নায়িকা পূজা চেরি
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা পূজা চেরি নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দীর্ঘদিনের গুঞ্জন ও জল্পনার অবসান ঘটালেন। প্রথমবারের মতো খোলাখুলি জানালেন তিনি আর সিংগেল নন, বরং বাগদান সেরে ফেলেছেন। এমনকি ভবিষ্যতের সংসার টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনে অভিনয়ও ছেড়ে দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে পডকাস্টে হাজির হয়ে নিজের সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ করেন পূজা।
তিনি বলেন, আমি এনগেজড। এই প্রথমবার আমি এটি প্রকাশ্যে বলছি। এর আগে অনেকবার বলেছি আমি সিংগেল, কিন্তু আসলে আমি সিংগেল না। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আংটি বদলের মতো কিছু হয়নি।
নিজের হবু জীবনসঙ্গী সম্পর্কে পূজা জানান, তিনি মিডিয়ার কেউ নন। অভিনেত্রীর ভাষায়, তিনি মিডিয়ার লোক নন, প্রশ্নই আসে না। আমি যে পেশায় আছি, এই পেশার মানুষকে আমি বিশ্বাস করতে পারি না।
ব্যক্তিজীবনে সংসারকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চান পূজা। তিনি বলেন, আমি একটি সাংসারিক মেয়ে হতে চাই। আমার জীবনে ‘ডিভোর্স’ শব্দটা আসুক এটা আমি চাই না। সংসার ঠিক রাখতে হলে প্রয়োজনে মিডিয়াও ছেড়ে দিতে পারি।
অভিনয় তার ভালোবাসার জায়গা হলেও, সংসারকে অগ্রাধিকার দিতে প্রস্তুত বলেও জানান এই নায়িকা। পূজার ভাষায়, অভিনয় আমার শখ এবং ভালোবাসা। এখানে আমার ও আমার মায়ের অনেক সংগ্রাম আছে। কিন্তু সংসার বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনে এটাও ছাড়তে পারি।
বিয়ের পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। পূজা জানান, মানসিকভাবে প্রস্তুত হলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন এবং সেটি গোপন রাখবেন না। তার হবু স্বামী তাকে সবসময় সমর্থন দেন বলেও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।
এদিকে ক্যারিয়ারের প্রায় আট বছর পার করছেন পূজা চেরি। ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘দম’। এই সিনেমার মধ্যে দিয়ে প্রথমবারের মতো আফরান নিশোরবিপরীতে অভিনয় করেছেন পূজা। সিনেমাটির প্রচারণার মাঝেই ব্যক্তিগত জীবনের এই স্বীকারোক্তি ভক্তদের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
এ প্রজন্মের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। ২০১৮ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন তিনি। গেল কোরবানি ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রেশার কুকার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছে তার।
এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে। বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে ডেকে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। রোববার (২৬ জুলাই) রাতে এ ঘটনায় তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খিলক্ষেত থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহারে স্নিগ্ধা চৌধুরী অভিযোগ করেন, বিজ্ঞাপনের একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কথা বলে তাকে একটি হাসপাতালে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আইনি পদক্ষেপ নেননি। পরে ন্যায়বিচারের আশায় থানায় মামলা করেন।
ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান তাকে ‘জেবা তাকিয়া’ নামের অন্য এক নারী মনে করে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সেই সময় ইমন পরিস্থিতি শান্ত না করে উল্টো স্নিগ্ধাকে ওই পরিচয় মেনে নেওয়ার জন্য ইশারা করেন। অভিনেত্রী দাবি করেন, জেবা তাকিয়া চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন। তিনি স্নিগ্ধাকে তাকিয়া ভেবে মারধর করেছেন।
স্নিগ্ধা বলেন, ‘তিনি রশি দিয়ে আমার দুই পা বাঁধল। এবং সেই রশি সম্পর্কে আমাকে বলে, এই রশি দিয়ে হাসিনা-রাজাকারদেরকে ফাঁসি দিয়েছে! তারেক রহমান আইসা আমার পায়ের কাছে পড়ে থাকে। হাসিনা আমার পায়ের কাছে পড়ে থাকে। সালাউদ্দিন আমার পায়ের কাছে পড়ে থাকে! তোর মতো মেয়ে মরলে আমার কিছু যায় না। আমি প্রতিদিন মাটি চাপা দিয়ে রাখি।’
তিনি যোগ করেন, ‘আমি ওই রুমের মধ্যে একা। তার যত লোকজন আছে সবাইকে বের করে দিয়েছে। আমার হাত বাঁধছে, আমার পা বাঁধছে, আমার ফোনটা ছুঁড়ে মারছে, মেরে আমার গলা চিপে ধরছে!’
অভিনেত্রী জানান, মারধরের সময় চেয়ারম্যানকে তিনি বলেন, আপনার নিজের সন্তান আছে, আল্লাহ রহম করেন। তখন অভিযুক্ত অভিনেত্রীর চুল টেনে ধরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাথি মারেন, যার ফলে তার শরীর ফুলে গেছে।
শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে তিনি বলেন, আমার বাবা-মা আমাকে জীবনে টোকা দেয় নাই! আমার বাবা-মা জীবনে আমাকে একটু টোকা দেয় নাই। সে আমার চুল টেনে ধরে লাথি মেরেছে। এগুলা ফুলে ফুলে আছে।
অভিনেত্রীর দাবি, ব্যক্তিজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় তিনি প্রথমে আইনি পদক্ষেপ নেননি। পরে তিনি খিলক্ষেত থানায় গিয়ে মামলা করার উদ্যোগ নেন।
স্নিগ্ধা চৌধুরী বাংলাদেশের একজন পরিচিত মডেল ও অভিনেত্রী। তিনি ২০১৮ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন। গত ঈদে সিনেমাহলে মুক্তি পায় তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘প্রেশার কুকার’।
অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
এ প্রজন্মের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। ২০১৮ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন তিনি। গত কোরবানি ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রেশার কুকার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছে তার।
এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বিজ্ঞাপনের চুক্তির প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে ডেকে নিয়ে তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। এই অভিযোগ এনে মামলাও করেছেন স্নিগ্ধা।
সেই মামলায় এরইমধ্যে জামিন পেয়েছেন অভিযুক্ত। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেন স্নিগ্ধা চৌধুরী। সেখানে তিনি জানান, তাকে বারবার হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি এই ঘটনায় বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘টাকার কত ক্ষমতা? একটা মেয়েকে ডেকে নিয়ে এভাবে নির্যাতন করার পরও তাকে গ্রেফতার করা হলো না। বরং একজন প্রতিমন্ত্রীর আন্ডারে তার জামিন হয়ে গেছে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর বিচার চাই। তিনি একজন বড় মনের মানুষ। তার ঘরেও আমার মতো একজন মেয়ে আছেন। আমার বিশ্বাস তিনি এই ঘটনাটা দেখবেন। আমি যেন ন্যায়বিচার পাই সেটা নিশ্চিত করবেন।’
বিচার না পেলে আত্মহত্যা করবেন জানিয়ে স্নিগ্ধা আরও বলেন, ‘আমাকে প্রতিনিয়ত মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যেখানে আমার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা জরুরি সেখানে উল্টো অপরাধী অগ্রিম জামিন পেয়ে যায়। কোন দেশে আছি আমরা? যদি আমার কিছু হয় বা অপমৃত্যু হয় তবে ওরা সবাই দায়ী থাকবে।’
চুক্তি সইয়ের নামে হাসপাতালে ডেকে নির্যাতনের অভিযোগ, অভিনেত্রীর মামলা
মাহিরা খান
সামাজিক মাধ্যমে তাদের পারস্পরিক প্রশংসা কিংবা সহমর্মিতার ছবি দেখে ভক্তদের মনে হতেই পারে পাকিস্তানি বিনোদন জগতের শীর্ষ তারকাদের বুঝি প্রগাঢ় বন্ধুত্ব! তবে সেই ধারণায় এবার নিজেই জল ঢেলে দিলেন বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান। তিনি জানান, শিল্পীদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকলেও পর্দার পেছনের বাস্তব চিত্রটি পুরোপুরি ভিন্ন।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এক ইভেন্টে আয়োজিত গাজায় মানবতাবাদী ত্রাণ তহবিলের এক চ্যারিটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মাহিরা। ব্রিটিশ-পাকিস্তানি ভক্তদের সঙ্গে মতবিনিময়ের একপর্যায়ে তাকে প্রশ্ন করা হয় পরবর্তী প্রজেক্টে সাজাল আলি, হানিয়া আমির ও ইকরা আজিজের মধ্যে কার সঙ্গে কাজ করতে চান তিনি?
প্রশ্নটি শুনেই জবাব দেওয়ার আগে বিষয়টি পরিষ্কার করে নেন মাহিরা। তিনি বলেন, ‘আমি তাদের সবার সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে আছি, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তাদের কারো সাথেই আমার বন্ধুত্ব নেই।’
অভিনেত্রী ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, যার যার ব্যস্ত সূচির কারণে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ বা আড্ডা দেওয়ার সুযোগ একেবারেই হয়ে ওঠে না। তবে সহকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের রেষারেষি বা তিক্ততার কথা নাকচ করে দেন তিনি। ইন্ডাস্ট্রিভিত্তিক শত্রুতার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে মাহিরা জোর দিয়ে বলেন, তাদের মাঝে কোনো বৈরিতা নেই।
এমনকি সহশিল্পী সাজাল আলির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে মাহিরা মন্তব্য করেন, যদি ভবিষ্যতে কোনো সিনেমায় তারা দুজন একসাথে অভিনয় করার সুযোগ পান, তবে তা পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হতে পারে।
লন্ডনের সেই অনুষ্ঠানে দেওয়া মাহিরার এমন স্পষ্ট ও খোলামেলা মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে। অনুরাগীরা তার এই সততার প্রশংসা করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিশেষ করে সাজালের সঙ্গে পর্দায় তাকে দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন।
উল্লেখ্য, কাজের জায়গায় মাহিরা খানকে সবশেষ দেখা গেছে ‘লাভ গুরু’, ‘নিলোফার’ ও ‘আগ লাগে বস্তি মে’ প্রজেক্টে। এছাড়া ‘রাজিয়া’, ‘হাম কাহান কে সাচে থে’, ‘এক হ্যায় নিগার’, ‘সাদকে তুমহারে’, ‘বিন রায়’ এবং ‘কায়েদ-ই-আজম জিন্দাবাদ’-এর মতো তুমুল জনপ্রিয় প্রজেক্টে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। খুব শিগগিরই তাকে ওয়াহাজ আলির বিপরীতে নতুন ড্রামা সিরিজ ‘মিত্টি দে বাওয়ে’-তে দেখা যাবে।
পিয়া জান্নাতুল। ছবিঃ সংগৃহীত
নিরাপত্তা চেয়ে করা আইনজীবী ও আলোচিত মডেল জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া ওরফে পিয়া জান্নাতুলের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন বনানী থানা পুলিশকে জিডির বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোস্তফা কামাল বলেন, পিয়া জান্নাতুলের জিডির বিষয়ে বনানী থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এর আগে গত ৮ জুলাই পিয়া জান্নাতুল বনানী থানায় জিডি করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, অতীত বা বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত নন তিনি। তার কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও নেই।
সম্প্রতি একজন নারীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে সম্পূর্ণ মানবিক ও আইনসম্মত অবস্থান গ্রহণ করার পর গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসংখ্য হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আপত্তিকর বার্তা পাচ্ছেন তিনি। এ ছাড়া অজ্ঞাত একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে হুমকিমূলক ফোনকল আসছে বলে জিডিতে উল্লেখ করেন পিয়া।
শুধু তাই নয়, প্রায় তিন মাস ধরে কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে বিভিন্ন স্থানে অনুসরণ করছে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কবোধ করছেন।
তার আশঙ্কা, যে কোনো সময় তার বা তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াসহ পুলিশি সুরক্ষা কামনা করেন পিয়া জান্নাতুল।
বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে ডেকে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। এ ঘটনায় তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রোববার (২৬ জুলাই) রাতে খিলক্ষেত থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, বিজ্ঞাপনের চুক্তি স্বাক্ষরের প্রলোভন দেখিয়ে স্নিগ্ধা চৌধুরীকে হাসপাতালে ডাকা হয়। সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
অভিনেত্রীর দাবি, ব্যক্তিজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় তিনি প্রথমে আইনি পদক্ষেপ নেননি। পরে তিনি খিলক্ষেত থানায় গিয়ে মামলা করার উদ্যোগ নেন।
স্নিগ্ধা চৌধুরী বাংলাদেশের একজন পরিচিত মডেল ও অভিনেত্রী। তিনি ২০১৮ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন। গত ঈদে সিনেমাহলে মুক্তি পায় তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘প্রেশার কুকার’।
রাকুল প্রীত সিং
অভিনয়ের কোনো স্বপ্ন, পরিকল্পনা কিংবা শৈশবের আকাঙ্ক্ষা ছিল না বলিউড অভিনেত্রী রাকুল প্রীত সিংয়ের। মোটা অঙ্কের এক পারিশ্রমিকই তাঁকে প্রথমবারের মতো ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের শুরুর গল্প তুলে ধরে অভিনেত্রী জানান, কলেজে পড়ার সময় হঠাৎ একটি সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পান। ছবিটির জন্য তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা জানানো হয়। সে সময় একজন কলেজছাত্রীর কাছে এত বড় অঙ্কের অর্থ ছিল অকল্পনীয়। তাই টাকার লোভেই তিনি প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছিলেন।
রাকুল জানান, তখন তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ছিল নিজের একটি গাড়ি কেনা। বন্ধুদের মধ্যে সবার আগে গাড়ির মালিক হতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই লক্ষ্য পূরণ করতেই প্রথম সিনেমায় অভিনয়ে রাজি হন। তবে তখনও তিনি ভাবেননি, এই সিদ্ধান্তই তাঁর ভবিষ্যৎ বদলে দেবে। প্রথম ছবির কাজ শেষ হওয়ার পর অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।
একই সঙ্গে নির্মাতা-প্রযোজকদের কাছ থেকেও নতুন নতুন কাজের প্রস্তাব আসতে থাকে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। একের পর এক দক্ষিণী সিনেমায় অভিনয় করে নিজের অবস্থান শক্ত করেন রাকুল প্রীত সিং।
পরে বলিউডেও সফলভাবে অভিষেক ঘটে তাঁর। বর্তমানে দক্ষিণী সিনেমা ও হিন্দি সিনেমা- দুই অঙ্গনেই সমান জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।
রাকুলের মতে, শুধু অর্থের জন্য নেওয়া সেই একটি সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। যে অভিনয়জগতে আসার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না, সেখানেই আজ তিনি পরিচিত ও সফল অভিনেত্রীদের একজন।