প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও মন্দিরে আর্থিক অনুদান দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
গ্যাস সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিদেশ থেকে আমদানি করা গ্যাস এনে রাখার জন্য সাগরে দুটি জাহাজ রয়েছে। যার মালিকানা বিদেশি কোম্পানির। তার মধ্যে একটি জাহাজে আগুন লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। যে কারণে অন্য একটি জাহাজের ওপর চাপ পড়েছে। পাইপ লাইনে সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এখন আমরা চেষ্টা করছি গ্যাস আনার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ গত সপ্তাহ থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। হয়তো আরও ৫-৭ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে ইনশা আল্লাহ।’
তেলের মতো গ্যাসের ক্ষেত্রেও একটি অসাধু চক্র তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যারা একটি মেশিন দিয়ে জোর করে পাইপলাইন থেকে অবৈধভাবে গ্যাস নিয়ে যাচ্ছে। তিনি নিজে লাভবান হলেও অন্য দশজনকে কষ্টে ফেলছেন। এই জিনিসগুলোকে আমাদের রোধ করতে হবে।’
অবৈধভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেল নেওয়া বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার একা এটা পারবে না। কেউ অবৈধভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেল নিয়ে গেলে সবাইকে প্রতিরোধ করতে হবে।’
‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি মানুষ বিএনপিকে দায়িত্ব দিয়েছে’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ ভোট দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এটা অনেক কঠিন দায়িত্ব।’
তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে বিগত ১ যুগেরও বেশি সময় একটি স্বৈরাচার বা ফ্যাসিস্টের অধীনে ছিল এই বাংলাদেশ। যেই বাংলাদেশকে শক্তি দিয়ে মানুষের সমর্থন দিয়ে নয়, বরঞ্চ অস্ত্রের ঝনঝনানি দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের ও কথা বলার অধিকার জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে মানুষের কাঁধে তারা চেপে বসেছিল।’
তারেক রহমান বলেন, ‘সেসময় দেশের মানুষের ওপর কীভাবে অত্যাচার নির্যাতন করা হয়েছে তা দেশের মানুষই দেখেছে। আমরা বিভিন্নভাবে দেখেছি ও জেনেছি কীভাবে দেশের মানুষের ও রাষ্ট্রের সম্পদ নিজেদের স্বার্থে ব্যয় করেছে। এমনকি বিদেশেও পাচার করেছে।’
বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচারের কথা শ্বেতপত্রে
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রকাশিত শ্বেতপত্রের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওই শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে যে, বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়েছে। এই অর্থ ও এই সম্পদ সম্পূর্ণভাবে দেশের মানুষের।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকার গঠনের পর থেকে এই বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য চেষ্টা করছি। এসব সম্পদ যাতে দেশের মানুষের জন্য ব্যয় করা হয়।’
সরকারের দুটি লক্ষ্য তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো দুইটি। একটি- মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে- তৃণমূল ও সাধারণ মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।’
‘৪১ লাখ নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছাতে পারবো’
দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তখন তিনি নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়ে গেছেন।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, নারীদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা অনার্স পর্যন্ত ফ্রি করে দেবো। আমরা ঢাকা-১৭ আসনে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মধ্য দিয়ে সেই কাজ উদ্বোধন করেছি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘নভেম্বর বা ডিসেম্বর থেকে ৪১ লাখ নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছাতে পারবো। আমাদের একটি শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী জাতি চাই। এভাবে দেশ আস্তে আস্তে স্বাবলম্বী হবে।’
‘ধর্মীয় ভেদাভেদ নেই’
ধর্মের কারণে সরকারের কাছে কোনো ভেদাভেদ নেই উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের কাছে ধর্মের কারণে কোনো ভেদাভেদ নেই।’
তিনি বলেন, ‘সারাদেশে অনেক ধর্মগুরু আছেন যারা কষ্ট করেন। আমরা তাদের সহায়তার জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেই কাজও আমরা শুরু করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।’
কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়ার ওয়াদা করেছিলাম। কৃষকের ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, ‘এভাবে যেসব প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম তার প্রত্যেকটিই আমরা শুরু করতে পেরেছি। এখানেই স্বৈরাচার ও বর্তমান সরকারের পার্থক্য।’
তারেক রহমান বলেন, ‘যেহেতু আমাদের নির্বাচিত করেছে এই দেশের জনগণ। সেজন্য আমাদের দায়িত্ব হলো সরকারের পক্ষে যতটুকু সম্ভব জনগণের ওয়াদা পূরণের চেষ্টা করব। পর্যায়ক্রমে আমরা অন্যান্য প্রতিশ্রুতি পালনের চেষ্টা করবো।’
তিনি বলেন, ‘প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আমি সবগুলো বিষয় খেয়াল রাখার চেষ্টা করি। আমি চেষ্টা করি কারও কোনো সমস্যা হলে সেগুলো সমাধানের জন্য। তবে যে কোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নে একটি সময় লাগে।’
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব জ্বালানি খাতে
চলমান বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সমস্যা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বহু দেশে আছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ ব্যাপারে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষও এ ব্যাপারে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকার গঠনের ১২ দিন পর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতির শুরু হয়। স্বাভাবিকভাবেই অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রভাব পড়ে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। প্রথমে আমরা জ্বালানির দাম না বাড়িয়ে কীভাবে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া যায় সেটা করেছি। বিভিন্ন দেশের তেলের দাম বাড়লেও দেশে প্রথমে আমরা দাম বাড়াইনি। কিন্তু কিছু অসাধু মানুষ তেলের ব্যবহার এমনভাবে শুরু করলো আমরা বাধ্য হয়ে তেলের দাম বাড়িয়েছি।’
‘বাপেক্সকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা হয়েছিল’
দেশীয় গ্যাস উত্তোলন বাদ দিয়ে বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকেই বলেন দেশের গ্যাস উত্তোলন বাদ দিয়ে বিদেশ থেকে কেন গ্যাস আমদানি করছে? হয়তো দেশের মাটিতে গ্যাস থাকতে পারে। কিন্তু সেটার প্রকৃত অবস্থা আমরা এখনও জানি না।’
তিনি বলেন, ‘কারণ গত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকার পুরো জিনিসটাকে এমনভাবে বিদেশনির্ভর করে তুলেছিল যে, দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে পঙ্গু বানিয়ে রেখেছিল।’
অন্যদিকে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্নভাবে সুবিধা দেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ যাতে জ্বালানিখাতে পুরোপুরি বিদেশনির্ভর হয় সেই ব্যবস্থা তারা করেছিল।’
তিনি বলেন, ‘তবে বর্তমান সরকার আমরা দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে বাপেক্সকে সক্রিয় করতে যেসব উদ্যোগ দরকার সেগুলো করেছি।’
গ্যাস অনুসন্ধান ব্যয়বহুল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু গ্যাসের অনুসন্ধান অনেক ব্যয়বহুল। ১৩০টি গ্যাস কূপ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিয়েছি। ফলে যখনই আমরা গ্যাস পাব তখন এই সমস্যার উন্নতি হবে।’
প্রতীকী ছবি
চলতি মাসের প্রথম ১১ দিনেই ডেঙ্গুতে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা আগস্টে মৃত্যুর সংখ্যার চেয়ে বেশি। আগস্টে এডিস মশাবাহিত এই রোগে মারা গিয়েছিল ৪৩ জন। এ নিয়ে চলতি বছর মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪১। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ডেঙ্গুতে দুজন মারা গেছেন। একই সময়ে ৭৯০ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজনের একজন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার এবং অন্যজন চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা। চলতি বছর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। দুই সিটি করপোরেশনসহ এ বিভাগে মারা গেছেন ৭২ জন। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৫, ময়মনসিংহে ১৪, বরিশালে ১২, চট্টগ্রামে ১০, রাজশাহীতে ছয় এবং রংপুর ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ২৪৯ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৬, ময়মনসিংহে ৭৩, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৬২, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬১, খুলনায় ৬০, রংপুরে ৩৮, রাজশাহীতে ৩৩ ও বরিশালে ১৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এ বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪৯ হাজার ২২০ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৭৮৮ জন। এ নিয়ে এ বছর মোট ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
ফরিদপুরে প্রকোপ বাড়ছে
ফরিদপুর প্রতিনিধি জানান, ফরিদপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। ২৪ ঘণ্টায় জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৩১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের হিসাবে, বর্তমানে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন। এ বছর ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান বলেন, ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় জেলার প্রতিটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা ও ওষুধের ব্যবস্থা রয়েছে। শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। বাসাবাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
সামনে আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি এখনও শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। বৃষ্টি, তাপমাত্রা ও এডিস মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশের কারণে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরজুড়ে সংক্রমণ বাড়তে পারে। ডেঙ্গুর প্রকোপ সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের প্রথমদিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, রোগীর চাপ সামাল দিতে হাসপাতালগুলো প্রস্তুত রয়েছে। রোগীর সংখ্যা বাড়লে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও প্রতিরোধমূলক অভিযান জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।
আজ থেকে অভিযান
বাসস জানায়, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ শনিবার থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ৯টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
জনস্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং দেশের সব বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি উত্তর পশ্চিম-পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থান করছে। এ ছাড়া মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।
সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হাটহাজারীতে সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সিএমএইচে পৌঁছে আহত সেনা কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে, বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন গুরুতর আহত হন। একই ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত হন।
দুর্ঘটনার পর আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নিহত দুই সেনাসদস্য হলেন—রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের তাসনিম রিফাত এবং নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আবু বকর সিদ্দিক পিয়াস।
এদিকে, ট্যাংকের ফায়ারিং অনুশীলনের সময় কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।
প্রতীকী ছবি
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯১২ জন মারা গেছে আর হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০০ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন করে ১ হাজার ৭৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮২২ জনের শরীরে।
একই সময়ে ৩৪ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১৯ হাজার ৯৬৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪০৮ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরে রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৫৭ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৫৭, চট্টগ্রামে ৬৮, খুলনায় ৩৮, ময়মনসিংহে ৭৭, রাজশাহীতে ৯৩ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সংকটে থাকা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা আরও চাপের মুখে পড়ছে। এর সঙ্গে দেশে বাড়ছে লোডশেডিং। কয়লা স্বল্পতার কারণে এক মাস ধরে সীমিত বিদ্যুৎ উৎপাদন করছিল আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র। কয়লা সরবরাহ বাড়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উৎপাদন বাড়ছিল। কিন্তু গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে হঠাৎ করে কারিগরি ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি জানিয়েছে, ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ারের কেন্দ্রটির সক্ষমতা এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। কয়লা সরবরাহে সমস্যা হওয়ায় ৭ আগস্ট থেকে কেন্দ্রটি উৎপাদন কমিয়েছে। দিনের বেলায় প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিলেও সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চাহিদা অনুযায়ী প্রায় এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত সরবরাহ করছে তারা। ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রাতে এক পর্যায়ে সরবরাহ এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি হলেও রাত ১২টার পর একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে উৎপাদন ৭৩২ মেগাওয়াটে নেমে আসে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় আদানি থেকে পাওয়া গেছে ৭৩২ মেগাওয়াট। আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় ৭৩৪, ৯টায় ৭৩৭, ১০টায় ৭২৪ ও সকাল ১১টায় ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আদানি পাওয়ার।
২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। ঝাড়খন্ডের আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লারে সমস্যা হয়েছে। এটি শীতল হতে ৪৮ ঘণ্টা লাগতে পারে। এরপর ত্রুটি মেরামতের কাজ শুরু হবে। তাই, উৎপাদন বাড়তে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গতকাল সন্ধ্যার পিক আওয়ারে লোডশেডিং ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছিল এবং আদানির ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার ফলে আজ তা আরও বাড়তে পারে।
গত মাসের শেষ দিকে কেন্দ্রটিতে উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে এবং তা দিনের বেলায় প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট ও সন্ধ্যায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছে।
সর্বশেষ উৎপাদন তথ্য অনুযায়ী, পিডিবি গ্যাসভিত্তিক প্ল্যান্ট থেকে প্রায় ৫ হাজার মেগাওয়াট, কয়লা থেকে সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট এবং তরল জ্বালানি থেকে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। ফলে ১৬ হাজার মেগাওয়াটের চাহিদার বিপরীতে সামগ্রিক উৎপাদন ১৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সরবরাহের বড় ধরনের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।
আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ থাকা ইউনিটটি পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডের ওপর বাড়তি চাপ অব্যাহত থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
টোকিওতে এলএনজি প্রোডিউসার-কনজুমার কনফারেন্সে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
বিশ্ব জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও সরবরাহ বিঘ্নের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলএনজি সরবরাহ অবকাঠামো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। এর অংশ হিসেবে ২০২৮ সালের মধ্যে মহেশখালীতে দৈনিক ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) ক্ষমতার আরও একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মাতারবাড়ীতে ১ হাজার এমএমসিএফডি ক্ষমতার ল্যান্ডভিত্তিক টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানের টোকিওতে আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত ‘১৫তম এলএনজি প্রোডিউসার-কনজুমার কনফারেন্স ২০২৬’-এ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি পরিকল্পনা তুলে ধরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এসব তথ্য জানান। টোকিওর দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘অ্যাডভান্সিং এলএনজি ফর দ্য ফিউচার: রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড রিলায়েবিলিটি’।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন, সরবরাহ বিঘ্ন এবং বাজারের অস্থিতিশীলতার কারণে জ্বালানি নিরাপত্তাকে শুধু জ্বালানি প্রাপ্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সুযোগ নেই। নির্ভরযোগ্যতা, সরবরাহের বৈচিত্র্য, সাশ্রয়ী মূল্য ও নমনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, নগরায়ণ ও বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ায় দেশে জ্বালানির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার, শিল্পকারখানা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে প্রাকৃতিক গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ হলেও দেশীয় উৎপাদন দিয়ে বাড়তি চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে আমদানি করা এলএনজি দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দুটি এফএসআরইউয়ের মাধ্যমে দৈনিক ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে। দেশে বছরে এলএনজির চাহিদা প্রায় ৭ মিলিয়ন টন। এ চাহিদা পূরণে নতুন অবকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ সক্ষমতায় আরও ৩ থেকে ৪ মিলিয়ন টন যোগ হতে পারে। ২০৩১ থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে এ সক্ষমতা বাড়িয়ে ১৭ থেকে ১৮ মিলিয়ন টনে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এলএনজি সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরবরাহের উৎস ও পদ্ধতিতেও বৈচিত্র্য আনার কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার জি-টু-জি, আন্তর্জাতিক দরপত্র এবং সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন উৎস থেকে এলএনজি সংগ্রহ করছে।
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার বিনিয়োগবান্ধব নীতি নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি সম্প্রতি ঘোষিত ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬’-এর কথাও তুলে ধরেন। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত উন্মুক্ত এ দরপত্রে মুনাফা স্থানান্তর, কর পরিশোধে সরকারি সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব স্থিতিশীলতার মতো সুযোগ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিশ্ব জ্বালানি বাজারের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে বাংলাদেশ কাজ করতে আগ্রহী বলেও সম্মেলনে জানান প্রতিমন্ত্রী।