নির্বাচন কমিশন (ইসি)

  • প্রকাশ : রবিবার ১২ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১১:৩৪ পিএম

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন) নির্বাচন নির্দলীয় প্রতীকে ফিরছে। গত বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত সংশোধিত আইন সংসদে পাস হয়েছে। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সংশোধিত আইনের গেজেট পেলে আচরণবিধিমালা ও নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 


স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় নাকি নির্দলীয় প্রতীকে হবে তার জন্য এতদিন সংসদের দিকে তাকিয়ে ছিল কমিশন। আইন সংশোধন হওয়ার পর এখন কবে এবং কোন নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করা হবে তার জন্য সরকারের সিগন্যালের দিকে তাকিয়ে আছে ইসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।


সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাধারণত স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুরোধে আয়োজন করে ইসি। সংসদ নির্বাচনের আগে ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে ইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া নিজেদের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়েও চিঠি দিয়েছে কমিশন। 


গত ১০ মার্চ মাঠপর্যায়ে দেওয়া চিঠিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের তথ্য হালনাগাদ করার লক্ষ্যে অঞ্চলভিত্তিক সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের তথ্যাদি নির্দিষ্ট ছক অনুযায়ী চাওয়া হয়। মাঠপর্যায় থেকে এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত তথ্য ইসিতে পৌঁছেছে। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ইসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। আর সংসদে আইন পাস হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে চার নির্বাচন কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সচিব এখনো একসঙ্গে বসেননি।


এক নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন আয়োজন করতে কোনো পরীক্ষা আছে কি না, আবহাওয়া, বন্যাসহ নানা দিক বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। আর নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনের কতটুকু সময় লাগবে তা সংসদের এক প্রশ্নের জবাবে এরই মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।


প্রথম কোন নির্বাচন আয়োজন করতে চান জানতে চাইলে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু করতে পারি। পৌরসভা দিয়ে শুরু করতে পারি। সিটি করপোরেশন দিয়ে করতে পারি। একসঙ্গে দুটিও করতে পারি। আমরা একটু অপেক্ষা করছি যে, সরকারেরও একটা মনোভাব আছে। সরকারই আমাদের নির্বাচন আয়োজন করতে বলবে।


স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে কমিশনের প্রস্তুতি কতটুকু রয়েছে এবং নির্বাচন কবে থেকে শুরু হবে জানতে চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তো বছরব্যাপী হয়। সবগুলো তো একসঙ্গে হয় না। এই নির্বাচন ধাপে ধাপে হয়। এখন কোথা থেকে শুরু হবে, কবে শুরু হবে সেটি জানি না। আমাদের নির্বাচন প্রস্তুতি নিতে মোটামুটিভাবে ৪৫ থেকে ৬০ দিন সময় লাগে। স্থানীয় সরকার বিভাগ বলুক যে, এখান থেকে শুরু করুন।


তার আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য বিধিগুলো ঠিক করতে হবে উল্লেখ করে সংশোধিত আইনের কপি পেয়েছেন কি না জানতে চাইলে সচিব বলেন, গেজেটের কপি এখনো পাইনি। এ সপ্তাহে পেয়ে যাব আশা করি। তারপর আচরণ বিধিমালা দেখতে হবে।


চার ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা সংশোধনের কাজ একসঙ্গে নাকি একটি একটি করে শুরু করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো জানি না। কোনটা দিয়ে শুরু হবে, কখন শুরু হবে, এগুলো তো নির্ভর করে স্থানীয় সরকার বিভাগের ওপর। ওনারা কীভাবে করবেন, করতে চাচ্ছেন, ওনাদের সীমানা ঠিক আছে কি না, সীমানা নির্ধারণ করতে হলে তো ওনাদের করতে হবে। ওটা তো আর আমরা করব না।


তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা করা আছে। তালিকাটা সংসদীয় আসন অনুযায়ী করা আছে। এখন কনস্টিটুয়েন্সিকে ছোট করে বিভাজনগুলো ওনারাই ঠিক করে দেবেন। তাহলে আমরা সেভাবে ভোটার তালিকা করব।


কেনাকাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেনাকাটা তো করা আছে; কিন্তু সবগুলোর জন্য তো নেই। আরও হয়তো কিছু লাগবে। নির্বাচন যেহেতু ধাপে ধাপে হবে। তাই হয়ে যাবে।


স্থানীয় সরকারের আইনগুলো পাস হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচন দেওয়া হবে বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।


ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্যও সব নির্বাচনী সামগ্রী সংগ্রহ করে রেখেছে কমিশন। শুধু ইউনিয়ন পরিষদের জন্য কেনাকাটা করতে হবে। 


সরকার চাইলে দ্রুততম সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্যও সব সামগ্রী সংগ্রহ করা যাবে। যেহেতু সব নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। তাই কমিশনের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি হবে না।


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর এবং পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অনেকে আত্মগোপনে চলে যান। কেউ কেউ গ্রেপ্তার হন। পরে জনপ্রতিনিধিরা আত্মগোপনে কিংবা পরিষদে না যাওয়ায় নাগরিক সেবা ব্যাহতের কারণ দেখিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ১২টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৭টি উপজেলা পরিষদ এবং ৬৪টি জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে। 


এর মধ্যে ১২টি সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসক নিয়োগ করে। যদিও পরে আদালতে গিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হন বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করা বিএনপি সরকার পরে সব সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে নতুন করে প্রশাসক নিয়োগ দেয়।


ইউনিয়ন পরিষদের সর্বশেষ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ২০২১ সালের ২১ জুন ভোট গ্রহণ হয়। পঞ্চম ধাপে নির্বাচন হয় ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি। প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়া ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষণগণনা এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।


সূত্র আরও জানায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তাতে দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে কারা দায়িত্ব পালন করছেন, তা একটি ছকে তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়েছে। কতটি ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন, কতটি ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন, কতটি ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন- সে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে ওই চিঠিতে।


অন্যদিকে, ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে ২৫টি পৌরসভায় ভোট হয়। পরে কয়েক ধাপে বাকিগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসাবে পৌরসভার পাঁচ বছর মেয়াদ এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। 


আর ২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর দেশে জেলা পরিষদ নির্বাচন হয়েছে। সেদিন ৬৪টি জেলার মধ্যে তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১ জেলায় নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয় ৫৭ জেলায়।

বিষয় : নির্বাচন




প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৯ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ২৪৯ জন। রোববার (২৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৩৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে অক্টোবরেই মারা গেছেন ১৩৯ জন । এছাড়া সেপ্টেম্বরে সর্বচ্চ ১৪৮ জন,  আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। 


বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৮৯৮ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৮ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ হাজার ২৬৮ জন। এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৪০০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।


গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে ১ হাজার ১৫৩ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২১৭ জন, খুলনায় ২৯৭ জন, বরিশালে ২১১ জন, রাজশাহীতে ২২৪ জন, ময়মনসিংহে ১৫৫ জন এবং রংপুরে ৮২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:১৭ পিএম

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ২২৭ জনে। রোববার (২৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭০৩ রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৪ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।


গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ১৬৪ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৪০০ জন।


বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ জন মারা গেছেন। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৫৬ জন রোগী এসেছেন।



ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:০৮ পিএম

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ পর্যটন কেন্দ্র সেন্টমার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে চলছে নানা ধরনের প্রস্তুতি। রোববার (২৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক গমন ও যাতায়াতের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।


যাতায়াত ও অনুমতি: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ব্যতীত সেন্টমার্টিন দ্বীপে নৌযান চলাচলের অনুমতি প্রদান করতে পারবে না।


সফরের সময়সীমা: আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ হতে ১৫ মার্চ ২০২৭ তারিখ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকরা যাতায়াত ও ভ্রমণ করতে পারবেন।


জাহাজ চলাচল: টেকনাফের পরিবর্তে শুধুমাত্র নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজসমূহ চলাচল অব্যাহত থাকবে।


পর্যটক সংখ্যা সীমিতকরণ: সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকের সংখ্যা গড়ে প্রতিদিন ৩,৫০০ (তিন হাজার পাঁচশত) জনের অধিক হবে না।


পরিবেশ সংরক্ষণ ফি: সেন্টমার্টিন দ্বীপে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি বাবদ পর্যটক প্রতি ১০০ (একশত) টাকা করে দিতে হবে। এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৬ এর বিধি-২৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


পূর্বের নির্দেশনা বলবৎ: তাছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২২ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের সকল নির্দেশনাও বলবৎ থাকবে।


উল্লেখ্য, উক্ত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার (কক্সবাজার) এবং ট্যুরিস্ট পুলিশকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।


রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৪৪ পিএম

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন মন্ত্রীকে দেখতে তিনি সেখানে যান। 


এ সময় রাষ্ট্রপতি মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।


রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং তা নিশ্চিত করেছেন।



ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৮ এএম

অনিবার্য কারণবসত নির্ধারিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা স্থগিত করা হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে সভাটি হওয়ার কথা ছিল।


এতে সভাপতিত্ব করতেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


পরিকল্পনা কমিশন থেকে গত রাতে অনিবার্য কারণে সভাটি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।


তবে একটি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের কারণে সভাটি স্থগিত করা হয়েছে। রোববার দিবাগত রাতে চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।




প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৬ এএম

জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে চার দিনের সরকারি সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এ সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। 


রোববার দিনগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান।


বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা পর্যালোচনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন তিনি এবং জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।


সফরের কর্মসূচিতে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইউনিক্লোর সদরদপ্তর ও টয়োটার কারখানা পরিদর্শনের কর্মসূচিও রয়েছে।


বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা সফরের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সই হওয়া বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, সফরকালে কৃষি, মৎস্য, দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক সই কিংবা সহযোগিতার বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।


দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ও আলোচনায় স্থান পেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা।


সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।