ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:১৬ পিএম

ভারতের বিহারে গঙ্গার পানি বাড়ায় ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দিতে অনুরোধ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। রোববার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে তিনি এ অনুরোধ জানান। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি জানান।


এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও অন্য এলাকায় বৃষ্টিপাত তুলনামূলক কম হতে পারে। ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। 


শুভেন্দু অধিকারীকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী বলেছেন, গঙ্গার পানি বাড়ছে এবং বিহারে বন্যা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে যাচ্ছে। সম্রাট চৌধুরীর দাবি, ফারাক্কার সব গেট খুলে দিলে গঙ্গার পানির প্রবাহ বাড়বে। এটি বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে বলে দাবি করেছেন তিনি। সম্রাট চৌধুরী জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে বিষয়টি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।


এদিকে ফারাক্কা ব্যারাজ ও গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে ১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ চুক্তির প্রসঙ্গ সামনে এনেছেন ভারতের জনতা দল (ইউনাইটেড) বা জেডিইউয়ের রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় ঝা। তিনি বলেছেন, চুক্তিটি নবায়নের আগে বিহারের স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।


১৯৯৬ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে চুক্তি হয়। সঞ্জয় ঝা বলেন, চুক্তিটি চলতি বছরের ডিসেম্বরে ৩০ বছর পূর্ণ করবে।  ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এর মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টনের বিষয়টি ১৯৯৬ সালের চুক্তির আওতাভুক্ত। ফারাক্কা ব্যারাজকে কেন্দ্র করে শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানি বণ্টনের ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়েছে এই চুক্তিতে। 


নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, বাঁধে ভাঙন 


আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, এর লাগোয়া উত্তর ওড়িষ্যা এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।


সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।


এদিকে উজানের ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী তিনটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। আকস্মিক ঢলের পানিতে মোগড়া, দক্ষিণ ও মনিয়ন্দ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ২৫০ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েকটি গ্রামের বহু পরিবার। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পানি বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকার কয়েকটি বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ত্রাণও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


হবিগঞ্জে বাঁধ ভেঙে অন্তত ২০ গ্রাম প্লাবিত: এদিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ বাঁধে প্রায় দেড় মাস পর আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্রবল স্রোতে পানি লোকালয়ে ঢুকে রাস্তা, ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। গবাদি পশু ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 


স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দেড় মাস আগে একই বাঁধ ভেঙে তাদের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই আবারও বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় তারা নতুন করে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।


স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার সকালে উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে খোয়াই নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। এক পর্যায়ে কালীগঞ্জ বাঁধ ভেঙে নদীর পানি দ্রুত লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। 

 




অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৪ এএম

রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক হোম ইকোনমিকস কলেজ) অধ্যক্ষ অধ্যাপক মেহেরুন্নেছাকে প্রায় ১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখার পর পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তার পদত্যাগের দাবিতে মধ্যরাতেও সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে তালা দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা। 



এতে দুজন আহত হয়েছেন বলে দাবি তাদের। তাদের একজন গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অধ্যক্ষকে নিয়ে যাওয়ার পরও রাত সাড়ে ১২টার পর শতাধিক শিক্ষার্থী সড়কে অবস্থান করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। ক্যাম্পাসে পুলিশের প্রবেশ ও লাঠিচার্জেরও প্রতিবাদ জানান।


এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা যৌক্তিক দাবি নিয়ে আন্দোলন করছিলাম। কিন্তু শিক্ষকরা পুলিশ নিয়ে এসে আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করিয়েছেন। আমাদের দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। একজন গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি আছেন।’



মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিরোধের সূত্রপাত। পূজার ছুটির আগে কলেজের তিনটি আবাসিক হলের পাঁচ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। রাত ১০টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার নির্দেশনা থাকলেও শিক্ষার্থীদের অনুরোধে সময় বাড়িয়ে রাত ১২টা করা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষ হয় ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে।



শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের পর অনুষ্ঠান চলায় সমন্বয়কারী দুই শিক্ষার্থীর হলের আসন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন অধ্যক্ষ। পরে ক্ষমা চাইতে গেলে আসন ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত হিসেবে এক রাতের এসি ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। এই দাবিকে অযৌক্তিক বলে প্রতিবাদ শুরু করেন তারা।



২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী তাবাসসুম বলেন, জরিমানা মওকুফের অনুরোধ জানাতে গিয়ে এক শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের পা ধরেছিলেন। কিন্তু অধ্যক্ষ তাকে পা দিয়ে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। তাবাসসুমের ভাষ্য, ‘দুইটা স্টুডেন্টের সিট অযৌক্তিকভাবে বাতিল করার কারণেই এই আন্দোলনটা। আমরা ম্যাডামের কাছে হাত-পা জোর করে ক্ষমা চাইলে ম্যাডাম বলেন, আমাদের সরি অ্যাকসেপ্ট করেছেন এবং শাস্তিস্বরূপ এক রাতের অডিটোরিয়ামের বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা দিতে হবে। আমাদের স্টুডেন্টদের পক্ষে এই টাকা দেওয়া সম্ভব না।’


শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে বর্তমান প্রতিষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর থেকেই অধ্যক্ষ একের পর এক অযৌক্তিক নিয়ম চাপিয়ে দিচ্ছেন। আবাসিক হলের সুযোগ-সুবিধা পর্যাপ্ত না থাকলেও মাসিক ফি ৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হয়েছে। আগামী বছর আরও ১০০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি বাংলোতে নিয়মবহির্ভূতভাবে বহিরাগতদের সাবলেট দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তারা। 



বদরুন্নেসা কলেজে দায়িত্ব পালনের সময় দুই হলের ফ্রিজ ও বিদ্যুতের সুইচ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, এসব বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার সকালে অধ্যক্ষের কাছে গেলে তিনি তাদের বক্তব্য না শুনে ধমক দেন। এরপরই তার কার্যালয়ে তালা দিয়ে অবস্থান শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।


কলেজ প্রশাসনের বক্তব্য, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করে রাত ১২টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক হাবিবা ইয়াছমিন বলেন, ক্যাম্পাসে নির্মাণকাজ চলায় অনেক বহিরাগত শ্রমিক কাজ করছেন। এ অবস্থায় রাতে অনুষ্ঠান দীর্ঘায়িত হওয়া নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।


দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিলের বিষয়ে উপাধ্যক্ষ বলেন, প্রাথমিকভাবে শুধু ভয় দেখানোর জন্য এ কথা বলা হয়েছিল। পরে পূজার ছুটির পর গত রোববার সিদ্ধান্ত হয়, ফাইনাল ইয়ারের ওই দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিল করা হবে না। ১২ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানার অভিযোগের বিষয়ে তার ব্যাখ্যা, ভোর ৫টা পর্যন্ত অডিটোরিয়ামে এসি ও ফ্যান চলায় ওই পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল এসেছে। এ অর্থ হোস্টেলের সব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাথাপিছু ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে সংগ্রহ করে পরিশোধ করতে বলা হয়েছিল।


অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা সম্পর্কে উপাধ্যক্ষ বলেন, সকালে তিনি ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যক্ষের কক্ষে বসে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কথা বলার কথা বলে তাদের বাইরে ডেকে নেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অধ্যক্ষের কক্ষের দরজা বন্ধ করে তালা দেওয়া হয় এবং শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন।


তিনি জানান, বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকেরা কয়েক দফায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও তারা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিলেন। বিকেল পাঁচটার পর অধ্যক্ষকে আর ক্যাম্পাসে দেখতে চান না বলেও আলটিমেটাম দেন তারা। তবে বিসিএস ক্যাডার সার্ভিসের নিয়োগ রাষ্ট্রপতির আদেশে হওয়ায় এভাবে সাদা কাগজে পদত্যাগ নেওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। 



ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:২৭ এএম

ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে এর সম্পূর্ণ ধাপগুলো বিস্তারিত জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। 


সংস্থাটি জানিয়েছে, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি মূলত দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছে বিআরটিএ।


প্রথম ধাপ (লার্নার বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স)


প্রথমে বিএসপি অ্যাকাউন্ট খুলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—যেমন মেডিকেল সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ আপলোড করে লার্নার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয়। এ ক্ষেত্রে এক ক্যাটাগরির জন্য ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির জন্য ৭৪৮ টাকা ফি প্রযোজ্য।


দ্বিতীয় ধাপ (চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স)


লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। এরপর লিখিত, মৌখিক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বিএসপি’র মাধ্যমে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয়।


এই ধাপে অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ৪,৬২৮ টাকা এবং পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২,৮৩২ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পেশাদার লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ডোপ টেস্ট সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবেদন অনুমোদিত হলে ঘরে বসেই ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায়। এছাড়া অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের প্রযোজ্য চার্জও পরিশোধ করতে হবে।


শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৯ পিএম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পলাতক সন্ত্রাসী, প্রত্যাবর্তন নয়। বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।


ঢাকা সফরে আসা চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ মন্তব্য করেন।


জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ড নিয়ে দিল্লিতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার প্রসঙ্গকে ‘হাস্যকর’ বলে বর্ণনা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।


ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁর হস্তান্তর চাওয়ার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে কি শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াইতে আসবেন যে তাঁকে পাসপোর্ট দেব, আর পাসপোর্ট দিয়ে আসবেন? শেখ হাসিনা হচ্ছেন পলাতক সন্ত্রাসী। স্বৈরাচার, একটা পালিয়ে যাওয়া টেররিস্ট; এখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন, তাঁকে কি নরমাল কমার্শিয়াল ট্রাভেলার হিসেবে দেখব যে পাসপোর্ট দেব? আসেন, আসিয়া আপনার শ্বশুরবাড়ি রংপুর বেড়াইয়া যান। আমাদের অ্যাকটিভ এক্সট্রাডিশন ট্রিটি আছে টেররিস্টদের ধরার, ক্রিমিনালকে ধরার। সন্ত্রাসী আর অপরাধীকে ধরতে পাসপোর্ট লাগে না, এটা হস্তান্তর হয়।’


ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা দেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাসের জন্য আবেদন করেছেন কি না, এই প্রশ্ন করা হয়েছিল হুমায়ুন কবিরকে।


  শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না : হুমায়ুন কবির


জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠক থেকে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন তিনি। এ কারণে বিষয়টি এখনো তাঁর জানা নেই। পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাসের বিষয়টাই ‘হাস্যকর লাগল’ বলে মন্তব্য করেন হুমায়ুন কবির।


২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলমান।


জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর আইনজীবীরা।


ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। দুই দেশের মধ্যকার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে ফেরত দেওয়ার কথা বারবার বলে আসছে ঢাকা। ঢাকার তরফ থেকে এ নিয়ে কয়েক দফা চিঠি দেওয়া হলেও দিল্লির কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনার কথা বলে আসছে ভারত।


শেখ হাসিনা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে গত জুলাই মাসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আগামী ডিসেম্বর নাগাদ তাঁর দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা রয়েছে।


প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘তাঁর (শেখ হাসিনা) প্রত্যর্পণের বিষয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আর আইনি প্রক্রিয়াগুলো বিদ্যমান। সুতরাং এখানে পাসপোর্ট দেওয়ার বা হস্তান্তরের প্রয়োজন নাই।...বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে কার্যকর থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের প্রত্যর্পণের সুযোগ রয়েছে।’

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৪২ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৭ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৪২ পিএম

আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে জাতীয় সাংস্কৃতিক উৎসব পালিত হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।


বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।


সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অন্যান্য খাতের মতো সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনকেও নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে চায় সরকার। দীর্ঘদিন ধরে এ দুটি ক্ষেত্র অবহেলিত ছিল। সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনে নানা ধরনের নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলাও ছিল। সবার সহযোগিতায় একটি সুস্থ, সুন্দর ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গন গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।তিনি বলেন, রাজবাড়ীর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অবস্থা দীর্ঘদিনের অবহেলা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল ও শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। ইতোমধ্যে স্টেডিয়াম ও সুইমিং পুল পুনর্গঠনসহ ক্রীড়াভিত্তিক বেশ কিছু কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ীর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অতীতে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ছিল। সেই ঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার। নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে নানা কারণে তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলা ও সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে গেছে।


নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিশু-কিশোরদের মানসিক উৎকর্ষ, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশপ্রেম ও মানবিক বোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে তাদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে যুক্ত করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে সময়োপযোগী মানসিকতায় গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন।


এর আগে, রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভার্চ্যুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপভোগ করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মসহ উপস্থিত অতিথিরা।


প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে রাজবাড়ী সদর উপজেলা প্রশাসন ও রাজবাড়ী পৌরসভার আয়োজনে স্থানীয় পর্যায়ে বেলুন উড়িয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) শুভ উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক, আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার, মীর মনির হোসেন এবং রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মো. ফয়জুর রহমানসহ অন্যরা।


দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:০৪ পিএম

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ডিউটি চিকিৎসকদের কারও ড্রেসআপ না থাকায় তারা চিকিৎসক, নার্স নাকি দালাল; তা বুঝা মুশকিল বলে মন্তব্য করেছেন দুদক চেয়ারম্যান।


বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালে অভিযান চালায় দুদক। এ সময় চিকিৎসকদের কয়েকটি কক্ষে তাদের উপস্থিতি না পেয়ে শোকজের নির্দেশ দেন দুদক চেয়ারম্যান।


দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান বলেন, এখানকার রোগীদের সব সময় অভিযোগ থাকে, কারা ঠিকমত চিকিৎসা পান না, চিকিৎসক থাকেন না। এবিষয়টি প্রধানমন্ত্রীও উদ্বিগ্ন। তিনি সেজন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। আজকে আমরা (দুদক) ঢাকা মেডিকেলে এসেছি। এরপর অন্যান্য হাসপাতালেও যাব।


তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলে এসে জরুরি বিভাগে কয়েকটি রুমে চিকিৎসকদের পাইনি। জরুরি বিভাগের ডা. তানভির, এছাড়া নিওরোসার্জারি বিভাগের প্রদানকেও তার রুমে পাইনি। জরুরি বিভাগের ডিউটি ডাক্তার কারোর ড্রেসআপ নেই। তারা ডাক্তার, নার্স নাকি দালাল তা বুঝা মুশকিল৷ এজন্য ডাক্তারদের আইডেন্টিফাই করতে পারছি না। তারা সেবা দিচ্ছে কি না সেটিও জানি না। এখন বাজে বেলা সোয়া বারোটা, ডাক্তারদের কেউ বলছেন বাইরে গেছেন, কেউ বলছেন চা খেতে গেছেন। রোগীরা চিকিৎসার জিনিসপত্র খুঁজতে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। এতে আসলে জনগণ ঠিকমত সেবা পাচ্ছেন না। 


এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা হাসপাতাল পরিচালককে বলে গেলাম, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের শোকজ করতে। আমরাও আইনগত ব্যবস্থা নেব।


সরকারি হাসপাতালটিতে দালালের দৌরাত্ম ও চিকিৎসকদেরও সরাসরি দালালি ও রোগী ভাগানোর সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধেও এ্যাকশনে যাব। প্রাইভেট হাসপাতালের এটি একটি ব্যবসা। এটি বন্ধ করতে সরকার ব্যবস্থা নেবে। এটি আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। 


এসময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ. কে. এম. ফরহাদ হোসেন বলেন, আমি হাসপাতালটিতে নতুন এসেছি। আসার পর কিছু পরিবর্তন করতে পেরেছি। দুদক চেয়ারম্যান যে বিষয়গুলো বলেছেন, আমরা সেগুলো সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেব। হাসপাতাল দালালমুক্ত করতে চিকিৎসকসহ সবার কাছে সাহায্য চেয়েছি।


মার্কিন ট্রেড শো অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৩ পিএম

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ‘৩০তম মার্কিন ট্রেড শো’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।


স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ইতিবাচক। বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কৌশলগত সম্পর্ক সময়ের পরিক্রমায় বিকশিত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এককভাবে বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সৈয়দ কামাল হোসেন।


হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩০তম ট্রেড শো যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে জোরালোভাবে উপস্থাপন করে। তিন দশক ধরে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের পথচলা বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে সহজতর করেছে।


তিনি বলেন, এই প্রদর্শনী স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আইসিটি ও ডিজিটাল অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা, ম্যানুফ্যাকচারিং, শিক্ষা এবং কৃষিব্যবসা খাতে উদ্ভাবনী ধারণাকে তুলে ধরেছে।


স্পিকার জ্বালানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান।


পরবর্তী সময়ে স্পিকার ‘৩০তম ইউএস ট্রেড শো-২০২৬’-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।


এই শো বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত অন্যতম প্রধান তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী। ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৫ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তা, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যানসহ নির্বাহী সদস্য, আমন্ত্রিত অতিথি ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।