জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা (ফাইল ফটো)

  • প্রকাশ : শনিবার ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ১১:৫০ পিএম

দীর্ঘ ১৬ বছর পর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। রোববার (২৮ ডিসম্বের) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের ৬১১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। এতে অংশ নেবে সারাদেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ পরীক্ষার্থী।


প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী—প্রথমদিন রোববার বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ইংরেজি, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) গণিত এবং আগামী ৩১ ডিসেম্বর (বুধবার) বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সব প্রশ্ন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের আলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে।


ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, দীর্ঘ বিরতির পর এবার জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হচ্ছে। এ বছর অংশ নিচ্ছে মোট ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫৯১ জন শিক্ষার্থী। দেশের ৬১১টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য এ পরীক্ষা নির্বিঘ্ন করতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ, বিতরণ এবং কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।


এদিকে, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষার কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে একজন শিক্ষক রাখা হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে পরীক্ষার্থীরা অনুমোদিত ৮ মডেলের সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। এরমধ্যে পরীক্ষার্থীরা ক্যাসিও (Casio) ব্র্যান্ডের নন–প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটরের মধ্যে Fx-82MS, Fx-100MS, Fx-570MS, Fx-991MS, Fx-991Ex, Fx-991ES, Fx-991ES Plus এবং Fx-991CW মডেল ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া সাধারণ (নন–সায়েন্টিফিক) ক্যালকুলেটর ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। অনুমোদিত মডেলের বাইরে অন্য কোনো প্রোগ্রামেবল বা নিষিদ্ধ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।


৫ বিষয়ে পরীক্ষা হবে ৪০০ নম্বরের

নীতিমালা অনুযায়ী, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় মোট পাঁচটি বিষয়ে মূল্যায়ন করা হবে। বিষয়গুলো হলো—বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়। এরমধ্যে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বর করে থাকবে। বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে মোট ৪০০ নম্বরের ওপর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


কারা অংশ নিচ্ছে পরীক্ষায়

নীতিমালা অনুযায়ী—মাধ্যমিক বা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অষ্টম শ্রেণির সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী (সপ্তম শ্রেণির সব প্রান্তিকের সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলের ভিত্তিতে) জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।


নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের দুই ধরনের জুনিয়র বৃত্তি দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি। সব ধরনের বৃত্তির ৫০ শতাংশ ছাত্রদের এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে।

তবে নির্ধারিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে ছাত্রের বৃত্তি ছাত্রী দ্বারা এবং ছাত্রীর বৃত্তি ছাত্র দ্বারা পূরণ করা যাবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।

সবশেষ ২০০৯ সালে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষা নিয়েছিল সরকার। এরপর অষ্টম শ্রেণিতে চালু করা হয়েছিল জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা। সমালোচনার মুখে ২০২৩ সালে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা না নিয়ে একই সিলেবাসের আদলে অষ্টম শ্রেণিতে বার্ষিক পরীক্ষার নেওয়া হয়।




  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৫০ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলগুলোতে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অপসারণ, মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন ও শিক্ষার্থীবান্ধব আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।


আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তারা।


সংবাদ সম্মেলনে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফির সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন শাখা সভাপতি ইউসুব আলী। এ সময় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক হাফেজ এমাদুর রহমান, স্কুল অ্যান্ড কলেজ সম্পাদক জায়েদ হোসেন, প্রচার সম্পাদক সোয়াইব আহম্মেদ, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ফরহাদ রেজা ওসামা এবং প্রকাশনা ও সাহিত্য সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ নাকিব উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পাঁচটি আবাসিক হলের সভাপতিসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আট দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো-বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হলে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের দ্রুত অপসারণ; রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় সুপারিশ বা প্রশাসনিক প্রভাবের ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ বন্ধ; মেধা, জ্যেষ্ঠতা ও নীতিমালা অনুসরণ করে সিট বরাদ্দ; বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত; প্রতিটি হলের সিট বণ্টনের তালিকা প্রকাশ করা যেন কোনো শিক্ষার্থী বা সংগঠন সিট বাণিজ্য বা অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না পায়; হলগুলোতে বহিরাগত প্রবেশ ও রাজনৈতিক অপচর্চা বন্ধ করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত; সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কার্যকর ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হলের ডাইনিংয়ে সুষম খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি দ্রুত সময়ে মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ ও শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান তারা।


সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল কোনো রাজনৈতিক দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তার কিংবা দলীয় লোকজনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে আশ্রয় দেওয়ার জায়গা হতে পারে না। হলের সিট একজন শিক্ষার্থীর অধিকার এবং তা মেধা, বৈধতা, জ্যেষ্ঠতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালার ভিত্তিতে বণ্টন করা উচিত।


তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে দীর্ঘদিন ধরে সিট বণ্টন নিয়ে বৈষম্য, অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি শহীদ জিয়াউর রহমান হলে বৈধ সিট না থাকা সত্ত্বেও একজন রাজনৈতিক কর্মীর দীর্ঘদিন অবস্থানের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য হলেও অবৈধভাবে শিক্ষার্থীদের অবস্থানের অভিযোগ সামনে এসেছে।


ইউসুব আলী বলেন, একজন বৈধ শিক্ষার্থী আবাসিক সিটের জন্য অপেক্ষা করবে, অথচ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ অবৈধভাবে হলে অবস্থান করবে- এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার প্রশ্নে উপরোক্ত দাবি গুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। আমরা সংঘাত চাই না, আমরা ন্যায়সংগত সমাধান চাই। আমরা দখলদারিত্ব চাই না, আমরা শিক্ষার্থীদের অধিকার চাই। আমরা দলীয় প্রভাব চাই না, আমরা মেধা ও বৈধতার ভিত্তিতে আবাসিক ব্যবস্থা চাই।


তিনি আরও বলেন, প্রশাসন যদি যথাযথ ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করে, আমরা তা স্বাগত জানাব। একই সঙ্গে কোনো ধরনের অনিয়ম, বৈষম্য কিংবা রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধিকার খর্ব করা হলে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আমাদের দাবি স্পষ্ট হল হবে শিক্ষার্থীদের জন্য, সিট হবে মেধার ভিত্তিতে, প্রশাসন হবে নিরপেক্ষ, ক্যাম্পাস হবে নিরাপদ।

'তোর পাওয়ার ২৮ দিন, এরপর পিটাইয়া বের করবো'

চাকসুর হলের ভিপিকে ছাত্রদল নেতার হুমকি


অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হল

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪০ পিএম

‘তোর পাওয়ার গুনে গুনে আর ২৮ দিন আছে, ২৮ দিন পরে তোরে হল থেকে পিটাইয়া বের করব, আমি নাসিম যদি এই হলে থাকি।’-এভাবেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হল সংসদের সহসভাপতিকে (ভিপি) হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। হুমকির একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাত আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীশ দীপঙ্কর হলে এই ঘটনা ঘটে। ওই হলের ছাত্র সংসদের ভিপি রিপুল চাকমাকে এই হুমকি দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক শেখ নাসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে এই হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ঘটনাস্থলে হলের এক আবাসিক শিক্ষকও উপস্থিত ছিলেন।


বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রিপুল চাকমা ও শেখ নাসিম উদ্দিন দুজনই হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে এক তরুণ ব্যাগ নিয়ে হলে আসেন। রিপুল চাকমা ওই তরুণের কাছে পরিচয় জানতে চান। তখন ওই তরুণ বলেন, তিনি হলের ৩১৩ নম্বর কক্ষে উঠেছেন। তখন অবৈধভাবে হলে শিক্ষার্থী তোলা হচ্ছে অভিযোগ এনে বিষয়টি হলের জ্যেষ্ঠ আবাসিক শিক্ষক নূরে আলমের কাছে জানান। এরপর শিক্ষক নূরে আলম হলের কক্ষটি পরিদর্শনে যান। তাঁর সঙ্গে রিপুল চাকমা এবং কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।


৩১৩ নম্বর কক্ষটিতেই থাকেন ছাত্রদল নেতা শেখ নাসিম উদ্দিন। হলের জ্যেষ্ঠ আবাসিক শিক্ষক কক্ষটিতে নতুন করে কাউকে তোলা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে রিপুল চাকমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শেখ নাসিম উদ্দিন। একপর্যায়ে রিপুল চাকমাকে হল থেকে পিটিয়ে বের করার হুমকি দেন।


রিপুল চাকমা বলেন, ‘ঘটনাটি আবাসিক শিক্ষকের সামনেই ঘটেছে। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে নাসিম আমাকে মারার জন্য তেড়ে আসেন। উপস্থিত অন্য শিক্ষার্থীরা তাঁকে সরিয়ে দেন। ঘটনার ভিডিও আমার কাছে আছে।’ 


তিনি বলেন, ‘পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য এবং চাকসু নেতারা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আমাদের এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়।’


জানতে চাইলে শেখ নাসিম উদ্দিন দাবি করেন রিপুল চাকমা তাঁকে গালাগাল করেছেন। এ ছাড়া ভিপির ক্ষমতা দেখিয়ে হলের গেটে তালা দেওয়ার কথা বলায় তিনি রিপুলের ওপর ক্ষুব্ধ হন। 


তবে হলের গেটে তালা লাগানোর কথা বলা এবং গালাগালের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রিপুল চাকমা।


শেখ নাসিম উদ্দিন বলেন, ‘কয়েকজন জুনিয়র আমার কক্ষে ঘুরতে এসেছিল। এরপর অবৈধভাবে হলে শিক্ষার্থী তুলছি-এমন মিথ্যা অভিযোগ তুলে রিপুল হলের আবাসিক শিক্ষককে ডেকে নিয়ে আসেন। আগেও রিপুল একাধিকবার একই কাজ করেছেন। যদিও কোনোবারই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এবারও ভিপি পরিচয়ে ক্ষমতা দেখাতে আসায় তাঁর সঙ্গে আমার কিছুটা কথা-কাটাকাটি হয়েছে।’


অতীশ দীপঙ্কর হলের প্রাধ্যক্ষ ও সহযোগী অধ্যাপক এ জি এম নিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘মূলত হলের আবাসিক শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর সেখানে ছিলেন। তাঁরা বিষয়টি মীমাংসা করেছেন। এটি দুটি পক্ষের ভুল-বোঝাবুঝির ঘটনা। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।’


বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক কামরুল হোসেন বলেন, ‘একটি কক্ষে অবৈধভাবে কোনো শিক্ষার্থী উঠেছেন, হল সংসদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে হল প্রশাসন অভিযান চালায়। তবে সেখানে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে। পরে আমরা বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ 


তিনি বলেন, ‘কারও কোনো অভিযোগ থাকলে, লিখিতভাবে দিতে বলেছি। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘কেউ যদি দলের পরিচয়ে শৃঙ্খলাবিরোধী কোনো কাজ করে থাকে এবং সেটি যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৮ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গাঁজা সেবন অবস্থায় দুই শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সেল। আটককৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের ২০২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী সুফিয়ান ও একই বিভাগের নাহিদুজ্জামান।


সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠের পশ্চিম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 


জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠ সংলগ্ন অন্ধকার স্থানে বসে গাঁজা প্রস্তুত করছিল। একপর্যায়ে নিরাপত্তা সেলের এক কর্মী তাদের হাতেনাতে গাজাসহ ধরে। পরে তাদেরকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। বিভাগের চেয়ারম্যানের অবগতির ভিত্তিতে আগামীকাল (মঙ্গলবার) প্রক্টর অফিসে মিটিং ডাকা হয়েছে। 


সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে প্রক্টরিয়াল বডির জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত দুই শিক্ষার্থী বলেন, আমরা এটা অন্যায় কাজ করেছি। আমরা নিয়মিত সেবন করি না। গাঁজা সাপ্লাইয়ের সাথে যারা জড়িত ছিল এমন কয়েকজনের নামও দিয়েছে তারা।


প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স। যার কাছে পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধেই একশনে যাওয়া হবে। প্রক্টরিয়াল বডি সহ আমাদের নিরাপত্তা কর্মীরা সারারাত সজাগ থাকে। কেউ অন্যায় কাজ করার সুযোগ পাবে না। ওই শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতিকে অবহিত করা হয়েছে। দিনে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”


‎নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:১৪ পিএম

‎নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোবিপ্রবি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) সেমিনার কক্ষে সামাজিক সংগঠন স্বজন এর উদ্যোগে সচেতনতামূলক এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। 


এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি তাদের মানসিক সুস্থতার বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। পড়াশোনা, পারিবারিক প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার, সম্পর্কসহ নানা কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। এসব পরিস্থিতিতে সমস্যাগুলো নিজের মধ্যে চেপে না রেখে পরিবার, বন্ধু, শিক্ষক কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী পেশাদার পরামর্শদাতার সঙ্গে কথা বলা জরুরি। 


উপাচার্য আরও বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক সুস্থতা পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত। তাই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্যাভ্যাস, সামাজিক যোগাযোগ এবং ইতিবাচক জীবনযাপনের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। ‎


একই সঙ্গে বন্ধু, সহপাঠী ও স্বজনদেরও আশপাশের মানুষের আচরণ ও মানসিক অবস্থার পরিবর্তনের প্রতি সচেতন দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


‎সেমিনারে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৬ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৭ পিএম


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৬ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং তৎকালীন ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ব্যক্তিদের ছবি সংগ্রহশালায় প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের এ অবস্থানের কথা জানায়।


প্রশাসনের ভাষ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রহশালায় ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ও ঘটনাবলির উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের মর্যাদা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। জিন্নাহ ও আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের বিষয়টি সেই ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তারা এ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।


 ডাকসুর সংগ্রহশালা সংস্কারে ঠাঁই পেলেন জিন্নাহ, সরলো বঙ্গবন্ধুর ছবি


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডাকসু ছাত্রপ্রতিনিধিত্বশীল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। তবে এর সব কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হতে হবে।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, সংগ্রহশালায় বিতর্কিত ব্যক্তিদের ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ডাকসুর ‘নির্ভীক জুলাই’ নিয়েও আপত্তি


ডাকসু সংগ্রহশালার পাশাপাশি ডাকসুর আরও কয়েকটি কর্মকাণ্ড নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


প্রশাসনের অভিযোগ, ডাকসু ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে কলাভবনসংলগ্ন ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে দুটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করেছে। এসব স্থাপনা নির্মাণের আগে সিন্ডিকেট বা উপাচার্যের কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি এবং প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়নি।


বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডার, ১৯৭৩-এর ২৪(এ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তির তদারকি, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সিন্ডিকেটের ওপর ন্যস্ত। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের Ordinances and Regulations-এর Chapter XIV-এর ধারা ৪-এর নোট অনুযায়ী, ছাত্র সংসদকে উপাচার্যের নির্দেশনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হয়।


এ কারণে অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ ডাকসুর এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না বলে জানিয়েছে প্রশাসন।


  ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন সাবেক ঢাবি শিক্ষার্থী


শিক্ষক মূল্যায়নের ওয়েবসাইট নিয়েও আপত্তি


শিক্ষকদের মূল্যায়নের জন্য ডাকসুর উদ্যোগে অনুমোদন ছাড়া একটি ওয়েবসাইট চালুর বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


কর্তৃপক্ষ বলেছে, শিক্ষক মূল্যায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়। এ জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ‘টিচিং ইভালুয়েশন’ নীতিমালা রয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুমোদিত। তাই অনুমোদিত কাঠামোর বাইরে পৃথক কোনো শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর সুযোগ নেই।


প্রশাসনের দাবি, ডাকসুর চালু করা ওই ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে। এটি আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অনুমোদিত নীতিমালার বাইরে গিয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করার শামিল বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


‘দ্বৈত প্রশাসন’ প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের ‘দ্বৈত প্রশাসন’ প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই। প্রশাসনিক কর্তৃত্বকে পাশ কাটিয়ে সমান্তরাল কোনো কাঠামো বা প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।


প্রশাসনের ভাষ্য, ডাকসু গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রপ্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি ও নীতিমালার বাইরে গিয়ে কোনো কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই।


ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের মর্যাদা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অনুমোদন ছাড়া স্থাপনা নির্মাণ কিংবা পৃথক প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।


  • প্রকাশ : সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:২৬ পিএম

পুরান ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিচালিত বিতর্ক সংগঠন ‘ওল্ড ঢাকা ডিবেটিং সোসাইটি’র সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বোটানি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার তানভীর এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়ামিন সাদাত।


আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির নেতৃত্ব নির্বাচনে তারা এ দায়িত্ব পান। শাহরিয়ার তানভীর বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আর ইয়ামিন সাদাত ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।


পুরান ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতর্কচর্চার প্রসার, যুক্তিবোধ ও চিন্তাশক্তির বিকাশ এবং নেতৃত্বের দক্ষতা তৈরিতে কাজ করছে ওল্ড ঢাকা ডিবেটিং সোসাইটি। নিয়মিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা, কর্মশালা ও বিভিন্ন বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের একটি সুস্থ ও যুক্তিনির্ভর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।


নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ইয়ামিন সাদাত বলেন, “ওল্ড ঢাকা ডিবেটিং সোসাইটির সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত। আমাদের লক্ষ্য হলো বিতর্কের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, চিন্তাশক্তি ও নেতৃত্বের দক্ষতা বিকশিত করা। সবার সহযোগিতায় পুরান ঢাকায় একটি শক্তিশালী বিতর্কচর্চার পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।”


নির্বাচিত সভাপতি শাহরিয়ার তানভীর বলেন, “পুরান ঢাকার ঐতিহ্য ও মুক্তচিন্তার ধারাকে সঙ্গে নিয়ে, ওল্ড ঢাকা ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি হতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত। নিয়মিত কর্মশালা ও বিতর্ক উৎসবের মাধ্যমে পুরান ঢাকার যুক্তিবাদী চর্চাকে আরও গতিশীল করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”