বাঙালি জাতির ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনার সূচনার দিন আজ
আজ ২৬ মার্চ। ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনার সূচনার দিন।
আজ থেকে ৫৫ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনটিতে ডাক এসেছিল দেশকে পাকিস্তানি হানাদারের কবল থেকে মুক্ত করার। আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের।
২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণার পর পাকিস্তানি শোষকের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে স্বাধীন করতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলার দামাল ছেলেরা। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ মাস বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব।
জাতি অর্জন করেছিল একটি দেশ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত।
আজ সরকারি ছুটি। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন। পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে স্বাধীনতার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারা।
গোটা জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের। অবনত চিত্তে শ্রদ্ধা জানাবে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে অসামান্য আত্মত্যাগকারী বাংলার অকুতোভয় বীর সেনানী মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী মহান নেতাদের।
পাশাপাশি গোটা দেশ আজ মেতে উঠবে স্বাধীনতার উৎসবের আমেজে।
পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ বেয়ে ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের জনগণ পেয়েছিল পাকিস্তান ও ভারত নামের পৃথক দুটি দেশ। এরপর শুরু হয় বাঙালিদের নতুন করে শোষণ ও পরাধীনতার শৃঙ্খলে বেঁধে রাখার পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র। তবে পাকিস্তানি হানাদারদের শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় বাঙালি জাতি।
১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের পথ বেয়ে ’৫২-এর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভ, ’৫৬-এর সংবিধান প্রণয়ন আন্দোলন, ’৫৮-এর মার্শাল ল বিরোধী আন্দোলন, ’৬২-এর শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলন, ’৬৬-এর বঙ্গবন্ধু ঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা আন্দোলন, ৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯-এর রক্তঝরা গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’খ্যাত কালজয়ী ঐতিহাসিক ভাষণ এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন প্রভৃতি ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের চূড়ান্ত লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠে বাঙালি জাতি।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পর মধ্যরাতে, অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারের আগমুহূর্তে দেওয়া সেই ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু শত্রুসেনাদের বিতাড়িত করতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার জন্য দেশবাসীকে অনুরোধ ও নির্দেশ দেন।
তৎকালীন ইপিআরের ওয়্যারলেস থেকে সে বার্তা ছড়িয়ে যায় দেশের সর্বত্র। বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণায় সেদিনই ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে পুরো জাতি।
পরে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। এই ঘোষণাটি ছিল পূর্বের ২৬ মার্চের ঘোষণারই পুনরাবৃত্তি। যা স্থানীয় বেতার কেন্দ্র থেকে বারবার প্রচারিত হয়ে স্বাধীনতাকামী মানুষের মনে অভূতপূর্ব সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগায়।
এরপর ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার এক আমবাগানে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলার অস্থায়ী বিপ্লবী সরকার। বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গঠিত এ সরকারের নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিক কাঠামো লাভ করে।
৯ মাস চলা এই মুক্তিযুদ্ধে রচিত হয় ইতিহাসের মহীয়ান অধ্যায় ও মুক্তিকামী বাংলার মানুষের বীরত্বগাথা। আরেক দিকে ছিল হানাদার বাহিনীর নির্বিচার হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ ও লুটতরাজের কলঙ্কিত অধ্যায়।
একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। বিশ্ব মানচিত্রে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামের স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
দিনের কর্মসূচি
আজ প্রত্যুষে রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর এলাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। সারাদেশে প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনি করা হবে।
সূর্যোদয়ের ক্ষণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
বিদেশি কূটনীতিক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ স্মৃতিসৌধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এ ছাড়া জেলা ও উপজেলার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবন এবং ঢাকা শহরে সহজে দৃশ্যমান ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকা ও অন্যান্য পতাকায় সজ্জিত করা হবে। তবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এবার গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলোতে আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এদিন সকাল ৯টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট অনুষ্ঠিত হবে। কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি অতিথিরাও এতে যোগ দেবেন।
এ ছাড়া সকালে জাতীয় স্টেডিয়ামে শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশ এবং কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে।
দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এদিন সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র, নিবন্ধ ও সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করবে।
বাদ জোহর দেশের সব মসজিদ এবং সুবিধাজনক সময়ে মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। দেশের সব হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিবার, বৃদ্ধাশ্রম, ভবঘুরে প্রতিষ্ঠান ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে। দেশের সব শিশু পার্ক ও জাদুঘরগুলো বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রাখা হবে।
এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল ও ওয়ারফেজের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা ও পায়রা বন্দর এবং ঢাকার সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জের পাগলা, বরিশাল ও চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর ঘাটে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজগুলো সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।
বিএনপির দুদিনব্যাপী কর্মসূচিতে রয়েছে- ভোর ৫টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন; সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন; সকালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া এবং আগামী শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা।
জামায়াতে ইসলামীর দুদিনের কর্মসূচিতে রয়েছে- সকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন; রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়ায় অংশগ্রহণ এবং বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভা।
এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ছাত্র, যুব, নারী, শিশু ও পেশাজীবী সংগঠন দিনব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে।
প্রতীকী ছবি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১৩১৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত অদ্যাবধি দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৮২৩ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং এই বিভাগে মারা গেছে পাঁচজন। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছে একজন। ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,১৫৮ জনে এবং নিশ্চিত মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের হাসপাতালগুলোতে হাম নিয়ে নতুন ভর্তির সংখ্যা ১,৩১৮ জন। আর হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১,২০৪ জন রোগী। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতিকে সাম্প্রতিক জাপান সফরের বিষয়ে অবহিত করেন। এ সময় তারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও জাতীয় স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক জাপান সফরের বিভিন্ন দিক, সফরকালে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
পরে একান্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, জাপানের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর আলোচনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি এ সফরে দুদেশের মধ্যে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব, বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে জাপানি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে, দুপুরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে এসে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাঁকে স্বাগত জানান এবং সাক্ষাৎ করতে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব, অতিরিক্ত প্রেস সচিব, একান্ত সচিব-২ সহ বঙ্গভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি : সংগৃহীত
এখন থেকে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে রেজিস্ট্রেশন নম্বর এক লাইনে লেখার অনুমতি দিতে পারবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। পাশাপাশি মোটরসাইকেলের নকশা অনুযায়ী একাধিক মাপের নম্বরপ্লেট ব্যবহারের অনুমতিও দিতে পারবে সংস্থাটি। মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট প্রদর্শনের নিয়মে পরিবর্তন এনে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
মূলত মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট স্থাপন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিগত জটিলতা দূর করতে সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ সংশোধন করেছে সরকার। সংশোধিত বিধিমালায় মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা, আকার, অক্ষরের উচ্চতা ও নম্বর লেখার বিন্যাসে পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে মোটরসাইকেলের কাঠামো ও নকশা বিবেচনায় সামনে নম্বরপ্লেট স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পথ আরও সুগম হলো।
রোববার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ১২২ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর ৩৬ বিধি সংশোধন করা হয়েছে।
সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, মোটরসাইকেলের সামনের অংশে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে আগে নির্ধারিত পদ্ধতির পাশাপাশি নম্বরটি একটি আনুভূমিক রেখায় লেখার অনুমতি দিতে পারবে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া মোটরসাইকেলের নকশা অনুযায়ী সামনের রেজিস্ট্রেশন চিহ্ন একাধিক মাপের (দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ) বিপরীতমুখী রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ প্লেটের ওপর প্রদর্শনের অনুমতি দিতে পারবে বিআরটিএ।
নতুন বিধিমালায় সামনের নম্বরপ্লেটের অক্ষরের উচ্চতা, জেলা বা অঞ্চলের নাম নির্দেশকারী অক্ষরের মাত্রা, যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের উচ্চতা, প্লেটের ওপরের অংশে ফাঁকা জায়গা, দুটি সংখ্যার মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা এবং দ্বিতীয় লাইনের সংখ্যাগুলোর মধ্যে হাইফেনের দৈর্ঘ্য নির্ধারণের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষকে।
এ ছাড়া একই লাইনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লেখার ক্ষেত্রে জেলা বা অঞ্চলের নাম নির্দেশকারী অক্ষর এবং যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশকারী অক্ষরের পর নির্ধারিত দৈর্ঘ্যের হাইফেন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহন বিধিমালার ৩৬ বিধির উপবিধি (১০) থেকে ‘মোটরসাইকেল এবং’ শব্দ দুটি বাদ দেওয়া হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
গত ২৮ অক্টোবর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখা থেকে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়। এতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাক্ষর করেন উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম।
অপরদিকে মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সুযোগ থাকছে।
এর আগে মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের নির্ধারিত সময়সীমা ১৫ নভেম্বরের পরিবর্তে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছিল। বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট সংযোজন সম্পন্ন করা কঠিন বিবেচনায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এই সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছিল।
এর আগে সড়ক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা জোরদারের লক্ষ্যে মোটরসাইকেলের পেছনে অনুমোদিত আরএফআইডি নম্বরপ্লেটের পাশাপাশি ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সামনের দিকেও ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন বাধ্যতামূলক করেছিল বিআরটিএ। এক গণবিজ্ঞপ্তিতে সব মোটরসাইকেল মালিককে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট সংযোজন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করেছিল সংস্থাটি।
রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
এবারের বাংলাদেশ সোলার এক্সপোর মূল প্রতিপাদ্য ‘প্রতি ইঞ্চি ছাদ কাজে লাগাই, সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়াই’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মিরানা মাহরুখ।এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমীন এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩-এর উপনির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এলিজা জামানের শপথগ্রহণ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) হওয়ার কথা রয়েছে।নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ সংসদ ভবনস্থ স্পিকারের অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নবনির্বাচিত দুজন সংসদ সদস্যের শপথ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে শনিবার মির্জা ফয়সল আমীনকে বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।গত ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।
অপরদিকে সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩ এর শূন্য পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এলিজা জামানকে ‘সংসদ সদস্য’ হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গত ১ অক্টোবর বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য হয়। পরে ১২ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন এ আসনে উপনির্বাচনের তপসিল ঘোষণা করেছিল। তপসিল অনুযায়ী আগামী ১২ নভেম্বর ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও একক প্রার্থী থাকায় আর ভোটের প্রয়োজন হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার ও সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনা তৈরির লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’। দুই দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিনি এ এক্সপোর উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করবেন।
এর আগে রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
মন্ত্রী জানান, ‘ছাদের প্রতিটি ইঞ্চি কাজে লাগান, সৌরবিদ্যুৎ থেকে আয় বাড়ান’ প্রতিপাদ্যে ৩ ও ৪ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এক্সপোটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) যৌথ উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এ আয়োজন করা হচ্ছে।
এক্সপো উপলক্ষে সৌরবিদ্যুতের বিভিন্ন দিক, দেশব্যাপী এর ব্যবহার সম্প্রসারণ, জাতীয় জ্বালানি মিশ্রণে সৌরবিদ্যুতের অংশ বাড়ানো এবং বাড়ির ছাদ ও অব্যবহৃত জমিতে সৌর প্যানেল স্থাপনে জনগণকে উৎসাহিত করার বিষয়ে চারটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি কমানো এবং গ্রীষ্মকালে জনদুর্ভোগ ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০) বাস্তবায়নে সহায়তা এবং সৌরবিদ্যুতের প্রসারে সরকারি নীতি ও প্রণোদনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ধারণা দেওয়াই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
প্রদর্শনীতে সৌরবিদ্যুৎ খাতের আধুনিক প্রযুক্তি তুলে ধরার পাশাপাশি বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও অংশীদারত্ব গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করা হবে। এতে নীতিনির্ধারক, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, উদ্যোক্তা ও সাধারণ ভোক্তারা অংশ নেবেন।
এ ছাড়া সরকারি প্রণোদনা, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, কর ও শুল্ক সুবিধা, সবুজ ও জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট, সৌরচালিত সেচব্যবস্থা এবং প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিভিন্ন বিষয় প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হবে।