জাপান গার্ডেন সিটিতে বিদ্যুৎ নেই
‘এসি, ফ্যান বন্ধ। ভ্যাপসা গরমে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ছে। চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। ফ্রিজের ২৬ কেজি মাংস পচে গেছে। জেনারেটর দিয়ে কিছুটা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে, কিন্তু মাঝেমধ্যে সেটাও বন্ধ রাখছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে ওপর থেকে নামব বা ওপরে উঠব, সেই উপায় নেই।’
আজ শুক্রবার সকালে কথাগুলো বলছিলেন জাপান গার্ডেন সিটির বাসিন্দা তৌহিদুর রহমান। তিনি জাপান গার্ডেন সিটির বাসিন্দা। চার দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে তৌহিদুরের পরিবার।
আজ সকালে জাপান গার্ডেন সিটিতে গিয়ে দেখা যায়, এখনো সাতটি ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল হয়নি। এর পেছনে কারণ হলো ভবনগুলোর অভ্যন্তরীণ সংযোগের কারিগরি ত্রুটি।
শুধু তৌহিদুর নন, বিদ্যুৎ না থাকায় বিপাকে ছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। গত মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে জাপান গার্ডেন সিটিতে বিদ্যুৎ ছিল না।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জাপান গার্ডেন সিটির অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের ত্রুটি সারানো হলে ১৯টি ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল হয়। কিন্তু বাকি সাতটি ভবনের অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল হয়নি।
জাপান গার্ডেন সিটিতে মোট ভবন ২৬টি। এর মধ্যে ত্রুটি সারানোর পরেও বিদ্যুৎ নেই সাতটি ভবনে। এই সাত ভবনের সংযোগ স্বাভাবিক না হওয়ায় অনেক পরিবার সংকটের মধ্যে দিন পার করছে। কেউ বিকল্প উপায়ে পানি সংগ্রহ করছেন, আবার কেউ প্রয়োজনীয় কাজও ঠিকভাবে করতে পারছেন না।
তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা কমার্শিয়াল রেটে বিদ্যুৎ বিল দিই। অথচ চার দিন আমরা অন্ধকারে। এই অব্যবস্থাপনার জন্য সিটি জাপান গার্ডেন সিটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অযোগ্যতাই দায়ী।’
২০ নম্বর ভবনের আরেক বাসিন্দা মাসুম খন্দকার বলেন, ‘ফ্রিজের অনেক জিনিস নষ্ট হয়ে গেছে। বেশকিছু জিনিস আশপাশের যাঁরা নিকটাত্মীয় আছেন, তাঁদের বাসায় পাঠিয়েছি। তবে এভাবে বসবাস করা খুব অসহনীয়। একটা সমস্যা এত দিন ধরে চলা অস্বাভাবিক।’
চার দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকাটির হাজারো বাসিন্দা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিদ্যুৎ–বিচ্ছিন্ন থাকায় বাসিন্দাদের পানি সরবরাহও বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে রান্না, গোসল, টয়লেট ব্যবহারসহ দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে ভোগান্তির মুখে পড়েছেন বাসিন্দারা। প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।
বাসিন্দাদের ভাষ্য, ৭ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর গতকাল রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হয়। কিন্তু এখনো সাতটি ভবনের সংযোগ সচল হয়নি।
এ বিষয়ে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) জানিয়েছে, জাপান গার্ডেন সিটির নিজস্ব ৩৩ কেভি সাবস্টেশনের একটি ট্রান্সফরমারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
ডিপিডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী আয়াতুল্লাহ ইমরান আলী বলেন, জাপান গার্ডেন সিটি ডিপিডিসির ৩৩ কেভি পর্যায়ের গ্রাহক। মঙ্গলবার থেকে জাপান গার্ডেন সিটির অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
পরবর্তী সময়ে জাপান গার্ডেন সিটি কর্তৃপক্ষ তাদের উপকেন্দ্র সচলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে বাসিন্দাদের অনুরোধে ডিপিডিসি নিজ উদ্যোগে সরবরাহ সচলের চেষ্টা করে। গতকাল রাত ১১টার দিকে কারিগরি ত্রুটি সারানোর পর বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল হয়। কিন্তু তাদের কয়েকটি ভবনের অভ্যন্তরীণ ত্রুটি থাকায় সেগুলোয় সরবরাহ সচল হয়নি।
জাপান গার্ডেন সিটির ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন কারিগরি ত্রুটির কারণে সমস্যাটা দীর্ঘ হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় কোন ভবনে কী সমস্যা, সেটাও বোঝা যায়নি। বিদ্যুৎ আসার পরে কয়েকটি ভবনে আবারও সমস্যা দেখা দেয়। আমরা আশা করছি, এ ধরনের সমস্যা পরে আর হবে না। একটি টিম গঠনের কাজ চলছে, যারা পরবর্তী সময়ে এ ধরনের সমস্যা সমাধানে তৎপর থাকবে।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর কদমতলী থানার শনির আখড়ায় দোকানে ঢুকে মো. আসলাম খান (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে দুর্বৃত্ত। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে এক অভিযুক্তকে আটক করেছে। তাঁর কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, নয় রাউন্ড গুলি ও একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৮টার দিকে শনির আখড়া রয়্যাল হাসপাতালের সামনে ‘লাকীজ কুকারিজ’ নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ আসলাম খানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আহত আসলামকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তাঁর বন্ধু মনোয়ার হোসেন জানান, তাঁরা দোকানের ভেতরে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় এক অজ্ঞাত যুবক দোকানে ঢুকে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আসলামকে লক্ষ্য করে পিস্তল দিয়ে গুলি করে। এতে আসলাম রক্তাক্ত হয়ে মেঝেতে পড়ে যান। পরে তাঁকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে রাত ৯টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।
মনোয়ার হোসেন আরও জানান, গুলিতে আসলামের বাম পায়ের হাঁটুর নিচে এবং কপালের ডান পাশে আঘাত লাগে। ঘটনার পর স্থানীয়রা ওই যুবককে ধাওয়া করে আটক করেন। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বা এর পেছনে পূর্বশত্রুতা ছিল কি না, তা তিনি জানেন না।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, গুলিবিদ্ধ আসলামের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা চলছে। বিষয়টি কদমতলী থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, শনির আখড়ায় গুলির ঘটনায় দুটি বিদেশি পিস্তল, নয় রাউন্ড গুলি ও একটি গুলির খোসাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আটক ব্যক্তির নাম মনজুরুল ইসলাম বলে জানা গেছে। তবে কী উদ্দেশ্যে ওই ব্যবসায়ীকে গুলি করা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।
নিহত পুলিশ সদস্য মো. আলতাব হোসেন
ঢাকার সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় তাঁর ছোট ছেলেকেও মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। গতকাল শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. আলতাব হোসেন এসবির ঢাকার মালিবাগ কার্যালয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত তাঁর ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামকে একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আলতাব হোসেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পরিবার নিয়ে তিনি সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি মদিনা সিটি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
আলতাবের পরিবারের সদস্যরা জানান, মদিনা সিটি এলাকায় আলতাবের দুই ছেলের একটি ছোট পোশাক কারখানা আছে। গতকাল শনিবার রাত আটটার দিকে তাঁদের কারখানাসংলগ্ন একটি অটোরিকশা গ্যারেজের সামনে এক বয়স্ক ব্যক্তিকে মারধর করতে দেখেন আলতাব। একটি অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির সাইড দেওয়া-নেওয়াকে কেন্দ্র করে ওই ব্যক্তিকে মারধর করা হচ্ছিল বলে আলতাবের পরিবারের ভাষ্য।
আলতাব সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, ব্যক্তিগত গাড়িতে থাকা লোকেরা ওই গ্যারেজ মালিককে মারধর করছেন। তিনি তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হলে তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য বলে পরিচয় দেন। এরপরও তাঁকে একটি চড় মারা হলে কানে আঘাত পান। পরে তিনি দৌড়ে কারখানায় ফিরে যান।
আলতাবের কাছে তাঁর ছোট ছেলে আরিফুল ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন। এ সময় তাঁর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কারখানায় ছিলেন না। এরপর আরিফুল ও তাঁর বাবা কারখানার বাইরে বের হন। ইতিমধ্যে ব্যক্তিগত গাড়িটি কারখানার সামনে আসে। পরিবারের ভাষ্য, গাড়িটিতে থাকা কয়েকজনসহ আরও ২০ থেকে ২৫ জন সেখানে জড়ো হন। পরিস্থিতি দেখে আলতাব ও আরিফুল কারখানার ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু হামলাকারীরা ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে পড়েন বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, আলাউদ্দিন নামের একজন প্রথমে আরিফুলকে মেঝেতে ফেলে বুকে লাথি মারেন। পরে পেছন থেকে কেউ ভারী কিছু দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করলে তিনি অচেতন হয়ে যান। একই সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আলতাবকে মারধর করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করেন। এরপর তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক আলতাব হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
আলতাবের বড় ছেলে শরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল শনিবার ছুটি থাকায় তাঁর বাবা বাড়িতে ছিলেন। সেখানে থেকে তিনি কারখানায় গিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কার আছে, যেটা তাঁদের কারখানার সামনে দিয়ে প্রতিনিয়ত ঘোরাফেরা করে। গাড়িতে চালকসহ চার থেকে পাঁচজন থাকেন। তাঁদের কারখানার বাম পাশে একটা জায়গায় বালু ফেলায় একটা মাঠের মতো হয়েছে। সেখানে তাঁরা নেশা করেন। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, আমিনবাজার বড়দেশি এলাকায় এক এসবি সদস্যকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
দুবাই থেকে আসা ফ্লাইটে পাওয়া ৮০টি স্বর্ণের বার যার ওজন ৯ কেজি ৩৩১ গ্রাম
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা ফ্লাই দুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজে ২০ কোটি টাকা মূল্যের ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস।
বুধবার রাতে উড়োজাহাজটির একটি সিটের নিচ থেকে কালো স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। ঢাকা কাস্টমস হাউস ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, বুধবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে ফ্লাই দুবাইয়ের এফজেড-৫২৩ ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করে। ওই ফ্লাইটে স্বর্ণ চোরাচালান হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউস, ঢাকার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে উড়োজাহাজটিতে বিশেষ তল্লাশি বা রামেজিংয়ের জন্য উপস্থিত হন। এ সময় উড়োজাহাজটি সম্পূর্ণ যাত্রীবিহীন অবস্থায় ছিল।
পরবর্তীতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাশি চালিয়ে ১৯এ নম্বর সিটের নিচ থেকে কালো স্কচটেপে মোড়ানো কতিপয় বস্তু উদ্ধার করা হয়। পরে কাস্টমস হলে এনে সকলের উপস্থিতিতে ইনভেন্ট্রি করে ওই মোড়ক থেকে ৮০ পিস স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের মোট ওজন ৯ হাজার ৩৩১ গ্রাম এবং এর আনুমানিক বাজার মূল্য ২০ কোটি টাকা।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারগুলোর কোনো মালিক পাওয়া যায়নি। শুল্ক-করাদি ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত সুকৌশলে এগুলো দেশে আনা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিমানবন্দর সীমানার বাইরে পাচারের আশঙ্কা ছিল বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আটককৃত স্বর্ণের বারগুলো অধিক মূল্যবান হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তা বিমানবন্দর কাস্টমসের মূল্যবান গুদামে জমা করা হয়েছে। অখালাসকৃত বা চোরাচালানের অভিযোগে আটক পণ্যের নিষ্পত্তি সংক্রান্ত স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী মূল্যবান ধাতু হিসেবে এসব স্বর্ণের বার বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর থানায় একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দেশীয় অর্থনীতি রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাস্টমস হাউস, ঢাকা সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আগামীতেও এ ধরনের নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজে এখন দুজন অধ্যক্ষ। ২০ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইডেন মহিলা কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক সুফিয়া আখতারকে কলেজটির অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করে। এর আগে কলেজের গভর্নিং বডি অধ্যক্ষ হিসেবে লে. কর্নেল (অব.) শহিদুল হাসানকে নিয়োগ দেয়। সুফিয়া আখতার গত বৃহস্পতিবার কলেজে যোগদান করেছেন। কিন্তু শহিদুল হাসান তাঁকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেননি। ফলে অধ্যক্ষের কক্ষে দুজন নিয়মিত অফিস করছেন। শহিদুল হাসান অধ্যক্ষের চেয়ারে বসে দায়িত্ব পালন করছেন। আর সুফিয়া আখতার সামনের সোফায় বসে থাকেন।
কলেজ-সংশ্লিষ্টরা বলেন, এটা দৃষ্টিকটু। কলেজে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫-এর ১১.১৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সরকার প্রয়োজন মনে করলে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে উপযুক্ত শিক্ষক/কর্মকর্তা/বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাকে প্রেষণে নিয়োগ দিতে পারবে।
এই নীতিমালার আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে রাজধানীর কয়েকটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের অধ্যক্ষ ও শাখাপ্রধান হিসেবে পদায়ন করেছে। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার থেকে অধ্যক্ষ পদায়ন করা হয়েছে। মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের পাঁচটি শাখায় শিক্ষা ক্যাডারের পাঁচ কর্মকর্তাকে শাখাপ্রধান হিসেবে প্রেষণে পদায়ন করা হয়েছে।
অধ্যাপক সুফিয়া আখতার বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের ১৪তম ব্যাচের কর্মকর্তা। মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাঁকে গত ২৭ আগস্টের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যথায় ওই দিন অপরাহ্নে তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে গণ্য করার কথা বলা হয়।
অধ্যাপক সুফিয়া আখতার গতকাল বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার কলেজে এসে যোগদানপত্র জমা দিয়েছি। কর্তৃপক্ষ সেটি গ্রহণও করেছে। তবে এখনও দায়িত্ব বুঝে পাইনি।’
কলেজ কর্তৃপক্ষ লে. কর্নেল (অব.) শহিদুল হাসানকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছিল। নিয়োগে শর্ত ছিল, সরকার কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করলে কিংবা নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ দিলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে। সরকার নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়ায় আগের অধ্যক্ষের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা।
অধ্যাপক সুফিয়া আখতার বলেন, ‘আদেশ পাওয়ার পর আমি প্রায় এক সপ্তাহ অপেক্ষা করেছি। তারপর মূল কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে কলেজে এসে যোগদানপত্র জমা দিয়েছি।’
কলেজটির গভর্নিং বডির সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সভাপতি আবদুস সালাম। অধ্যাপক সুফিয়া আখতার জানান, তিনি কলেজের সভাপতির সঙ্গে দেখা করলে তিনি তাঁকে দায়িত্ব পালনের জন্য বলেছেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী, গভর্নিং বডিকে নতুন অধ্যক্ষের যোগদান অনুমোদন করে তা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাতে হয়। সুফিয়া আখতারের যোগদান গতকাল পর্যন্ত গভর্নিং বডি অনুমোদন করেনি।
গভর্নিং বডির সভাপতি আবদুস সালামের বক্তব্য জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি। তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীও ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে লে. কর্নেল (অব.) শহিদুল হাসানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনিও ফোন ধরেননি।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর দুটি মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় কমানোর পরামর্শ দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-১ প্রকল্প থেকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা ও এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্প থেকে ৮০০ কোটি টাকা কমানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্প দুটির ব্যয় আরও যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর বিষয়ে কাজ করবে। রোববার প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরিকল্পনা কমিশনের এ সিদ্ধান্তের ফলে সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব দুটি অনুমোদন না দিয়ে ব্যয় কমানোর জন্য ফেরত দেওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আপাতত প্রকল্প দুটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উঠছে না। সাধারণত, বাস্তবায়নকারী সংস্থার পক্ষ থেকে প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পাওয়ার পর যাচাই শেষে বাস্তবায়নযোগ্য মনে করলে একনেকে উপস্থাপন ও অনুমোদনের সুপারিশ করে থাকে কমিশন।
সম্প্রতি দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল বিমানবন্দরের সঙ্গে কমলাপুরকে সংযুক্ত করার এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ১২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ বাড়িয়ে এক লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে বাস্তবায়নকারী সংস্থা ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
২০১৯ সালের একনেক সভায় মেট্রো-১ প্রকল্পের অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৫২ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা। নির্মাণকাল ছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত একটি রুট ও অন্য রুটটি নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল ও পিতলগঞ্জ ডিপো পর্যন্ত। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা থাকলেও গত জুলাই পর্যন্ত সাত বছরে প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। ব্যয় হয়েছে তিন হাজার ৯০৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, যা মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।
এদিকে হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত রুট নিয়ে এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পটির ব্যয় ১২৬ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ডিএমটিসিএলের পক্ষ থেকে। প্রস্তাবে নতুন করে ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ৯৩ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। ২০১৯ সালে একনেকে অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। নতুন করে ব্যয় বাড়ছে ৫১ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা। নতুন প্রস্তাবে নির্মাণকাল ছয় বছর বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
অনুমোদিত সময়সীমা ছিল ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই প্রকল্পটিরও কারিগরি ও ঋণসহায়তা দিচ্ছে জাইকা। নতুন প্রস্তাবে জাইকার ঋণ বাড়বে ১৩৭ শতাংশ। অতিরিক্ত অর্থ ৩৯ হাজার ৮১৪ কোটি টাকা। জাইকার মোট ঋণ দাঁড়াবে ৬৮ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা। অনুমোদিত ঋণ ছিল ২৯ হাজার কোটি টাকা। সরকারের ব্যয় জোগানোর অংশ বাড়বে দ্বিগুণ। মোট জোগানের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৪ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। অনুমোদনের সময় এর পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ১২১ কোটি টাকা।
ব্যয় বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, টেন্ডার বা দরপত্র প্রক্রিয়ায় ঠিকাদারদের প্রাক্কলিত খরচের চেয়ে অনেক বেশি দর দাবিই প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির মূল কারণ। এ ছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণেও খরচ বেড়েছে। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই পরিচালনা করেছিল জাইকা। সেই সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করেই মূল ডিপিপিতে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়। পরে জাপানি পরামর্শকরা প্রাক্কলন সংশোধন করে বিভিন্ন অংশের খরচ বাড়িয়ে দেন, যার ধারাবাহিকতায় জাপানি ঠিকাদাররাও ব্যয় বাড়াতে চান।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এত বেশি ব্যয় প্রস্তাবের বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করা হয় পিইসির সভায়। ডিএমটিসিএল ব্যয় বৃদ্ধির যেসব কারণ দেখিয়েছে, তা যথেষ্ট যৌক্তিক নয়। ব্যয়ের বিভিন্ন খাতে অস্বাভাবিক বৃদ্ধির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মেট্রোরেল প্রকল্পে ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা কম থাকার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। জাইকার বিভিন্ন শর্তের কারণে দরপত্রে মূলত জাপানি প্রতিষ্ঠান বা তাদের যৌথ উদ্যোগের প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
এতে প্রতিযোগিতা কমেছে এবং ঠিকাদারদের দর কমানোর সুযোগও সীমিত হয়েছে। বৈঠকে তাৎক্ষণিকভাবে দুই প্রকল্পের ব্যয় কমানো হয় ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। প্রকল্প দুটির ব্যয় আরও পর্যালোচনা ও যৌক্তিকীকরণের জন্য পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সড়ক পরিবহন উইংয়ের প্রধান অতিরিক্ত সচিব আলী রেজা সিদ্দিকীকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে প্রকল্পের বিভিন্ন ব্যয় খাত যাচাই করে প্রয়োজনীয় ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ব্যয় নির্ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্যয় কমানোর বিষয়ে পরামর্শ দিতে গত ২৪ মে বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের সাবেক অধ্যাপক শামীম জেড বসুনিয়ার নেতৃত্বে সাত সদস্যের কারিগরি কমিটি করা হয়। জুলাইয়ে প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি।
তবে কমিটি মূল প্রকল্প প্রস্তাবের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি ব্যয়কে যৌক্তিক বলে মত দেয়। এরপরই ডিএমটিসিএল সংশোধিত ব্যয়ের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ আলমগীর।
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় গোন্ডারিয়ার একটি অফিসের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই ৩ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- চা দোকানি আলমগীর (৩৩), পথচারী সিয়াম (১৮) ও পথচারী আশা আক্তার (২০)। এর মধ্যে সিয়ামের বুকের বাম পাশে, আলমগীরের মাথায় এবং আশার ডান পায়ে গুলি লেগেছে।
এদিকে আহত সিয়াম জানিয়েছেন, তিনি যাত্রাবাড়ী এলাকায় থাকেন। সেখানে একটি হোটেলে কাজ করেন। সন্ধ্যায় গেন্ডারিয়ার মুন্সিরটেকে নিজের ফুফার চায়ের দোকানে এসেছিলেন। হঠাৎ রাস্তায় মারামারি শুরু হলে তিনি দোকানের ভেতর থেকে শাটার বন্ধ করে দিচ্ছিলেন। তখনই তার বুকের বাম পাশে কাঁধে দিকে একটি গুলি এসে লাগে।
অন্যদিকে আহত আলমগীরের স্ত্রী জান্নাতি আক্তার জানান, তার স্বামীও সেখানে চা দোকান করেন। সন্ধ্যায় দোকানের সামনে মারামারি ও গোলাগুলি শুরু হয়। তখন দোকানের ভেতর থাকা অবস্থায়ই তিনি কপালের ঠিক মাঝ বরাবর গুলিবিদ্ধ হন।
এ ছাড়া আহত আশা আক্তার জানিয়েছেন, তিনি ওই এলাকাতেই থাকেন। সন্ধ্যায় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মারামারি মাঝে পড়ে যান তিনি। এতে তার ডান পায়ের রানে একটি গুলি বিদ্ধ হয়। তবে কারা গোলাগুলি করছিল, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গুলিবিদ্ধ তিনজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।