THM ৩য় ব্যাচের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (THM) বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও ‘ফেয়ারওয়েল প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ৬১৪ নম্বর কক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
বিভাগীয় সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুস শহিদ মিঞা, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল আরেফিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের শিক্ষার্থী ফুয়াদ হাসান আব্দুল্লাহ ও ফিমা ইয়াসমিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ আব্দুস শহিদ মিঞা শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে বলেন, ডিম ফুটে যখন বাচ্চা বের হয়, তখন ডিমের খোলস ভেঙে যায়। এই ভেঙে যাওয়া মানে শেষ হওয়া নয়, বরং নতুন জীবনের উন্মেষ। তেমনি জীবনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত আসবে, যার অর্থ সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়, বরং নতুন করে শুরু করা।
তিনি আরও যোগ করেন, পৃথিবীতে পিতা-মাতা এবং শিক্ষক—এই দুই শ্রেণিই অন্যের সফলতায় প্রকৃত আনন্দ পায়। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় তোমাদের কী দিয়েছে তার চেয়ে বড় কথা, তোমরা দেশকে কী দিতে পারছো। দায়িত্বশীল হওয়া ছাড়া কেউ ভালো মানুষ হতে পারে না।" সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার উদ্ধৃতি টেনে তিনি আগামী প্রজন্মের জন্য পৃথিবীটাকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে সহযোগী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জুয়েল শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বলেন, আমাদের বিভাগটি একটি পরিবারের মতো। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে আমরা একটি চমৎকার পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করি। আমরা সব সহকর্মী মিলে চেষ্টা করছি যেন সেশনজটমুক্ত ও মানসম্মত গ্র্যাজুয়েট উপহার দিতে পারি।"
অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যাম্পাস জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং বিভাগের পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ড. শামীমা নাসরিন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষক সমিতির নতুন আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শামীমা নাসরিন । বর্তমান আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ড. শামীমা নাসরিনকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) শিক্ষক সমিতির সদ্য সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার ও সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক পদ শূন্য হওয়ায় কার্যনির্বাহী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শামীমা নাসরিনকে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
এছাড়া, শিক্ষক সমিতির ব্যাংক হিসাব পরিচালনার স্বাক্ষরকারী হিসেবেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকারের পরিবর্তে নতুন আহ্বায়ক ড. শামীমা নাসরিনকে স্বাক্ষরকারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সাইফুল মালেক আকাশ ও আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মাসউদ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী সংগঠন ‘ভাষা-সাহিত্য পরিষদ’-এর ১০ম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিভাগের স্নাতকোত্তর ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাইফুল মালেক আকাশ এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হয়েছেন স্নাতক ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মাসউদ।
বুধবার (২৯ জুলাই) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. সুমাইয়া আফরিন সানি এবং প্রভাষক মো. গোলাম মাহমুদ পাভেল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আনাস আহম্মদ আব্দুলাহ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফারহা খানম, সহ-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. রোমান মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক মো. ফাহিম, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মো. সারোয়ার হোসেন অপূর্ব, প্রচার সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন এবং সহ-প্রচার সম্পাদক মো. আহনাফ তাহমিদ। এছাড়া বিভাগের পাঁচটি শিক্ষাবর্ষ থেকে পাঁচজন শ্রেণি প্রতিনিধি কার্যকরী পরিষদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মাসউদ বলেন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি শিক্ষক, সহপাঠী ও অনুজদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, ভাষা-সাহিত্য পরিষদকে একটি সক্রিয়, সৃজনশীল ও প্রাণবন্ত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষকদের দিকনির্দেশনায় বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করতে চান।
সহ-সভাপতি সাইফুল মালেক আকাশ বলেন, এ দায়িত্বের জন্য তিনি বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও সহপাঠীদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি জানান, ভাষা-সাহিত্য পরিষদকে সাহিত্যচর্চা, সাংস্কৃতিক বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের একটি কার্যকর মঞ্চ হিসেবে এগিয়ে নিতে এবং বিভাগের যেকোনো সমস্যা ও যৌক্তিক দাবিতে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে তিনি কাজ করবেন।
কমিটির সব সদস্যই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নবগঠিত কমিটি আগামী এক বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘মেঘনা অববাহিকায় ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি: গবেষণা ও উদ্ভাবন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। মুখ্য আলোচক ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী ও বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক। এছাড়াও নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিন এবং নোয়াখালী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোসাম্মৎ শওকত আরা কলি উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, "দেশে জলবায়ু ও কৃষি নিয়ে এ ধরনের গবেষণা এখনও তুলনামূলকভাবে কম এবং গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নও সহজে পাওয়া যায় না। তিনি তাঁর উপস্থাপনায় আবহাওয়াসংক্রান্ত তথ্য ও বন্যার পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের গবেষণা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান"।
মুখ্য আলোচক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরে এ ধরনের গবেষণাভিত্তিক প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, “বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের নোবিপ্রবির এ প্রকল্পটি দেখেছেন এবং এর প্রশংসা করেছেন। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তিনি প্রকল্পটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প পরিচালককে উৎসাহিত করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খাদ্য নিরাপত্তা বর্তমানে আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কৃষি উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে, যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে উপকূলীয় অঞ্চলে। ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে এখনই জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন এবং আধুনিক, অভিযোজন সক্ষম কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শুধু প্রথাগত কৃষি পদ্ধতির ওপর নির্ভর করলে চলবে না।
সভাপতিত্ব করেন নোবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান।
সেমিনারে প্রকল্পের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করে প্রকল্প পরিচালক জানান, "সেমিনারে জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতা ও এর বহুমাত্রিক প্রভাব, কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মিটিগেশন ও অ্যাডাপটেশন কৌশল, মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে ভবিষ্যতে সয়াবিন ও বার্লি চাষের সম্ভাবনা এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়"।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে আয়োজিত এ সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জব কর্নারের সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রসংগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনূর রহমান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ২ টার দিকে স্মারকলিপিটি উপাচার্যের কাছে জমা দেন তারা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জব কর্নারটি বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হয়ে আসছে, দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে তীব্র স্থানসংকট সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন অনেক শিক্ষার্থী আসন সংকটের কারণে পড়াশোনার সুযোগ না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও সংকীর্ণ পরিবেশে গাদাগাদি করে পড়াশোনা করতে হচ্ছে, যা একটি স্বাস্থ্যকর ও মনোযোগী শিক্ষার পরিবেশের পরিপন্থী। সেই ধারাবাহিকতায় দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য উপাচার্যের সদয় দৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।
স্মারকলিপিতে তারা ৭ টি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো: জব কর্নারের জন্য আরও একটি রিডিং রুম সংযোজন করা; শুক্রবারে জব কর্নার খোলা রাখার ব্যবস্থা করা; আবাসিক হলসমূহের ছুটির সঙ্গে জব কর্নারের ছুটির সামজস্য বিধান করা; উচ্চগতির ও নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা; রিডিং রুমে পর্যান্ত ডেস্ক ও উপযুক্ত আসবাবপত্র সংযোজন করা; নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা; জব কর্নারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা স্থাপন করা।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হকৃবি) উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্যের অনুমোদনক্রমে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী তাঁকে চার বছরের জন্য উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এ মেয়াদকালে তাঁর চাকরির নির্ধারিত বয়সসীমা পূর্ণ হলে সেদিন পর্যন্তই তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক অবস্থান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি ও বিধি অনুসারে এবং উপাচার্য কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনবোধে রাষ্ট্রপতি ও আচার্য এ নিয়োগাদেশ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র কৃষি অর্থনীতি, এগ্রিবিজনেস ও কৃষি বিপণন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পে কাজ করেছেন এবং দেশি-বিদেশি সাময়িকীতে তাঁর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৫-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আচার্যের অনুমোদনক্রমে অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকারকে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর অথবা অবসরের নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটবে) উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি উপাচার্যের পদমর্যাদা অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ও আচার্য প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।