• প্রকাশ : সোমবার ১১ মে, ২০২৬, সময় : ১০:৪৫ এএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সোমবার (১১ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের জিমনেশিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ও প্রতিযোগিতার সদস্য-সচিব কৃষিবিদ মোঃ আসাদুল হক সজলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবির। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

পাঁচ দিনব্যাপী এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় টেবিল টেনিস ছাত্রী বিভাগ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল, রানারআপ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দল এবং ৩য় স্থান অধিকার করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দল। 

অপরদিকে টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় ছাত্র বিভাগ থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দল রানারআপ এবং ৩য় স্থান অধিকার করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দল।

ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় ছাত্রী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দল রানারআপ এবং ৩য় স্থান অধিকার করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দল।

অপরদিকে একই প্রতিযোগিতায় ছাত্র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দল, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দল রানারআপ ও ৩য় স্থান দখল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, প্রথমেই আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি যারা বিজয়ী এবং বিজিত হয়েছেন এবং যারা অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিযোগিতাকে সুন্দর করেছেন তাদের সবাইকে। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতাটি আমরা অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

উল্লেখ্য, দেশের ৩৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩০৭ জন খেলোয়াড় এ আসরে অংশ নেন। ব্যাডমিন্টন ছাত্র বিভাগে ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৪ টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এবং ব্যাডমিন্টন ছাত্রী বিভাগে ১৭ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৩ টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।  

অন্যদিকে টেবিল টেনিসে ছাত্র বিভাগে ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ টি ম্যাচ এবং ছাত্রী বিভাগে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।




শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৬ পিএম

কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এবারের ভর্তি কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)।


কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানায়, কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ভর্তি পরীক্ষার পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর মধ্যে সমন্বয় করা হচ্ছে।


ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া, আসনসংখ্যা, পরীক্ষার সময় ও কেন্দ্রসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী সময়ে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হবে।


শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, “কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হবে।”


উল্লেখ্য, কৃষি গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের কৃষি ও কৃষিসংশ্লিষ্ট উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সমন্বিতভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। সর্বশেষ শিক্ষাবর্ষে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমে মোট ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়।


বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।


অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসউদ আল মাহদী

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:০৪ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাদ্দাম হোসেন হল- এর নতুন প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসউদ আল মাহদী। 


আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে, সাদ্দাম হোসেন হলের প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ-এর মেয়াদ শেষ হওয়ায় দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসউদ আল মাহদীকে আগামী ১ বছরের জন্য ওই হলের প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান।


নিয়োগপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ড. মাসউদ আল মাহদী জানান, আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মর্মে অবগত করেছে প্রশাসন। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক চিঠি হাতে পাইনি। যোগদান করার পর হল কেন্দ্রিক পরিকল্পনা হাতে নিব।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৫১ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষকদের অধিকার, মর্যাদা ও পেশাগত স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ‘সাদা দল’ নামে একটি শিক্ষক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়েছে। 


একই সাথে সংগঠনটির পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওবায়েদুল ইসলাম আহ্বায়ক এবং উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। 


কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু জোফার মো. মোসলেহ উদ্দিন, ফিজিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. ইলিয়াছুর রহমান ভূঁইয়া এবং মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. কে এইচ এম নাজমুল হুসাইন নাজির।


সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সংগঠনটির এক ঘোষণাপত্রে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শিক্ষকদের পেশাগত স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অধিকার বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পেশাগত সমস্যা সমাধানে একটি কার্যকর ও দায়িত্বশীল সংগঠন প্রয়োজন।


ঘোষণাপত্রে ‘সাদা দল’-কে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক শিক্ষক সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সংগঠনটির লক্ষ্য হিসেবে সত্য, ন্যায়, সততা, সাম্য ও ইনসাফভিত্তিক একটি গণতান্ত্রিক ও সুন্দর শিক্ষক সমাজ গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। ঘোষণাপত্র অনুযায়ী আহ্বায়ক কমিটি সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ গঠনতন্ত্র প্রণয়ন, সদস্যপদ-সংক্রান্ত নীতিমালা নির্ধারণ এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৪৮ পিএম

দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা দিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অরেঞ্জ কর্নার্স বাংলাদেশের রোডশো অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাকৃবি ক্যারিয়ার ক্লাব (বাউসিসি) এবং থ্রী জিরো ক্লাবের সহযোগিতায় এ রোডশো অনুষ্ঠিত হয়।



সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।


'ময়মনসিংহে উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ শক্তিশালীকরণ'

শীর্ষক আলোচনায় বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিব্যবসা ও বিপণন বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. দিলশাদ জাহান ইথেন, সেফ ফুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিকরুল হাকিম, ওয়াই ওয়াই ভেনচারের প্রোগ্রাম পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান। 



আলোচনায় তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন বক্তারা। সহযোগী অধ্যাপক ড. দিলশাদ জাহান ইথেন বলেন, বাকৃবি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সম্পদ ও সুযোগের দারুণ একটি সমন্বয় রয়েছে। এখানে যেমন তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীরা রয়েছে, তেমনি আছেন অভিজ্ঞ অ্যাকাডেমিশিয়ানরা। এটি একটি একাডেমিক বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় এখানে ইন্ডাস্ট্রি ও খামার পর্যায়ের বিভিন্ন অংশীদারদের বিচরণ রয়েছে। ফলে এখানে জ্ঞানকে সরাসরি প্র্যাকটিক্যাল সেশনে রূপান্তর করে কাজের সুযোগ অনেক।

সেফ ফুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিকরুল হাকিম বলেন, ব্যবসা শুরু করার পর এটার সাথে লেগে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ। লেগে থাকতে গেলে অনেক ভুল হবে, ফলে ক্ষতিও হবে। কিন্তু থেমে যাওয়া যাবে না। লক্ষ্য ঠিক রেখে ভুলটা কিভাবে খুব দ্রুত শুধরানো যায়, এই চেষ্টাটা খুব জরুরি। পাশাপাশি জরুরি একটা ব্যাপার হলো নেটওয়ার্কিং। এটি অনেক কঠিন কাজকেও সহজ করে দেয়। 


ওয়াই ওয়াই ভেনচারের প্রোগ্রাম পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী আইডিয়াকে ব্যবসায় রূপান্তর করি মেন্টরিং, নেটওয়ার্কিং ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে। ময়মনসিংহে উদ্যোক্তাদের সুবিধা সম্পর্কে তিনি বলেন, এখানে উদ্যোক্তারা মাটি, কৃষি ও সাধারণ মানুষের খুব কাছাকাছি থাকেন। সমস্যার মূল জায়গা ধরে সমাধান বের করা তাদের জন্য সহজ। ঢাকায় নেটওয়ার্কিং বা ব্যাংকের সুযোগ বেশি থাকলেও ঢাকার বাইরে সম্ভাবনার ক্ষেত্র অনেক বড়। স্থানীয় অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা এই কাজে নতুনদের মেন্টরশিপ দিতে প্রস্তুত। 


প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, এই ধরনের প্রোগ্রাম তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গঠনে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে যে ধরনের যোগ্যতার প্রয়োজন, চাকরির বাজারে তার চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। তাই এখন আমাদের চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনা জরুরি।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৪৫ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অফিসার পরিষদের ২০২৬ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে এডিশনাল রেজিস্ট্রার ( সংস্থাপন-১) ড. এ.কে.এম. মাহবুবুর রশীদ গোলাপ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে এডিশনাল ডিরেক্টর ( ছাত্রকল্যাণ ও নির্দেশনা) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।


সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও আর্থ-সামাজিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিচালক কৃষিবিদ মো. ছারোয়ার হোসেন।


নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, মোট ৩৯৫ জন ভোটারের মধ্যে ৩৮৫ জন কর্মকর্তা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অফিসার পরিষদের নির্বাহী কমিটির ১৫টি সাংগঠনিক পদের মধ্যে ১১টিতে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বাকি চারটি পদে ১৩ জন কর্মকর্তা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।


নির্বাচনে সভাপতি পদে ড. এ.কে.এম. মাহবুবুর রশীদ গোলাপ ২৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল বাতেন পান ৬৭ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন ৯৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বোরহান উদ্দীন পান ৯০ ভোট। এ ছাড়া সহসভাপতি পদে ডেপুটি রেজিস্ট্রার আব্দুল মান্নান ২২৫ ভোট এবং কোষাধ্যক্ষ পদে হোসাইন আহমেদ মুকুল ২২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।


প্রায় আড়াই বছর পর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। নির্বাচিত নতুন কমিটি কর্মকর্তাদের ন্যায্য দাবি আদায় ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সক্রিয় ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ভোটাররা।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৯ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৯ এএম


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৯ পিএম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) দাবির মুখে এক নম্বর গেইট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত চক্রাকার বাস সেবা চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে এ সেবা চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক কামরুল হোসেন।


তিনি বলেন, “সকাল ৮টা থেকে চারটি বাস এক নম্বর থেকে জিরো পয়েন্ট এবং জিরো পয়েন্ট থেকে এক নম্বর—উভয় রুটে শিক্ষার্থী আনা নেওয়া করছে। এটা সম্পূর্ণ ফ্রি সার্ভিস।”


এ সেবা কতদিন চলবে, জানতে চাইলে অধ্যাপক কামরুল বলেন, “এই ব্যবস্থা মোটামুটি স্থায়ী করা হয়েছে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি যেটা হয়, ওটা হবে।”


চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কের যে স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ সড়ক মিলিত হয়েছে, সেটিই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেইট হিসেবে পরিচিত। আর সংযোগ সড়কের বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক প্রান্তকে জিরো পয়েন্ট বলা হয়ে থাকে।


চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক ইসহাক ভূঁঞা বলেন, “আজকে সকাল ৮টা থেকে চারটি বাস এক নম্বর থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকায় চলছে।


“রাত কয়টা পর্যন্ত চলবে তা আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। এই সার্ভিস শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।”


চক্রাকার বাস চালুর দাবিতে সোমবার রাত পৌনে ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন চাকসুর কয়েকজন নেতা। সেখানে রাত ১টার দিকে উপস্থিত হয়ে এ দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ আল-আমিন।


তিনি বলেছিলেন, “আমাদের এখানে যারা শিক্ষার্থী রয়েছে, তাদের দাবি ছিল স্থায়ীভাবে চক্রাকার বাস চালু করা।


“এখন রাত হয়েছে, শিক্ষার্থীদের আসলে হলে ফিরে যাওয়া উচিত। ইনশাল্লাহ, আগামীকাল থেকে স্থায়ীভাবে চারটি বাস চালু থাকবে।”


এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক মোহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম বলেন, “আমার কোনো বক্তব্য নেই। এগুলো প্রশাসনের বিষয়।”