• প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৪৬ পিএম
  • আপডেট : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৪৯ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর

গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৪৬ পিএম

মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস দিয়ে ভাত বিক্রি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজানকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগ ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আগারগাঁও এলাকায় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্টরা সেখানে যান। তখন মিজান তাদের ওপর চড়াও হন। এ সময় সিটি করপোরেশনের কর্মী ও পুলিশের সদস্যদেরও আঘাত করেন মিজান। পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।


এ বিষয়ে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।




আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান। তার দোকানে ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, ডাল ও আলু খাওয়ার সুযোগ থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোকানটি পরিচিতি পায়।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:০৯ পিএম

রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্টহাউজে অভিযান চালিয়ে ২২৩ বোতল বিদেশি মদ ও ২০৯ বোতল-ক্যান বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি’ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো বার লাইসেন্স ছাড়াই বিদেশি মদ মজুত ও বিক্রি করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। 


এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ২টা ৩০ মিনিটে গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাসায় অবস্থিত রেস্টহাউজটিতে অভিযান চালানো হয়। ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা মদের পরিমাণ ১৭৭ লিটার। এ ছাড়া ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দ করা মদ ও বিয়ারের পরিমাণ ২৪৪ লিটার।


ডিএনসি জানায়, ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে বিদেশি মদ মজুত ও পাইকারি এবং খুচরা বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি মূলত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি। সেখানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।


অভিযানের সময় রেস্টহাউজটির ম্যানেজার মো. আতাউর রহমান শামীমকে আটক করা হয়। পরে অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে মদ মজুত ও সংরক্ষণের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।


ডিএনসির প্রাথমিক অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের কাছে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্তে অনুসন্ধান চলছে।


ডিএনসি জানায়, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মো. ওমর জামিল নামে আরেক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে অভিযানের সময় তিনি উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে পলাতক আসামি হিসেবে মামলা করা হয়েছে।


ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদ হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ডিএনসির প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় এবং ঢাকা মেট্রো উত্তর ও দক্ষিণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।


এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আতাউর রহমান শামীম, পলাতক ওমর জামিল এবং অজ্ঞাতনামা অন্যদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গুলশান থানায় মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা আলামত ও রাসায়নিক পরীক্ষার নমুনা ডিএনসির হেফাজতে রয়েছে।


কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ব্যানার ও পোস্টার প্রদর্শন এবং লিফলেট বিতরণ করা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৫ পিএম

ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার রোধে প্রত্যেক নাগরিক ও পরিবারকে সপ্তাহে দু’দিন কমপক্ষে আধা ঘণ্টা করে নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 


সরকারপ্রধানের এই নির্দেশনা অনুযায়ী রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে সচেতনতামূলক প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে এই প্রচারণা চালানো হয়। 

ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার হতে পারে, এমন জায়গাগুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় 
হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট তাহমিনা হাসানের নেতৃত্বে কামরাঙ্গীরচর, লালবাগসহ বিভিন্ন জায়গায় সচেতনতামূলক ব্যানার ও পোস্টার প্রদর্শন এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। 
 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ঢাকা সিভিল সার্জন অফিসের প্রচারণায় কামরাঙ্গীরচরে ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার হতে পারে, এমন জায়গাগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। 


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:০১ এএম

প্রায় সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে কেনাকাটার জন্য আমাদের মার্কেটে বা দোকানে যেতে হয়। তবে রাজধানীতে প্রতিদিনই কোনও না কোনও মার্কেট বন্ধ থাকে। তাই এ বিষয়ে আগে থেকে জানা থাকলে সুবিধা হয়, নয়তো অনেক সময় বিপাকে পড়তে হয়। তাই দেখে নেয়া যাক  বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর যেসব এলাকার দোকানপাট, শপিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।


যেসব মার্কেট বন্ধ থাকে


মোহাম্মাদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার করপোরেট মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্নফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্থান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বাইতুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।


যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকে


মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।


  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৪ পিএম

রাজধানীর দক্ষিণখানের ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সী মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা রোড ও ফরিদ মার্কেট এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে সোহরাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগও তুলেছেন অভিযোগকারীরা। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।


এ ছাড়া উত্তরা ও দক্ষিণখান এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রমের সঙ্গে কারা জড়িত, কেউ এসব কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছেন কি না এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।


অভিযোগের বিষয়ে সোহরাব উদ্দিনের মুঠোফোনে (০১৮৩০০৯৬১৪৭)  যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত আছেন গুলশানে আছেন বলে ফোন কেটে দেন । এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।


*ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ


অভিযোগকারীদের দাবি, পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকার কথা উল্লেখ করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাপ প্রয়োগ করা হয়। এ ছাড়া মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগও করেছেন তাঁরা।


*বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা


অভিযোগকারীরা বিএনপির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল নেতাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, দলীয় পরিচয় বা রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তা তদন্ত করে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।


একই সঙ্গে দক্ষিণখানের সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্তের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।


অভিযোগকারীদের মতে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।


ফুটপাতে মারধরের এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৭ পিএম

রাজধানীর ফুটপাতে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, দুই পুলিশ সদস্যের সামনেই এক ব্যক্তিকে চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারা হচ্ছে এবং পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ সদস্যরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। 


নেটিজেনদের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে—আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই সংস্কৃতি এবং পুলিশের এমন নিষ্ক্রিয়তা কেন দেখা গেল? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পেছনে রয়েছে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ। 


ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোডে অবস্থিত বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে। ভুক্তভোগী ২৩ বছরের এক তরুণীর অভিযোগ, শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ রানা (৪৮) নামের এক ব্যক্তি তাকে ‘ব্যাড টাচ’ বা শ্লীলতাহানি করেন। তরুণী তৎক্ষণাৎ বিষয়টি সেখানে দায়িত্বরত দুই পুলিশ সদস্যকে জানালে তারা লোকটিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক না করে ধানমন্ডি থানায় গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেন। এরপর ভুক্তভোগী তরুণী তার মামাকে ফোন করে ঘটনাটি জানান।


ভাগনির ওপর শ্লীলতাহানির খবর শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তরুণীর মামা। তিনি অভিযুক্ত শহীদ আবদুল্লাহকে পেয়ে বেধড়ক মারধর শুরু করেন এবং কান ধরে ওঠবস করান। সেই মারধরের ২ মিনিট ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। 


ভিডিওটিতে দেখা যায়, উত্তেজিত জনতার ভিড়ের মধ্যে দুই পুলিশ সদস্য দাঁড়িয়ে থাকলেও তারা এগিয়ে যাননি। ফেসবুকে অনেকে পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে বিচার করার সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।


ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ ফোন পেয়ে ধানমন্ডি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ রানাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিযুক্তকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠান। বিচারকের কাছে তরুণীকে শ্লীলতাহানির কথা স্বীকারও করেন ওই ব্যক্তি।


ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে ওই ব্যক্তিকে মারধর করা যুবকটিও অপরাধ করেছেন। তাঁকে পুলিশ খুঁজছে। 


ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই পুলিশ সদস্যের ভূমিকা প্রসঙ্গে ওসি জানান, উত্তেজিত জনতার মারমুখী ও উগ্র আচরণের কারণে পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পাননি। তবে ওই দুই পুলিশ সদস্যের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।


পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাজাপ্রাপ্ত শহীদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা। তিনি অতীতে এমবিবিএস পড়ার সময় মানসিক রোগে আক্রান্ত হন এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছেন। তার বিয়ে হয়েছিল। তবে অনেক আগেই স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন।



সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:২৩ পিএম

রাজধানীর উত্তরার আজমপুর এলাকায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এক পাশে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে মহাসড়ক ও আশপাশের বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, যাত্রী ও পথচারীরা।


বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে শ্রমিকরা আজমপুর এলাকায় সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে সেখানে জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এক পাশ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।


শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন। বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে সড়কে অবস্থান নেওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অবরোধের কারণে মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। পাশাপাশি আশপাশের সড়কগুলোতেও যানজট ছড়িয়ে পড়ে।


এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে গণপরিবহনে আটকে পড়েন অনেক যাত্রী। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনেকে বাস থেকে নেমে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন। এতে কর্মস্থলগামী মানুষ ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।


বাসে আটকে পড়া সিপার মাহমুদ বলেন, ‘সকালে জরুরি কাজে বের হয়েছি। কিন্তু সড়কে শ্রমিকদের অবরোধের কারণে আটকে পড়ে যাই। অনেক সময় বাসে অপেক্ষার পর হেঁটেই যাচ্ছি।’


শ্রমিকদের অবরোধের কারণে উত্তরার আজমপুর ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচলে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে সড়ক ব্যবহারকারীদের বিকল্প পথে চলাচল এবং হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


তবে শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং অবরোধ নিরসনে প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।