সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রতীক | সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৩ মে, ২০২৬, সময় : ২:৫২ পিএম

দুই দিনব‍্যাপী সুপ্রিম কোর্ট বার (আইনজীবী সমিতি) অ্যাসোসিয়েশনের ২০২৬-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন শুরুর প্রথমদিনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১৭৭১জন আইনজীবী।


বুধবার (১৩ মে) নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত উপকমিটির চেয়ারম্যান (অব.) বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীদের সংগঠনের এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দল ও সারা দেশের জেলা বারের আইনজীবীদের নজর ও উৎসাহ থাকে। এবারের নির্বাচন পরিচালনার জন্য হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে নির্বাচন উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৯৭ জন। প্রথমদিনের ভোটগ্রহণ শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে।


এই নির্বাচন নির্দলীয় হলেও কার্যত বিভিন্ন দলপন্থীদের নিয়ে প্যানেলের আদলে নির্বাচন হচ্ছে। এই নির্বাচনে এবারের নির্বাচনে আওয়ামীপন্থিদের (সাদা) প্যানেল না থাকলেও বিএনপিপন্থীদের নীল প্যানেল, জামায়াতপন্থীদের সবুজ প্যানেল ও এনসিপির প্রার্থীদের লাল-সবুজ প্যানেল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।


এবারের নির্বাচনে সভাপতি-সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদে নির্বাচন হচ্ছে। এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪০ জন প্রার্থী।


নির্বাচনে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুটি সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান।


সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ পদে জিয়াউর রহমান, দুটি সহ-সম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া সাতটি সদস্য পদে নির্বাচন করছেন এ কে এম আজাদ হোসেন, এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, কবির হোসেন, টিপু সুলতান, জিয়া উদ্দিন মিয়া, রিপন কুমার বড়ুয়া এবং ওয়াহিদা আফরোজ চৌধুরী।


এ ছাড়া জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আবদুল বাতেন, দুটি সহ-সভাপতি পদে আব্দুল হক ও মইনুদ্দিন ফারুকী, সম্পাদক পদে এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার, কোষাধ্যক্ষ পদে এস এম জাহাঙ্গীর আলম, দুটি সহ-সম্পাদক পদে তারিকুল ইসলাম ও যোবায়ের আহমদ ভূঁইয়া প্রার্থী হয়েছেন।


এই প্যানেল থেকে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, ফারজানা খানম, ইসরাত জাহান অনি, ফয়েজউল্লাহ, জুবায়ের টিটু, মাহমুদুল হাসান ও মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন লিংকন।


এনসিপিপন্থী আইনজীবীদের লাল-সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে কোনো প্রার্থী দেওয়া হয়নি। তবে এই প্যানেল থেকে সম্পাদক পদে আজমল হোসেন বাচ্চু, দুটি সহ-সম্পাদক পদের একটিতে মোস্তফা আসগর শরীফী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সদস্য পদে আমিনা আক্তার লাভলী, কাজী আকবর আলী, বনি আমিন ও মাজহারুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন।


এসব প্যানেলের বাইরে এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে ইউনুছ আলী আকন্দ, সম্পাদক পদে ফরহাদ উদ্দিন ভুইয়া, আবু ইয়াহিয়া দুলাল, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ আশরাফ উজ-জামান খান এবং সদস্য পদে জোবায়ের তায়েব ও তপন কুমার দাস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।



Update Test post

Update Test post

 23 মিনিট আগে

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:২৪ পিএম

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা (সিজেএফডি) এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে সাঈদ আহমেদ খান ও সম্পাদক হিসেবে সালাহ  উদ্দিন জসিম কে ফোরামের সদস্যরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। নির্বাচনে নব নির্বাচিত কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি পদে সালাম ফারুক ও মোসাম্মৎ নাসরীন সুলতানা, যুগ্ম-সম্পাদক পদে মনির আহমাদ জারিফ ও ফারজানা আফরিন, অর্থ সম্পাদক পদে নিজাম উদ্দিন দরবেশ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. শাহনেওয়াজ বাবলু ও দপ্তর সম্পাদক পদে মো. আশিকুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।


এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে শাহাদাত হোসেন রাকিব ও ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আহমেদ আজম নির্বাচিত হয়েছেন।


সংগঠনটির সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে হাবিবুর রহমান বাবু, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বেলাল, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইয়াসিন রানা, ইভেন্ট ও আপ্যায়ন সম্পাদক পদে মাহমুদুল হাসান বিপ্লব শিকদার নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে সর্বোচ্চ সর্বোচ্চ ১১৭ ভোট পেয়ে দিদারুল আলম  দিদার, ১ম এবং ৭৪ ভোট পেয়ে যথাক্রমে মোহাম্মদ আব্দুল ওদুদ ২য়, ৩য় পজিশনে    ৭৩ ভোট পেয়ে যৌথ ভাবে মো. আবু তাহের ও কমল চৌধুরী, ৫৭ ভোট ৪র্থ পজিশনে শারমিন সুলতানা রিমা নির্বাচিত হয়েছেন।

Update Test post

Update Test post

 23 মিনিট আগে

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ২৪ মে, ২০২৬, সময় : ১০:১৬ এএম

পবিত্র ঈদুল আজহায় পশু জবাই থেকে শুরু করে চামড়া অক্ষত রেখে ছাড়ানো আর নিপুণভাবে মাংস কাটার দক্ষতায় রাজধানী ঢাকায় সৈয়দপুরের কসাইদের কদর বরাবরই আলাদা। সেই পশুর হাটের ঝক্কি সামলে নিখুঁতভাবে কোরবানির কাজ শেষ করতে নীলফামারীর সৈয়দপুরের শতাধিক কসাই এবারও ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। 


ইতোমধ্যে ট্রেন ও বাসে করে অনেকে ঢাকায় পৌঁছে গেলেও, নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিমানবন্দর থাকার সুবাদে ঈদের এক-দুই দিন আগে বিমানে চড়ে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বিমানের টিকিট কেটেছেন কেউ কেউ।


বিগত কয়েক বছর ধরে ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো, মাংস টুকরো ও ভাগ-বাঁটোয়ারার কাজে দক্ষ সৈয়দপুরের শতাধিক কসাই রাজধানী ঢাকামুখী হচ্ছেন। ঈদের তিন দিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির গরু কাটার কাজ করেন তারা। মাত্র এই কয়েক দিনেই কসাইরা সম্মিলিতভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার মতো আয় করে থাকেন।


সৈয়দপুর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম কোরাইশি বলেন, ‘এবার ঈদের আগের দিন ১০ জনের একটি দল নিয়ে বিমানে ঢাকায় যাব। ইতোমধ্যে টিকিটও কাটা হয়েছে। দলটিকে তিন ভাগে ভাগ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কাজ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আমাদের বাপ-দাদারাও ঢাকায় গিয়ে কোরবানির কাজ করতেন। পশু জবাই থেকে শুরু করে চামড়া অক্ষত রেখে ছাড়ানো, মাংস পিস করা ও হাড় আলাদা করা– সব কাজেই দক্ষতা রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই আমরা এসব শিখে বড় হয়েছি।’


সৈয়দপুর গোলাহাট এলাকার কসাই সুলতান বলেন, ‘মাস খানেক আগেই ঢাকার অনেক পরিবার বুকিং দিয়ে রাখেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে আমার আত্মীয় থাকায় আমি গত ২১ মে তিনজনের একটি দল নিয়ে বিমানে করে ঢাকায় চলে এসেছি। হাজারে ২০০ টাকা রেটে চুক্তি হয়। অর্থাৎ এক লাখ টাকার গরু কাটলে কসাই পান প্রায় ২০ হাজার টাকা। আয় যেহেতু হবে, তাই বিমানে যাতায়াত করি।’


Update Test post

Update Test post

 23 মিনিট আগে

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২০ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ২:৫২ এএম

রবিবার ১৯ ই এপ্রিল  ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ও ঢাকা জার্নালিস্ট কাউন্সিল ডিজেসি এর সাধারণ সম্পাদক, পুরান ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের সহ -সভাপতি  মো: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের  মাতা শারীরিক বার্ধ‍্যকজনিত কারণে রাজধানীর একটি হাসপাতালে  শেষ নিঃশ্বাস ত‍্যাগ করেছেন । ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। 


মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি ৫ পুত্র এবং ৩ কন‍্যা সন্তানসহ অনেক গুনগাহী রেখে গেছেন।


মো: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের  মায়ের মৃত্যুতে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন,জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের মহাসচিব জাহাঙ্গীর আলম প্রধান,পুরান ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি জাফরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ সালেহিন,ঢাকা জার্নালিস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ইকরামুল কবির টিপু, ওল্ড ঢাকা নাগরিক সমাজের সভাপতি আব্দুল রউফ মহাসচিব সানি মাহতাব, গাংচিল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি নাসিমা সোমা ও সাধারণ সম্পাদক জহুর ইকবাল, রুর্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশনের 


চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম, ঢাকা ইয়ূথ ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মহাজন,  বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক ফরিদ সিদ্দিকী, কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল গনি, সাধারণ সম্পাদক শামীম শেখ ঢাকা জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি  এইচ, এম আমিন, নারিন্দা লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি আজাদ হোসেন কবির, দৈনিক সংবাদ সারাবেলা পরিবার, দৈনিক বাংলাদেশের আলোর পরিবার, দৈনিক নওরোজ পরিবারসহ বিভিন্ন সাংবাদিক এবং সামাজিক সংগঠন শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি  গভীর শোক এবং সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে।


রবিবার  বাদ এশা নবাব বাড়ির জামে  মসজিদে মরহুমার জানাজার নামাজ পড়ান বাংলার তারেক জামিল খ্যাত মুফতি নজরুল ইসলাম কাসেমী  শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। জানাজার নামাজে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। আজিমপুর কবরস্থানে মরহুমার দাফন শেষে আজিমপুর কবরস্থান মসজিদের খতিব মাওলানা ইমরান  দোয়া পরিচালনার মধ‍্য দিয়ে দাফন কার্য শেষ হয়।


এদিকে মরহুমার  পুত্র মো: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক  যেসব ব‍্যক্তি এবং সংগঠন তার মায়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন তিনি তাদের  প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি তার মায়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাতও কামনা করেছেন।

বিষয় :

Update Test post

Update Test post

 23 মিনিট আগে

সর্বশেষ সব খবর

অনলাইন ক্লাস

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ৩১ মার্চ, ২০২৬, সময় : ৯:০৭ এএম

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে পড়াশোনার গতি সচল রাখতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে সপ্তাহে তিন দিন হবে অনলাইনে এবং বাকি তিন দিন সরাসরি শ্রেণিকক্ষে ক্লাস হবে।


আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে হওয়া এক যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত নেন। 


যে কোনো সময় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।


সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে মোট ছয় দিন ক্লাস হবে। এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি (অফলাইন) স্কুলে উপস্থিত হয়ে ক্লাস করবে এবং বাকি তিন দিন ইন্টারনেটের মাধ্যমে (অনলাইন) পাঠদান চলবে। ক্লাসের দিন নির্ধারণে জোড়-বিজোড় তারিখ বা রোল নম্বর পদ্ধতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


তবে অনলাইন ক্লাসের দিনগুলোতেও শিক্ষকদের সশরীরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সেখান থেকেই পাঠদান পরিচালনা করতে হবে। বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ের ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলো অবশ্যই অফলাইনে ল্যাবে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হবে।


শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ছুটির কারণে শিক্ষার্থীদের যে শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতেই সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত। 


তবে জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হওয়ায় যাতায়াত ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে তিন দিন অনলাইন মাধ্যমকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আপাতত এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে।


রমজান, ঈদ ও বিশেষ ছুটি মিলিয়ে দীর্ঘ ৪০ দিন পর গত রোববার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও প্রথম দিনে উপস্থিতির হার ছিল আশঙ্কাজনকভাবে কম। বিশেষ করে ধানমন্ডি, গুলশান ও উত্তরার মতো অভিজাত এলাকার স্কুলগুলোতে, যেখানে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগত গাড়িতে যাতায়াত করে, সেখানে উপস্থিতি ছিল বেশ হতাশাজনক।


ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা খাতুন জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটে গাড়ি বের করতে না পেরে অনেক অভিভাবক আগেই স্কুল কর্তৃপক্ষকে ছুটির কথা জানিয়েছিলেন।


ঈদের ছুটি শেষে স্কুল খোলার পর পরিস্থিতি সামলাতে তিনটি বিকল্প পরিকল্পনা রাখে সরকার। এক- সংকট তীব্র হলে পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ক্লাস, দুই- সরাসরি ও অনলাইন- উভয় মাধ্যম খোলা রাখা (হাইব্রিড) এবং সমন্বিত রুটিনের মাধ্যমে সপ্তাহের দিনগুলো ভাগ করে ক্লাস নেওয়া।


মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক বি এম হান্নান জানান, শিক্ষামন্ত্রী সভাপতিত্বে সভায় এখন থেকে হাইব্রিড পদ্ধতিতে শিক্ষাক্রম পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।


এর আগে মঙ্গলবার সকালে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনও সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান যে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অনলাইন ও অফলাইন- উভয় মাধ্যমকে সমন্বিত করার চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

Update Test post

Update Test post

 23 মিনিট আগে

সর্বশেষ সব খবর

সারাদেশে হামের প্রকোপ

  • প্রকাশ : রবিবার ২৯ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:৫৪ এএম

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বেশ কিছু জেলায় হুট করেই শিশুদের মধ্যে হামে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে, যদিও স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, সারাদেশেই শিশুরা এ রোগের আক্রান্ত হচ্ছে। দেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুরা এই রোগের টিকা পাওয়ার পরেও কেন এই সময় আবার রোগটির প্রবণতা বাড়ছে, সেই আলোচনা জোরদার হচ্ছে।


চিকিৎসকরা বলছেন, টিকা দেওয়ার পরেও অনেক শিশু এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, যা উদ্বেগের। কারণ ব্যাপক ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত এই রোগটি আক্রান্ত শিশুর জীবনকেও ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে। তবে এবার আক্রান্ত রোগীদের উপসর্গ বিবেচনা করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাতে তারা সুস্থ হচ্ছেন বলেও বলছেন তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায় ছয়শো কোটি টাকা নতুন করে টিকার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে আজ রোববার এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।


তিনি অভিযোগ করেছেন, গত আট বছর অতি সংক্রামক এ রোগটির টিকা না দেওয়ার কারণেই এখন হামের প্রকোপ আবার দেখা যাচ্ছে। 


এদিকে, স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, তারা আগামী জুলাই-অগাস্টে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশজুড়ে শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ‌‘ইতোমধ্যেই ভ্যাকসিন চলে আসছে। আরও যা যা লাগবে সেটি টিকার জন্য গঠিত বৈশ্বিক জোট গ্যাভিকে অবহিত করা হয়েছে। তারা মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে ২ কোটি সিরিঞ্জ দিবে। সবকিছু একত্রিত হলেই আমরা ক্যাম্পেইন (বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি) শুরু করবো।’ বলেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপপরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ।


স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা ও শিশু চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মূলত পর্যাপ্ত টিকা না দেওয়া, শিশুদের মায়ের বুক দুধ ঠিকমতো পান না করানো, প্রয়োজনীয় কৃমিনাশক ঔষধ না খাওয়ানো এবং অপুষ্টির কারণেই নতুন করে হামের এই প্রকোপ শুরু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 


এছাড়া হামের জন্য যে টিকা দেওয়া হচ্ছে সেই টিকার মান এবং দীর্ঘদিন ধরে টিকা দেওয়ার কারণে ভাইরাসের ধরণে কোনো পরিবর্তন নতুন করে হামের প্রকোপে ভূমিকা রেখেছে কি-না সেই প্রশ্নও উঠছে।


ময়মনসিংহে আরও দুটি শিশুর হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় হাসপাতালগুলোয় হাম সন্দেহে ভর্তির ভিড় বাড়ছে। মার্চ মাস জুড়ে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের কারণে অন্তত ২০টি শিশুর মৃত্যুর তথ্য এসেছে দেশের সংবাদ মাধ্যমে। ‘সাধারণত ৯ মাস পূর্ণ হলে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় হামের টিকা পায় শিশুরা। 


কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে যারা আক্রান্ত তাদের ৩৩ ভাগ এই বয়সের আগেই আক্রান্ত হয়েছে। অর্থাৎ ৯ মাসের কম বয়সীদের মধ্যে এই রোগের সংক্রমণ বাড়ছে।’ বলেছেন শাহরিয়ার সাজ্জাদ।


সাধারণত সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৯-১৫ বয়সী শিশুদের হামের দুটি টিকা দেওয়া হলেও এর অতিরিক্ত হিসেবে প্রতি চার বছর পরপর হামের টিকা দেওয়ার যে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়, ২০২৪ সালে তা হয়নি। ‘২০২০ সালে করোনা, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণে হামের টিকাদানের বিশেষ ক্যাম্পেইন হয়নি এবং এরপর চলতি বছরের এপ্রিলে করার কথা থাকলেও সেটি হয়নি’ বলছিলেন শাহরিয়ার সাজ্জাদ।


চলতি বছরের শুরু থেকেই এই রোগটির প্রকোপের সম্ভাবনা প্রকাশ পাচ্ছিল। বিশেষ করে জানুয়ারির শুরুতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও ঢাকার কিছু বস্তিতে রোগটিতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছিল। 


এরপর চলতি মাসেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভেন্টিলেশনসহ আইসিইউ সুবিধার অভাবে ৩৩টি শিশুর মৃত্যুর খবর দেশের সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হবার পর এ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। যদিও এদের ১০ থেকে ১২টি শিশু হামে আক্রান্ত ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে।



বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় চলতি মাসে রাজশাহী বিভাগের ১৫৩টি রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে ৪৪ জনের হাম নিশ্চিত হওয়া গেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও পাবনায় সংক্রমণ হচ্ছে বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। 


এর আগে ১৬ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমরা ২০ জন রোগীর নমুনা ঢাকায় পাঠিয়েছিলাম। তার মধ্যে ১০ জনই হামে আক্রান্ত রোগী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বলছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দীন। তিনি বলেন, জেলার সব উপজেলাতেই শিশুদের হামে আক্রান্ত হতে দেখা গেছে এবং অনেকে চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠছেন।


ঢাকার শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার দে বলেছেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি কারণ রোগটিতে আক্রান্ত হলে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং সে কারণে নিউমোনিয়ায় ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি হয়। 


গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজশাহীতে অন্তত ৮০ জনকে আইসিইউতে নেওয়ার সুপারিশ চিকিৎসকরা করলেও সবাইকে সেই সুবিধা দেওয়া যায়নি। আবার আইসিইউতে নেওয়ার পরেও মারা গেছে ৯ জন। ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চলতি বছরের শুরু থেকে চারশোর বেশি রোগী হাম সন্দেহে ভর্তি হয়েছে, যাদের অধিকাংশের হাম শনাক্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছেন সেখানকার একজন কর্মকর্তা। ঢাকার এই হাসপাতালটিতে হাম, বসন্ত, ধনুষ্টংকার, কালাজ্বর ও জলাতঙ্ক রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়।



রোগটি সম্পর্কে তথ্য


চিকিৎসকরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছু গবেষণায় তারা দেখতে পাচ্ছিলেন যে নয় মাস বয়সের আগেই শিশুরা হাম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অথচ সম্প্রসারিত টিকাদান বা ইপিআই কর্মসূচিতে শিশুদের প্রথম এই টিকা দেওয়া হয় ৯ মাস বয়সে। সে কারণে অনেকে হামের টিকার সময়সীমা এগিয়ে আনার পক্ষে মত দিচ্ছেন। 


আবার এতদিন ধরে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত যে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছিল, তার মান ঠিক আছে কি-না তা নিয়েও উদ্বেগ আছে অনেকের মধ্যে।


শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার দে বলছেন, ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা যায়। আর একজন হাম আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে আরও অন্তত ১৮ জন সংক্রমিত হতে পারে। ‘এর প্রথম পর্যায়ে অনেক জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল ও আলো সহ্য করতে না পারার (চোখ ওঠা) মতো উপসর্গ দেখা দেয়। এটি একটি ভাইরাল ও খুবই ছোঁয়াচে রোগ। এতে আক্রান্ত হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে। তখন শিশু নিউমোনিয়া ও লুজ মোশনে আক্রান্ত হতে পারে। আবার এসব হলে পুষ্টিহীনতা দেখা দেয়। সব মিলিয়ে শিশুর জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এই রোগ’ বলেছেন তিনি।


চিকিৎসকদের মতে, বেশির ভাগ সময় হামে আক্রান্ত শিশুকে হাসপাতালে আলাদা ব্যবস্থাপনায় রেখে চিকিৎসা দিতে হয়। তবে রোগটিকে প্রতিরোধযোগ্য উল্লেখ করে সঞ্জয় কুমার দে বলেন, সময়মত টিকা নিলে এ রোগ থেকে শিশুকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব।



পরিস্থিতি সামাল দিতে কী করা হচ্ছে


স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, মিজেলসের (হাম) রোগী অনেক বেড়েছে। আট বছর আগে মিজেলসের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এবং এরপর ভ্যাকসিন কোনো গভর্নমেন্ট দেয়নি। গত ১৫ দিনে হামের প্রবণতা বেড়েছে। 


তবে এখনো আমাদের সক্ষমতা রয়েছে। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ডিএনসিসি হাসপাতালে হামের জন্য আলাদা কর্নার করা হয়েছে। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে আইসিইউ রেডি করা হয়েছে, উইথ ভেন্টিলেটর," আজ ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেছেন তিনি।


স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল) আবু হোসেইন মো. মইনুল আহসান বলেছেন, সুনির্দিষ্ট কিছু এলাকায় বেশি আক্রান্ত হলেও কমবেশি সারাদেশেই হামে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাচ্ছেন তারা। বড় দশটি মেডিকেল কলেজে আলাদা ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। সব আইসিউতে এসব রুগীকে চিকিৎসা দেওয়া যায় না। তাই আলাদা করে আইসিউর ব্যবস্থা করা হচ্ছে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে, বলেছেন তিনি।

Update Test post

Update Test post

 23 মিনিট আগে

সর্বশেষ সব খবর

শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ পিএম

রাজধানীতে কর্মরত শরীয়তপুর জেলার সাংবাদিকদের সংগঠন শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা এর উদ্যোগে এক আন্তরিক পরিবেশে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনেরা অংশগ্রহণ করেন।


সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান পলাশের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এম ইমরুল হাসান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুমিত আল রশীদ। এছাড়াও শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের দৌড়ে শরীয়তপুর এখনও কিছু ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। তাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সবার সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ শরীয়তপুর গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা এর যেকোনো প্রয়োজনে তিনি সবসময় পাশে থাকবেন।


ইফতার ও দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন এনটিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক ফকরুল আলম খান কাঞ্চন, শরীয়তপুর সাংবাদিক সমিতি ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মজিবুর রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

Update Test post

Update Test post

 23 মিনিট আগে

সর্বশেষ সব খবর