সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:২৭ পিএম

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলোতেই পরীক্ষা দিতে পারবেন তারা। এবার এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন পরীক্ষার্থী। শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।


বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পরের বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হয় শিক্ষার্থীদের। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলো অথবা ইচ্ছা করলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে।


তবে এক বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের পুরো এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। এতে তাদের শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি মানসিক চাপও তৈরি হয়। নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষা কমবে এবং দ্রুত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।


তবে এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের তারিখ, আবেদনপ্রক্রিয়া ও অন্যান্য নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হবে।





পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:২৮ পিএম

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হারে দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। 


অন্যদিকে, পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।


আজ শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানানো হয়।


ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। গড় পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। এসব বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন শিক্ষার্থী।


বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে।


সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বাইরে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৪ হাজার ৫৪৭ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন। 


অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫০ হাজার ৮৮৯ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৮৬ জন।


সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।


আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৭ পিএম

চলতি বছরের আলিম পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। 


আজ শনিবার বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর আলিম পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮৯ হাজার ৩২১ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৪ হাজার ৫৪৭ জন।


পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫০ হাজার ৩৭৪ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছে ২৯ হাজার ২৬৯ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৫৮ দশমিক ১০ শতাংশ। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ২৮ জন।


অন্যদিকে, ৩৮ হাজার ৯৪৭ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ২৫ হাজার ২৭৮ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২২২ জন।


এ বছর দেশের ৪৬০টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৭০৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়।


কে এম তাহসিফ সাউরি (ফাইল ফটো)

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৩২ পিএম

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করেছেন তার বাবা এনায়েতুল করিম। তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের লাশ উদ্ধারের দুই দিন পর শুক্রবার রাতে মামলাটি করা হয়।


‎আজ শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে গুম করার অভিযোগে মামলাটি হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।’


এদিকে এ মামলায় তাহসিফের ব্যবসায়িক অংশীদার ও বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই শাহরিয়ার রেজা দীপকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে তাকে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআই এর একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।


গতকাল শুক্রবার তাহসিফের বাবা এ কে এম এনায়েতুল করিম দাবি করেছেন, তাঁর ছেলে সাঁতার জানতেন এবং পাইলট প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বিশেষ সাঁতার কোর্স সম্পন্ন করে সনদও পেয়েছিলেন। তাই দীপের দেওয়া ‘ধাওয়ার মুখে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার’ বক্তব্য তিনি বিশ্বাস করছেন না। 


তিনি বলেন, তাহসিফকে ধাওয়া করার কোনো কারণ নেই। তাঁর ভাষায়, ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, একজন ডিফেন্স অফিসার পুলিশের ভয়ে দৌড় দেবে- এটা হাস্যকার না!


এনায়েতুল করিম বলেন, ‘মামলার ব্যাপারে আমরা এখনও ভাবিনি। আমরা পারিবারিকভাবে আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত নেব। তবে মামলার কেন প্রয়োজন হবে? সরকার নিশ্চয়ই এ ব্যাপারে দায়িত্ববোধের পরিচয় দেবে এবং অত্যন্ত আন্তরিক হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ 


তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে মামলা মানেই তো ঝামেলা, কোর্টে দৌড়াদৌড়ি। কে চায় এই ঝামেলার মধ্যে পড়তে? যেখানে আমাদের চমৎকার সরকার রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে আমি ইতোমধ্যে লক্ষ্য করেছি, তারা অত্যন্ত দায়িত্ববান এবং সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।’


তাহসিফের ছোট্ট ব্যবসাটি দীপ দেখাশোনা করতেন বলে জানান কে এম এনায়েতুল করিম। তিনি বলেন, অন্য চাকরি করায় ছেলের ব্যবসা দেখাশোনার দায়িত্ব পড়েছিল দীপের ওপর। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন কোম্পানিতে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহের কাজটি দেখতেন। এ কারণে দীপের সঙ্গে তাহসিফের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল।


রাজধানীর উত্তরখানের তুরাগ নদের রাজবাড়ী ঘাট থেকে বুধবার বিকেলে তাহসিফের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। নদের প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার এলাকায় অন্তত ১৪ ঘণ্টা ধরে ভাসছিল তাহসিফ সাউরির মরদেহ। তাহসিফের বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তুরাগের যে স্থানে ঘটনার সূত্রপাত, সেটি শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তার কাছাকাছি জায়গা টঙ্গী সেনাকল্যাণ সংস্থার পাশে হোন্ডা রোড থেকে আজ সকালে একটি মোটরসাইকেল পাওয়া যায়। সেই হোন্ডা রোড এবং হাজী মাজার বস্তি সংলগ্ন ইজতেমার মাঠ পরিদর্শন করেন তাঁরা। 


তাহসিফের মৃত্যুর আগে এই স্থানটিতেই এসেছিলেন তাহসিফ ও দ্বীপ। জিজ্ঞাসাবাদে দ্বীপ পুলিশকে বলেছেন, ‘সেদিন তারা ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন। এ সময় কিছু লোক তাদের ধাওয়া করে। তাহসিফ নদে ঝাঁপ দেন। আর তিনি পালিয়ে আসেন।’ তবে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। ময়নাতদন্তসহ বেশ কিছু প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বের হবে বলছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, কেন, কী কারণে এত রাতে তুরাগ নদের পারে একটি অপরাধপ্রবণ এলাকায় তাহসিফ ও দীপ গেলেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। 


দীপের ভাষ্যমতে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে তাহসিফসহ তিনি টঙ্গী পশ্চিম থানার তুরাগ নদ-সংলগ্ন হাজী মাজার বস্তি এলাকায় যান। এর অদূরে নদ শনাক্তকরণের ২৯ নম্বর পিলার। মধ্যরাতে দুজন ইউনিফর্মধারী লোক তাদের ধাওয়া করেন। 


তিনি বলেন, নিজেকে আড়াল করতে তিনি (দীপ) পিলারের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন। এক পর্যায়ে সেখান থেকে পালিয়ে মোহাম্মদপুরের বাসায় আসেন তিনি (দীপ)। 


পুলিশ জানায়, দীপের তথ্য অনুযায়ী হাজী মাজার বস্তি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি পরিত্যক্ত অবস্থায় সেখানে পড়ে ছিল। 


পুলিশ বলছে, যে মোটরসাইকেল নিয়ে তাহসিফ বাসা থেকে বের হয়েছেন, সেটিই উদ্ধার করা হয়েছে। নম্বরহীন থাকায় মোটরসাইকেলটির মালিকানা যাচাই করা হচ্ছে। 


তাহসিফের ঘটনার ছায়া তদন্ত করছে পিবিআই। মূল তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে নৌ পুলিশ। পিবিআই ছায়া তদন্তের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য নৌ পুলিশকে দিচ্ছে। 


নৌ পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি রেজাউল করিম বলেন, ‘মৃত্যুর কারণের বিষয়ে আমরা এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। অন্যান্য সংস্থাও তদন্তে আমাদের সহায়তা করছে। আলামতের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হচ্ছে।’ 


টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘হাজী মাজার বস্তি এলাকা ও বস্তি-সংলগ্ন ইজতেমার মাঠে মাদক বেচাকেনা চলে। তাই সেখানে পুলিশের নিয়মিত টহল থাকে। মঙ্গলবার রাতেও টহল ছিল। তবে টহলে থাকা পুলিশ সদস্যরা কাউকে ধাওয়া দিয়েছে এ ধরনের কোনো তথ্য আমাকে জানানো হয়নি।’ 


নৌ পুলিশের এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গতকাল বিকেলে বলেন, তাহসিফের পরিবারকে মামলার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু থানায় এখনও মামলা করেনি তাঁর পরিবার। যদি তারা কোনো মামলা না করে, তবে পুলিশকেই হয়তো মামলা করতে হবে।


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ প্রকাশ হয়েছে

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:০৭ পিএম

চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর মোট পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। আজ শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফল প্রকাশ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 


এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১.৮০ শতাংশ। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ৪৫.০৬, কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮.০৪, যশোর বোর্ডে ৪৪.৯২ শতাংশ, চট্রগ্রাম বোর্ডে ৫২.০৭, বরিশাল বোর্ডে ৪৪.৮৪ শতাংশ, সিলেট বিভাগে ৫০.৯০ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫.৯৮ এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ। 


এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯.৪৩ শতাংশ।  


এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। এ বছর মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন।


প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন।


পরীক্ষায় ছাত্রদের পাসের হার ৪৭.৭৫ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬.৩১ শতাংশ। অর্থাৎ, পাসের হারে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। এ বছর মোট ২ হাজার ৭৬০টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ১৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়।


এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রথমে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। 


পরে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের পর আরও ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পান। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৫ এএম

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। আজ শনিবার প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।


আজ বেলা ১১টায় রাজধানীর সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরপর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষার ফল একযোগে অনলাইন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রকাশ করা হয়। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রথমে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। পরে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের পর আরও ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পান। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১।


পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত ওয়েবসাইট  eduboardresults.gov.bd (https://eduboardresults.gov.bd) এবং educationboardresults.gov.bd (https://educationboardresults.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারছেন। এ ছাড়া নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাচ্ছে।


মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাচ্ছে। এ জন্য HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। যেমন: HSC Dha 123456 2026।


উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।


এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন ১২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:১০ এএম

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে ফল প্রকাশ করা হয়। 


চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। এ বছর গত ২ জুলাই থেকে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। 


গত বছর ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।


এ বছর গত ২ জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।


বোর্ডভিত্তিক পাসের হারের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।


এ ছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।