অভিযুক্ত মোঃ আমির আলী

  • প্রকাশ : রবিবার ০৭ জুন, ২০২৬, সময় : ১০:২১ এএম

ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বরুকা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আমির আলী। সরকারি নথিতে তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধ, সেনাবাহিনী গেজেট নম্বর-১৭৪৪ এবং মুক্তিযোদ্ধা নম্বর ০১৬১০০০৮১১১-এ তাঁর নাম নথিভুক্ত। পিতা মৃত ওমেদ আলী মন্ডল এবং মাতা মৃত জহুরন নেছার এই পুত্র রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিয়ে বছরের পর বছর মুক্তিযোদ্ধার ভাতা ও সুবিধা ভোগ করে আসছেন। 


কিন্তু তাঁর কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে যা বেরিয়ে আসে তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। একজন মুক্তিযোদ্ধার কাছে তাঁর রণক্ষেত্রের কথা, সহযোদ্ধাদের স্মৃতি, প্রশিক্ষণের বিবরণ জানতে চাওয়া সবচেয়ে স্বাভাবিক প্রশ্ন। কিন্তু আমির আলী বলতে পারেননি কোথায় যুদ্ধ করেছেন, কে ছিলেন তাঁর কমান্ডার, কারা ছিলেন তার সহযোদ্ধা। বারবার জিজ্ঞেস করলেও তাঁর মুখ থেকে বের হয় কেবল একটি কথা 'আমার মনে নাই'। 


মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক জানান, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা দশকের পর দশক পরেও সেই দিনগুলোর কথা স্পষ্টভাবে মনে রাখেন, কারণ সেটি ছিল তাঁদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাই আমির আলীর এই সম্পূর্ণ স্মৃতিভ্রংশ স্থানীয় সচেতন মানুষদের কাছে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।


বরুকা ও আশেপাশের গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমির আলী গ্রামেই ছিলেন এবং মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেননি। তৎকালীন সময়ে তিনি এলাকায় একজন ভবঘুরে ও অপরাধপ্রবণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। 


স্থানীয় প্রবীণরা আরও জানান, আমির আলী সে সময় বরুকা গ্রামের নাপিত বাড়ির পোলো যোগীর কন্যার খুনের মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। এই তথ্য যদি সত্য হয়, তাহলে একটি ফৌজদারি মামলার আসামি কীভাবে মুক্তিযোদ্ধার গেজেটভুক্তি পেলেন সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দায় কার? ১৯৭৫ সালের পরে সেনাবাহিনীতে যোগদান করে কিভাবে সেনাবাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট ভুক্ত হলেন আমির আলী, প্রশ্ন স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিদের।


স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এবং রাজনৈতিক তদবিরের মাধ্যমে আমির আলী মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করিয়ে নেন। বাংলাদেশে এ ধরনের জালিয়াতির নজির আগেও ঘটেছে, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সময়ের তদন্তে শত শত ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার নাম বাতিল হয়েছে। কিন্তু আমির আলীর মতো অনেকেই এখনো তালিকায় রয়ে গেছেন বলে সচেতন নাগরিকরা অভিযোগ করছেন।


বর্তমানেও স্থানীয় অধিবাসীদের একটি বড় অংশ আমির আলীকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা, ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেন। অভিযোগ রয়েছে, মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘ বছর ধরে অবৈধভাবে জমি দখল, সরকারি ভাতা আত্মসাৎ এবং স্থানীয় প্রশাসনে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। 


বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত এবং কোটি মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে। যে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য লড়েছিলেন, তাঁদের সম্মানের সাথে আমির আলীর মতো ভুয়া সনদধারীদের নাম এক করা সেই মহান আত্মত্যাগকে কলুষিত করে। এটি শুধু রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় নয় এটি জাতির ইতিহাসের বিরুদ্ধে একটি অপরাধ। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের ইতিহাস তুলে ধরতে হলে এই ধরনের প্রতারণার অবসান ঘটানো অপরিহার্য।


এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ড. জাহাঙ্গীর আলম মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। তাঁর অভিযোগে দাবি করা হয়েছে আমির আলীর গেজেটভুক্তি নতুন করে তদন্ত করা, তদন্তে ভুয়া প্রমাণ হলে গেজেট বাতিল করে তালিকা থেকে নাম অপসারণ করা, অবৈধভাবে ভোগ করা সকল রাষ্ট্রীয় সুবিধা ফেরত আদায় করা। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই অভিযোগে দ্রুত ও স্বচ্ছ পদক্ষেপ নেবে এমনটাই প্রত্যাশা ফুলবাড়ীয়াবাসীর। একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে তাঁদের দাবি সরল, যিনি সত্যিই যুদ্ধ করেছেন, সম্মান পাক তিনি আর যিনি করেননি, তাঁর নাম মুছে যাক সেই পবিত্র তালিকা থেকে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৩৩ পিএম

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ প্রকৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবারের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২৬ জুলাই রবিবার  অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে সংগঠনের সদস্য ও উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।


আয়োজকরা জানান, টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবার শুধু উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সমাজ ও পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেও বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরিবেশ সুরক্ষা ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।


কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, একটি গাছ শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং নির্মল বাতাস, পরিবেশের ভারসাম্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি করে গাছ লাগানো এবং গাছের পরিচর্যা করা।


টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক, সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তারা সবাইকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।


টাঙ্গাইল উদ্যোক্তা পরিবার—উদ্যোক্তা উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতায়ও অঙ্গীকারবদ্ধ।


এসময় উপস্থিত ছিলেন,মোঃ আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের,মোঃ রফিকুল ইসলাম,রোখসানা পারভীন,উর্মি আক্তার পরী,খাইরুন্নেসা সেতু,সামসুন্নাহার সালমা,লাকি খান,মাজেদা আক্তার,আরো অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:১২ পিএম

ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নুর নবী হোসেন (৩০) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে অভিযুক্ত মো. শাহ পরান ওরফে ফয়সাল ওরফে সাদ্দাম হোসেনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারাল চাকুটিও উদ্ধার করা হয়েছে।



পুলিশ জানায়, নিহত নুর নবী হোসেনের বাবার নাম আব্দুর রব এবং মায়ের নাম আঞ্জু বেগম। তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মনসাদ বাড়ী এলাকায়। নদীভাঙনের পর পরিবারটি ঢাকায় বসবাস শুরু করলেও নুর নবী পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতেন। পরে দাগনভূঞা উপজেলার মৃত বেলাল হোসেনের মেয়ে বিবি ফাতেমার সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে তিনি বিয়ে করেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বোতল কুড়িয়ে বিক্রি এবং বিভিন্ন ধরনের দিনমজুরির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রাতে তারা মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচেই ঘুমাতেন।



পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার (২৬ জুলাই) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে নুর নবী ও তার স্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় একই স্থানে বসবাসকারী শাহ পরান ওরফে ফয়সাল ওরফে সাদ্দাম হোসেন বিবি ফাতেমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। এতে নুর নবীর ঘুম ভেঙে গেলে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও পরে মারামারি শুরু হয়।


একপর্যায়ে নুর নবী অভিযুক্তকে ঘুষি মারলে শাহ পরান তার সঙ্গে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে নুর নবীর পেটের দুই পাশে ছুরিকাঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।


স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে ফেনী পৌরসভার হাজারী রোড এলাকায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে ২৬ জুলাই সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বিবি ফাতেমা বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি সোমবার (২৭ জুলাই) ফেনী মডেল থানার মামলা নম্বর-৫৫ হিসেবে পেনাল কোডের ৩০২ ধারায় রুজু করা হয়।


মামলা দায়েরের পর পুলিশ সুপার ফেনীর সার্বিক নির্দেশনায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) এবং দাগনভূঞা থানা পুলিশের সহায়তায় ফেনী মডেল থানার একটি দল অভিযান চালায়। পরে সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দাগনভূঞা থানা এলাকা থেকে পলাতক শাহ পরান ওরফে ফয়সাল ওরফে সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে একটি পরিত্যক্ত গর্ত থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারাল চাকু উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।


পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

স্ত্রী হত্যার দায়ে ঘাতক স্বামী ফরহাদ হোসেনকে আটক করা হয়

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:৫৪ পিএম

নওগাঁর ধামইরহাটে পারিবারিক কলহের জের ধরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যা করলো পাষন্ড স্বামী। স্থানীয়রা ঘাতক স্বামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। নিহত স্ত্রী মনিরা বেগম (২৬) উপজেলার উমার ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামের মাসুদ হোসেনের মেয়ে, আর ঘাতক স্বামী জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আটুল গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে ফরহাদ হোসেন। সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এ হত্যাকান্ড ঘটে।


নিহতের বোন মহসিনা বেগম বলেন, তার বোন মনিরা ও দুলাভাই ফরহাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। ফরহাদ ঢাকায় গিয়ে রিক্সা চালান, আর মনিরা বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সোমবার ভোরে ফরহাদ মনিরার বাবার বাড়িতে আসেন। সকালে মনিরা ও মহসিনা দুই বোন চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে ফরহাদ গিয়ে মনিরার সাথে কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে ফরহাদ ধারালো ছুরি দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটের বাম পাশে এলাপাথারি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করেন। এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা তাকে আটক করেন। স্থানীয়রা মারাত্মক আহত মনিরাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।


ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিন্টু রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।




সর্বশেষ সব খবর

ভাইরাল ভিডিও ইস্যুতে প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষিকার গান গাওয়াকে অন্যায় মনে করি না


ববি হাজ্জাজ

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:৫৭ পিএম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষিকার ভিডিও প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, গান গাওয়াকে আমি অন্যায় মনে করি না। এটা কেউ মানুক বা না মানুক, আমি অন্তত তা মনে করি না। গতকাল রোববার বিকেলে সিলেট বিভাগের শিক্ষাকর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 


শিক্ষিকার ভিডিও প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, আমি ভিডিওটি দেখিনি। কয়েকজন আমাকে বলেছেন, একজন শিক্ষিকা গান গেয়ে একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। সেখানে অশ্লীলতা নেই। গান গাওয়াকে আমি অন্যায় মনে করি না। এটা কেউ মানুক বা না মানুক, আমি অন্তত তা মনে করি না। 


তিনি বলেন, আমরা পুরোপুরিভাবে ক্লাস ফোর ও ফাইভে কালচারাল এডুকেশন নিয়ে আসছি। কালচারাল এডুকেশনের ভেতরে গান-নাটক, কবিতা, কেরাতসহ সবকিছু থাকবে।


সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রাণী পালের রিল ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সেখানে আচরণবিধি লঙ্ঘন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে সরকারি যে নির্দেশনা রয়েছে তা লঙ্ঘন হয়েছে কি না-সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানালেও তা হচ্ছে না। 


আজ সোমবার বিকেলে সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ জানিয়েছেন সেখানে অপরাধের কোনো বিষয় নেই। প্রতিমন্ত্রীও বিষয়টি জেনেছেন। সবকিছু মিলিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে না।


গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে বিউটি পাল নিজের ফেসবুক আইডি থেকে কয়েক সেকেন্ডের ওই রিল ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিও তে দেখা যায়, বাংলা গান ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে’ এই গানের সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শাড়ি পরে হাঁটছেন ওই শিক্ষিকা।  শুরুর দিকে ভিডিওটি নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা হলেও পরবর্তীতে শিক্ষিকার পক্ষে অবস্থান নেন শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।

সর্বশেষ সব খবর

মুখ থুবরে পড়েছে যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ

ছয় বছরে তিন পিলারে আটকে আছে সেতু নির্মাণ


যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথের কাজ দীর্ঘদিন ধরে মুখ থুবরে পরে রয়েছে

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:২১ পিএম

 ভোগান্তিতে লাখো মানুষ   ঠিকাদারদের দ্বন্দ্বই মূল কারণ   মূল ঠিকাদার আত্মগোপণে


ঠিকাদারের দায়িত্বহীনতা, কাজে গাফলতি ও প্রতারণার কারণে টাঙ্গাইলের নিউ ধলেশ্বরী নদীর উপর কালিহাতী উপজেলার জোকারচরে নির্মাণাধীন সেতুর কাজ দীর্ঘদিন ধরে মুখ থুবরে পরে রয়েছে। সামান্য একটু কাজ করেই প্রায় ১০ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে ঠিকাদার। ছয় বছরে মাত্র তিনটি পিলারে আটকে আছে সেতু নির্মাণ। এতে দুটি উপজেলার লাখ লাখ মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মুখ থুবরে পড়েছে যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ।

 

টাঙ্গাইল এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পশ্চিমে চরাঞ্চলের মাহমুদ নগরের গোল চত্ত্বর থেকে যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্তে মহাসড়ক পর্যন্ত সড়ক নির্মিত হয়েছে। জোকারচরে নিউ ধলেশ্বরী নদীর উপর সেতু নির্মিত হলে যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ তৈরি হবে। এ লক্ষ্যে জোকারচরে ধলেশ্বরী নদীর উপর সেতু নির্মাণে এলজিইডি ৩৪ কোটি ১৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৬৪ মিটার পিএসসি গার্ডার সেতু নির্মাণে দরপত্র আহ্বান করে। হায়দার কন্সট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড, অবনী এন্টারপ্রাইজ ও সৈয়দ মজিবুর রহমান নামক তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জয়েন্টভেঞ্চারে সেতু নির্মাণের কাজ পায়। ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তাদের কার্যাদেশ (ওয়ার্কঅর্ডার) দেওয়া হয়। 


সরেজমিনে দেখা যায়- জোকারচরে নিউ ধলেশ্বরী নদীর বামতীরে দুইটি ও ডানতীরে একটি পিলার নির্মাণ করেই মূল ঠিকাদার মো. হেকমত আলী এলজিইডি থেকে ৯ কোটি ৮১ লাখ ৪২ হাজার ৭৪৩ টাকা বিল উঠিয়ে নিয়েছেন। এলাকাবাসী জানায়, একেক সময় একেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন সাইটে আসে, মাপ-ঝোক করে, ইট-রড আনে আবার চলে যায়। তারা জানেইনা সেতু নির্মাণের মূল ঠিকাদার কে? 




ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এলজিইডির চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা। কিন্ত অংশিদারদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি, মতপার্থক্য ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হওয়ায় দেড় বছরে তারা কাজই শুরু করেনি। কার্যাদেশ পাওয়ার দেড় বছর পর জয়েন্টভেঞ্চারের এক অংশিদার সৈয়দ মজিবুর রহমান সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ২০২১ সালে এপ্রিল তিনি ওই সেতুতে তিন কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। 


হঠাৎ করে অপর এক অংশিদার অবনী এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী হেকমত আলী সেই কাজ বন্ধ করে দেয় এমন অভিযোগ করেন সৈয়দ মুজিবুর রহমান। এসব ঘটনায় সেতুর নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে। সৈয়দ মুজিবুর রহমান টাকা ফেরত চেয়ে প্রশাসনসহ বিভিন্নস্থানে চিঠি দেন। তাদের মধ্যে মামলা পাল্টা মামলা হয়। মো. হেকমত আলী অপর দুই ঠিকাদার হায়দার ও সৈয়দ মজিবুর রহমানের স্বাক্ষর জাল করে গাজিপুরের এক ঠিকাদার রফিকুল ইসলামের কাছে কাজটি বিক্রি করে দেন। 


জয়েন্টভেঞ্চারের অংশিদার সৈয়দ মজিবুর রহমান বলেন, দুই অংশিদার হেকমত ও হায়দার কাজ করবেন না বলে আমাকে স্ট্যাম্পে লিখে দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করার দায়িত্ব দেয়। ২০২১ সালে এপ্রিল মাসে আমি সেখানে তিন কোটি টাকা বিনিয়োগ করি। হঠাৎ করে এক অংশিদার হেকমত সন্ত্রাসী বাহিনী এনে আমার কাজ বন্ধ করে দেয়। সেতুর নির্মাণ সে করবে বলে জানায়।

 

গাজিপুরের ঠিকাদার রফিকুল ইসলামের ভাষ্য, হেকমত আলী তার সাথে প্রতারণা করছেন। তিনি পাইলিং সহ ওই সেতু নির্মাণে দুই কোটি ৫৮ লাখ টাকা হেকমতকে দিয়েছেন। জাল স্বাক্ষরের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি এর প্রতিবাদ করলে তাকে এলেঙ্গা রিসোর্টে আটকিয়ে সব চুক্তিপত্র ফেরত নেন। তার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত তিনি কোনো টাকা ফেরত পাননি।


এদিকে হেকমত সেতুর তিনটি পিলার নির্মাণ করেই ৯ কোটি ৮১ লাখ ৪২ হাজার ৭৪৩ টাকা বিল উঠিয়ে নেন। ৫ আগষ্ট সরকার পরিবর্তনের পর হেকমত আলী আত্মগোপণে চলে যান। বন্ধ হয়ে যায় অতিগুরুত্বপূর্ণ সেতুর নির্মাণ কাজ।


এদিকে জনগণের যাতায়াতে ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে এলজিইডি কর্র্তৃপক্ষ চলতি বছরের ৯ মার্চ জোকারচরে ওই সেতুর নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে। দরপত্রে প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয়- ৩৪ কোটি ৪৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭৯ টাকা। নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চৌধুরী-এলহোজ জয়েনভেঞ্চার(জেভি)। তাদের আগামী ২২ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। 


জোকারচর গ্রামের ইউনুস শেখ, বিদ্যুত মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, মাসুদ রানা জানান, সেতুটি মূলত যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথের সেতুবন্ধন। সেতুটি নির্মিত হলে যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ তৈরি হবে। টাঙ্গাইল শহর সহ পশ্চিম-দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ সহজেই এই সেতু দিয়ে উত্তরাঞ্চলে যেতে পারবে। এতে প্রতি ঈদে মহাসড়কে যানজটও হবেনা। বিকল্প পথ দিয়ে এলেঙ্গা যেতে পারবে। জনগণের ভোগান্তি লাঘবের জন্য সেতুটির নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার করার দাবি জানিয়েছেন তারা। 


টাঙ্গাইল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানার পারভীন জানান, ঠিকাদারদের একে অপরের মধ্যে মিল না থাকা ও তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে যথাসময়ে কাজ শেষ হয়নি। তবে তারা যতটুকু কাজ করেছিল তার বিল পরিশোধ করা হয়েছে। নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে ঠিকাদারও নির্বাচন করা হয়েছে। এবার নির্দিষ্ট সময়েই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:৩৭ পিএম
  • আপডেট : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:৩৭ এএম


কামরাঙ্গিরচর ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:৩৭ পিএম

বুড়িগঙ্গার তীর ঘেষে কামরাঙ্গিরচর। ঘিঞ্জি বসতি আর ক্রমাগত লোকসংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। রাজধানীর নিম্ন আয়ের লোকের বসবাস এই অবহেলিত জনপথ কামরাঙ্গিরচরে। বাড়ী ভাড়া কম, সুপেয় পানির সহজলভ্যতা সেই সাথে অলিগলিতে গড়ে ওঠা কুটির শিল্পে কর্মসংস্থান সর্বোপরি রাজধানীর কোল ঘেঁষে যার অবস্থান, সেই কামরাঙ্গিরচরে লোকসংখ্যা বাড়ছে অস্বাভাবিকগতিতে। 


বর্তমানে লোক সংখ্যা প্রায় ১৮ লক্ষ। এই ১৮ লক্ষ মানুষের চিকিৎসার জন্য রয়েছে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট একমাত্র সরকারী হাসপাতাল। ১০১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনের নিমিত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতি এখন দোটানায় পড়ে আছে।


প্রকল্প প্রণয়ন এবং পদ সৃজনের প্রস্তাব প্রেরণসহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্মারক নং-৪৫ (সংক্ষেপে) তারিখ : ৬/৭২০২৬ইং তারিখের স্মারক মোতাবেক স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে একটি তালিকা প্রণয়ণ করা হয়েছে।


আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, এই তালিকায় দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে পিছিয়ে পড়া ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা অধ্যুষিত ৩১ শয্যা বিশিষ্ট এই কামরাঙ্গিরচর হাসপাতালের নামটি স্থান পায়নি।


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,কামরাঙ্গিরচরে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট একমাত্র সরকারী হাসপাতালে ডাক্তার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নেই কোন কোয়ার্টার। প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অপ্রতুলতাসহ নানা অসুবিধা সত্বেও হাসপাতালটির বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ তাহমিনা হাছানের সুদক্ষ পরিচালনায় এলাকার মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। অতীতে যখন এখানে চিকিৎসা হতো না, মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল এই হাসপাতালটির উপর থেকে। 


বর্তমান তত্বাবধায়ক যোগদানের পর রোগী সেবা বৃদ্ধি পেয়েছে। আস্থা বেড়েছে, চিকিৎসকের ভালো ব্যবহার এবং সূচিকিৎসার কারণে।


কামরাঙ্গীরচর একটি জনবহুল এলাকা। এখানে বসবাসরত ১৮ লক্ষ লোকের বেশিরভাগ মানুষই দরিদ্র। কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যা হাসপাতালটি অত্র এলাকার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল। এই হাসপাতালে বহিঃবিভাগে প্রতিদিন প্রায় ৭০০-৮০০ জন রোগী সেবা গ্রহণ করেন। 


কিন্তু হাসপাতালে জনবল ঘাটতি আছে। স্বল্প জনবল দিয়ে এই বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে সেবা দেওয়া খুবই কষ্টকর। হাসপাতালটির জন্মলগ্ন থেকে কিছু পদ সৃজন করা হয়নি। 


দেশের অন্যান্য ৩১ শয্যা হাসপাতালের তুলনায় অত্র হাসপাতালে বেশ কিছু পদ কম সৃজন হয়। যেমন এখানে মিডওয়াইফ পদ নেই। বিগত ৬ মাসে অত্র হাসপাতালে ৬৭টি নরমাল ডেলিভারী হয়েছে। মিডওয়াইফ থাকলে আরও বেশি নরমাল ডেলিভারীসহ গর্ভবতী ও প্রসূতী মায়েদের সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। তাছাড়া কিছু অতি জরুরী পদ যেমন-পরিসংখ্যানবিদ, স্টোর কিপার, এসএসিএমও ইত্যাদি পদও অত্র প্রতিষ্ঠানে সৃজন হয় নাই। 


তাই জনস্বার্থে এবং হাসপাতালের যাবতীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সিনিয়র স্টাফ নার্স ১৮জন, মিডওয়াইফ ৪জন, স্টোর কিপার ১জন, পরিসংখ্যানবিদ ১জন, উপসহকারী মেডিকেল অফিসার ১জন, ফার্মাসিস্ট ১জন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাবঃ) ১জন পদায়ন খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে।

সর্বশেষ সব খবর