জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ও তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় ‘দি ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস’ (আইটিইটি), বাংলাদেশের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) বাদ মাগরিব রাজধানীর উত্তরায় আইটিইটি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন আইটিইটি'র সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আরফান আলী প্রামানিক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আইটিইটি'র নেতৃবৃন্দ, সদস্য ও শিক্ষার্থীরা।
এ আয়োজনের আহ্বায়ক হিসেবে সংগঠনের নির্বাহী সদস্য প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান (রবিন), সদস্য সচিব সংগঠনের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আরফান আলী প্রামানিক এবং সহ-সদস্য সচিব সংগঠনের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল ইসলাম সাদ্দাম ছিলেন।
আয়োজনের আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান (রবিন) বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ সবাই একসঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন ও আত্মত্যাগকে ভিত্তি করে বর্তমান কমিটি কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে পরস্পরের পরিপূরক উল্লেখ করে আইটিইটি'র সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. মইদুল ইসলাম (মঈদ) বলেন, ১৯৭১ সালে অর্জিত স্বাধীনতার পর দলীয়করণ ও ফ্যাসিবাদের কারণে যে অন্যায়ের সৃষ্টি হয়েছিল, জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল তার বিরুদ্ধে সুদৃঢ় প্রতিবাদ।
তিনি আরো বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করতে হবে। আইটিইটি পরিবারের পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
আইটিইটি'র মহাসচিব প্রকৌশলী এ এস এম হাফিজুর রহমান নিক্সন বলেন, “জুলাই কোনো নির্দিষ্ট দিনের নাম নয়, জুলাই হলো প্রতিবাদের ভাষা।” ১৯৫২, ১৯৭১ ও ১৯৯০-এর মতো ২০২৪-এর আন্দোলনও পুঞ্জীভূত অন্যায়ের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রতিবাদ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের অগ্রগতি ধরে রাখতে উদ্ভাবনে জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও ইনোভেশনে গুরুত্ব না দিলে এ অবস্থান ধরে রাখা কঠিন হবে। এ জন্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে সবাইকে দেশের উন্নয়নে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বুটেক্সের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা ও পতাকা অর্জনের সংগ্রাম, আর ২০২৪-এর আন্দোলন ছিল গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনার আন্দোলন। শিশু থেকে বৃদ্ধ, পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের নজিরবিহীন অংশগ্রহণে এ আন্দোলন সফল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আন্দোলন দমনে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানো ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানিয়ে উপাচার্য বলেন, বৈষম্যবিরোধী চেতনাকে সর্বক্ষেত্রে ধারণ করে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে কাজ করতে হবে।
সভায় আইটিইটি'র সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন বলেন, “আমরা সবাই জুলাই যোদ্ধা এবং আমাদের সবার ভেতরে জুলাইয়ের চেতনা ও স্পিরিট থাকা উচিত। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এই চেতনা আমরা সবসময় ধরে রাখতে চাই।”
তিনি বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কোনো ক্ষমতা পাননি, বরং দায়িত্ব পেয়েছেন। সেই দায়িত্ব সসম্মানে পরবর্তী কমিটির কাছে হস্তান্তর করতে পারলেই শহীদদের আত্মত্যাগের কিছুটা প্রতিদান দেওয়া সম্ভব হবে।
পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এসময় আইটিইটির কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক টেক্সটাইল প্রকৌশলী ও সংগঠনের সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা মেধায় কোনো অংশে কম নয়। আমাদের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আমরা যদি এআই প্রশিক্ষিত না করতে পারি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হবে। নিজের ভবিষ্যৎ নিজেকেই গড়তে হবে।’
আজ বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করছে। আগামী বছর থেকে সারা দেশে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ১ কোটি ১২ লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে। পুষ্টির ঘাটতি পূরণে দেওয়া হচ্ছে মিড ডে মিল।
২০২৮ সালের মধ্যে যুগোপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া খতিয়ে দেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য জিমনেসিয়াম তৈরির বিষয়েও জোর দেন শিক্ষামন্ত্রী।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রিয় নবীনরা; তোমাদের দিকে দেশ তাকিয়ে আছে। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে তোমাদের মেধাকে কাজে লাগাতে হবে। এই ফিফথ (পঞ্চম) জেনারেশন অব ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনে যদি যেতে হয়, ন্যানোটেকনোলজিতে যেতে হয়, রোবটিক্স দিয়ে যদি কাজ করতে হয়, এআই দিয়ে কাজ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন—উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, জাহাঙ্গীর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, জবির ট্রেজারারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ,শিক্ষার্থী এবং শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি : সংগৃহীত
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন। আবেদন করেও আসন পায়নি ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেও নির্বাচিত হয়নি।
আজ বুধবার রাতে প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাবে। এবার সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে এবার বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ১১টি কলেজে ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থী আবেদনই করেনি। আর ৪১৬টি কলেজে আবেদন করা হলেও কোনো আসন বরাদ্দ করা হয়নি। এবার ভর্তিযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৮ হাজার ১৮০টি।
একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে ২ সেপ্টেম্বর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল, গত রোববার তা শেষ হয়। সব কার্যক্রম শেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।ভর্তির জন্য এবার মোট আবেদন করেছিল ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩০ জন শিক্ষার্থী।
এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা হয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের (২১তম আবর্তন) নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় ২ হাজার ১০০ জন নিবন্ধিত নবীন শিক্ষার্থীকে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, এমপি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। নবীন শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে মেধা, দক্ষতা ও জ্ঞানকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শুধু পাঠ্যবিষয় আত্মস্থ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন, উদ্ভাবন ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। বর্তমান বিশ্বে কারিগরি শিক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবটিক্স, ন্যানোটেকনোলজি ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতার গুরুত্ব ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও কর্মজীবনের প্রস্তুতি একই সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবসম্পদ। এই মেধাবী তরুণদের যথাযথ শিক্ষা ও দক্ষতায় গড়ে তুলতে পারলে তারা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যায়েও নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরতে পারবে।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেদেরই গড়ে তুলতে হবে। শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের উৎকৃষ্ট মানবসম্পদ হিসেবে প্রস্তুত করতে হবে। একই সঙ্গে খেলাধুলা, বিতর্ক, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের বহুমাত্রিক দক্ষতা বিকশিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত ও যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা জরুরি। প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করতে হবে।
নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ পরিচালনা করবে। তাই নিজেদের যোগ্যতা ও মেধাকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ, দক্ষ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ মোফাজ্জল হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহীন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দার, মোস্তাফিজুর রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিসুর রহমান তালুকদার খোকন প্রত্যাশা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কাজে জবি ছাত্রদল সব সময় পাশে থাকবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশ তোমাদের হাতেই গড়ে উঠবে। তাই তোমাদের শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করতে হবে। সত্যিকারের দেশপ্রেম যদি কেউ শিখিয়ে গিয়ে থাকেন, তাহলে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তা শিখিয়েছেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা, রণাঙ্গনে নিজে নেতৃত্ব প্রদান এবং তাঁর শাহাদাতের মধ্য দিয়েও দেশপ্রেমের শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন দলের বিভিন্ন ধরনের স্লোগান আমরা দেখতে পাই—কারও মঞ্জিল ভারত, কারও মঞ্জিল পাকিস্তান, আবার কারও মঞ্জিল চীন। কিন্তু আমাদের মঞ্জিল একটাই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘আমার ঠিকানা এই দেশ, এই মাটি।’ আমরা এই দেশকে ভালোবেসে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। শহিদ জিয়া ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও দেশের প্রতি ভালোবাসা ও দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে কাজ করেছেন। এজন্য আমাদের স্লোগান হবে—‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ।’
উপাচার্য আরও বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু বিগত ১৭-১৮ বছর ফ্যাসিবাদের করাল থাবার কারণে আমাদের শিক্ষার্থীরা আজ নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি যেসব ক্ষেত্রে অবহেলিত ও বঞ্চিত হয়েছে, সেসব সমস্যার সমাধানে বর্তমান সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গঠনের পর দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস ধরে তিনি প্রতিনিয়ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাগ্যোন্নয়নে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সমাধানে তিনি সচেষ্ট রয়েছেন। এ নিয়ে কেউ যেন ‘ক্রেডিট রাজনীতি’ না করেন, সে বিষয়েও সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, এই সংগঠন অত্যন্ত ভাগ্যবান, কারণ এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর সততা, দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা ও ব্যক্তিত্ব যেকোনো সংগঠনের জন্য গৌরব ও আদর্শের বিষয়। তিনি বলেন, বেগম জিয়া যার হাত ধরে এই সংগঠন বিকশিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে অবিসংবাদিতভাবে সকলের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন। এমন একটি সংগঠনের নেত্রী ছিলেন, সকল নির্যাতন ও নিপীড়ন সহ্য করেও তিনি দেশ ও দলের নেতাকর্মীদের ছেড়ে পালিয়ে যাননি। তিনি আরো বলেন, এই সংগঠন গর্ব করতে পারে যে, এর সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেন না, স্বপ্ন বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব শামছুল আরেফিনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নবীনবরণ অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বিকেলে রয়েছে কনসার্টের আয়োজন।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) প্রথমবারের মতো বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও পরামর্শ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের উদ্যোগে এবং ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের সহযোগিতায় এই ক্যাম্প সেবার আয়োজন করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিল্ডিংয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ ক্যাম্প সেবা চলমান থাকে। আয়োজিত এ ক্যাম্পে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চোখ পরীক্ষা, চোখের প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়। চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল টিম।
চোখের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চক্ষু সমস্যার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে অংশগ্রহণের জন্য আগে থেকেই রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছিলো এবং নির্ধারিত সংখ্যক রেজিস্ট্রেশনকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
ক্যাম্প পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় চক্ষু পরীক্ষা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, "প্রথমেই বাঁধন বুটেক্স ইউনিটকে এমন একটি সুন্দর ও জনকল্যাণমূলক আয়োজনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। পৃথিবীর সৌন্দর্য উপভোগ করা থেকে শুরু করে আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও শিক্ষাজীবনে সুস্থ চোখের গুরুত্ব অপরিসীম। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে তাদের চোখ পরীক্ষা করিয়ে চোখের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবে।"
বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের সভাপতি পিয়াল আহমেদ বলেন, "বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের উদ্যোগে ‘বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও পরামর্শ ক্যাম্প-২০২৬’ আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চোখের যত্ন ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে সবার কাছে প্রাথমিক চক্ষুসেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।"
ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মারুফ বলেন, "বাঁধন সবসময় মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে। তারই ধারাবাহিকতায় এ চক্ষু ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে। ক্যাম্পটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে চিকিৎসকবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, বাঁধনের কর্মীবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।"
নোবিপ্রবিতে সায়েন্স ক্লাবের ওয়েবসাইট উদ্বোধন
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোবিপ্রবি উপাচার্য দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় উপাচার্য নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট তৈরির জন্য সংগঠনের সদস্যদের অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন এবং এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্লাবের বিজ্ঞানভিত্তিক নানা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। এ সময় অন্যান্যের মাঝে নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি সুবাহ তাসনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক সাদমান রাকিনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ক্লাবের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, উদ্বোধনকৃত nstusc.org ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে নোবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের সকল তথ্য, নিউজ এবং কার্যক্রমের হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইট তৈরিতে সহযোগিতা করেছে নোবিপ্রবি সিএসটিই বিভাগের শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালতি সফটওয়্যার স্টার্টআপ nanitex।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রোক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির, সহযোগী উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম, বাকৃবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম এবং অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (সংস্থাপন) ড. মো. নাজমুল হকসহ বাকৃবি রোভার স্কাউট সদস্যরা।
বাকৃবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম বলেন, কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোভার স্কাউটের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের রোভার স্কাউট শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, রোভার স্কাউটের ডেনের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতি সোমবার এ ধরনের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
উল্লেখ্য, কর্মসূচির আগে নবনিযুক্ত ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাকৃবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা। এ সময় তাঁকে ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।