• প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৪৯ পিএম

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।


আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন।


ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তিনটি মামলায় মো. আক্তার হোসেন আকাশকে (২৮) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা, মিরাজকে (২৪) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং মো. আরিফকে (২৭) ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে বেগমগঞ্জ মডেল থানার চৌমুহনী ফাঁড়ির এএসআই হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।


বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:১১ পিএম

টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা, পোনা মাছ অবমুক্তকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


আজ রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক।


অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালি শেষে সদর উপজেলা পরিষদের পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন জেলা প্রশাসক শরিফা হক। পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।




এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. শামসুল আলম সরকার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান কবীর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়াসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা।


আলোচনা সভায় বক্তারা মৎস্যসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় মাছ সংরক্ষণ, জলাশয়ের সঠিক ব্যবহার এবং মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে  কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।


পরে মৎস্য খাতে অবদান রাখা ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৪৫ পিএম

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের পটুয়া ফকদনপুর গ্রামে সৌদি আরবের অর্থায়নে ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার কথা বলে প্রায় ১৩০ জনের কাছ থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মো. রেজাউল ইসলাম রন্টুর বিরুদ্ধে।

অভিযোগের প্রতিকার ও টাকা ফেরতের দাবিতে (১৬ আগষ্ট) আজ রোববার দুপুরে ভুক্তভোগীরা ঠাকুরগাঁও শহরের চৌরাস্তায় মানববন্ধন করেন। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় তিন বছর আগে রেজাউল ইসলাম রন্টু গ্রামের লোকজনকে জানান, সৌদি আরব থেকে ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হবে। ছাদযুক্ত পাকা ঘরের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং টিনশেড পাকা ঘরের জন্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিতে হবে। বাকি অর্থ ফাউন্ডেশন বহন করবে বলে তাদের জানানো হয়। তার কথায় বিশ্বাস করে প্রায় ১৩০ জন টাকা প্রদান করেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, টাকা নেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘর নির্মাণ শুরু হয়নি। পরবর্তীতে ঘরের কাজ শুরু অথবা টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। একপর্যায়ে টাকা ফেরত চাওয়ায় তাদের মামলা-মোকদ্দমার ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযুক্ত মো. রেজাউল ইসলাম রন্টু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়টি সঠিক নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের পর প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:২৮ পিএম

টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ৮ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আশেক পুড়ে দিনব্যাপী এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। 


ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে ঔষধ ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে, এবং দিনব্যাপী এ সেবা কার্যক্রম চলবে।


অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তানভীর হাসান খান রুবেল বলেন টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর জন্ম হয়েছে মানব সেবায় মানবতার কল্যাণে আমাদের কাজ করা। তিনি বলেন আমরা টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর মাধ্যমে সারাদেশে আমৃত্যু সেবা দিয়ে যাবো।


এসময় উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার রাশেদুল হাসান এমবিবিএস (রা. বি.) সিসিডি (বারডেম) টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোহিদুল ইরলাম মোহিত, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ মিয়া, কোষাধক্ষ্য শারমিন শিমু, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক মোঃ আসাদ হোসেন, কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ তারেক। এছাড়াও সংগঠনের সকল পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:২৭ পিএম

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটির পশ্চিম ডাঙ্গাপাড়া গ্রামটি এখন সবার কাছে ‘পাখির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত। চারদিকে সবুজের সমারোহ, তার মাঝে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক বাঁশঝাড়। যার প্রতিটি ডালপালায় এখন সাদা বক, পানকৌড়ি, রাতচরা, ঘুঘু আর শালিকের মেলা।




২০০ বছর ধরে পাখিদের অভয়াশ্রম ‘পাখির গ্রাম’


নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটির পশ্চিম ডাঙ্গাপাড়া গ্রামটি এখন সবার কাছে ‘পাখির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত। চারদিকে সবুজের সমারোহ, তার মাঝে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক বাঁশঝাড়। যার প্রতিটি ডালপালায় এখন সাদা বক, পানকৌড়ি, রাতচরা, ঘুঘু আর শালিকের মেলা।


স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রায় ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এখানে ঘর বেঁধেছে হাজার হাজার পাখি। প্রায় ৪ একর ২০ শতাংশ জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই বিশাল বাঁশঝাড়টি এখন পাখিদের এক অভয়াশ্রম। পাখিদের এই দীর্ঘস্থায়ী বসবাসের কারণে গ্রামের আদি নাম ছাপিয়ে এখন সবাই একে পাখির গ্রাম নামেই চিনে ।


পূর্বপুরুষদের সময় থেকেই এখানে পাখিরা নির্বিঘ্নে বসবাস করে আসছে। বর্তমানে এটি তাদের চতুর্থ পুরুষ যারা পাখিদের এই আশ্রয়স্থল আগলে রেখেছেন। প্রতিদিন ভোরে পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙে গ্রামবাসীর। সন্ধ্যা নামলে হাজার হাজার পাখির ডাকার শব্দ আর কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।


স্থানীয় বাসিন্দা মাজেদুল ইসলাম বলেন, আমার দাদার আমল থেকেই আমরা এই পাখিগুলোকে দেখে আসছি। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করি কেউ যেন পাখিদের ক্ষতি না করে। তবে ইদানীং কিছু অসাধু শিকারি ও পর্যাপ্ত সংরক্ষণের অভাবে পাখিদের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। আমরা চাই সরকার এই এলাকাটিকে সরকারিভাবে অভয়াশ্রম ঘোষণা করে সীমানা প্রাচীর ও নজরদারির ব্যবস্থা করুক।

 



আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, এই গ্রামে প্রায় প্রতিদিন অনেক দর্শনাথী এখানে আসেন পাখিগুলো দেখতে। আমরা গ্রামের সবাই মিলে চেষ্টা করি যাতে এই পাখিগুলোকে কেউ বিরক্ত না করে, সবাই সেদিকে নজর রাখি।


স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রায় ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এখানে ঘর বেঁধেছে হাজার হাজার পাখি। প্রায় ৪ একর ২০ শতাংশ জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই বিশাল বাঁশঝাড়টি এখন পাখিদের এক অভয়াশ্রম। পাখিদের এই দীর্ঘস্থায়ী বসবাসের কারণে গ্রামের আদি নাম ছাপিয়ে এখন সবাই একে পাখির গ্রাম নামেই চিনে ।


পূর্বপুরুষদের সময় থেকেই এখানে পাখিরা নির্বিঘ্নে বসবাস করে আসছে। বর্তমানে এটি তাদের চতুর্থ পুরুষ যারা পাখিদের এই আশ্রয়স্থল আগলে রেখেছেন। প্রতিদিন ভোরে পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙে গ্রামবাসীর। সন্ধ্যা নামলে হাজার হাজার পাখির ডাকার শব্দ আর কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।


স্থানীয় বাসিন্দা মাজেদুল ইসলাম বলেন, আমার দাদার আমল থেকেই আমরা এই পাখিগুলোকে দেখে আসছি। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করি কেউ যেন পাখিদের ক্ষতি না করে। তবে ইদানীং কিছু অসাধু শিকারি ও পর্যাপ্ত সংরক্ষণের অভাবে পাখিদের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। আমরা চাই সরকার এই এলাকাটিকে সরকারিভাবে অভয়াশ্রম ঘোষণা করে সীমানা প্রাচীর ও নজরদারির ব্যবস্থা করুক। 


আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, এই গ্রামে প্রায় প্রতিদিন অনেক দর্শনাথী এখানে আসেন পাখিগুলো দেখতে। আমরা গ্রামের সবাই মিলে চেষ্টা করি যাতে এই পাখিগুলোকে কেউ বিরক্ত না করে, সবাই সেদিকে নজর রাখি। 


দর্শনার্থী আবু হোসেন বলেন, এখানে বসার স্থান নাই, এসে যে গভীরভাবে পাখির ডাক শুনবো সেটি হয়ে ওঠে না। বসার স্থান থাকলে সবাই পাখির ডাকসহ বিভিন্ন বিষয় উপভোগ করতে পারতাম। 


এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, চিলাহাটির এই পাখির অভয়াশ্রমটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সেখানে একটি পুকুর খননসহ কিছু সংস্কার কাজ করা হয়েছে। বন বিভাগ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে এই পাখির গ্রামটিকে আরও কীভাবে পর্যটনবান্ধব ও নিরাপদ করা যায়, সে বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:৫০ পিএম

“রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসুচির মধ্যদিয়ে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষের (১৬-১৮আগস্ট পর্যন্ত) উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।




আজ রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালি আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও পোনামাছ অবমুক্তকরণ করা হয়।


উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুস সালাম (অ:দা:) এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী-০৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম।


এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ নীল রতন দেব, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তনিমা জাহান তন্বী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লোকমান আলম, সমাজ সেবা কর্মকর্তা জাকির হোসেন, খাদ্য কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, সমবায় কর্মকর্তা জাকিয়া ফারহানা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল গফুর, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ। 


এসময় উপজেলার শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষিদের মাঝে সম্মাননা পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর আগে উপজেলা পরিষদের পুকুরে ২৫১০কেজি বিভিন্ন জাতের পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।




উল্লেখ্য, জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে উত্তর দুড়াকুটি দাস পাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সদস্যদের চায়না দুয়ারী জাল ও কারেন্ট জাল নিজেরাই নিজের জাল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার সামনে পুড়িয়ে ফেলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:৩৩ পিএম

রুপালী মৎস স্বনির্ভর দেশ, "সবার আগে বাংলাদেশ" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গাইবান্ধায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস সপ্তাহ দিবস-২০২৬ এর পালন করা হয়েছে । এই উপলক্ষে আজ রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসন ও মৎস অধিদপ্তরের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 


জেলা মৎস কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রাশেদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মারজান সরকারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম সরকার,জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক মকছুদার রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুজ্জামান শহিদ, সরকারি কলেজের অধ্যাপক আব্দুর রশিদ সরকার। এছাড়া জেলার মৎস খামারীরা ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 




এসময় বক্তারা বলেন, দেশে কর্মসংস্থান, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, দারিদ্র্য দূর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ খাতকে আরো আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও রফতানিমুখী করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি এ খাত নিয়ে সরকারের সাফল্য ও ভবিষ্যত নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।


আলোচনা শেষে আগত অতিথিরা মৎস চাষে অবদান রাখায়,চিংড়ি, কার্প জাতীয় মাছ, পাঙ্গাশ, কৈ, তেলাপিয়া মাছ উৎপাদনসহ মোট ছয়টি ক্যাটাগরিতে জেলার ৬ জন মৎস খামারী কে সনদ ও সম্মননা স্মারক প্রদান করেন। 


এরপর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো প্রদক্ষিন করে পৌর পার্কে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে ফেষ্টুন ও বেলুন উড়িয়ে তিন দিন ব্যাপী (১৬-১৮ আগষ্ট) দিবসটির কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা। উদ্বোধন শেষে গাইবান্ধা পৌর পার্কের জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুুক্ত করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর