ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

  • প্রকাশ : সোমবার ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৫:০৭ এএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি এই সিদ্ধান্তকে নাগরিকের তথ্য পাওয়ার অধিকারের পরিপন্থি উল্লেখ করে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।


আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ মানে সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। 


এতে কোনো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজম কার্যকর হবে না। ভোটকেন্দ্র এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও তার তথ্য বা ফুটেজ থাকবে না।


তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশের নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং ফ্রি, ফেয়ার এবং নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে। আমরা স্পষ্টভাবে দাবি করছি, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।


এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম এই সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেন।


এতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটার মোবাইল বহন করতে পারবেন না। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার মোবাইল রাখতে পারবেন।


নির্বাচনে সহিংসতা রোধ ও দ্রুত তথ্য পৌঁছানোর জন্য এবার ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের জন্য ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে, যা কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।




ফজলুর রহমান

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:২৬ পিএম

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন-চারটি জেনারেশন নষ্ট করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। সম্প্রতি এক ভিডিওতে এ মন্তব্য করেন তিনি।


তিনি বলেছেন, ‘যাকে আমরা বাংলার মহান সন্তান মনে করেছিলাম। তিনিই সব জিনিস সর্বনাশ করে দিয়েছেন। একটা ছেলেকেও কেউ বিশ্বাস করে না। মানুষ থুথু দেয়, ‍ঘৃণা করে।


এমন ঘৃণা করে, এটা অকল্পনীয়। পুলিশ ছাড়া কোথাও গেলে গণপিটুনি এমনভাবে খাবে যে তারা কুকুরের সাথে রাস্তায় পড়ে থাকবে। কেউ টেনেও তুলবে না।’


মিজানুর রহমান আজহারী

  • প্রকাশ : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৫৩ পিএম

মাদ্রাসাগুলোতে অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি, বেত্রাঘাত কিংবা অনুপযুক্ত স্পর্শের মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন সুপরিচিত ইসলামি চিন্তাবিদ মিজানুর রহমান আজহারী। 


আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।


পোস্টে আজহারী উল্লেখ করেন, দেশে দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে মাদ্রাসাগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য হলেও সম্প্রতি কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের অপ্রীতিকর ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ফলে মাদ্রাসা শিক্ষার ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এই বাস্তবতায় প্রভাবশালী আলেম ও দায়িত্বশীলদের নিয়ে খোলামেলা ও আত্মসমালোচনামূলক আলোচনা করার সময় এসেছে বলে মনে করেন তিনি। নিজের ভুলগুলো নিজেরা সংশোধন না করলে দ্বিতীয় বা তৃতীয়পক্ষ সুযোগ নিতে পারে এবং পুরো শিক্ষাব্যবস্থা সংকটে পড়তে পারে।


জবাবদিহিতা ও মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি


ধর্মীয় শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান হওয়ার অর্থ এই নয় যে তা জবাবদিহি ও সুশাসনের ঊর্ধ্বে থাকবে। দেশের নানা প্রান্তে গড়ে ওঠা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও সিসি ক্যামেরা ছাড়াই পরিচালিত হিফজখানা ও মাদ্রাসাগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন, নিবন্ধন, মানসম্মত পাঠ্যক্রম, দক্ষ শিক্ষক, নিরাপদ অবকাঠামো এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।


শিশুদের মনস্তত্ত্ব ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ


শিক্ষকদের শুধু বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান থাকলেই চলবে না, শিশুদের মনস্তত্ত্ব বুঝে বয়সোপযোগী ও মানবিক আচরণ করার সক্ষমতাও থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেন এই ইসলামি বক্তা। আবাসিক মাদ্রাসাগুলোর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানসম্মত পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর নীতিমালা, শিক্ষক নিবন্ধন, অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা এবং ব্ল্যাকলিস্টিংয়ের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।


চাইল্ড সেফটি পলিসি ও শারীরিক শাস্তির অবসান


শাসনাধীন অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি, বেত্রাঘাত বা টর্চারের তীব্র সমালোচনা করে ড. আজহারী জানান, যে আচরণ শিশুর মনে ভয় বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ট্রমা সৃষ্টি করে তা শিক্ষার উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শৃঙ্খলা হতে হবে প্রজ্ঞা ও ভালোবাসার ভিত্তিতে। এ জন্য প্রতিটি মাদ্রাসায় কার্যকর শিশু সুরক্ষা নীতিমালা বা ‘চাইল্ড সেফটি পলিসি’ প্রণয়ন এবং নিরাপদ অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা রাখার তাগিদ দেন তিনি।


পেশাগত সীমারেখা ও সমন্বিত সংস্কার


শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের আচরণের সুস্পষ্ট সীমারেখা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, শাসনের নামে ভয় দেখানো কিংবা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তবে সংস্কার মানে প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করা নয়, বরং সক্ষমতা বাড়িয়ে একটি নিরাপদ ও আস্থাশীল শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা। দ্বীনি শিক্ষার মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে আলেম-ওলামা, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

‘পাপের লাশ চাই না’ বলে ক্ষমা চাইলেন এমপি রতন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ বাংলাদেশিকে নিয়ে মন্তব্য


বিএনপির সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:০৯ পিএম

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এই ক্ষমা চান।


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি স্টার নিউজের একটি টক শোতে সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের শিরশ্ছেদের দুঃখজনক ঘটনাটি নিয়ে সংকীর্ণভাবে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করতে গিয়ে আমি আবেগবশত বলেছিলাম, ‘আমি এই পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না।’


আমার এই মন্তব্যটি করা একেবারেই ঠিক হয়নি এবং আমি তা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রত্যাহার করছি। আমার এই মন্তব্যের মাধ্যমে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার-পরিজন এবং আমাদের প্রবাসী ভাইবোনদের মনে যে কষ্ট ও আঘাত দিয়েছি, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।


কামরুজ্জামান রতন বলেন, মানুষ ভুল করতেই পারে, আর ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ মহান আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। আমার ওই মন্তব্যটি জন্য আমি দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।


এ নিয়ে স্টার নিউজের অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে স্টার নিউজের টক শো ‘কড়া আলাপ’-এ ‘সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড ও আমাদের কূটনীতির ব্যর্থতা’ শীর্ষক আলোচনায় সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মন্তব্য করেন কামরুজ্জামান রতন। তার সেই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুঃখ প্রকাশ করে মন্তব্যটি প্রত্যাহার করেন তিনি।


নায়িকা পরীমনি। ছবি: ফেসবুক থেকে

  • প্রকাশ : রবিবার ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:২০ পিএম

আপত্তিকর কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় তোলপাড় দেশের বিনোদন অঙ্গন। এবার সেই ঘটনায় সরাসরি মাছরাঙা টেলিভিশনকেই দায়ী করলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি।


চ্যানেলটির অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওগুলো সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেগুলো ডিলিট করে অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত দুঃখ প্রকাশকে ‘অপর্যাপ্ত’ উল্লেখ করেন নায়িকা পরীমনি। তিনি দাবি করেন, এই কাণ্ড তার স্বাভাবিক জীবন, মানসিক শান্তি এবং পেশাগত কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।




গত সোমবার দিনগত রাতে আপলোড হওয়া এসব কনটেন্ট মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অ্যাকাউন্টে দেখা যায়। প্রথম দুটির ভিডিওর ভিউ যথাক্রমে প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার এবং ১ লাখ ৪৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এ ছাড়া হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া ও বিপুলসংখ্যক মন্তব্য জমা পড়ে।


শনিবার (১৭ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে পরীমণি লেখেন, ‘ডিয়ার মাছরাঙা টেলিভিশন, আপনাদের এই জাস্ট একটা ফটো কার্ডের দুঃখ প্রকাশ কোনো কাজেই দিচ্ছে না। আপনারা আমার স্বাভাবিক জীবনটা আবার দুর্বিষহ করে দিয়েছেন। এর সম্পূর্ণ দায়ভার আপনাদের।’



তিনি আরও জানান, ট্রোল ও বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের কারণে নিজের বাচ্চাদের ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারছেন না। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো আইনি পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।




অন্যদিকে, মাছরাঙা টেলিভিশনের দাবি, তাদের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির মাল্টিমিডিয়া ম্যানেজার সংবাদমাধ্যমকে জানান, অননুমোদিত প্রবেশের মাধ্যমে এই কনটেন্টগুলো ছাড়া হয় এবং তারা দায়ীদের শনাক্ত করতে আইনি ব্যবস্থার উদ্যোগ নিচ্ছেন।


এ ঘটনার প্রতিবাদে অন্য অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ডিপফেকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেও, ক্ষুব্ধ পরীমণি সরাসরি মাছরাঙা টেলিভিশনকেই পুরো মানসিক ও পেশাগত ক্ষতির জন্য দায়ী করেছেন।


 আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন মেহজাবীন


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৫৮ পিএম

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর ঘটনার পর ৪ দিন পার হয়ে গেলো এবং এরইমধ্যে আমরা জানতে পারলাম যে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানকার জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে-এমনটাই জানিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।


বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের পুত্র। 


পোস্টে ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। সোহেল তাজ বলেন, যাই হোক যে কারণেই হয়ে থাকুক আমি এখনো আগের ন্যায় একই ভাবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।


তবে তাজউদ্দীন আহমেদের পুত্র মনে করেন, সালমান মুক্তাদিরের উচিত হবে বিএনপির মত একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে যে ঢালাও ভাবে চাঁদাবাজির অভিযোগ তিনি করেছেন সেটা প্রত্যাহার করে নেওয়া।


এদিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টে সাড়ে ১০ হাজারের মত রিয়্যাকশন পড়েছে।


ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৩১ এএম

যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে মাঝআকাশে একটি বিমানে দুই বাংলাদেশি যাত্রীর তুমুল মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফ্লাইট চলাকালে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই যাত্রী হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।



ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চরম বাকবিতণ্ডার পর দুই ব্যক্তি একে অপরকে কিল-ঘুষি ও চড় মারতে থাকেন। একপর্যায়ে মারামারির ধাক্কায় একজনের পরনের টি-শার্ট ছিঁড়ে যায়। মাঝআকাশে হঠাৎ এমন হাতাহাতির ঘটনায় বিমানে থাকা সাধারণ যাত্রী, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।



পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিমানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেবিন ক্রু ও পাশে থাকা অন্য যাত্রীরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তারা দুজনকে থামানোর চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে তাদের টেনে আলাদা করে শান্ত করেন।


এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মহিউদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানি নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।’