ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:২৮ পিএম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইচালিত প্রযুক্তির নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এক আজব কাণ্ড ঘটে গেল ভারতের প্রযুক্তি নগরী বেঙ্গালুরুতে। আরোহীর মাথায় হেলমেট না থাকায় স্কুটারচালককে জরিমানা বা মামলার নোটিশ পাঠিয়েছে ট্রাফিক পুলিশের একটি এআই ক্যামেরা। তবে মজার ব্যাপা হলো, স্কুটারের পেছনে আসলে কোনো মানুষই ছিলেন না। চালকের পিঠে ঝোলানো একটি গিটারের কেসকে ‘হেলমেট ছাড়া আরোহী’ ভেবে ভুল করেছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি।


সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌভিক দত্ত নামের এক ব্যক্তি সম্প্রতি তার স্ত্রীর ইলেকট্রিক স্কুটার চালিয়ে বেঙ্গালুরুর হেববাল থেকে টিন ফ্যাক্টরির দিকে যাচ্ছিলেন। সে সময় তার মাথায় নিয়মমাফিক হেলমেট ছিল এবং পিঠে একটি গিটার বাঁধা ছিল।


কিন্তু রাস্তার মোড়ে বসানো এআই ট্রাফিক ক্যামেরা গিটারের কেসটিকে পেছনের আসনে বসা দ্বিতীয় আরোহী (পিলিয়ন রাইডার) হিসেবে ভুল শনাক্ত করে। পরক্ষণেই হেলমেট না পরার অভিযোগে জরিমানা বা চালানের নোটিশ জারি করে। পরবর্তীতে ক্যামেরায় তোলা প্রমাণসহ সেই ৫০০ রুপির জরিমানার নোটিশ পৌঁছায় স্কুটারের মালিক অর্থাৎ সৌভিকের স্ত্রীর কাছে।


বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে নেটদুনিয়ায় হাস্যরসের পাশাপাশি সমালোচনার ঝড় ওঠে। সৌভিক দত্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ট্রাফিক ক্যামেরায় ওঠা ছবিসহ চালানের বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করে বেঙ্গালুরু ট্রাফিক পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।


পোস্টে তিনি ক্ষোভ ও ব্যঙ্গ প্রকাশ করে লেখেন, আমি পিঠে গিটার ঝুলিয়ে একা স্কুটার চালাচ্ছিলাম। আর আমার স্ত্রী ‘হেলমেট ছাড়া পিলিয়ন রাইডিং’-এর জন্য জরিমানা নোটিশ পেলেন! এআইভিত্তিক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্তকরণ ব্যবস্থার এই হলো নমুনা! দয়া করে এই ভুল চালানটি প্রত্যাহার করুন।’


সৌভিকের সেই পোস্ট দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। কমেন্ট বক্সে অনেকেই এআই ক্যামেরার এমন ভুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। একজন ব্যবহারকারী লেখেন, এটি ট্রাফিক ক্যামেরার খুব সাধারণ ভুল, এমন ভুয়া জরিমানা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।


অন্য এক নেটিজেন অবশ্য হতাশা প্রকাশ করে লেখেন, এসব ভুল চালান বাতিল করাতে গেলে চার-পাঁচ মাস ধরে নানা মানসিক হয়রানির শিকার হতে হবে। আবার কেউ কেউ ঠাট্টা করে মন্তব্য করেছেন, ‘ছবিতে তো সত্যিই পেছনের আসনের জন্য কোনো হেলমেট দেখা যাচ্ছে না!’


ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর বেঙ্গালুরু ট্রাফিক পুলিশের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে সাড়াও দেওয়া হয়েছে। তারা সৌভিককে নির্দিষ্ট ইমেইল ঠিকানায় মেইল অথবা নির্ধারিত ফোন নম্বরে যোগাযোগ করে ওই ভুলের প্রতিকার নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।



সর্বশেষ সব খবর

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবিঃ সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৩৭ পিএম

যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে সন্দেহজনক ঘটনার কয়েক সপ্তাহ আগে ইসরায়েল ইরান-সমর্থিত একটি হামলার বিষয়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছিল বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।


মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাজ্যের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড ৮ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার কিছুদিন আগে এ সতর্কতা দেওয়া হয়েছিল।


ফেয়ারফোর্ডের ‘সাম্প্রতিক আতঙ্ক’ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে নেতানিয়াহু বলেন, আমরা ব্রিটিশদের গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছিলাম, একটি হামলা হতে যাচ্ছে এবং সেটি ইরানের পৃষ্ঠপোষকতায় হবে। অথচ প্রায় পরদিনই তারা আমাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।


তিনি ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে বলেন, ইসরায়েলবিরোধী প্রচারণার প্রভাব এবং ইসলামপন্থি-মার্ক্সবাদী জোটের কাছে পশ্চিমাদের নতি স্বীকার অত্যন্ত বিপজ্জনক।


তবে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেননি, তার দেওয়া সতর্কবার্তাটি সাধারণভাবে সম্ভাব্য কোনো হামলা নিয়ে ছিল, নাকি গত রোববার সকালে আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে ঘটে যাওয়া নির্দিষ্ট ঘটনার বিষয়ে ছিল।


ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির কাছে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার সন্দেহে পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে গ্রেপ্তারের ৩৬ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।


জামিন দেওয়ার পর ব্রিটিশ জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের প্রধান সহকারী কমিশনার লরেন্স টেলর বলেন, তদন্তকারীরা সম্ভাব্য সব দিক বিবেচনা করছেন।


তিনি বলেন, ঘটনাটি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে জেনে বা না জেনে কাজ করা প্রক্সি বা ব্যক্তিদের মাধ্যমে সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে।


এর অর্থ হলো, সন্দেহভাজনরা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে অর্থের বিনিময়ে কথিত হামলা চালানোর জন্য নিয়োগ পেয়েছিলেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।


গত এক দশকে ইরান, রাশিয়া এবং অন্যান্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এ ধরনের কৌশল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সাধারণত অর্থের প্রয়োজন রয়েছে; এমন ব্যক্তিদের এ ধরনের কাজে ব্যবহার করা হয় বলে দাবি করা হয়।


বুধবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেন, ফেয়ারফোর্ডের ঘটনায় ইরান কোনো না কোনোভাবে জড়িত ছিল। তবে তদন্তের অন্য কোনো তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি।


নেতানিয়াহুর বক্তব্য অবশ্য ব্রিটিশ পুলিশের প্রকাশিত তথ্যের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে। কারণ পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ফেয়ারফোর্ডের ঘটনার সঙ্গে ইরানকে যুক্ত করেনি। ইরানও রোববার সকালের ওই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।


ঘটনার সময় বিমানঘাঁটি থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে তিনটি সন্দেহজনক ভ্যান পার্ক করা ছিল। এর আগে ইরান ফেয়ারফোর্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত একটি বৈধ লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানে ঘাঁটিটি ব্যবহৃত হয়।


সাবেক ব্রিটিশ সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তারা পরে ধারণা দেন, ঘটনাটি শত্রুতামূলক গোয়েন্দা নজরদারি বা আরও বড় কোনো হামলার আগে নিরাপত্তাব্যবস্থা যাচাইয়ের ‘ড্রাই রান’ হতে পারে।


এক সাবেক কর্মকর্তা টেলিগ্রাফকে বলেন, এ কারণেই হয়তো পুলিশ সন্দেহজনক ভ্যানগুলোতে বিস্ফোরকের মতো কোনো কিছু খুঁজে পায়নি।


সন্দেহভাজনদের দ্রুত জামিনে মুক্তি দেওয়ার সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। সোমবার তিনি বলেন, তাদের ছেড়ে দেওয়ায় আমি অবাক হয়েছি। আমি এমনটা করতাম না।


ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, তারা খুবই ভালো ছিল। তারা আমাদের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে।


তবে সন্দেহভাজনদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা তাদের সম্পর্কে সবকিছু জানি। আমরা তাদের ছেড়ে দিতাম না।


সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ


সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৪৬ পিএম

আফগানিস্তানের কুনার ও হেলমান্দ প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়ে ২২ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে পাকিস্তান। তবে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার বলছে, এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন।


বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। হতাহতের কোনো দাবিই স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি সংবাদমাধ্যমটি।


পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আফগানিস্তানের দুটি এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহৃত ‘ক্যাম্প ও আস্তানায়’ হামলা চালানো হয়েছে। এতে আনুমানিক ২২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।


অন্যদিকে আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানান, বুধবার রাতে কুনার ও হেলমান্দে হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ৯ জন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন। হামলায় তিনটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মুজাহিদ হামলার নিন্দা জানিয়ে এটিকে ‘আগ্রাসন ও অপরাধ’ বলে উল্লেখ করেন।


প্রায় তিন মাসের তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির পর আবারও পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংঘাত বেড়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে। এসব গোষ্ঠী আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানে আন্তসীমান্ত হামলা চালাচ্ছে বলে দাবি ইসলামাবাদের।


তবে আফগান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কাবুলের দাবি, পাকিস্তানের বিমান হামলায় বেসামরিক মানুষের বাড়িঘর লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে এবং এতে নারী ও শিশুরা হতাহত হচ্ছেন।


সাম্প্রতিক হামলার পর দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:২১ এএম

আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামলায় অন্তত ২২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। নিহতরা ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ ও ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক এই বিমান হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক ও তাদের সহযোগীদের নির্মূলের লক্ষ্যের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়।


মন্ত্রণালয়ের দাবি, নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আফগানিস্তানের দুটি এলাকায় জঙ্গিদের ক্যাম্প ও গোপন আস্তানায় হামলা চালানো হয়। এসব স্থাপনা ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’, ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ ও তাদের সহযোগীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।


বিবৃতিতে বলা হয়, নির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলো নিখুঁতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ২২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। পাশাপাশি ওই ঘাঁটিগুলোতে মজুত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।


পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দেশটি সবসময় চেষ্টা করে এসেছে। তবে পাকিস্তানের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আফগানিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদের একটি কেন্দ্র হিসেবে রয়ে গেছে বলে পাকিস্তানের উদ্বেগ রয়েছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের হুমকি আফগানিস্তান থেকেই আসছে বলেও দাবি করেছে ইসলামাবাদ।


এই পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।


পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ নীতির আওতায় ‘গজব লিল-হক’ নামে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।


বিদেশি মদদ ও সহায়তায় পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার কথাও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।


সূত্র: জিও নিউজ


সর্বশেষ সব খবর

কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৫৭ পিএম

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান। জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনের চতুর্থ দফার অনানুষ্ঠানিক ভোটে তিনি সবচেয়ে বেশি সমর্থন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন এক কূটনীতিক। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।


জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা ইউএনসিটিএডির প্রধান গ্রিনস্প্যান চার দফা গোপন ভোটের মধ্যে তিনবারই শীর্ষে ছিলেন। তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের যে কোনো একটির ভেটো তার এগিয়ে থাকার অবস্থানকে থামিয়ে দিতে পারে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কূটনীতিকের বরাতে জাতিসংঘবিষয়ক বিশেষায়িত সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মঙ্গলবারের (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোটে গ্রিনস্প্যানের পক্ষে ১০টি ভোট পড়ে। বিপক্ষে ‘নিরুৎসাহিত’ বা ডিসকারেজ ভোট পড়ে তিনটি এবং দুটি ভোটে কোনো মতামত জানানো হয়নি।


পর্তুগালের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দ্বিতীয় পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তার উত্তরসূরি হতে সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে চার নারী ও তিন পুরুষ। চতুর্থ দফার ভোটে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রড্রিগেস-বিরকেট। তিনি আটটি সমর্থন পেয়েছেন। দ্বিতীয় দফার গোপন ভোটে অল্প ব্যবধানে তিনিই শীর্ষে ছিলেন।


তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রসি। তিনি বর্তমানে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান।


এছাড়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল, ইকুয়েডরের ইভোনে এ-বাকি, ইকুয়েডরের মারিয়া ফের্নান্দা এস্পিনোসা এবং উগান্ডার ওলারা ওতুননু।


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের গত সপ্তাহের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে কয়েকজন প্রার্থী বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে।


তবে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন রয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়া সমঝোতার ভিত্তিতে নতুন কোনো প্রার্থীকে শেষ মুহূর্তে মহাসচিব পদে নিয়ে আসতে পারে।


নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে কোনো প্রার্থীকে কমপক্ষে নয়টি ভোট পেতে হবে। একই সঙ্গে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কোনো একটি দেশের ভেটোও এড়াতে হবে। এই পাঁচ দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে গভীর মতপার্থক্য রয়েছে।


এই দুটি ধাপ পার হলে প্রার্থীর নাম জাতিসংঘের সব সদস্য দেশের প্রতিনিধিত্বকারী সাধারণ পরিষদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।


১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে দুই প্রার্থীকে ভেটো দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া আটকে যাওয়ার পর অচলাবস্থা কাটাতে নিরাপত্তা পরিষদের এই অনানুষ্ঠানিক ভোটের পদ্ধতি চালু করা হয়। গোপন ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার সমালোচনা থাকলেও বিভিন্ন রূপে এটি এখনো চালু রয়েছে।


ভোটে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য প্রতিটি প্রার্থীর ক্ষেত্রে গোপনে তিন ধরনের মতামত দেন, ‘সমর্থন’, ‘নিরুৎসাহিত’ অথবা ‘কোনো মতামত নেই’।


তবে নির্দিষ্টসংখ্যক ভোটের পর নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ব্যালট আলাদা রঙের হয়ে যায়। এর মাধ্যমে কোনো প্রার্থী সম্ভাব্য ভেটোর মুখে পড়তে পারেন কি না, তা বোঝা যায়। তবে কোন দেশ ওই প্রার্থীকে ভেটো দিতে পারে, তা জানা যায় না।


মঙ্গলবারের ভোটে অবশ্য ব্যালটে কোনো রঙের পার্থক্য রাখা হয়নি। ভোট শেষে নিরাপত্তা পরিষদের পর্যায়ক্রমিক সভাপতি ও জাতিসংঘে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জেরোম বনাফোঁ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পরবর্তী দফার ভোট কবে হবে, তা জানাননি তিনি।


জাতিসংঘের মহাসচিবের পদটি ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ঘুরিয়ে দেওয়ার রীতি রয়েছে। সেই বিবেচনায় এবার লাতিন আমেরিকার কোনো প্রার্থী মহাসচিব হওয়ার কথা। বর্তমান দৌড়ে ওই অঞ্চল থেকে একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। তবে ম্যাকি সাল ও ওলারা ওতুননু আফ্রিকার প্রার্থী।


সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ডের

সর্বশেষ সব খবর

ফাতিমা জাহরা এল মানসুরি

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:১০ পিএম

মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফাতিমা জাহরা এল মানসুরিকে মনোনীত করেছেন দেশটির বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদ। এর মধ্য দিয়ে তিউনিশিয়ার নাজলা বুদেনের পর আরব বিশ্বের দ্বিতীয় নারী হিসেবে সরকারপ্রধানের দায়িত্বে আসছেন তিনি।


সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনে মানসুরির দল অথেন্টিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি (পাম) ৯৭টি আসন পেয়ে সবচেয়ে বেশি আসন অর্জন করে। এরপর দলটির শীর্ষ নেতা ফৌজি লেকজাকে পেছনে ফেলে ৫০ বছর বয়সী মানসুরিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেন বাদশাহ।


বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেশায় আইনজীবী মানসুরি মরক্কোর মোহাম্মদ ভি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। পরে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে করপোরেট আইনে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।


রাজনীতিতে তার উত্থানও দীর্ঘদিনের। ২০০৯ সালে মারাকেশের প্রথম নারী মেয়র নির্বাচিত হন মানসুরি। পরে বিদায়ী জোট সরকারের নগর পরিকল্পনা ও আবাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়নের আগে দেওয়া এক বক্তব্যে মানসুরি বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদকে নারীদের সবচেয়ে বড় সমর্থক হিসেবে উল্লেখ করেন। সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া তার জন্য বড় সম্মানের বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


তবে নারীর অধিকার ও উত্তরাধিকার আইনসহ মরক্কোর কিছু বিতর্কিত রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে মানসুরি বরাবরই সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। একই সঙ্গে নিজেকে ‘লৌহ নারী’ হিসেবে দেখতেও তিনি অনাগ্রহী।


মরক্কোর সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে জয়ী দলের মধ্য থেকেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। তবে ৩৯৫ আসনের সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৯৮টি আসন। ফলে সরকার গঠনে জোটের প্রয়োজন হতে পারে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৪ পিএম

দীর্ঘ দুই দশকের সামরিক উপস্থিতির পর ইরাক থেকে পুরোপুরি বিদায় নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ২০০৩ সালে মার্কিন সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটিতে থাকা মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। এ উপলক্ষে ইরাকজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সরকার এ উপলক্ষে চার দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে।


মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি ছেড়েছেন সেখানে থাকা শেষ মার্কিন সেনারা। এর মধ্য দিয়ে ইরাকে নতুন দিনের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে দেশটির সরকার। যদিও সেনা প্রত্যাহার–পরবর্তী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক ইরাকি।


মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে ইরাকিদের মধ্যে আনন্দ–উদ্বেগ উভয়ই আছে। এটি প্রতিবেশী দেশ ইরানের জন্য বড় সুযোগের দরজা খুলে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের অনেকে। কারণ, ইরাকে ইরানপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে। মার্কিন বাহিনীর অনুপস্থিতিতে এই গোষ্ঠীগুলো আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে সুবিধা পেতে পারে তেহরান।


ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল আজ। এর এক দিন আগেই প্রত্যাহার শেষ হয়েছে বলে আলজাজিরাকে জানিয়েছেন ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র। তিনি বলেন, ইরাকে এখন আর মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর কোনো সেনা নেই। তাদের অনুপস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সক্ষম ইরাকি বাহিনী।


ইরাক থেকে সেনা পুরোপুরি সরিয়ে নিতে ২০২৪ সালে একটি সমঝোতা করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তখন দেশটিতে আড়াই হাজার মার্কিন সেনা ছিলেন। গত বছরই তাদের বেশির ভাগকে সরিয়ে নেওয়া হয়। শুধু আধা স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি এলাকাগুলোয় কিছু সেনা ছিলেন। যদিও তাদের সংখ্যা কত, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানায়নি মার্কিন বাহিনী।


যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে হামলা চালায় ২০০৩ সালে। দেশটির প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে তারা। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে সাদ্দামের ফাঁসি দেওয়া হয়। ২০০৭ সালে ইরাকে মার্কিন সেনার সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এই সেনাদের একটি অংশ ২০১১ সালে ইরাক ছাড়ে। পরে ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেট (আইএস) বিরোধী অভিযানের জন্য ইরাকে আরও সেনা পাঠানো হয়।


ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে বাগদাদের জন্য নতুন একটি যুগ শুরু হলো। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে ইরাকের জন্য নতুন একটি দিনের সূচনা হলো। দেশটি বিদেশি সব ধরনের সামরিক উপস্থিতি থেকে মুক্ত হবে। একই সঙ্গে ইরাকের পুরো ভূখণ্ডের ওপর জাতীয় সার্বভৌমত্ব পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হবে।


ইরাকে সক্রিয় ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সের কমান্ডার আবু মোজতাবা আল-ইয়াসিরি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘটনাকে ‘ঐতিহাসিক জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইয়াসিরি বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর ইরাকের ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায়ের অবসান হবে। ইরাকে দখলদারদের ব্যর্থতা উদ্‌যাপন করবে দেশটির মানুষ।


তবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফালুজা


অঞ্চলের একটি আদিবাসী গোষ্ঠীর নেতা আবদুল রহমান আল-জোবাইর। তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই মুহূর্তে নিরাপত্তার দায়িত্ব পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেওয়ার জন্য ইরাক প্রস্তুত নয়। ইরাকের জনগণ পূর্ণ সার্বভৌমত্ব চায়। কিন্তু আমার মনে হয়, মার্কিন বাহিনী এভাবে চলে গিয়ে যে শূন্যতা তৈরি করছে, সেটি সব ইরাকির জন্য সবচেয়ে বড় শঙ্কা।’


তেহরানের সুযোগ


ইরাকে ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সের মতো তেহরান–সমর্থিত বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে। চলমান ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালাতে ভূমিকা রাখছে এই গোষ্ঠীগুলো। চলতি মাসেই ইরাক থেকে সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পাইপলাইনে হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া ইরান যুদ্ধের সময় যে ১৮ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে সাতজন ইরাকে ছিলেন।


ইরাকি নিরাপত্তা বিশ্লেষক জাসিম আল-বাহাদলি রয়টার্সকে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইরাক থেকে চলে যাওয়ায় কৌশলগতভাবে ইরানেরই লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। কারণ, এর ফলে ইরাক থেকে এমন একটি সামরিক উপস্থিতি সরে যাচ্ছে, যারা বহু বছর ধরে দেশটিতে তেহরানের প্রভাবের বিরুদ্ধে ভারসাম্য রক্ষা করে এসেছে।


সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা

সর্বশেষ সব খবর