প্রতীকী ছবি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৮২৫।
আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে নিশ্চিত হামে ৯৫ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৩০ জন মারা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৩ জন এবং সিলেট ও রংপুর বিভাগে একজন করে মারা গেছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ১১৩ জনের। এ বছর নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৫৫৫ জন।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৯৯২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে করে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৪ হাজার ৭৪৫ জনে।
প্রতীকী ছবি
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব আষাঢ়ী পূর্ণিমা আজ বুধবার। আষাঢ়ী পূর্ণিমা বৌদ্ধদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র দিন। কেননা এই দিনে বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ মাতৃগর্ভে প্রতিসন্ধি গ্রহণ করেন, ২৯ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন এবং ভারতের সারানাথে পাঁচজন শিষ্যের কাছে প্রথম ধর্মপ্রচার করেন, যাকে ধর্মচক্র প্রবর্তন সূত্র বলা হয়।
এ উপলক্ষে আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে। বৌদ্ধ সম্প্রদায় নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালার দিনটি উদযাপন করবে।
বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের উদ্যোগে রাজধানীর মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ মহাবিহারে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালা আয়োজিত হবে। অনুষ্ঠানমালায় রয়েছে- ভোরে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, সকালে ভিক্ষুসংঘের প্রাতঃরাশ, বৌদ্ধ পূজা ও ভিক্ষু সংঘের শীল গ্রহণ, ভিক্ষু সংঘের পিন্ডদান, অতিথি আপ্যায়ন, বিকেলে পবিত্র ত্রিপিটক পাঠ ও ধর্মীয় আলোচনা সভা, সন্ধ্যায় প্রদীপ পূজা, আলোকসজ্জা ও প্রদীপ প্রজ্জালন এবং দেশের সমৃদ্ধি ও বিশ্বশান্তি কামনায় সমবেত উপাসনা।
বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের উদ্যোগে রাজধানীর সবুজবাগের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে দিনব্যাপী অনুরূপ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হবে।
সিআইডির প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর নতুন প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন। বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর সিআইডি সদর দপ্তরে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তালেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এনএসআইতে কর্মরত থাকাকালেই তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি লাভ করেন।
ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করে তদন্ত, গোয়েন্দা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়ন-সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া সিআইডির সদর দপ্তর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা ইউনিটে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন। মাঠপর্যায়ে পিরোজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও ঢাকা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করে তিনি পেশাগত দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন।
শিক্ষাগত জীবনে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। আধুনিক পুলিশিং, তদন্ত ও ফরেনসিক বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে মালয়েশিয়ায় ফরেনসিক ল্যাবরেটরি কোর্স, পাকিস্তানে বিশেষ আঞ্চলিক কর্মশালা এবং তুরস্কে অনুষ্ঠিত ১০তম ইন্টারপা সম্মেলনে অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য।
দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে সিআইডির ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত সিআইডি প্রধানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
ছবি : সংগৃহীত
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২৯ জুলাই) নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে বেলা ১১টায় বৈঠক শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি, মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্ব একটি প্রতিনিধি দল এবং নির্বাচন কমিশনারসহ ইসি কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।
জানা গেছে, বৈঠকে বিএনপি দলীয় সাবেক এক ইসি কর্মকর্তাকে ফের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ও স্থানীয় নির্বাচনের আইন সংশোধন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
সরোয়ার আলমগীর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।
বুধবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। জামায়াত প্রার্থী চাইলে নিয়মিত আপিল করতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন আদালত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সরোয়ারের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরে প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন সরোয়ার আলমগীর। হাইকোর্ট প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিলে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সরোয়ার অংশ নেন। তবে নির্বাচনে তার ফলাফল প্রকাশ সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে স্থগিত ছিল। সরোয়ারের করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ৯ জুলাই রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে তার প্রার্থিতা বাতিলে ইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষিত হয়।
হাইকোর্টের রায়ের পর চট্টগ্রাম-২ আসনে সরোয়ারকে বিজয়ী ঘোষণা করে ৯ জুলাই গেজেট প্রকাশ করে ইসি সচিবালয়। সেদিন সন্ধ্যায় সরোয়ার সংসদ সদস্যের শপথ নেন। এ অবস্থায় হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ১২ জুলাই আপিল বিভাগে আবেদন করেন। একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিনের করা ওই আবেদনে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দেয়া থেকে সরোয়ারকে বিরত রাখার আরজিও ছিল।
আদালতে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। সরোয়ারের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন শুনানিতে অংশ নেন। অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল শুনানিতে অংশ নেন।
মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ
২০১৮ সালে টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হকের হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন র্যাব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআর বলেছে, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিনকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কক্সবাজারের টেকনাফের সাবেক পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)।
ওই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। আসামির তালিকায় সে সময় র্যাব–৭ (চট্টগ্রাম) এর অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ রয়েছেন। তখন কক্সবাজার র্যাব–৭ এর আওতায় ছিল।
একরামুল হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের এক দিন পর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিনকে হেফাজতে নিল সেনাবাহিনী।
২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন একরামুল। তিনি ১২ বছর উপজেলা যুবলীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ছিলেন।
২০২১ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষিত প্রবেশ নিষিদ্ধ কর্মকর্তার দুই কর্মকর্তার তালিকায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের সঙ্গে মিফতাহ উদ্দিন আহমেদও ছিলেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন বরিশাল সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আফ্রিকায় আগুনে ঘুমন্ত ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউন (বর্তমান কোমানি) থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের সমো এলাকায় একটি দোকানে অগ্নিকাণ্ডে ছয় বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলায়।
সূত্রে বরাতে জানা গেছে, দোকানের ভেতরের আবাসিক কক্ষে ৭ জন বাংলাদেশি ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়লে ৬ জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অপর একজনকে উদ্ধার করে কুইন্সটাউন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে মো. ফয়সাল (২৫), মো. ফাহিম (২৮), শামীম হাসান (৩০) ও মোহাম্মদ আপন (২৪)-এর পরিচয় জানা গেছে। আরও দুইজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, নিহতদের সবার বাড়ি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন এলাকায়। আহত আরেকজনের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের রিকাবিবাজার এলাকায়।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে।
এর আগেও দেশটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একাধিক বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর নর্থ ওয়েস্ট প্রদেশের ব্রিটস শহরে একটি দোকানে আগুন লেগে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার একই পরিবারের তিনজনসহ চার বাংলাদেশি নিহত হন।
এছাড়া ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের পিটারম্যারিটজবার্গের একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।