মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বেশ আগে থেকেই শুরু হয়েছে। তবে এবার কোনো মাদক বা সোনা নয়, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ দেখাল কোটি টাকার ‘চুল’ উদ্ধারের এক অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব! কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ফিল্মি স্টাইলে গায়েব হয়ে যাওয়া বিশাল এক চুলের চালান মাত্র কয়েক ঘণ্টার ঝটিকা অভিযানে উদ্ধার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে জেলা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে দামুড়হুদা থানার পোড়াপাড়া এলাকা থেকে একটি কাভার্ড ভ্যানে থাকা কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ স্টাইলে ছিনতাই হয়ে যায়। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রসেসিংয়ের জন্য এই চুলগুলো নেওয়া হচ্ছিল, যার বাজারমূল্য কোটি টাকারও বেশি।
দামি এই চুলের চালান এভাবে হুট করে হাওয়া হয়ে যাওয়ার খবরটি পৌঁছায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবিরের কাছে। ঘটনা শোনামাত্রই তিনি কোনো সময় নষ্ট না করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা, দামুড়হুদা থানা এবং পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ও ডিএসবি-র একাধিক চৌকস টিমকে মাঠে নামার নির্দেশ দেন।
এসপির নিখুঁত দিকনির্দেশনায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চুল বহনকারী গাড়ি, সংশ্লিষ্ট ঘর এবং কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজারকে দ্রুত ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়। ডিবির ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে বেরিয়ে আসে ভেতরের তথ্য।
সেই তথ্যের সূত্র ধরে রাত গভীর হতেই অভিযানে নামেন পুলিশ সদস্যরা। অবশেষে রাত সাড়ে ৩টার দিকে চুয়াডাঙ্গা হাউসহাউস এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় কোটি টাকা মূল্যের সেই নিখোঁজ চুল অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের এমন তড়িৎ ও সমন্বিত অ্যাকশনের কারণেই এত বড় একটি চালান উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া চুলের মালিকপক্ষের কেউ এখনো যোগাযোগ করেননি। তবে মালিকপক্ষ এসে এজাহার বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করলেই পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চুয়াডাঙ্গা পুলিশের এই সফল অভিযান এখন পুরো এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
এছাড়া গত কয়ো মাস যাবৎ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে মাদক সেবনকারী, মাদক ব্যবসায়ী ও কারবারিদের বিরুদ্ধে এক মূর্তমান আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খানের তৎপরতায়।
ঠাকুরগাঁওয়ের বিজিবির অভিযানে হরিপুর সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদকদব্য উদ্ধার করা হয়। (২৩ আগষ্ট রোববার) ভোর রাত ৪ টার সময় ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)’র অধীনস্থ কাঠালডাঙ্গী বিওপির টহলদল বিশেষ অভিযানে উল্লেখিত মাদকদ্রব্য আটক করে। যার আনুমানিক সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
আজ রোববার ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)’র পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সীমান্তে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি চোরাচালান প্রতিরোধে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কৌশলী পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে সফল অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) এর অধীনস্থ কাঠালডাঙ্গী বিওপি’র হাবিলদার মোঃ মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে কাঠালডাঙ্গী বিওপি’র টহলদল কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত মেইন পিলার ৩৭০ হতে আনুমানিক ৩শ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘গেরুয়াডাঙ্গী’ নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ২৫৩ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল এবং ১৪৪ বোতল এস্কাফ সিরাপ আটক করা হয়।
বিজিবি কর্তৃক মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধমূলক 'জিরো টলারেন্স' নীতির বাস্তবায়নের পাশাপাশি এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, মানব পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে বিজিবি।
কাঁধে করে নিয়ে যাচ্ছেন সার
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে জোট বেঁধে ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। তবে বাকি সার এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আজ রোববার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নে সার বিক্রির জন্য ডিলার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল। তাঁর নামে মোট ১ হাজার ৩২০ বস্তা সার বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে গুদামে ৩৪০ বস্তা সার মজুত ছিল।
আজ সকাল থেকেই সার কেনার জন্য ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক জড়ো হন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ডিলার পয়েন্টের দরজা না খোলায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তারা। একপর্যায়ে কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সার নিয়ে যেতে শুরু করেন। এ সময় তারা ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং গুদামে থাকা বাকি সার রক্ষা করে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, শিলখুড়ি ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা। বিপরীতে বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ৩২০ বস্তা। বাস্তবে উত্তোলন করা সার আরও কম ছিল। ফলে কৃষকেরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে যান।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থামায়। এর মধ্যে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
আগামী ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু রতে যাচ্ছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। এদিন দুপুরে সিউকের প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধন হবে। এ উপলক্ষে রোববার দুপুরে অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিউক। এতে জানানো হয়- সিউকের আওতাধীন এলাকা নির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এতে সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথ উপজেলার ৪১টি ইউনিয়ন ও সিটি করপোরেশন এলাকা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাবিত এলাকার আয়তন প্রায় ১ হাজার ১৬৮ বর্গকিলোমিটার। প্রস্তাবিত এলাকার পাহাড়, টিলা, নদী ও খালসহ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত রেখে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, সিলেট ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাকে পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে যাত্রা শুরু করছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন বেলা ১১টায় নগরের বন্দরবাজার-সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও আয়োজন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সিউকের চেয়ারম্যান বলেন, সিলেটকে পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কর্তৃপক্ষ কাজ করবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ২৫ আগস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। উদ্বোধক হিসেবে থাকবেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।সিউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রবাসী ও বৈদেশিক কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুরও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এছাড়া সিলেটের বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকেরা উপস্থিত থাকবেন। সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনে কর্তৃপক্ষকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা ও কার্যাবলি দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, ভবন নির্মাণ, অনুমোদন, সংরক্ষণ ও অপসারণসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা, নতুন আবাসন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং নিম্নবিত্ত ও বস্তিবাসী মানুষের আবাসন সমস্যা নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া। এছাড়া আধুনিক ও আকর্ষণীয় নাগরিক সুবিধা তৈরি ও সংরক্ষণ, পর্যাপ্ত বনায়ন, পরিবেশদূষণ প্রতিরোধে প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন, উড়ালসেতু, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নালা-খাল-নর্দমার উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে কর্তৃপক্ষের।
কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক পরিকল্পনায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের স্থায়ী কার্যালয়ে কার্যক্রম স্থানান্তর, দুটি জোনাল অফিস স্থাপনের জন্য স্থান নির্বাচন, বিভিন্ন আবাসন প্রকল্পে ভবন, পার্ক, রাস্তা ও ফুটপাতের পাশে উপযোগী সবুজ স্থায়ী বৃক্ষরোপণ এবং গ্রিন বিল্ডিং সার্টিফিকেশনের ব্যবস্থা করার বিষয় রয়েছে। সিলেট সিটি করপোরেশনের সংলগ্ন এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ, কর্তৃপক্ষের আওতাভুক্ত এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ ও ভূমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, সিলেট-আম্বরখানা সড়কসংলগ্ন আবাসিক এলাকার উন্নয়ন, বাদাঘাট এলাকায় বিদ্যমান রেললাইনসংলগ্ন আবাসিক এলাকার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সংযোগ সড়ক, বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের রাজস্ব খাতে ৬৭টি ক্যাটাগরিতে ৭১৪টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। পদগুলোর যৌক্তিকতা, বেতন স্কেল, নিয়োগযোগ্যতা নির্ধারণ ও প্রবিধানমালা প্রণয়ন করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
এরই মধ্যে স্থায়ী ও আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থায়ী দপ্তরের জন্য জমি পেতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অস্থায়ী কার্যালয়ও স্থাপন করা হয়েছে। সিউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পাশাপাশি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ এবং সিউক আইন ২০২৩ অনুযায়ী প্রকৌশলী, স্থপতি ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করার কার্যক্রম চলছে। রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদেরও তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। গণবিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিত্যক্ত বা অবৈধ দখলে থাকা জমি উদ্ধার করে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সিউকের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম শুরুর পর সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। স্থপতি ও ডেভেলপারদের নিয়ে আধুনিক নগর পরিকল্পনা বিষয়ে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালার আয়োজনেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন সিউকের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদ।
শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং তাদের দুই সন্তান আগামী চক্রবর্তী ও আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ তাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনার নতুন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, নেশা করতে বাধা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক দুজন জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার দুপুরে রংপুর কোতোয়ালি থানায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের। আটক দুজন হলো, মুগ্ধ দাস (২৫) ও সিদ্ধার্থ দাস (২৮)। তারা একই এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে উঠে নেশা করে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ। বিষয়টি টের পেয়ে গণপতি ছাদে গিয়ে তাদের নেশা করতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই দুজন শিক্ষকের ঘরে ঢুকে তাঁকে ও পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন। পরে পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে চলে যায়।
ওসি নাজমুল কাদের বলেন, আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।
এর আগে শনিবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে রংপুর নগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং তাদের দুই সন্তান আগামী চক্রবর্তী ও আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাড়িটির দ্বিতীয় তলায় পরিবারের চার সদস্য বসবাস করতেন। প্রথম ও তৃতীয় তলার নির্মাণকাজ চলছিল।
পুলিশ ওই বাড়িতে ঢুকে প্রথমে একটি শোবার ঘরের খাটের ফাঁকে আয়ুশের মরদেহ দেখতে পায়। তার গলায় কাপড় পেঁচানো ছিল। এরপর তৃতীয় তলায় ওঠার সিঁড়িতে প্রীতিলতা ও তাঁর মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ পাওয়া যায়। তাদের দুজনের গলায় দড়ি পেঁচানো ছিল। তৃতীয় তলার ছাদে পাওয়া যায় গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ। তাঁর গলায় গামছা পেঁচানো ছিল।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শ্বাসরোধ করে চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের মুখ কিছুটা ঝলসানো অবস্থায় ছিল বলে জানিয়েছে সিআইডি। তাদের মুখে রাসায়নিক জাতীয় কোনো পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রংপুর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী বলেন, হত্যাকারীরা ঘরের ভেতরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে চারজনকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডাকাতির উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে কিনা, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হত্যার প্রকৃত তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।
নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তীর ছোট বোন পূজা চক্রবর্তী জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২৬ মিনিটে বড় বোন প্রীতিলতা ও ভাগনি আগামী চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়। প্রায় ৯ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড কথা বলার পর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রীতিলতার মুঠোফোন থেকে তার কাছে একটি কল আসে। ঘুমিয়ে থাকায় তিনি কলটি ধরতে পারেননি।
এরপর শুক্রবার বোন, ভগ্নিপতি ও ভাগনির মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাননি পূজা। বিকেলের পর সব কটি ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে তার সন্দেহ হয়। রাত পৌনে ৯টার দিকে তিনি নগরের ফায়ার সার্ভিস এলাকার বাসা থেকে বোনের বাড়িতে যান।
বাড়ির মূল ফটকে তালা দেখে তিনি কলিং বেল চাপেন। ভেতর থেকে কেউ সাড়া না দেওয়ায় পাশের ভবনের দিক দিয়ে জানালার কাছে যান। থাই গ্লাসের লক ভেঙে ভেতরে আলো ফেললে একটি ঘরের জিনিসপত্র তছনছ অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেন তিনি।
পুলিশ জানায়, ভবনের তিনটি কক্ষের আলমারি ও ড্রয়ার খোলা ছিল। কাপড়চোপড়, খেলনা ও অন্যান্য জিনিসপত্র মেঝে ও বিছানায় ছড়ানো ছিল। তবে কোনো আলমারি বা ড্রয়ার ভাঙা হয়নি। চাবি দিয়েই সেগুলো খোলা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু চাবির গোছাও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘরে থাকা টেলিভিশন, ল্যাপটপ ও মুঠোফোন নেয়নি দুর্বৃত্তরা। আলমারি ও ড্রয়ারে টাকা বা গয়না ছিল কিনা, তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
নিহত আগামী চক্রবর্তী রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর করেছিলেন। তার ভাই আয়ুশ চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
বিশেষ ক্ষমতা আইনে’ সিলেটের বিশ্বনাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিশ্বনাথ উপজেলার ১৬২ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে বিশেষ ক্ষমতা আইনে উপজেলার অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ইরন মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ৯২ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে ও আরও ৬০/৭০ জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে,মামলা দায়েরের পর পরই শুক্রবার দিবাগত রাতে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে মামলার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামীলীগের ১নং ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুমকে নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আব্দুল কাইয়ুম পৌর শহরের অলংকারী গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদকে প্রধান অভিযুক্ত করে দায়ের করা মামলায় উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ আসাদুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মকদ্দছ আলী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সিরাজ মিয়া, সদস্য কবির আহমদ কুব্বার, এনামুল হক এনাম, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা মুহিবুর রহমান সুইট, বিশ্বনাথ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য রফিক হাসান, ফজর আলী, বারাম উদ্দিন, বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক আব্দুল জলিল জালাল, যুগ্ম আহবায়ক আলতাব হোসেন, সদস্য শংকর দাস শংকু,খাজাঞ্চী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুর নূর, সাধারণ সম্পাদক শংকর চন্দ্র ধর, অলংকারী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরা মিয়া, রামপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার শেখ ফজর রহমান, নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন বিশ্বনাথ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পার্থ সারর্থী দাশ পাপ্পু সহ ৯২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে ও আরও ৬০/৭০ জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট রাতে উপজেলার রামপাশা এলাকায় অভিযুক্তরা রাস্তার ওপরে গাড়ির টায়ার জ্বালিয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে। সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ম্লোগান দেয় এবং এলাকায় আতংকের সৃষ্টি করে। মামলার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন, সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র, ত্রাস সৃষ্টি, দেশের উন্নয়নে ব্যাঘাত, সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নাশকতার পরিকল্পনা’সহ বিভিন্ন বিষয়ের অভিযোগ এনে বাদী মামলাটি দায়ের করেছেন মর্মে থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।
বিশেষ ক্ষমতা আইনে থানায় মামলা দায়ের ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তারের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল কাইয়ুমকে (শনিবার) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নাটোরের লালপুরে দীর্ঘ ৬০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় অতিথি না করায় বেআইনিভাবে মাইকিং করে ভুয়া ‘১৪৪ ধারা’ জারির অভিযোগ উঠেছে লালপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মারুফ আলীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গ্রামজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি হলে শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি বন্ধ হয়ে যায়।
এ ঘটনায় নাটোর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ ইসলাম সৃজন এর যৌথ নির্দেশে সংগঠনটির দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মারুফ আলীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাটোরের লালপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামে গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ঐতিহ্যবাহী এই ফুটবল টুর্নামেন্টটি প্রায় দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে স্থানীয় গ্রামবাসীদের উদ্যোগে নিয়মিত আয়োজিত হয়ে আসছে। টুর্নামেন্টের আয়োজন থেকে শুরু করে খেলোয়াড়-সবই স্থানীয় গ্রামবাসীদের নিজস্ব। ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় প্রতিবছরই গ্রামের প্রবীণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন; এখানে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক কোনো ব্যক্তিকেই অতিথি করার রীতি নেই। কিন্তু লালপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মারুফ আলী দাবি জানিয়ে আসছিলেন- ফাইনাল খেলায় লালপুরের গোপালপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোলামকে প্রধান অতিথি করতে হবে। পাশাপাশি নিজেকে বিশেষ অতিথি করার দাবি তোলেন তিনি। আয়োজকরা ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে তার দাবি প্রত্যাখ্যান করলে, তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বেআইনিভাবে এলাকায় মাইকিং করিয়ে '১৪৪ ধারা' জারির ভুয়া ঘোষণা দেন। এর ফলে সাধারণ গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায় ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ঐতিহ্যবাহী ফাইনাল খেলাটি পণ্ড হয়ে যায়।
এদিকে, এই ঘটনার পর আজ রোববার (২৩ আগস্ট, ২০২৬) নাটোর জেলা ছাত্রদল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মারুফ আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে। নাটোর জেলা ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক কে এফ কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে বলা হয়, নাটোর জেলা শাখার অধীনস্থ লালপুর উপজেলা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল পদে আসীন থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে কেন মো. মারুফ আলীর বিরুদ্ধে স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ২৩ আগষ্ট ২০২৬ হতে ২৪ আগষ্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে আলাইপুরস্থ নাটোর জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।