সৌদি আরবের জেদ্দায় শুরু হয়েছে বর্ণাঢ্য রেড সি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৫। লালগালিচায় উপস্থিত ছিলেন হলিউড ও বলিউডের বহু তারকা। আলাদাভাবে সবার নজর কাড়েন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। হলিউড তারকা ডাকোটা জনসন ও জেসিকা অ্যালবার সঙ্গে তার হাসিমুখের কথোপকথনের ভিডিও ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
অনেক ভক্ত এই তিন তারকার একসঙ্গে উপস্থিতিকে ‘অপ্রত্যাশিত হলেও আনন্দদায়ক মিলন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ছবিতে তাদের সঙ্গে ছিলেন রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশনের চেয়ারওম্যান জমানা আল রশিদ।
উদ্বোধনী দিন রেড কার্পেটে ঐশ্বরিয়ার আভিজাত্যপূর্ণ উপস্থিতি নজর কাড়ে। তিনি সাদা-কালো ব্লেজার স্টাইলের পোশাক পরেছিলেন, যার সোনালী কারুকাজ ছিল বিশেষ আকর্ষণ। পরে তিনি উৎসবের আরেকটি আয়োজনে ডলচে অ্যান্ড গাবানার কালো সিল্ক গাউনে হাজির হন, সঙ্গে পান্নার নেকলেস ও স্মোকি আই মেকআপ—যা ফ্যাশনপ্রেমীদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
লোহিত সাগর উপকূলে আয়োজিত এই উৎসব অল্প সময়েই বিশ্বের শীর্ষ চলচ্চিত্র ইভেন্টগুলোর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। উদ্বোধনীতে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান জমানা আল রশিদ ও উৎসবের পরিচালক মোহাম্মদ আল-তুর্কি। এ বছর ফরাসি তারকা জুলিয়েট বিনোশ এবং ব্রিটিশ কিংবদন্তি মাইকেল কেইনসহ আরও কয়েকজনকে বিশেষভাবে সম্মাননা দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, বলিউড থেকে ঐশ্বরিয়ার পাশাপাশি উপস্থিত রয়েছেন কৃতি স্যানন। শুক্রবার একটি বিশেষ সেশনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।
বলিউড তারকা সালমান খান ও আলিয়া ভাট
দিল্লির যন্তর-মন্তরে হাজারো শিক্ষার্থীর কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে ‘শিক্ষায় দুর্নীতি চলবে না’। এই স্লোগানে ধীরে ধীরে যোগ হচ্ছে ভারতের চলচ্চিত্র, নাটক ও সংস্কৃতি অঙ্গনের পরিচিত মুখগুলোর কণ্ঠও। কেউ ভিডিওবার্তায়, কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, কেউ প্রকাশ্য বিবৃতিতে, কেউ আবার স্বয়ং মাঠে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে গণতন্ত্র, সংবিধান, শিক্ষার অধিকার ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের প্রসঙ্গ।
ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নামে তরুণদের নেতৃত্বাধীন এই আন্দোলনের সূচনা হয় নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ থেকে। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার।
তারকাদের দৃষ্টিতে এ আন্দোলন এখন দেশের শিক্ষাব্যবস্থার জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবির প্রতীক। আর সেই কারণেই বলিউড থেকে টলিউড—বিভিন্ন অঙ্গনের এই তারকারা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছেন।
শিক্ষার্থীদের স্যালুট জানাই: অঞ্জন দত্ত
কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে নয়, বরং একজন নাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা, অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী অঞ্জন দত্ত। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ‘দিল্লিতে যা হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা যে দাবিতে আন্দোলন করছে, আমি মনে করি তা সম্পূর্ণ ন্যায্য। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলাম না। ছাত্রজীবন থেকেই দলীয় রাজনীতি থেকে দূরে থেকেছি। কিন্তু যখন দেখি লাখো শিক্ষার্থী শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক, সাংবিধানিক ও অহিংস উপায়ে ন্যায়বিচারের দাবি তুলছে, তখন তাদের স্যালুট না জানিয়ে পারি না। ওরা আমাকে ভারতীয় হিসেবে গর্ব অনুভব করার সুযোগ দিয়েছে।’
প্রশ্ন তোলার অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না: নাসিরুদ্দিন শাহ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে গত বুধবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিওবার্তা দেন ভারতের প্রবীণ অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যখন তরুণরা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তখন তাদের কথা শোনা উচিত, দমন নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা দেশের শত্রু নয়। তারা ভবিষ্যতের নাগরিক। তাদের সঙ্গে সংলাপ হওয়া উচিত।’
তরুণদের কণ্ঠ রুদ্ধ করা বিপজ্জনক: শাবানা আজমি
২০ জুলাই সিজেপির ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান প্রবীণ অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী শাবানা আজমি। তিনি বলেন, ‘যুবসমাজ যখন কোনো বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, তখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাদের কথা শোনা। তাদের কণ্ঠস্বরকে দমন করার চেষ্টা নয়, বরং কেন তারা ক্ষুব্ধ, সেটি বোঝার চেষ্টা করা উচিত।’ ওইদিন তারকাদের মধ্যে আরও উপস্থিত হন প্রকাশ রাজ, কুনাল কামরা ও স্বরা ভাস্কর।
তাদের হাত ধরে থাকব: প্রকাশ রাজ
আন্দোলনের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পক্ষে সক্রিয় প্রকাশ রাজ। গত ২১ জুলাই এক্সে তিনি লেখেন, ‘আমার দেশের তরুণরা তাদের ভবিষ্যতের জন্য লড়ছে। আবারও স্বাধীনতা সংগ্রামের মতো একটি আন্দোলনের আবহ তৈরি হচ্ছে। আমি এই জাগরণকে শক্তি জোগাতে থাকব। আমি তাদের হাত ধরে থাকব, তাদের শক্তি হয়ে পাশে দাঁড়াব তাদের ভবিষ্যতের জন্য।’
শিক্ষার্থীদের প্রতি দ্রুত মনোযোগ দিন: পীযূষ মিশ্র
অভিনেতা, গীতিকার ও নাট্যব্যক্তিত্ব পীযূষ মিশ্রও শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে গতকাল ইনস্টাগ্রামে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করছে, তারা দেশের ভবিষ্যত। তাদের প্রশ্নকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। দ্রুত তাদের প্রতি মনোযোগ দেন।’
রাজনৈতিকভাবে এ আন্দোলন হাইজ্যাক হওয়া উচিত না: সালমান খান
বলিউড তারকা সালমান খানও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানান। গতকাল ইনস্টাগ্রাম পোস্টে শিক্ষার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘শিক্ষাই ভবিষ্যতের ট্রেন্ড হওয়া উচিত। এই প্রজন্ম ভারতের জন্য গর্ব বয়ে আনবে।’ আজ তিনি আরেকটি পোস্টে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার—শিক্ষার ক্ষেত্রেও, নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও। তাই তাদের কিংবা তাদের অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে ইতোমধ্যে টুইট করেছেন এবং আমি নিশ্চিত, প্রশ্নফাঁসের জন্য দায়ী প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। তাই শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার অনুরোধ, দয়া করে আপনারা নিজেদের বাড়িতে, আপনাদের বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যান।’
ইনস্টাগ্রামে অভিনেত্রী আলিয়া ভাট লেখেন, ‘এই আন্দোলন প্রশ্ন জাগিয়েছে, আমরা কি আসলেই তাদের কথা শুনছি, যারা ভবিষ্যতে ভারতের দায়িত্ব নেবে।’
বলিউডের পাওয়ার কাপলখ্যাত রিতেশ দেশমুখ ও জেনেলিয়া দেশমুখ গত ২০ জুলাই এক্সে লেখেন, ‘তরুণরাই আমাদের গণতন্ত্রের হৃৎস্পন্দন এবং আমাদের জাতির ভবিষ্যতের প্রকৃত নির্মাতা। আসুন, আমরা তাদের কথা শুনি, তাদের পাশে দাঁড়াই এবং তাদের ক্ষমতায়িত করি। আমাদের তরুণদের শক্তি, সাহস ও স্বপ্নই গড়ে তুলবে সেই ভারত, যা আমরা নির্মাণ করতে চাই।’
এ তালিকায় আরও আছেন, অতুল কুলকার্নি, সোনু সুদ, দিলজিত দোসাঞ্জ, জিনাত আমান, অভয় দেওল, রত্না পাঠক শাহ, ওম বৈদ্য, সোনাক্ষী সিনহা, হুমা কুরেশি, নন্দিতা দাস, ভূমি পেডনেকর, রিচা চাড্ডা, সোনি রাজদান, অনুরাগ কাশ্যপ, রাজকুমার রাও, ইমরান খান, আর মাধবন, দুলকার সালমান, প্রীতি জিনতা, অনুপম খের, অরিজিৎ সিং-সহ আরও অনেকে।
ভারতে ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস দীর্ঘ। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেকেই রাজনৈতিক ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনীহা দেখিয়েছেন। সেই প্রেক্ষাপটে একের পর এক পরিচিত শিল্পীর মুখ খোলা আন্দোলনটিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
দিল্লির রাজপথে আন্দোলন কত দিন চলবে, সরকারের অবস্থান কী হবে—এর উত্তর সময়ের হাতে থাকলেও তারকাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে দেয়, এটি আর কেবল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমিত নেই।
তামিল সুপারস্টার ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়
তামিল সুপারস্টার ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নয়াগণ’ আজ (২৩ জুলাই) বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। রাজনীতিতে পূর্ণ সময় দেওয়ার আগে এটিই বিজয়ের শেষ সিনেমা বলে ঘোষণা দেওয়ায় সিনেমাটি ঘিরে ভক্ত-দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে রেকর্ড গড়ে আলোচনায় এসেছে সিনেমাটি।
চলচ্চিত্র বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি থেকেই সিনেমাটি আয় করেছে ১৫ কোটি ৯ লাখ রুপির বেশি। তামিল সিনেমার ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় অগ্রিম বুকিং।
ভারতের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মুক্তির ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় বাকি থাকতেই টিকিট বুকিংয়ের গতি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। গত ১৯ জুলাই বুকিং শুরু হওয়ার পর প্রথমদিকে সাড়া তুলনামূলক কম থাকলেও শেষ দিকে তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। সবচেয়ে বেশি অগ্রিম বুকিং হয়েছে তামিল সংস্করণের জন্য।
রাজ্যভিত্তিক হিসাবে অগ্রিম বুকিংয়ে শীর্ষে রয়েছে তামিলনাড়ু, যেখানে আয় হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৭৪ লাখ রুপি। এরপর কর্ণাটক থেকে ৪ কোটি ৮৮ লাখ এবং কেরালা থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ রুপি এসেছে।
ইতোমধ্যে সিনেমাটি বিজয়ের আগের দুই ব্লকবাস্টার ‘লিও’ ও ‘দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’-এর অগ্রিম বুকিংয়ের রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, প্রথম দিনেই ভারতে ৫০ থেকে ৬০ কোটি রুপি আয় করতে পারে ‘জন নয়াগণ’। শেষ মুহূর্তের টিকিট বিক্রি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হলে সেই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনের আয়ের দিক থেকেও তামিল সিনেমায় নতুন ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এইচ. ভিনোথ পরিচালিত ‘জন নয়াগণ’-এ থালাপতি বিজয়ের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন পূজা হেগড়ে, ববি দেওলসহ আরও কয়েকজন জনপ্রিয় শিল্পী। বিজয়ের বিদায়ী সিনেমা হওয়ায় এটি নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশাও অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি।
অভিনেত্রী পরীমনি
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে বিয়ে করবেন— এমন ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও আলোচনায় এসেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী পরীমনি। স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে তার সেই পোস্ট নতুন করে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, আলবিসেলেস্তারা যদি লা রোজাদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েই যায়, তবে কি তিনি সত্যিই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন?
বিষয়টি নিয়ে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছেন পরীমনি। গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানিয়েছেন, মজার ছলে দেওয়া সেই পোস্ট নিয়ে তিনি অনেকটাই বিপাকে। তবে বিয়ের কথা একেবারে অস্বীকারও করেননি এ আলোচিত অভিনেত্রী।
পরীমনি বলেন, ‘আমি তো এর আগে ঘোষণা দিয়ে বিয়ে করিনি। প্রেম করেছি, এরপর হুট করে বিয়ে করে ফেলছি। এবার বিয়ের ঘোষণা দিয়ে তো মুসিবতে পড়ে গেলাম। ভাবিনি, এভাবে সবাই বিষয়টিকে সিরিয়াসলি নিয়ে নেবে। এত এত সিরিয়াস সব বিয়ের প্রস্তাব আসতেছে, কিছুই বুঝতেছি না, কী করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিয়ের জন্য তো একজন অভিভাবক লাগে। আগে আমার অভিভাবক ছিল, এখন তো ওই পর্যায়ের কেউই নেই। ভাবছি, ছেলে বড় হোক, ছেলে বিয়েশাদি করুক। এরপর কিংবা তার আগে ছেলে যদি অভিভাবক হয়ে বিয়ে দেয়, তাহলেই বিয়ে করতে পারব।’
এর আগে গত বুধবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের আগে নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করব। ফাইনাল।’
উল্লেখ্য, শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে স্পেনের মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আসরের ১০৪তম ও ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে ২০ জুলাই বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১টায়।
ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা
বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই বাংলাদেশজুড়ে শুরু হয় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের উন্মাদনা। পতাকা টানানো, প্রিয় দলের জার্সি পরা, খেলা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক- সব মিলিয়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। এই উন্মাদনার অংশ ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমাও।
ছোটবেলার স্মৃতি, পরিবারের প্রভাব এবং দিয়েগো ম্যারাডোনা থেকে লিওনেল মেসি-সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার প্রতি তার ভালোবাসা গড়ে উঠেছে।
সম্প্রতি পূর্ণিমা জানান, ছোটবেলায় বাবার চাকরির সুবাদে ঢাকার পিজি হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারে থাকতেন তিনি। তখন বিশ্বকাপ এলেই চারপাশে ম্যারাডোনাকে নিয়ে আলোচনা, ভবনের দেয়ালে আকাশি-সাদা কিংবা হলুদ-সবুজ রঙের সাজসজ্জা এবং ছাদে ছাদে বিভিন্ন দেশের পতাকা ওড়ানোর দৃশ্য তাকে ভীষণ আকৃষ্ট করত।
তিনি বলেন, তখনও আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল সম্পর্কে তেমন কিছু জানতেন না। তবে আশপাশের মানুষের মুখে বারবার ম্যারাডোনার নাম শুনতে শুনতেই আর্জেন্টিনার প্রতি এক ধরনের টান তৈরি হয়। সেই টান আরও গভীর হয় পরিবারের কারণে। কারণ তার বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই ছিলেন ম্যারাডোনার ভক্ত।
ব্রাজিলের বদলে কেন আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করেন-এমন প্রশ্নের উত্তরে পূর্ণিমা একেবারেই সরল ভাষায় বলেন, ‘আর্জেন্টিনায় ম্যারাডোনা ছিল, এখন মেসি আছে। ব্রাজিলে তো সেটা নেই।’ এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে তার উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে তার স্বামী আশফাকুর রহমানের।
পূর্ণিমা জানান, তার স্বামী আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই বন্ধু-স্বজনদের জার্সি উপহার দেন, পরিবারের সদস্যদের জন্যও নতুন জার্সি কিনে আনেন।
অভিনেত্রীর ভাষায়, আগে খেলা নিয়ে তার আগ্রহ থাকলেও এখন স্বামীর উৎসাহে তিনি আরও বেশি বিশ্বকাপমুখী হয়ে উঠেছেন। খেলা দেখার সময় জার্সি পরে বসার অভ্যাসও আগে ছিল না। এখন পরিবারের সবাই যখন আর্জেন্টিনার জার্সি পরে খেলা উপভোগ করেন, তখন তিনিও সেই আনন্দে শামিল হন।
পূর্ণিমা বলেন, স্বামী অনেক সময় মজা করে অন্য দলের সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার জার্সি পরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেই আনন্দঘন পরিবেশই তাকে আরও বেশি ফুটবলপ্রেমী করে তুলেছে।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন পূর্ণিমা। ১৯৯৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমায় রিয়াজের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। প্রথম ছবিতেই দর্শকদের নজরকাড়েন তিনি।
এরপর ‘যোদ্ধা’, ‘সন্তান যখন শত্রু’, ‘পিতা-মাতার আমানত’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘বিয়ের প্রস্তাব’, ‘মনের মাঝে তুমি’ এবং ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’সহ একাধিক জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে ঢালিউডের শীর্ষ নায়িকাদের একজন হয়ে ওঠেন।
কাজী হায়াত পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এই অভিনেত্রী।
অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত না হলেও বিনোদন অঙ্গন থেকে দূরে সরে যাননি পূর্ণিমা। তার অভিনীত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ সিনেমা দীর্ঘদিন ধরে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
সবশেষ তাকে দেখা গেছে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ চলচ্চিত্রে। নতুন সিনেমার প্রস্তাবও পাচ্ছেন নিয়মিত। তবে নিজের পছন্দের গল্প ও চরিত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।
আমির খানের তৃতীয় বিয়ে
বলিউডের নায়ক সালমান খানের পর এবার আমির খানকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে। আমিরের তৃতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করেই এই বিপত্তি ঘটেছে। লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আরজু বিষ্ণোই এবং টাইসন বিষ্ণোই নামে পরিচিত অন্য এক ব্যক্তি সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে এই হুমকি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
পোস্টে, আমির খান দেশে ‘লাভ জিহাদ’ প্রচার করছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। আর তারা (লরেন্স বিষ্ণোই) এ ধরনের কাজকর্ম মেনে নেবে না বলেও জানিয়েছে ওই পোস্টে। তবে এনডিটিভি এবং দ্য ওয়াল এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।
পোস্টে বলা হয়েছে, “আমির খানের মত মানুষ আমাদের দেশে যাকে ‘লাভ জিহাদ’ বলা হচ্ছে, সেটিকে উৎসাহ দিচ্ছেন। এটি আমাদের সংস্কৃতি, সনাতন ধর্ম এবং দেশের বিরুদ্ধে। আমরা এমন কাজ কোনওভাবেই মেনে নেব না। খুব শিগগিরই তাকে এর ফল ভোগ করতে হবে।”
শুধু সতর্কবার্তাতেই থেমে থাকেনি সেই পোস্ট। সেখানে আরও লেখা হয়েছে, “আমরা আমাদের ভাই-বোন এবং দেশবাসীকে আশ্বস্ত করছি, যারা তারকাখ্যাতির আড়ালে এই ধরনের কাজকে উৎসাহ দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা নিজেদের কায়দাতেই ব্যবস্থা নেব। এমন কর্মকাণ্ড যারা বাড়িয়ে দিচ্ছে, তাদের চুপ করিয়ে দেওয়া হবে।”
একই পোস্টে রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে ১৩ বছরের এক নাবালিকার অপহরণ, পাচার এবং যৌন নির্যাতনের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেই মামলায় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করা হলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা অভিযুক্তদের রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।
বলিউডে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকির মুখে পড়া নতুন ঘটনা নয়। বহু বছর ধরেই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকির মুখে রয়েছেন সালমান খান।
উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহলও
এই ঘটনার পাশাপাশি আমিরের তৃতীয় বিয়ে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নীতেশ রানে আমিরকে আক্রমণ করে মন্তব্য করেন। তার বক্তব্যকে সমর্থন করে অযোধ্যার ‘তপস্বী ছাওনি’-র পীঠাধীশ্বর জগৎগুরু পরমহংস আচার্য আরও বিতর্কিত মন্তব্য করেন।
তিনি আমির খানকে ‘লাভ জিহাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ বলে কটাক্ষ করে ঘোষণা করেন, “অযোধ্যা ধাম থেকে আমি ঘোষণা করছি, যে ব্যক্তি আমির খানকে হত্যা করতে পারবে, তাকে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, তার সমস্ত আইনি লড়াইয়ের খরচও আমি বহন করব। আমার বিশ্বাস, এই ধরনের ১০০-২০০ জনকে শেষ করতে পারলেই দেশ থেকে লাভ জিহাদের বীজ উপড়ে ফেলা সম্ভব।”
আমিরের বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’ চর্চার অভিযোগ আনে প্রথমে বজরং দল। অভিনেতার বিরুদ্ধে রাজপথে বিক্ষোভেও নামে এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিহারের ফোর্বসগঞ্জ এলাকায় সম্প্রতি বজরং দলের সদস্যেরা আমির খানের তৃতীয় বিয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। সে সময় তারা ‘আমির খান মুর্দাবাদ’, ‘আমির খান ভারত ছাড়ো’ স্লোগান দেয়।
তারা ‘মিস্টার পারফেক্টশনিস্ট’ খ্যাত এই অভিনেতার কুশপুতুলও পুড়িয়েছেন।
বজরং দলের নেতা মনোজ সোনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমির খান বার বার হিন্দু পরিবারের মেয়েদের বিয়ে করছেন। এর মাধ্যমে তিনি হিন্দু সমাজকে অপমান করছেন।”
মনোজ সোনি আরও বলেন, “আমির নাকি বিয়ে করে হিন্দু সমাজকে দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। তিনি যদি খুব তাড়াতাড়ি এ সব কাজ বন্ধ না করেন, তা হলে তাকে শিক্ষা দেওয়া হবে।”
আমিরের পাশে দাঁড়ালেন বন্ধু
এই পরিস্থিতিতে অভিনেতার পাশে দাঁড়ালেন তার দীর্ঘদিনের বন্ধু ও অভিনেতা আমিন হাজি।
তার কথায়, “আমির সবসময় বিয়ে এবং সম্পর্ককে সম্মান করেছে। অনেকেই ওর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হাসিঠাট্টা করেন। কিন্তু তারা জানেন না, প্রতিটি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সময় আমির কতটা দায়িত্বশীল থেকেছে। সাবেক পরিবার, সন্তানদের প্রতি নিজের সমস্ত কর্তব্য পালন করেছে। এই দিকটা খুব কম মানুষই দেখেন।”
আমিন বলেন, “তাকে ভেঙে পড়তে দেখেছি, কাঁদতেও দেখেছি। ১৫ বছর পর আবার নতুন করে ভালবাসা খুঁজে পাওয়া নিয়ে অনেকে মজা করছেন। কিন্তু সেই দীর্ঘ সময়ে কী পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে ও গিয়েছে, তা খুব কম মানুষই জানেন।”
গেল ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের নিজের বাড়িতে গৌরী স্প্র্যাটকে আইনি মতে বিয়ে করেন আমির খান। গত বছরের মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবার প্রকাশ্যে গৌরীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলেন আমির।
ওই ঘরোয়া অনুষ্ঠানে ছিলেন আমিরের সন্তান জুনাইদ খান, ইরা খান, জামাতা নূপুর শিখরে, পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর, রাজকুমার হিরানি, মুকেশ আম্বানি, রাজ ঠাকরে, ইরফান পাঠান, বীর দাস, এলি আব্রামসহ চলচ্চিত্র ও বিভিন্ন অঙ্গনের ঘনিষ্ঠজনেরা।
আর গৌরীর পক্ষ থেকে তার সাত বছরের ছেলে, বাবা রবার্ট বব স্প্র্যাট, ভাই, বোন তাদের সন্তানেরাসহ আরও কয়েকজন ছিলেন।
আমির তার ছেলেবেলার বন্ধু রীনা দত্তকে বিয়ে করেন ১৯৮৬ সালে। তাদের দুই সন্তান জুনায়েদ খান ও ইরা খান। জুনায়েদ ইতোমধ্যে চলচ্চিত্র জগতে কাজ করছেন। আর ইরা কাজ করছেন মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে।
১৬ বছর সংসারের পর ২০০২ সালে রীনার সঙ্গে আমিরের বিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০০৫ সালে কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। ২০০১ সালে ‘লগান’ চলচ্চিত্রের শুটিং সেটে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল। কিরণ সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করছিলেন।
আমির খানের দ্বিতীয় সংসার জীবনও টেকে ১৬ বছর। ২০২১ সালে কিরণের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। যদিও তারা যৌথভাবে ছেলে আজাদ খানের দেখভাল করছেন।
প্রীতম ও সঞ্জয়
ফিফা বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা–স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল খেলা উপলক্ষে আজ রোববার রাতে ঢাকায় আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ স্ক্রিনিং ও কনসার্ট।
যেখানে আলাদা আলাদা দুটি কনসার্টে পারফর্ম করবেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আন্তর্জাতিক ডিজে ও সংগীত পরিচালক সঞ্জয় দেব এবং সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কানাডায় বলিউড তারকা নোরা ফাতেহির সঙ্গে একই মঞ্চে পারফর্ম করে আলোচনায় আসেন সঞ্জয় দেব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিশ্বকাপ উপলক্ষে আয়োজিত একাধিক ফ্যান ফেস্টেও গান করেন তিনি। সেই বিশ্বকাপ–যাত্রার অংশ হিসেবেই এবার ঢাকার মঞ্চে উঠছেন এই শিল্পী।
সঞ্জয় এরই মধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছেন, অনুষ্ঠানস্থলও পরিদর্শন করেছেন। কনসার্ট নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সঞ্জয় বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বাইরে আরও বেশ কয়েকটি মঞ্চে গেয়েছি। এবার ঢাকায় গাইতে এলাম, যেখান থেকে আমার গল্পের শুরু হয়েছিল। এই কনসার্ট নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড।’
ঢাকার আয়োজনে সঞ্জয়ের পাশাপাশি পারফর্ম করবেন ডিজে তৃষা ও ডিজে রিশাদ। জানা গেছে, অনুষ্ঠান শেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় উড়াল দেবেন। সেখানে সানফ্রান্সিসকোতে তাঁর আরেকটি কনসার্টে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে ‘ফাইনাল কিকঅফ’ নামে আরেকটি অনুষ্ঠান হবে ঢাকার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে। বড় পর্দায় ফাইনাল ম্যাচ দেখার পাশাপাশি দর্শকের জন্য থাকছে জমজমাট কনসার্ট। পারফর্ম করবেন প্রীতম হাসান। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন ফিরোজ জং, দ্য ব্রাউন টেস্টামেন্ট ও জেসিয়া ইসলাম। ১৯ জুলাই রাত থেকে ২০ জুলাই সকাল পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন।