• প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:১৩ এএম

আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী হাফেজ ইহতেশামুল হক হীরাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলের সব স্তরের শীর্ষ নেতাদের এই নজিরবিহীন মেলবন্ধন ঘিরে আলোচনা নগরজুড়ে। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় সিলেট নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।


কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদের সভাপতিত্বে এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু ও মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিনারের যৌথ পরিচালনায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সিসিক প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী।


বিশেষ অতিথি ছিলেন- মহানগর, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।


সভায় সিটি প্রশাসক কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্বজয়ী হাফেজ হীরা সিলেট তথা সমগ্র বাংলাদেশের জন্য এক বিরল গৌরব ও সম্মান বয়ে এনেছেন। তার এ অসামান্য সাফল্য নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কুরআন চর্চায় গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।


অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেন, জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি কয়েস আহমদ, সহ-সভাপতি মকসুদুল করিম নুহেল, মহানগর যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, জেলা যুবদলের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেল, মহানগর যুবদলের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসিন মেহেদী প্রিন্স, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব এবং মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদ।

আলোচনা শেষে সংবর্ধিত অতিথি বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হীরার হাতে সব অতিথি যৌথভাবে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।




ভুক্তভোগী শাহজালাল রুমি ও তার তালাবদ্ধ বাসা। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:০৪ এএম

কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের পর তার ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এবং লাগাতার হুমকি পাওয়ার পর গাজীপুর ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন শাহজালাল রুমি। স্ত্রী এবং দুই সন্তানসহ তিনি ঠিক কোথায় আছেন তার কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।


রুমি যে ভবনে বসবাস করেন সেখানকার কেয়ারটেকার কালবেলাকে জানিয়েছেন, গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ওই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি গ্রেপ্তার আতঙ্কে ছিলেন রুমি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে তিনি এখন অন্যত্র অবস্থান করছেন।


রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে গিয়ে রুমির ফ্ল্যাটের দরজায় তালা দেখতে পান এই প্রতিবেদক। ভবনটির কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য, দুই থেকে তিন দিন ধরে রুমির পরিবারের সদস্যরা ভয়ে বাসায় থাকছেন না। যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন। রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী। মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।


পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।


পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ


মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।


টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন কালবেলাকে বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’


তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।


মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়


ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।


  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩০ পিএম

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বসতবাড়ীর রাস্তার জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় মনোরঞ্জন রায় (৫৫) নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ১ নম্বর বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের নয়া মোল্লাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আসাদুজ্জামান (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


নিহত মনোরঞ্জন রায় দিনাজপুরের চক শুকদেবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি চিরিরবন্দর উপজেলার সোনাপুকুর মাঝিপাড়া গ্রামের মৃত অসীম চন্দ্র রায়ের ছেলে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নয়া মোল্লাপাড়া গ্রামের মরহুম আজিজুল মাস্টারের বসতবাড়ীসংলগ্ন রাস্তার জমি নিয়ে প্রতিবেশী আসাদুজ্জামান ও তাঁর পক্ষের লোকজনের সঙ্গে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল।


রোববার দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বিরোধ মীমাংসা বা পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্দেশ্যে শিক্ষক মনোরঞ্জন রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় আসাদুজ্জামান ও তাঁর সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মনোরঞ্জন রায়ের ওপর হামলা চালান। সজনে গাছের ডাল ও লাঠি দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়।


এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পেয়ে তিনি পাশের একটি ধানখেতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা আল রোমান জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।


খবর পেয়ে পার্বতীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় আসাদুজ্জামানকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।


পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনার পর এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিলেও পুলিশের হস্তক্ষেপে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারীও জোরদার করা হয়েছে।


  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:০৭ পিএম

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে মোবাইল ফোন চুরির মিথ্যা অপবাদকে কেন্দ্র করে একটি পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে চার মাসের এক গর্ভবতী নারীসহ দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।


উপজেলার ভাগ্যকূল ইউনিয়নের উত্তর কামারগাঁও এলাকায় গতকাল শনিবার সকাল ১২ টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে, আহতরা হলেন মমতাজ বেগম ও তার ৪ মাসের গর্ভবতী মেয়ে অহনা আক্তার।


স্থানীয় সূত্র ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উত্তর কামারগাঁও এলাকার শওকত মৃধা বাড়ির পাশে জনৈক আনেচের মুদি দোকানে গেলে জালাল শেখ নামে এক ব্যক্তি তাকে মোবাইল চুরির মিথ্যা অপবাদ দেন। পরবর্তীতে শওকত মৃধার মা মমতাজ বেগম বিষয়টি জানেন এবং প্রতিবাদ করতে গেলে জালাল শেখ ও তার মেয়ে জথি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তারা মমতাজ বেগম ও তার চার মাসের গর্ভবতী মেয়ে অহনা আক্তারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং বেধড়ক মারধর করে। এ সময় তাদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে শ্রীনগর থানায় পুলিশের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৯ পিএম

দিনাজপুরে ৫৭ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ রুনা আক্তার সুমি (৩২) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় নগদ ২ লাখ ৩৫০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।


গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে জেলার কোতোয়ালী থানাধীন ৯ নম্বর আস্করপুর ইউনিয়নের তাজপুর নতুনপাড়া গ্রামে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।


জেলা গোয়েন্দা শাখা সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আনোয়ার হোসেন বিপিএমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ডিবির অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।


পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় ওই নারীর দেহ তল্লাশী করে সাত পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর দেখানো মতে বসতঘরের তোষকের নিচ থেকে আরও ৫০ পিস ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ট্যাবলেটগুলো ১০০ মিলিগ্রাম মাত্রার। এ ছাড়া মাদক বিক্রির অর্থ বলে উল্লেখ করা নগদ ২ লাখ ৩৫০ টাকা জব্দ করা হয়।


পুলিশের দাবী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার নারী ট্যাবলেটগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের দখলে রাখার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। 


এ ঘটনায় গ্রেপ্তার নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ২৯(ক) অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে বলে জেলা গোয়েন্দা শাখা জানিয়েছে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৫ পিএম

কেক কেটে উৎসব নয়, জন্মদিন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার আর অসহায় মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা-এভাবেই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উদ্যাপন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি।


আজ বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলার ৫৪৮ জন মেধাবী ছাত্রীর হাতে গোলাপি রঙের বাইসাইকেল তুলে দেন তিনি। এ ছাড়া ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয় জাইমা রহমানের ছবি সংবলিত মগ। ৪ হাজার অসহায় মানুষ পেয়েছেন চক্ষুসেবা।  শিবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ তথ্য শেয়ার করেন।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে নেওয়া এ উদ্যোগের লক্ষ্য নারীশিক্ষার প্রসার, ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত সহজ ও পড়াশোনায় উৎসাহিত করা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সাইকেলের কারণে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ভোগান্তি কমবে। আর তা নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে সহায়ক হবে।


একই দিন দুপুর ১২টায় শিবগঞ্জের আলিয়ারহাট রোকেয়া-ছাত্তার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় দিনের মতো চক্ষুচিকিৎসা সেবা ও ছানি অপারেশন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।


আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, দুই দিনে প্রায় ৪ হাজার মানুষকে এ সেবার আওতায় আনা হয়েছে। প্রথমদিনে মোকামতলা উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নে দুই হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা দেয়া হয়।


সাইকেল বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিনের অনুষ্ঠান ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলেও পালন করেছেন তিনি। তখন দোয়া মাহফিল, এতিমদের খাবার বিতরণ, চিকিৎসাসেবা ও চক্ষুচিকিৎসাসহ নানা মানবিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। এবারও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবারের মঙ্গল কামনায় গত ২০ বছর ধরে প্রতি শুক্রবার দেওয়ানতলা মাজার এলাকায় অসহায় মানুষের মধ্যে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের কল্যাণে কাজ করাই এসব উদ্যোগের উদ্দেশ্য।


সাইকেল বিতরণ প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, নারীশিক্ষার উন্নয়নই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আজকের ছাত্রীরাই আগামীর ভবিষ্যৎ।


শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ বিষয়ে সভায় আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মেয়েরা যাতে নিরাপদে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে পারে এবং পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, সে জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং নারীশিক্ষার অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেওয়াই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলেও জানান তিনি।


চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় জামায়াতের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তারা ধোঁকাবাজির রাজনীতি করে। যারা তাদের ধোঁকায় পড়েছে তারা আজ আফসোস করে। এরা ভোটের জন্য মাথায় টুপি দিয়ে ঢাকের তালে নেচেছে, এবার ভোট শেষ-তাদের আর পূজামণ্ডপে দেখা যায়নি। মুসলিমদের বেহেশতের লোভও আর দেখায় না। ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করলেও ইমাম মুয়াজ্জিন, খাদেমদের কথা তারা ভাবে না, বলেও না। অথচ তাদের কথা ভেবেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


তিনি বলেন, আপনাদের সন্তান তারেক রহমান ফ্যামিলী কার্ড, কৃষক কার্ড, বৃক্ষরোপণ, জনগণের দোড়গোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া, খাল খননসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। 


তিনি আরো বলেন, আমি আমার আসনে যাদের চোখের সমস্যা আছে তা দূর করতে চাই। পর্যায়ক্রমে সবাইকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা দেয়া হবে।


এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী মীর লাবনী আকতার, রুপসী বিডি গ্রুপের এমডি মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, তার স্ত্রী মীর ফারিয়া তাবাসসুম, প্রতিমন্ত্রীর কন্যা মীর সামারা সুনাত প্রমুখ। পরে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ জিয়া পরিবারের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করা হয়।


  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:০৮ পিএম


আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ব্যতীত অন্যদেরকে ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ৩০ অক্টোবর বিকাল ৪টা পর্যন্ত উক্ত নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

 

আজ রোববার ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে পাঠানো হয়েছে।


চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৩ ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনি এলাকার শূন্য আসনের নির্বাচন প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচনি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গ, নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ব্যতীত অন্যকোন ব্যক্তি ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘন্টা পূর্ব হতে ভোটগ্রহণ সমাপ্তির ২৪ ঘন্টা পর অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ৩০ অক্টোবর বিকাল ৪টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান না করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।


এ অবস্থায় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।


উল্লেখ্য যে আগামী ২৯ অক্টোবর এই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলনের ডা. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।