শামা ওবায়েদ

  • প্রকাশ : শনিবার ২২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৪৯ পিএম

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি, ব্যস্ততা ও গতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেড়েছে। মন্ত্রণালয়ের কাজের সুবিধার্থে এবং গতি আরও বেগবান করার লক্ষ্যেই সরকার এখানে দুজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।


আজ শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগের একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘পলিটিক্স ল্যাব: বাংলাদেশে তরুণ নারীদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক পাবলিক ডায়ালগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজের চাপ ও দুজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, গত ছয় মাসে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিগত ১৭ বছরের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি কাজ হয়েছে।


আমরা তিনটির মতো নতুন উইং চালু করেছি। অভিবাসন ও অবৈধ অভিবাসন বন্ধে কাজ করছি। এছাড়া প্রবাসী কল্যাণ, সংস্কৃতি, শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় ফোকাল পয়েন্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেগুলো আগে ছিল না।


তিনি আরও বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।


আগামী এক বছর তিনি অত্যন্ত ব্যস্ত থাকবেন। ফলে কাজের সুবিধার্থে এবং গতি বাড়াতে সরকার যে সিদ্ধান্তই নেবে, সে অনুযায়ী টিমওয়ার্ক হিসেবে আমরা কাজ করব।


অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মক্কা প্যাক্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেকোনো বহুপাক্ষিক সংস্থায় যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ এবং জনগণের স্বার্থই হবে প্রধান বিবেচ্য বিষয়।


বিএনপির এই সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো বহুপাক্ষিক সংস্থায় বা জোটে বাংলাদেশ যুক্ত হবে কি হবে না, তার সিদ্ধান্ত সরকার নিজেই নেবে। আর এ ধরনের যেকোনো সিদ্ধান্ত হলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমই তা আগে জানতে পারবে। বিদেশি কোনো দেশের গণমাধ্যমে কী আসছে, তা দেখে আমাদের প্রভাবিত হওয়ার সুযোগ নেই।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৩১ পিএম

ঢাকায় অবস্থিত কয়েকটি বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইল পাঠিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে দূতাবাসগুলোর প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়েছে।


সিটিটিসির এক কর্মকর্তা বলেন, বৃহস্পতিবার দূতাবাসের সঙ্গে কথা হয়েছে। ই-মেইলে যে বার্তা দেওয়া হয়েছে, তাতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।


সিটিটিসির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক সমকালকে বলেন, ঘটনা জানার পর আমাদের অফিসার দূতাবাসগুলো পরিদর্শন করেছেন। তদন্ত কার্যক্রম চলছে।


সূত্র জানায়, গত সপ্তাহের শেষ দিকে একই ধরনের ই-মেইল পাঠিয়ে বাংলাদেশে অবস্থিত একাধিক দূতাবাসে হুমকি দেওয়া হয়। কোনো গোষ্ঠী আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এসব ই-মেইল পাঠিয়েছে বলে ধারণা পুলিশের। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা লিখিত অভিযোগ করেনি।


গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন বলেন, হুমকির বিষয়ে তার থানায় কোন দূতাবাস থেকে অভিযোগ করা হয়নি।


তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান

  • প্রকাশ : রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৪৩ পিএম

দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কর্মদিবসে সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয় বরং সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। রোববার (২৩ আগস্ট) দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।


আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘সরকারের সব কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যভাবে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের অনেক বড়। একই সঙ্গে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও জাতীয় ঐক্যের বিষয়টিও আমাদের মাথায় রাখতে হবে।’


তিনি বলেন, ‘আমাদের কালচারাল ভ্যালুস, রিলিজিয়াস ভ্যালুস এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে শুরু করে আমাদের গর্বের জায়গাগুলো অক্ষুণ্ন রাখার দায়িত্বও আমাদের।’


সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সময়কে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোর একটি উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা ১০০ শতাংশ চেষ্টা করছি। ভুলত্রুটি সবারই হতে পারে। তবে নৈতিকতার জায়গা থেকে আমরা খুবই শক্ত অবস্থানে আছি। প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমাদের নির্দেশনা হলো, দেশকে সেবা করা এবং জনগণের স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়া।’


সংবাদ মাধ্যমকে গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর নানা নিয়ন্ত্রণ ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সংবাদ মাধ্যম থেকে সরকারের ব্যর্থতা, অনিয়ম ও নির্যাতনের অনেক তথ্য মানুষ জানতে পেরেছে।


তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা কোনোভাবেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। সব দিক থেকেই তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।’


আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘আমাদের মাথায় রাখতে হবে, আমরা অবশ্যই এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রেগুলেট করা, কিন্তু কোনোভাবেই যেন আমরা কন্ট্রোলে না যাই।’


গত ১৭ বছরে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নৈতিক অবক্ষয় ও কাঠামোগত সমস্যা তৈরি হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিচার বিভাগ, রাজনীতি, স্ট্যাচুটরি বডি, সংসদসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামত করতে সময় লাগবে। তবে কোন পথে যাওয়া যাবে না, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।


তিনি বলেন, ‘ড্যামেজগুলো রিপেয়ার করা এবং নিউ সিস্টেম ডেভেলপ করা, এই জিনিসগুলোতে আমাদের কনসেন্ট্রেট করতে হবে।’


সামাজিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে কোনো সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যাতে অন্যায় না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।


আল্লাহর ওপর বিশ্বাসের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘যখনই আপনি ভালো কিছু করতে চাইবেন, আল্লাহর একটা রহমত আপনার ওপরে থাকবে। আপনার ইনটেনশন যদি ভালো হয়, তাহলে আল্লাহ তাআলা একটা ডিভাইন ব্লেসিং দিয়ে দেন।’


কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এটি একটি টিমওয়ার্ক। রাজনীতিতে তার অভিজ্ঞতা থাকলেও প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক কাজের বিষয়ে কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা বেশি। সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত জনগণের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাই তাদের অন্যতম দায়িত্ব।


তিনি বলেন, ‘জনগণের জানার একটা রাইট আছে যে আমরা কী করছি। তারা আমাদের ভোট দিয়েছেন। আমরা কী করছি, সেটাই জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।’


নৌ ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:১৪ পিএম

রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতিতে মেধা, দক্ষতা ও সততাকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ- ২০২৬’- এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদবির যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।


বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধের সব শহীদ, ২০২৪ সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ ও ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন- সবার অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন তিনি।


এছাড়া তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সব শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সব বীর সেনানীদের কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।  


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পদোন্নতির জন্য রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।


তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর এই ত্যাগের জন্য নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে নৌ ও বিমান বাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান সরকারপ্রধান।


অনুষ্ঠানস্থলে সরকারপ্রধান পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।


পরে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এ সময় নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক, সক্ষম ও সময়োপযোগী বাহিনী হিসেবে এগিয়ে নিতে তার মূল্যবান পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা কামনা করেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনা ও বিমান বাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার উপস্থিত ছিলেন।


নবনির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • প্রকাশ : রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:১০ পিএম

প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনে প্রবেশ করেছেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বঙ্গভবনে পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এসময় প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল প্রেসিডেন্টকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।


এর আগে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোট গণনা শেষে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।


পরদিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।


রোববার বঙ্গভবনে প্রবেশের মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হলো।






নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশ : রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:০৮ এএম

বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অ্যাডমিরাল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।


এর আগে গত ২৩ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।


সেসময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এম জে আরিফ বেগের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ২০২৯ সালের ২২ জুলাই পর্যন্ত তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৮৯ সালে তিনি এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। তিনি রয়্যাল মালয়েশিয়ান নৌবাহিনীতে বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। দেশ-বিদেশে উচ্চতর শিক্ষা ও সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি তিনি মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।


প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষণমূলক দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল, কমান্ডার সাবমেরিন এবং কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নৌ সদর দপ্তরে পরিচালক নৌ অপারেশনস এবং পরিচালক নৌ পরিকল্পনা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ ও নৌঘাঁটির অধিনায়কত্ব করেন।


খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম লেবানন ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ ও ওমানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।


প্রায় ৪০ বছরের কর্মজীবনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি নৌবাহিনী পদক (এনবিপি), নৌ-পারদর্শিতা পদক (এনপিপি), জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারসহ বিভিন্ন পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হন।


স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির সাথে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

  • প্রকাশ : শনিবার ২২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৫২ পিএম

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধান।


আজ শনিবার সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের অগণিত বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।




শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।


শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে স্বাক্ষর করেন। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির এই সফরকে কেন্দ্র করে স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।