা দাবি করতে পারে। আমরা তাদের ধরার চেষ্টা করছি।

সর্বশেষ সব খবর

নীলফামারী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:১৪ পিএম

বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার প্রায় দুই দশক পেরিয়ে গেলেও নীলফামারীতে এখনো চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের জন্য নিজস্ব ভবন নির্মাণ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো মুন্সেফ কোর্ট ভবনেই চলছে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম। এতে বিচারক, আইনজীবী, আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিচারপ্রার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।


সরকারের ‘৬৪ জেলা সদরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণ (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় নীলফামারীতেও একটি পৃথক আদালত ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ভবনটির দৃশ্যমান নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।


সরকারি নথি অনুযায়ী, নীলফামারীর সাবেক জেলা কারাগার চত্বরে ১ দশমিক ৪৫ একর জমি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধিগ্রহণ শাখা-১ থেকে জেলা প্রশাসনকে ওই জমি আদালত ভবনের জন্য হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।


নীলফামারীর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হক বসুনিয়া বলেন, আদালতের নিজস্ব ভবন না থাকলেও পুরোনো ভবনেই নীলফামারী সিজেএম আদালতের বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও জনসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।


তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে মালখানায় থাকা মামলার নিষ্পত্তি হওয়ার পর পুরোনো আলামত ও মাদকদ্রব্য ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন থানায় থাকা পুরোনো মোটরসাইকেল, বাইসাইকেলসহ অন্যান্য মামলার আলামত নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।


সিজেএম আরও জানান, সাবেক জেলা কারাগারের পরিত্যক্ত ভবনে মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নতুন আদালত ভবনের নির্ধারিত স্থানে গাইড ওয়াল নির্মাণ, রেকর্ড রুম থেকে সত্যায়িত কপি দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা, সমন জারির ক্ষেত্রে অনিয়ম প্রতিরোধ এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।


এ ছাড়া বিচারসংক্রান্ত তথ্য ও সেবা সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে একটি তথ্যসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব ভবন না থাকায় নীলফামারী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় নানা সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।

সর্বশেষ সব খবর

চার আসামি গ্রেপ্তার

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৫৬ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী ছেলে ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্যপ্রযুক্তি ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে চারজনকে এ ঘটনায় জড়িত হিসেবে শনাক্ত করে আটক করা হয়েছে।


আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশের সংবাদ ব্রিফিং ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইসব তথ্য জানানো হয়।


গ্রেপ্তারকৃত চারজন হলেন সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), তাঁর পিতা নুরে আলম; মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬), পিতা মনির হোসেন; মো. কামরুল হাসান (১৫), পিতা আব্দুল কুদ্দুস; এবং মো. সিয়াম (১৯), পিতা সেলিম মিয়া।




সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি নির্জন টিলায় যায় সাইফুল ইসলাম তুহিন। সেখানে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।


পুলিশ আরো জানায়, প্রধান আসামি তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ, মো. কামরুল হাসান ও মো. সিয়ামের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাদের আটক করা হয়। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাসা থেকে অপ্রতিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত আছে কি না, তা তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে।


উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন পশ্চিম সানন্দা এলাকার একটি টিলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর