• প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ৪:১৪ এএম

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নিরাপত্তা দেওয়ার যতটা স্বাভাবিক প্রস্তুতি থাকে, সবটুকু স্বাভাবিক প্রস্তুতি আমাদের আছে। স্বাভাবিক প্রস্তুতির চেয়ে বেশি কিছু আমাদের নিতে হবে। প্রতিপক্ষ আরও বেশি সংগঠিত এবং সে পেছন দিক থেকে আঘাত করছে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এ কথা বলেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, যখন আমরা স্বাধীন হলাম, তখন থেকেই আমাদের প্রত্যাশা ছিল একটা গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থার। অনেক বছর পর এখন আবার মনে হচ্ছে, ওই জিনিসগুলো আমরা অর্জন করতে পারিনি। পারিনি বলেই গণঅভ্যুত্থান ও বিপ্লব হলো।

তিনি বলেন, আমরা আজ এমন একটা সন্ধিক্ষণে আছি, যেখানে আমরা একটা শাসনব্যবস্থাকে পেছনে ফেলে নতুন করে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করব। আমরা আশা করছি, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পথে সুদৃঢ় একটা যাত্রা শুরু করব।

গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারিতে যারা ছিলেন, সরকার তাদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এক-দেড় বছরে সরকারের ব্যর্থ আর সফলতার গল্পটা একটু অন্যভাবে বিচার করতে হবে। আমরা একেবারে ভেঙে পড়া অবস্থা থেকে কাজটা শুরু করেছি। সেই ভেঙে পড়া অবস্থাকে জোড়া লাগিয়ে রাষ্ট্রটাকে আবার একটা যাত্রার দিকে নিয়ে যাওয়াই ছিল আমাদের কাজ। সেখানে আমি এই সরকারকে ব্যর্থ বা সফল কোনোটা বলারই সুযোগ দেখতে পাচ্ছি না।




  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:৪৮ পিএম

ডিজিটাল পদ্ধতিতে আসামি আদালতে হাজির করা গেলে বিচার ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, ‘বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে।’বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ‎সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ই-পারিবারিক আপিল আদালতের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।


তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন কারাগার থেকে যে পরিমাণ আসামিকে কোর্টে হাজির করতে হয় ধার্য তারিখে, এই হাজির করাটা একদিকে যেমন মোবিলাইজেশনের ব্যাপার; আমার গাড়ি লাগছে, সিকিউরিটি দিতে হচ্ছে এত ঝামেলার মধ্যে, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একটা সেক্টরকে আদালতের এখানেই ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে।’


এটি করা গেলে যুগান্তকারী পরিবর্তন হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মামলার জট নিষ্পত্তিতে সরকার বাছাই করে বিচারক নিয়োগের পরিকল্পনা করছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিচার ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে জনগণের আস্থায় নিতে চায় সরকার। সারা দেশে চলমান ৪৬ লাখ মামলা নিষ্পত্তি করা ২৩০০ জজের জন্য খুবই কষ্টকর। অন্যদিকে অনেক জুডিশিয়াল কর্মকর্তা ঠিকমতো কাজ না করে আয়েশি জীবন কাটাচ্ছে।


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে আইনমন্ত্রী জানান, কোনো কোনো আসামির ক্ষেত্রে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু করেছি যে, উনারা হাজিরা দেবেন ধার্য তারিখে, কারাগারে থাকবেন, আদালত দেখছেন, ওখান থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাকে হাজির করে কনফার্ম করছেন। আদালত তার ডিজিটাল হাজিরা কনফার্ম করে নিচ্ছেন।


মন্ত্রী জানান, সংবিধান সংশোধনে জুলাই যোদ্ধা, শহীদদের পরিবারের সদস্য, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ সব অংশীজনের মতামত নেওয়া হচ্ছে।


ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৬ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে দুই দেশের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক, দুটি অনুদান চুক্তি এবং একটি অভিপ্রায়পত্র সই হয়েছে।


বুধবার (২৮ অক্টোবর) এসব চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। 


এদিকে বেসরকারি খাতে ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এ ছাড়া উপকূল নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ১৩.৪৪ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিতে চুক্তি সই করেছে জাপান সরকার।


বুধবার রাতে জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।


তিনি জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতে সহায়তা করবে জাপান। এ ছাড়া কৃষি, বনায়ন ও মৎস্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়েও আলাদা একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।


পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি পর্যায়ের চুক্তি ও সমঝোতার পাশাপাশি বেসরকারি খাতেও ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বর্তমান সরকার কাজ করছে।


জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে দেশটিতে চার দিনের সফরে আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল।


দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ভিত্তিতে নতুন সহযোগিতা কাঠামো, প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদার এবং অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়াই এই সফরের লক্ষ্য।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:২২ পিএম

নিজেদের অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে পারলে দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সব বাংলাদেশিই এর সুফল ভোগ করবেন। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং বিদেশের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাপানের টোকিওর নিউ ওতানি হোটেলে জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রথম পরিকল্পনা হচ্ছে দেশের জন্য ভালো কিছু করা। আমরা দেশে থাকি কিংবা বিদেশে থাকি, যে অবস্থানেই থাকি না কেন, আমাদের কোনো কাজের মাধ্যমে দেশ ও দেশের মানুষের ভালো হলে তা করার চেষ্টা করতে হবে।’

মতবিনিময় সভায় জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন। তাদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

স্কুলে জাপানিসহ তৃতীয় ভাষা চালুর পরিকল্পনা

দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানিসহ জার্মান, ফরাসি এবং আরও কয়েকটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ রাখা হবে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী একটি ভাষা বেছে নিতে পারবে।’

এ বিষয়ে পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগামী বছর থেকে স্কুলগুলোতে জাপানিসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষা শেখানোর কার্যক্রম শুরু করার প্রত্যাশা রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিচর্চার সুযোগও নিশ্চিত করতে চায় সরকার। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদেশি ভাষায় দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া গেলে ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তারা বাড়তি সুবিধা পাবে।

উপজেলা হাসপাতালে শয্যা বাড়িয়ে ১৫০ করার পরিকল্পনা

স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি খাতে জাপানের সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ, নারী ও শিশুরা যাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ৫০টি করে শয্যা রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এসব হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বাড়িয়ে ১৫০টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সুবিধা চালুর পাশাপাশি শিশু ও নারীদের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হবে।

এর ফলে গ্রামের মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা বা বিভাগীয় শহরে ছুটতে হবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, দেশের বড় হাসপাতালগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা গেলে বড় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমবে এবং গুরুতর অসুস্থ রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সহজ হবে।

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা

দেশে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে গ্রাম পর্যায়ে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে অন্তত ৮০ শতাংশ নারী নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন, পুষ্টি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করবেন।’

তিনি বলেন, মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করা গেলে রোগের প্রকোপ কমবে এবং চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর চাপও হ্রাস পাবে।

জাপানের শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ

জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের ভাষাগত দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা জরুরি।

তিনি বলেন, ‘কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, জাপানি ভাষা শিক্ষা এবং দেশটির সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা দিয়ে পাঠানোর চেষ্টা করা হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীদের গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখা সম্ভব হবে।’

জাপানি ভাষায় দক্ষ প্রবাসীদের দেশে কাজে লাগানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আগ্রহী হতে হবে। জাপানি ভাষার শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও প্রত্যাশার তুলনায় কম আবেদন পাওয়া গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘জাপানি ভাষায় দক্ষ প্রবাসীরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় অথবা প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এ বিষয়ে সম্ভাব্য উদ্যোগ নেওয়ার পথ খুঁজে দেখা যেতে পারে।’

দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদেরও ভূমিকা রাখার আহ্বান

দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রবাসে অবস্থান করলেও সবাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং দেশের উন্নয়নে প্রত্যেকেরই ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।’

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও জনশক্তির দক্ষতা বাড়ানোর মতো ক্ষেত্রগুলোতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

জাপান বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে সভায় দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:০৫ পিএম

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন উপলক্ষে আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন জমা দেওয়ার সময় বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।


নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর (রোববার) পর্যন্ত এ আবেদন দাখিল ও গ্রহণ করা হবে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।


এতে বলা হয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন উপলক্ষ্যে আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগে ৩১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ৩০ ও ৩১ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পরবর্তী কর্মদিবস ১ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:০৮ পিএম

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে এবং এর কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।


বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।সংবিধানের বিভিন্ন ধারা সংশোধন ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এই বৈঠকে। একইসঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিত করে তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ও মতামতও সরাসরি শোনা হয়।


সভা শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বৈঠকের বিস্তারিত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ।তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেও কী প্রক্রিয়ায় এই সরকার গঠন করা হবে, এর ক্ষমতা ও কার্যপরিধি কী হবে এবং নির্বাচনকালীন এই সরকারের মেয়াদ কত দিনের হবে— সেসব বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কী প্রক্রিয়ায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হবে, এর সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা ও কার্যপরিধি কেমন হবে এবং সংসদ ভেঙে দেওয়ার কত দিনের মধ্যে এই সরকার গঠন করতে হবে— এসব বিষয় গভীরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে সার্চ বডি গঠন কিংবা নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে যাতে পরবর্তীতে কোনো রাজনৈতিক বিতর্কের সুযোগ না থাকে, সে বিষয়ে কার্যকর উপায় খুঁজে বের করতে আলোচনা চলছে।


তিনি বলেন, সমস্ত প্রস্তাব ও পর্যালোচনা শেষে যখন জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করা হবে, তখন সংসদীয় বিতর্কের মাধ্যমে আরও নতুন পরামর্শ ও প্রস্তাব যুক্ত হতে পারে।


সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবিত ‘জুলাই সনদ’-এর বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, সনদে উল্লেখিত বিভিন্ন প্রস্তাবের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বৈঠকে র‍্যাঙ্কড চয়েস ভোটের প্রস্তাব নিয়ে কথা হলেও এ বিষয়ে কমিটির পক্ষ থেকে নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যদের বক্তব্য ছিল, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি সার্বিকভাবে সংসদে আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত হওয়া উচিত। এর বাইরেও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য যেকোনো নতুন ভালো প্রস্তাব আসলে তা সহানুভূতির সাথে পরীক্ষা করে দেখা হবে।


সংবিধান সংশোধন নিয়ে সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের কাছ থেকে প্রচুর প্রস্তাব পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকদের কাছ থেকে পাওয়া গঠনমূলক প্রস্তাবগুলো একত্র করে কমিটির পরবর্তী বৈঠকগুলোতে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হবে। তবে সব প্রস্তাব পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় থাকায় এখনো কোনো শেষ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।


বৈঠকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য হিসেবে সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, আনিছুর রহমান ও মোছা. তাহসিনা রুশদী উপস্থিত থেকে তাদের জীবনের ট্র্যাজিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা বিগত সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নির্যাতন, দীর্ঘদিনের আইনি সুরক্ষা না পাওয়া এবং ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার মর্মস্পর্শী বর্ণনা দেন। ভবিষ্যতে যাতে স্বাধীন বাংলাদেশে এ ধরনের মানবতাবিরোধী ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর কখনোই না ঘটে, সে জন্য সংবিধানে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ও শক্তিশালী পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।


সংসদের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত এই যৌথ পর্যালোচনা বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:০৯ পিএম

পারিবারিক সচেতনতা, সামাজিক প্রতিরোধ ও চিকিৎসার মাধ্যমে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে দিনাজপুর জেলা পুলিশ। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্মিলিত উদ্যোগে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।


সম্প্রতি দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের মিডিয়া সেল গ্রুপে প্রচারিত এক সচেতনতামূলক বার্তায় জেলা পুলিশ মাদককে না বলে জীবনকে হ্যাঁ বলার আহ্বান জানায়। বার্তায় মাদক প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতন হওয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগীতা করা এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধের তথ্য পুলিশকে জানানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।


মাদকের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ। জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, মাদক গ্রহণের ফলে মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি, কর্মক্ষমতা হ্রাস এবং পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে। 


মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ব্যক্তির শিক্ষা, কর্মজীবন ও অর্থনৈতিক অবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি পরিস্থিতিভেদে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু একজন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর প্রভাব পরিবারের সদস্যদের জীবন, সামাজিক সম্পর্ক ও সামগ্রিক পরিবেশেও পড়তে পারে। তাই মাদক প্রতিরোধকে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়ীত্ব হিসেবে না দেখে একটি সম্মিলিত সামাজিক দায়ীত্ব হিসেবে বিবেচনা করা জরুরী।


মাদক প্রতিরোধে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, মাদক থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে পরিবারের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে জেলা পুলিশ। সন্তানদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া, তাদের সঙ্গে আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা, চলাফেরা ও বন্ধুবান্ধব সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সুস্থ জীবনযাপনে উৎসাহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা ও বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে তরুণদের সম্পৃক্ত করা মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।


পরিবারে কেউ মাদকাসক্ত হয়ে পড়লে তাকে অবহেলা বা অপমান না করে সহানুভূতির সঙ্গে বোঝানো এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের সহায়তায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা উচিত। একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজের সহযোগীতামূলক পরিবেশ তার সুস্থ হয়ে ওঠার পথকে সহজ করতে পারে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে আইন মানার আহ্বান জেলা পুলিশের বার্তায় মাদকদ্রব্যের অবৈধ উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন, সরবরাহ ও ক্রয়-বিক্রয়সহ আইন দ্বারা নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। 


মাদকদ্রব্যসংক্রান্ত অপরাধের ধরন ও প্রযোজ্য আইনের বিধান অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধের তথ্য জানা থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে জেলা পুলিশ। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলেই তাকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা না করে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তথ্য যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী।


জরুরী প্রয়োজনে যোগাযোগের অনুরোধ দিনাজপুর জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক বার্তায় জরুরী প্রয়োজনে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে যোগাযোগ এবং জেলা পুলিশের কন্ট্রোল রুমে তথ্য দেওয়ার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জেলা পুলিশের দেওয়া যোগাযোগের তথ্য অনুযায়ী—
জাতীয় জরুরী সেবা: ৯৯৯
পুলিশ কন্ট্রোল রুম, দিনাজপুর: ০১৩২০-১৩৭২৯৮
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চাই সম্মিলিত উদ্যোগ মাদক প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, হাটবাজার, বাস টার্মিনাল ও জনসমাগমস্থলে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে এ বিষয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব।


মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু অভিযান বা শাস্তির ওপর নির্ভর না করে প্রতিরোধ, সচেতনতা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে আইনসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ঝুঁকিতে থাকা তরুণদের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগও জরুরী। দিনাজপুর জেলা পুলিশের আহ্বানের মূল বার্তাও হলো মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন হোন, অপরাধ প্রতিরোধে সহযোগীতা করুন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়ীত্ব পালন করুন।