ছবি : সংগৃহীত
শুরু থেকে আলোচনায় থাকা বিনোদনের মেজাজে বানানো গুরুগম্ভীর রাজনৈতিক ঘরানার সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ ঝড় তুলল অস্কার মঞ্চে। চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে বড় সম্মান বলে বিবেচিত ৯৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের জিতল পল টমাস অ্যান্ডারসনের ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানদার’ সিনেমাটি।
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে রোববার সন্ধ্যায় অস্কারের জমকালো আসরে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। অস্কারের আসর সঞ্চালনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় কমেডিয়ান কোনান ও’ব্রায়েন।
শুরুতেই তিনি বলেন, ‘এবারের অস্কার হতে যাচ্ছে রাজনৈতিক’।
সেরা সিনেমা, সেরা নির্মাতাসহ ৬ শাখায় অস্কার জিতে নিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেওয়া অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অভিনীত এই সিনেমাটি।
তবে সেরা অভিনেতার অস্কার ছিটকে যাওয়ায় বড় সম্ভাবনা থাকলেও দ্বিতীয়বার আর অস্কার জয় হল না ক্যাপ্রিওর। অস্কার পেতে ১৩ শাখায় মনোনয়ন পেয়েছিল এই সিনেমাটি।
‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন পল টমাস অ্যান্ডারসন।
সেরা নির্মাতার পুরস্কার জিতে অ্যান্ডারসন বলেন, “এই প্রাপ্তির জন্যআমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। আপনাদের ধন্যবাদ।”
অ্যান্ডারসন বলের তার দলের সদস্যরা সম্মানিত, এই সম্মানের ভাগীদার হওয়ার জন্য।
রসিকতা করে অস্কারজয়ী এই নির্মাতা বলেন, “কোনো কিছু পাওয়ার আগে আপনার মনে সন্দেহ থাকতে পারে যে আপনি এটার যোগ্য কী না। কিন্তু কোনো সন্দেহ নেই আমি অস্কার পেয়ে আনন্দিত।”
তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি মানুষের আস্থা-ভরসা ও বিশ্বাস আমার উপরে আছে।”
১৯৯০ সালে প্রকাশিত টমাস পিনচনের উপন্যাস ‘ভাইনল্যান্ড’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমাটি বানিয়েছেন পল টমাস অ্যান্ডারসন। যার সঙ্গে এ সময়ের যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তবতার মিল পাওয়া যায়। বিপ্লব, অভিবাসন, দুর্নীতি, সংঘর্ষ, শ্বেতাঙ্গদের আধিপত্য-কী নেই এই সিনেমায়।
বলা হয়, ‘এই সিনেমা অসন্তোষ, প্রতিবাদ আর সমাজের বাইরে থাকা একাকী নায়কের গল্প, যা আজকের আমেরিকায় দেখা যায় না।’
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন বলে জানা গেছে।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিনেমাটিকে ‘সমাজের আয়না’ বলে অভিহিত করেছিলেন মূল চরিত্রাভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। তার ভাষ্যে, “আমাদের সংস্কৃতির বিভাজন আর চরম মেরুকরণকে দেখায় এই সিনেমা। যদিও সিনেমার নির্দিষ্ট কোনো বার্তা নেই, তবে চরমপন্থার একধরনের প্রভাব এখানে কাজ করেছে।”
এই সিনেমায় রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, ব্ল্যাক কমেডি ও অ্যাকশন আছে, যার প্রশংসা করেছেন সমালোচকেরা।
দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, এই সিনেমা অসন্তোষ, প্রতিবাদ আর সমাজের বাইরে থাকা একাকী নায়কের গল্প, যা আজকের আমেরিকায় দেখা যায় না।
সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী
ডিক্যাপ্রিও বা টিমোথি শ্যালামে নন, সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অস্কারে সেরা অভিনেতা হলেন ‘সিনার্স’ অভিনেতা মাইকেল বি জর্ডান।
রায়ান কুগলার পরিচালিত হরর ছবি ‘সিনার্স’–এ দ্বৈত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য এ পুরস্কার পেলেন তিনি।
সিনার্স’ একদিকে এটি যেমন হরর সিনেমা, অন্যদিকে ব্লুজ সংগীতনির্ভর মিউজিক্যাল, আবার একই সঙ্গে গ্যাংস্টার থ্রিলার। অর্থাৎ ত্রিশের দশকের মিসিসিপিকে কেন্দ্র করে নির্মিত গভীর গবেষণাভিত্তিক ঐতিহাসিক ড্রামা হল ‘সিনার্স’।
সিনেমায় যমজ ভাইয়ের চরিত্রাভিনেতা মাইকেল বি. জর্ডান যেন নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করেছেন।
তবু এই ছবিতে দ্বৈত চরিত্রে, স্মোকস্ট্যাক যমজ ভাই হয়ে নিজের জাত চিনিয়েছেন মাইকেল। শরীরী ভাষা ও কণ্ঠের সূক্ষ্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে দুই ভাইকে আলাদা করে তুলেছেন নিজের দক্ষতায়।
পুরস্কার পেয়ে ছোট্ট কথায় মাইকেল বি. জর্ডান বলেন, ‘তিনি হতবাক’।
পুরস্কার হাতে কৃষ্ণাঙ্গ অভিনয়শিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাইকেল বি. জর্ডান বলেন, “তারা আমার আগে শুরু করেছিলেন বলেই আমি আজ এখানে আসতে পেরেছি।”
সহশিল্পীদের প্রতি তার ভাষ্য, ‘তোমরা সবাই মিলে এই সিনেমাটি তৈরি করেছ’।
আরও বলেন, “আজ এখানে আমার বাবা এসেছেন. পরিবারের সদস্যরা এসেছেন, তারাও অভিভূত।”
সেরা অভিনেত্রী জেসি বাকলি। গোল্ডেন গ্লোব, ক্রিটিকস চয়েজ, বাফটা, অ্যাক্টার অ্যাওয়ার্ডসের পর সমালোচকরা ধারণা করেছিলেন, এই শাখায় অস্কারটি যাচ্ছে বাকলির হাতে। অস্কার মঞ্চেও চমক দেখালেন তিনি।
চার প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলে ক্লোয়ি ঝাওয়ের ‘হ্যামনেট’ সিনেমার জন্য এ পুরস্কার পেলেন এই আইরিশ তারকা।
বাকলি অস্কার জিতে গড়লেন ইতিহাসও। কারণ তাহলে প্রথম কোনো আইরিশ অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জয় করলেন এই অভিনেত্রী।
বাকলি অভিনীত ‘হ্যামনেট’ ম্যাগি ও ফ্যারেলের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত, যা উইলিয়াম শেক্সপিয়ার ও তার স্ত্রী অ্যাগনেস হ্যাথাওয়ের জীবনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
এতে ১১ বছর বয়সী পুত্র হ্যামনেটের মৃত্যুতে পারিবারিক শোক, সংকট এবং শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক ‘হ্যামলেট’ সৃষ্টির পেছনের আবেগঘন পারিবারিক কাহিনী দেখানো হয়েছে। সিনেমাতে আরও আছেন পল মেসক্যাল।
এই সিনেমা সন্তান হারানোর শোক নিয়ে। সমালোচকদের ভাষ্য, এই সিনেমায় বাকলি নিজেকে শেক্সপিয়ারের স্ত্রী অ্যাগনেস হ্যাথাওয়ের চরিত্রে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়েছেন।
নির্মাতা ক্লোয়ি ঝাওয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাকলি। কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তার স্বামীর প্রতি।
অশ্রুস্বজল চোখে বাকলি বলেন, “আমার বাবা-মা সব সময় স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন।
"আজ যুক্তরাজ্যে মা দিবস, তাই আমি এটি একজন মায়ের হৃদয়ের প্রতি এই অস্কার উৎসর্গ করতে চাই। এই ভূমিকায় আমাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।”
পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী
পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন অ্যামি মুলিগান; আলোচিত হরর সিনেমা 'ওয়েপনস'-এর জন্য পুরস্কার পেলেন তিনি। সেরা পার্শ্ব চরিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন শন পেন। ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ এর অভিনেতা শন পেন এই শাখায় পুরস্কার পাওয়ার দৌঁড়ে এগিয়েই ছিলেন।
জয়ের হাসি হাসল যারা
• সেরা সিনেমা: ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার
• সেরা অভিনেত্রী: জেসি বাকলি (হ্যামনেট)
• সেরা অভিনেতা: মাইকেল বি জর্ডান (সিনার্স)
• সেরা পরিচালক: পল টমাস অ্যান্ডারসন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার)
• সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী: অ্যামি মুলিগান (ওয়েপনস)
• সেরা পার্শ্ব অভিনেতা: শন পেন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার)
স্যার প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট। ছবি: সংগৃহীত
ব্রিটিশ অভিনেতা স্যার প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট মারা গেছেন। ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’ সিরিজে ক্যাপ্টেন জ্যাঁ-লুক পিকার্ড এবং ‘এক্স-মেন’ চলচ্চিত্র সিরিজে প্রফেসর চার্লস জেভিয়ার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিলেন তিনি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলঝেইমার রোগ ও লিউই বডি ডিমেনশিয়ায় ভোগার পর তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর সময় স্ত্রী সানি ও পরিবারের সদস্যরা তার পাশে ছিলেন। পরিবার ও বন্ধুদের সান্নিধ্যে, সংগীত, প্রার্থনা, কান্না ও হাসির মধ্য দিয়ে জীবনের শেষ সময় কাটান তিনি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তার শান্ত ও প্রশান্ত মুখচ্ছবি পরিবারের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের অভিনয়জীবন ছয় দশকেরও বেশি সময়ের। মঞ্চ, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে কাজ করে তিনি নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। বিশেষ করে বিজ্ঞান কল্পকাহিনিনির্ভর ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’ সিরিজে ক্যাপ্টেন জ্যাঁ-লুক পিকার্ড চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।
পরে ‘এক্স-মেন’ চলচ্চিত্র সিরিজে প্রফেসর চার্লস জেভিয়ার চরিত্রে অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ সময় ধরে চরিত্রটিতে অভিনয়ের মাধ্যমে মার্ভেলের অন্যতম পরিচিত মুখে পরিণত হন তিনি। ২০১০ সালে নাট্যশিল্পে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ব্রিটিশ রাজপরিবার ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করে। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র ও বিনোদনজগতের অনুরাগীদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
রাসেল মিয়া
কখনো সিনেমার প্রচারে রিকশা চালিয়ে, কখনো ঠেলাগাড়ি ঠেলে আবার কখনো নানা ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ডে আলোচনায় এসেছেন অভিনেতা রাসেল মিয়া। নিজের সিনেমার প্রচার থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনের নানা সিদ্ধান্ত- সব মিলিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনায় ছিলেন তিনি। এবার হঠাৎ করেই চলচ্চিত্র ও নাটকের জগৎ থেকে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দিলেন এই অভিনেতা। জানালেন, আল্লাহর কাছে গিয়েছিলেন, কিন্তু আল্লাহর রহমতে আবার ফিরে এসেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এমন ঘোষণা দেন রাসেল মিয়া।
সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমি আমার আল্লাহর কাছে গিয়েছিলাম। আল্লাহ দয়া করে আমাকে রেখে দিয়েছেন।
আলহামদুলিল্লাহ!’এরপরই অভিনয়জীবন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। রাসেল মিয়া লেখেন, ‘আজ থেকে আমার চলচ্চিত্র ও নাটকের কর্মস্থলের সকল কাজ থেকে আমি পুরোপুরি বিদায় নিলাম। তবে আমার সকল প্রিয় সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে সবসময় আল্লাহর জন্য যোগাযোগ থাকবে। ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ দয়া করে আপনি আমাকে মাফ করে দিন।’
তবে কী ঘটেছিল তার জীবনে? কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, কিংবা আল্লাহর কাছে যাওয়ার কথা বলে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন—সে বিষয়ে পোস্টে বিস্তারিত কিছু জানাননি এই অভিনেতা।
যেভাবে আলোচনায় এসেছিলেন রাসেল মিয়া
একসময় ইউটিউবে কনটেন্ট তৈরি করে পরিচিতি পাওয়া রাসেল মিয়া পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্রে যুক্ত হন। ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তি পাওয়া ‘ভাইয়ারে’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পরিসরে আলোচনায় আসেন তিনি। সিনেমাটির নির্মাণের পাশাপাশি অভিনয়ও করেন রাসেল।
তবে সিনেমার গল্পের চেয়ে প্রচারণার ধরনই বেশি আলোচনার জন্ম দেয়। কখনো রিকশা চালিয়ে, কখনো ঠেলাগাড়ি ঠেলে সিনেমাটির প্রচার করেন তিনি। এমনকি সিনেমাটিকে ‘পাপমুক্ত’ বলে প্রচার এবং ‘অজু নিয়ে দেখা যাবে’—এমন বক্তব্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন।
সিনেমাটির প্রচারণার সময় একটি প্রেক্ষাগৃহের সামনে তার কান্নার দৃশ্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এসব ঘটনায় একদিকে যেমন তিনি আলোচনায় আসেন, অন্যদিকে নানা বিতর্কেরও জন্ম হয়।এরপর বিভিন্ন সময়ে নতুন সিনেমা ও ব্যতিক্রমী প্রচারণা নিয়ে সামনে এসেছেন রাসেল মিয়া। ২০২৫ সালে রকিবুল আলম রকিব পরিচালিত ‘গোয়ার’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। ছবিটির প্রচারণায় এফডিসির সামনে অসহায় মানুষদের নিজের হাতে রান্না করে খাবার পরিবেশন করেও আলোচনায় আসেন। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করেন জলি, মিশা সওদাগর, হেলেনা জাহাঙ্গীরসহ অনেকে।
ব্যক্তিজীবন নিয়েও ছিল আলোচনা
শুধু অভিনয় কিংবা সিনেমার প্রচারণা নয়, ব্যক্তিজীবন নিয়েও বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন রাসেল মিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখ বর্ষা চৌধুরীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তবে সেই সংসার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
পরবর্তী সময়ে এক সাক্ষাৎকারে রাসেল জানিয়েছিলেন, জীবনে আর বিয়ে করবেন না। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একা থাকার সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।
চলতি বছরের জুনে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনে ‘আরমান-মুক্তি’ প্যানেল থেকে দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার খবরেও আলোচনায় আসেন এই অভিনেতা।
উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর শোভাযাত্রা। ছবি: সংগৃহীত
‘সংগ্রাম শুরু করো মুক্তির, দিন নেই তর্ক ও যুক্তির’ স্লোগানে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সামনের সড়কে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী এ আয়োজন শুরু হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে থাকছে পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
উদীচীর পতাকার রূপকার শিল্পী আনোয়ার হোসেন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। এ সময় উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সংগীত বিভাগের শিল্পীরা জাতীয় সংগীত, সংগঠন সংগীত ও একটি গণসংগীত পরিবেশন করেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় আবৃত্তি বিভাগের বাচিক শিল্পীরা ‘শিশু হত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা’ শিরোনামে বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন। রিপন আচার্য শিশিরের গ্রন্থনা ও শিখা সেন গুপ্তার নির্দেশনায় পরিবেশিত এ পর্বটি সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। সেগুনবাগিচা থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অনুষ্ঠানস্থলে এসে শেষ হয়। পরে বিকেল ৫টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের শতবর্ষ উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ১০০ বছর আগে বাঙালি মুসলিম সমাজে প্রগতিশীল চিন্তাধারার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এ আন্দোলনের ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিমের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলা একাডেমির গবেষক ও লেখক মামুন সিদ্দিকি। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাবেরী গায়েন, অধ্যাপক এম এম আকাশ এবং উদীচী ঢাকা মহানগর সংসদের সভাপতি অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে।
দুই দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনের দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে শুরু হবে উদীচীর নবীন-প্রবীণ কর্মীদের পুনর্মিলনী। বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
সাংস্কৃতিক পর্বে পরিবেশিত হবে গীতি-আলেখ্য ‘উদীচী, প্রগতির পদাতিক’। উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম এটির গ্রন্থনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন। এ ছাড়া উদীচীর শিল্পীদের পরিবেশনার পাশাপাশি দেশবরেণ্য শিল্পীদের একক ও সমবেত গান, আবৃত্তি এবং নৃত্য পরিবেশনা থাকবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনে গান পরিবেশন করবেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তরুণ জনপ্রিয় শিল্পী আরাত্রিকা সিনহাও। পারিবারিক সফরে বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন তিনি।
১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত উদীচী দীর্ঘদিন ধরে দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলন, গণমানুষের অধিকার এবং প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক চর্চায় ভূমিকা রেখে আসছে। সংগঠনটির ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনেও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি ঐতিহাসিক আন্দোলন ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার চর্চাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অভিনেত্রী জয়া আহসান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের গ্ল্যামার দিয়ে ভক্তদের প্রায়ই কাবু করেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান। এবার ভক্তদেরকে সোজাসুজি তিনি দিয়ে বসলেন, কফি খাওয়ার আমন্ত্রণ! তবে রেখেছেন বিশেষ শর্ত— কফির বিল দিতে হবে ভক্তকেই!
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের কফি খাওয়ার মুহূর্তের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে এই আমন্ত্রণ জানান জয়া। ছবিতে তাকে দেখা যায় এক নজরকাড়া লুকে। সাদা রঙের পোশাকে তার লুকটি ছিল ক্যাজুয়াল। তবে কমতি ছিল না তার গ্ল্যামারের।
কখনও মৃদু হেসে কফির কাপ ঠোঁটের কাছে নিচ্ছেন, আবার কখনও মিষ্টি চোখে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে; এভাবেই দিয়েছেন ছবিগুলোর পোজ। তার এমন সুন্দর মূহূর্তের সঙ্গ কে না চাইবে? সে ভেবেই হয়তো এবার সোজা ভক্তদেরই নিমন্ত্রণ জানালেন এই অভিনেত্রী।
ছবির ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন, ‘কফি খাবে কেউ!! বিলটা নিজের, সঙ্গটা আমার!’
তার এই খুনসুটিপূর্ণ পোস্টটিতে মুহূর্তেই সাড়া পড়ে গেছে ভক্তদের। এমন রসবোধপূর্ণ আমন্ত্রণে ভক্ত-অনুরাগীরাও মেতে উঠেছেন মজার সব মন্তব্যে। অনেকেই লিখেছেন, কফির বিল দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই।সব মিলিয়ে জয়ার এই পোস্টটি বেশ আলোচনায়ই এসেছে, বিশেষ করে তার এই ‘সরল আমন্ত্রণ’-নিয়ে অভিনেত্রীর প্রশংসা করছেন অনেকে।
জয়া আহসান একমাত্র বাংলাদেশি অভিনয়শিল্পী যিনি তিনবার ভারতের সম্মানজনক ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার (ইস্ট) জয় করেছেন। এছাড়া, অভিনয়ে অনবদ্য অবদানের জন্য বাংলাদেশে ৫টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ৭টি মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেছেন তিনি।
তানজিন নাহার তিশা
কোনো অনুমতি না নিয়ে ফেসবুকে বাদীর ছবি ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন (নাহার) তিশার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
আজ বুধবার ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকা চৌধুরীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠিয়েছেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শুভ্র সিনহা রায় বলেন, ‘নোটিশপ্রাপ্তির দুই দিনের মধ্যে তিশার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বাদীর সব ছবি ও লেখা সরিয়ে ফেলতে হবে এবং ভবিষ্যতে বাদীর কোনো ছবি ফেসবুক পেজে প্রকাশ না করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তিশার বিরুদ্ধে মানহানি, সাইবার ট্রাইব্যুনালসহ যেকোনো আদালতে আইনি প্রতিকার নিতে বাধ্য হব।’
আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, শাড়িকাণ্ডে অভিনয়শিল্পী ও মডেল তানজিন নাহার তিশার বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলো চলমান। এর মধ্যে অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশা ২৭ অক্টোবর তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক Tanjin Tisha নামের পেজ থেকে বাদীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন। এ ছাড়া বিবাদী তানজিন তিশা দেশের গণমাধ্যমকেও ভুলভাবে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বাদীকে ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর বিবাদী তানজিন তিশা তাঁর ফেসবুক মেসেঞ্জারে ভাইরালের হুমকি দেন। সেখানে তিশা বলেন, ‘ফেমাস হইলে বইল, আমি তোমার ছবি আপলোড করে দিবনে।’ বাদী বলেন, তিশা তারই ধারাবাহিকতায় তাঁর ছবি নিজের ফেসবুকে আপলোড দিয়ে সম্মানহানির ঘটনায় লিপ্ত রয়েছেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, তিশা ফেসবুকে লেখেন, ‘এই দুজন এক কেন? এই দুই বোনের মিলিত হয়ে ঘৃণা কেন’। বাস্তবে বাদী ও ছবি শেয়ার করা অপর নারী সম্পর্কে বোন নন। তিশা অপর নারীকে বোন বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমসহ সব জায়গায় ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন। প্রকৃতপক্ষে বাদী একজন ফ্যাশন ডিজাইনার এবং অপরজন একজন নারী উদ্যোক্তা। সেই হিসেবে তাঁদের মধ্যে পরিচয় রয়েছে। তিশা এই সম্পর্ককে নেতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে বাদীর মানহানি ঘটিয়ে যাচ্ছেন।
তানজিন তিশার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, তিশা তাঁর ফেসবুক পোস্টে দুজন মাইনরের ছবি প্রকাশ করেছেন—এসব ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে বাদীর ও শিশুর পরিবারের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। যা সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৩–এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এর আগে ২৬ অক্টোবর অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ৭৫ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে করা মামলাটি তুলে নিতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আরেকটি মামলা করেছেন আগের মামলার বাদী সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী। এ মামলায় অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
ছবি : সংগৃহীত
জন্মদিনের জমকালো আয়োজন, সংগীতের তালে নাচ আর ভক্তদের উচ্ছ্বাস সব মিলিয়ে আবারও আলোচনায় অভিনেত্রী পরীমনি। তার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে নাচের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে এক ব্যক্তিকে। কে তিনি, তা নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয়েছে নেটিজেনদের মধ্যে।
জীবনযাপনে নিজের ইচ্ছেকেই প্রাধান্য দেন পরীমনি। প্রতিবছর জন্মদিন এলেই ঘটা করে উদ্যাপন করেন তিনি। দেশের অন্য তারকাদের ক্ষেত্রে এমন আয়োজন খুব একটা দেখা যায় না। এবারও ২৪ অক্টোবর নিজের জন্মদিন উপলক্ষে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন এই অভিনেত্রী।
জন্মদিনের পার্টিতে পরীমনির নাচ থাকবে না, তা যেন ভাবাই যায় না। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার তুলনামূলক ঠান্ডা মেজাজের সংগীতের তালে নাচতে দেখা গেছে তাকে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে নাচের ভিডিওটি পোস্ট করেন পরীমনি। এতে দেখা যায়, এক ব্যক্তির সঙ্গে সংগীতের তালে নাচের মুদ্রা দিচ্ছেন অভিনেত্রী। তাদের নাচ উপভোগ করছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা। ভিডিওর শেষ দিকে পরীমনিকে ঘিরে আরও কয়েকজনকে নাচতে দেখা যায়।
ভিডিওটির ক্যাপশনে পরীমনি লিখেছেন, ‘একটু নাচ তো থাকতেই হয়!’ প্রকাশের পর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভিডিওটি। মাত্র এক ঘণ্টায় এর ভিউ চার লাখ ছাড়িয়ে যায়। ভিডিওর নিচে ভক্তদের নানা মন্তব্যও চোখে পড়ে। একজন লিখেছেন, ‘পরী, নাচ তুমি করো, কিন্তু হার্টবিট আমাদের বেড়ে যায় কেন।’
আরেকজন লিখেছেন, ‘কেমনে কেমনে জানি পরীমনির বিগ ফ্যান হয়ে যাচ্ছি।’ এর আগে এক জন্মদিনের অনুষ্ঠানে লুঙ্গি পরে নেচেছিলেন পরীমনি। এবারও সেই নাচের কথা স্মরণ করেছেন কেউ কেউ।
ভিডিওতে পরীমনির নাচের সঙ্গী গোলাম হোসেন কিবরিয়া। তিনি একজন ড্যান্স কোরিওগ্রাফার। নিজের ড্যান্স প্রতিষ্ঠান ছাড়াও তার একটি ফ্যাশন হাউজ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পরীমনির সঙ্গে তার সখ্য রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে নতুন সিনেমার ঘোষণাও দিয়েছেন পরীমনি। তারেক রহমানের পরিচালনায় সিনেমাটির নাম ‘ফারজানা’। ছবিটির শুটিংয়ের কাজও অনেকখানি সম্পন্ন হয়েছে। আসন্ন রোজার ঈদে সিনেমাটি মুক্তি পেতে পারে।