প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোববার চট্টগ্রামের বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। ছবি: পিএমও
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত কিছুদিন ধরে কিছু মানুষ বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যেন তারা কোনোভাবে বিশৃঙ্খলা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির সুযোগ না পায়। বিভ্রান্তকারীরা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে নিজেদের মতো চলে যাবে, কিন্তু দিনশেষে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের জনগণ।’
আজ রোববার চট্টগ্রামের বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে চট্টগ্রাম জেলার সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আয়োজিত ‘গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদে সরকারের পরিকল্পনা উপস্থাপনের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সরকার জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে। বিরোধী দল বা অন্য কারও যদি কোনো পরিকল্পনা থাকে, তা জনগণের সামনে উপস্থাপন করুন। কিন্তু বিভ্রান্তিকর কথা বলে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবেন না এবং জনগণের শান্তি নষ্ট করবেন না। দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫০ বছরের বেশি সময় আগে; এখন আর পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই, এখন কাজ করার ও দেশ গড়ার সময়।’
দেশের প্রতিটি পরিবারের সার্বিক কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, ‘জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছে, তাই সরকারের মূল দায়িত্ব হলো জনগণের পাশে থাকা। সুখে-দুঃখে দেশের মানুষের পাশে থাকা, মা-বোনদের পাশে থাকা, দেশের সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা, অসুস্থ মানুষদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তরুণ-যুব সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যেই আমরা তার বাস্তবায়ন শুরু করেছি। ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্পের কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে এবং চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে মূল কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের প্রধান নারীদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হবে। বাঁশখালী উপজেলাতেও প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসবে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষকদের জন্যও চালু করা হচ্ছে কৃষক কার্ড, যা সাধারণ কৃষকের পাশাপাশি লবণ চাষীরাও পাবেন। লবণ চাষীদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ফেরাতে লবণের নতুন মূল্য নির্ধারণের ঘোষণাও শিগগিরই দেওয়া হবে। যার ফলে লবণ চাষী ভাইদের আর আগের মতো কষ্ট পোহাতে হবে না।’
চট্টগ্রামকে অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ সকালে আমি মাতারবাড়ীসহ চট্টগ্রামের মহেশখালী ও মীরসরাই অঞ্চল পরিদর্শন করেছি। বিশাল সমুদ্র আমাদের জাতীয় সম্পদ। চট্টগ্রাম অঞ্চলকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা হচ্ছে। সম্প্রতি চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ অঞ্চলের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে বহু শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে এবং হাজার হাজার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।’
স্বাস্থ্যসেবা খাতের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে উপজেলা পর্যায়ে থাকা ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে, যাতে তৃণমূলের মানুষ পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা পান।’
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত স্বৈরাচার আমলে এই দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে হাতে গোনা কিছু ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যা এই দেশের মানুষের পক্ষে ছিল না। কিছু মানুষের সুবিধার জন্য অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এই ব্যবস্থাকে জনগণের স্বার্থে পুনর্গঠন করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা এরই মধ্যে এই কাজ শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কেমন হবে- সেই প্রস্তাবনা আমরা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করব।"
হেফাজতের আমির বাবুনগরীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
তিনি বলেন, আমরা এমন পরিকল্পনা নিচ্ছি, যাতে স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, মিল-কারখানা কিংবা বাসাবাড়ি- সব জায়গায় মানুষ যেন ঠিকভাবে বিদ্যুৎ পায়, এবং গাড়ি-মোটরসাইকেলসহ সবকিছুতে মানুষ যেন সহজে গ্যাস পেতে পারে।
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চট্টগ্রামের নেতৃত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয়দের ধৈর্য ধারণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের চট্টগ্রাম থেকে আমরা দুইজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে সরকারের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছি- একটি অর্থ মন্ত্রণালয়, আরেকটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যে অঞ্চলের দুইজন ব্যক্তি এত গুরুত্বপূর্ণ দু’টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন, সেই এলাকার উন্নয়ন কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আর পিছনে পড়ে থাকা যাবে না। এখন একটি লক্ষ্য, একটি উদ্দেশ্য, তা হলো জনগণের জীবনমান উন্নত করা। দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। আমরা জনগণের জন্য যেসব পরিকল্পনা গ্রহন করেছি তাতে আপনাদের সমর্থন থাকতে হবে। কারণ আমরা সবসময় বলি, বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ। জনগণের সমর্থন থাকলে আমরা জনগণের স্বার্থে যতগুলো কর্মসূচি নিয়েছি সবগুলো বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি শ্রমিকের হাতকে কর্মশক্তিতে রূপান্তর করতে। যাতে করে প্রত্যেকটি মানুষ দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে, যাতে করে প্রত্যেকটি মানুষ পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের এবং পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আসুন আজকের এই জনসভায় আমরা সেই শপথ গ্রহণ করে প্রতিজ্ঞা করি যে বাংলাদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না। বাংলাদেশের মানুষ এখন সামনের দিকে যাবে বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করবে।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। এছাড়া বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
‘গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ’ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নতুন বাসগৃহ নির্মাণ কর্মসূচির আওতায় বাঁশখালীর বাহারছড়া গ্রামের একটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে নতুন বাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন।
নতুন বাড়ির আঙিনায় একটি মেহগনি গাছের চারাও রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও হাঁস-মুরগি প্রদান করেন তিনি।
অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির। ফাইল ছবি
পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে প্রতি মাসে ২০ থেকে ২২টি ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। ২০২৫ সাল থেকে এসব আয়োজন চলছিল। অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এসব পার্টিতে যোগ দিতেন অংশগ্রহণকারীরা। আটকদের মধ্যে এক পুলিশ কর্মকর্তার দুই মেয়েও রয়েছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবির এ তথ্য জানান।
ইলিয়াস কবির বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। ভবনটিতে প্রবেশের পর ডিজে পার্টির আয়োজন দেখতে পান তারা। সেখানে প্রায় ২২টি গাড়ি ছিল। ভেতরে উচ্চ শব্দে গান বাজছিল। সিসা সেবনের কারণে পুরো পরিবেশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ছিল।
ডিসি ইলিয়াস কবির আরও দাবি করেন, পার্টিতে উপস্থিত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ব্যাংকারও ছিলেন। তিনি বলেন, সেখানে ২৬ জন তরুণী ছিলেন। তাদের অধিকাংশের বয়স ২০ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রীও সেখানে ছিলেন।
গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবির বলেন, পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১ এর ওই বাড়িটিতে অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বাড়িটিতে উঠতি বয়সি ছেলে-মেয়েরা অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালাত। ডিজে পার্টির নামে এখানে অসামাজিক ও নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড চলত। এখানে অভিযান চালিয়ে মদ, গাঁজা, কনডম এবং বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্য পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, সেখানে মোট পাঁচটি রুম আছে। অনলাইনে বুকিং দেওয়া হতো। একেকটি রুম ১০ জনে ভাড়া নেয়। আবার যদি অতিরিক্ত লোকজন থাকে, জনপ্রতি ৬০০ টাকা নেয় রেজিস্ট্রেশন ফি। সেখানে পুরো ডিজে পার্টি বসায়। দুপুর ১২টা থেকে পরের দিন সকাল ৮টা বা ১১টা পর্যন্ত চলে এসব কর্মকাণ্ড। মাসে ১৮ থেকে ২০টি প্রোগ্রাম হয়। একেকটি প্রোগ্রামে লাখখানেক টাকা ভাড়া নেয়।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে ভাটারা থানা এলাকায় তার সাড়ে ৬ কাঠা জমি কেনার টাকার উৎস নিয়েও। পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে অবাধে অপকর্ম চললেও এতদিন প্রশাসন ছিল নিশ্চুপ-এমন দাবি খোদ পুলিশেরই।
জানা গেছে, এয়ারবিএনবি হলো একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস বা প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মানুষ তাদের বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, ভিলা বা রুম স্বল্প ও দীর্ঘ সময়ের জন্য পর্যটক বা অতিথিদের কাছে ভাড়া দিতে পারেন এবং অতিথিরা বুকিং করতে পারেন।
ডিবি জানিয়েছে, রাতভর ডিজে পার্টি, মাদক সেবনসহ মাদকের কারবার পরিচালিত হয়-এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভাটারা থানাধীন পুলিশ হাউজিং-১ এর ওই বাড়িতে অভিযান চালায় গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের একটি দল। অভিযানে ২৬ জন নারী ও ৫৮ জন পুরুষকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে মাদকদ্রব্য। আটকদের মধ্যে একজন আফগানিস্তানের নাগরিকও আছেন। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
মদ, ইয়াবা ও কুশ উদ্ধারের দাবি
অভিযানে মদের তিনটি বোতল, ইয়াবা ও কুশ নামের একটি মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া যৌনস্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের সময় পুলিশ ভেতরে প্রবেশ করলে পার্টি বন্ধ হয়ে যায় এবং উপস্থিত ব্যক্তিরা বিভিন্ন কক্ষে চলে যান। ভবনটিতে পাঁচটি কক্ষ ছিল।
মাসে আয় কত, কীভাবে হতো আয়োজন
ডিসি ইলিয়াস কবির বলেন, এয়ারবিএনবি ও ট্রাভেলা নামের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এসব আয়োজন করা হতো। অনলাইন নিবন্ধনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা পার্টিতে যোগ দিতেন। প্রতি মাসে ২০ থেকে ২২টি আয়োজন হতো। একটি আয়োজনের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে জনপ্রতি প্রায় ৬০০ টাকা নেওয়া হতো বলে জানান তিনি। এছাড়া বাড়ি ভাড়া বাবদও অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এক মাসের কারাদণ্ড ছেলেদের, মেয়েদের ১৫ দিন
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সম্পর্কে এই কর্মকর্তা জানান, ছেলেদের এক মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ১৫ দিন কারাভোগের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, মেয়েদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও তিনদিন কারাভোগের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনার পর মঙ্গলবার পুলিশের আইজি মো. আলী হোসেন ফকিরের সই করা এক অফিস আদেশে আব্দুল্লাহ আল জহিরকে রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স শাখা থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির বলেন, আমি অনলাইনে বাড়িটি ভাড়া দিয়ে থাকি। কিছু কঠোর নিয়মও আছে। সেখানে কোনো অবৈধ কাজ হয়ে থাকলে তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই আমার। তবে অসৎ উদ্দেশ্যে আমি বাড়ি ভাড়া দিতাম না। দেশ-বিদেশের অনেকেই এ বাড়িটি ভাড়া নেয়। কেউ ভাড়া নিয়ে কোনো অসামাজিক কাজ করতে চাইলে অতীতে সেগুলো প্রতিহত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এবার একটি জন্মদিনের পার্টির কথা বলে বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিল। কিন্তু তারা যে এগুলো করবে, মদ আনবে সেটা আমি জানি না।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে তানভীর জমাদ্দারকে গ্রেফতার করে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ/ছবি মিরপুর মডেল থানা পুলিশ
রাজধানীর মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুসরণ করা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা তানভীর জমাদ্দারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। তানভীর পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ওই ছাত্রলীগ নেতাও প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। পরিদর্শনের একপর্যায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে তার কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেন।
ঘটনার ৩৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ওই ছাত্রলীগ নেতাকে খুঁজতে থাকেন। পরে মিরপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনের সময় ওই ছাত্রলীগ নেতা পুলিশ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের ডিঙিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে অন্যদের পেছনে ফেলে প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি পৌঁছে যান তানভীর।
এ বিষয়ে বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত শনিবার মিরপুরে ফুটপাত পরিদর্শনে আসেন। এ সময় এক ছাত্রলীগ নেতা তাকে অনুসরণ করেন। ঘটনার ভিডিও যাচাই-বাছাই করে তানভীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক এবং হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে সকল ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণই আমাদের জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, এ উৎসবের অন্তর্নিহিত বাণী হলো— অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়। ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠী পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক বৈষম্য বা নিপীড়নের শিকার হবেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়।
সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের লক্ষ্যে তিনি একটি জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও সবার। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান— আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। সংবিধান প্রত্যেককে সমান অধিকার, মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা দিয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
এ সময় রাষ্ট্রপতি জানান, সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে ধর্ম পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, দরবার হলে ‘হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট’, ‘বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট’, ‘বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ’ এবং ‘মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি’র পক্ষ থেকে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে আসা সব দর্শনার্থী এবং অতিথির সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন, প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে আবারও ফ্লাইট চালু করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আগামী ২৫ অক্টোবর রিয়াদ রুটে একটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে সংস্থাটি। এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে দাম্মাম রুটে নিয়মিত ফ্লাইট চলাচল শুরু হবে।
বুধবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ অক্টোবর দিবাগত রাত ১টা ২৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রিয়াদের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে বিমানের ফ্লাইট। সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হুথিদের হামলাজনিত পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করে রিয়াদগামী পরবর্তী ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে, ২২ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে দাম্মামের উদ্দেশে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এসব ফ্লাইটে বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করবে বিমান।
জেদ্দা রুটেও ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত থাকবে। ২২ অক্টোবর ঢাকা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এ ছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে একটি করে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে।অন্যদিকে, মদিনা রুটে বিমানের ফ্লাইট নিয়মিত চলছে। এ রুটে বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ রুটের ফ্লাইটের সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে।
টিকিট কেনা, বুকিং ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্যের জন্য যাত্রীদের বিমানের নিকটস্থ বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।
এর আগে, চলতি মাসের প্রথম দিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। ওই হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে রিয়াদগামী বিমানের ফ্লাইট বাতিল করা হয়। পরে দাম্মাম রুটের ফ্লাইটও স্থগিত করা হয়েছিল।
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হতে পারে স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য। সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং শ্যামাপূজা মিলিয়ে এ সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির বিষয়টি নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট ছুটির তালিকা অনুযায়ী।২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে। পরদিন ৮ নভেম্বর রোববার হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগের দিন ৬ নভেম্বর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত টানা তিন দিন সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকতে পারে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও একইভাবে ছুটির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছুটি নির্ভর করবে নিজস্ব একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজা উপলক্ষে ছুটির তথ্য পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজার ছুটির উল্লেখ নেই। ফলে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এ ছুটি কার্যকর হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হন এবং সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিরা নেতা হয়ে যান বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্পিকার বলেন, ভালো মানুষের নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। সংসদে রাজনীতি করার উপযুক্ত পরিবেশও তৈরি করা যায়নি। তবে ভবিষ্যতে দেশে এমন পরিস্থিতি থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আওয়ামী লীগের দুঃশাসন থেকে দেশ মুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দিনে আল্লাহর রহমতে দেশে সুন্দর সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে হাফিজ উদ্দিন আহমদ দাবি করেন, যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের ৪০০টি বাড়ি বাজেয়াপ্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বাড়িগুলোর অবস্থান উল্লেখ করে চিঠি দেওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।স্পিকার আরও দাবি করেন, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের দুবাইয়ে ১০০টি, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫০টি এবং কানাডায় ৩০ থেকে ৪০টি বাড়ি রয়েছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের অর্থ লুট করে এসব সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগ টানা ১৭ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে দলটির নেতাকর্মীরা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও দাবি করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর ছেলের যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইংল্যান্ডে অনেক সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কানাডার বেগমপাড়ায় লুটপাটের অর্থে সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ তুলে স্পিকার বলেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল সাধারণ মানুষের সম্পদ লুট করে নিজেদের ভাগ্য গড়েছে।