রংপুরের
মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের
ছোট শালমারা বিল এলাকায় বজ্রপাতে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতের ঘটনায় আরও ৯ জন গুরুতর
আহত হয়েছে।
শনিবার
(১৮ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর থানার ওসি তদন্ত হাফিজুর রহমান। নিহতরা হলেন মিলন (৩৬) ও আবু তালেব
(৫৮)।
স্থানীয়
ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরের দিকে উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের
ছোট শালমারা বিল এলাকায় একটি বড় পুকুরে মাছ
ধরার সময় আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। সেই বজ্রপাতে সখীপুর এলাকার দুইজন মারা যায়। এসময় আরও ৯ জন গুরুতর
আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায়
গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মিঠাপুকুর
থানার ওসি তদন্ত হাফিজুর রহমান বলেন, উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের
সখীপুর এলাকার দুইজন বজ্রপাতে মারা গেছে। সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাপ্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমিউনিটি অ্যাকশন মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় হাসপাতালের ডাক্তারসহ জনবল সংকট, অবকাঠামোগত সমস্যা, পর্যাপ্ত শৌচাগারের অভাব, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট, অপরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছেন সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় নাগরিকেরা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঝালকাঠি শহরের পুরাতন কলেজ এলাকার হরি মন্দির প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)–এর সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সহযোগী সংগঠন অ্যাক্টিভ সিটিজেন্স গ্রুপ (এসিজি) এ সভার আয়োজন করে।
সভায় সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় নাগরিকেরা সরাসরি সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁদের ইতিবাচক অভিজ্ঞতা, অভিযোগ, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। আলোচনায় হাসপাতালের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যে ডাক্তারসহ জনবল সংকট, অবকাঠামোগত সমস্যা, পর্যাপ্ত শৌচাগারের অভাব, সেবাপ্রদানকারীদের জনবান্ধব আচরণের ঘাটতি, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট, তথ্যপ্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা, রোগ নিরীক্ষার সমস্যা, নারী ও প্রতিবন্ধীবান্ধব পরিবেশের ঘাটতি, দায়িত্ব পালনে ঘাটতি, অপরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা সমস্যার কথা উঠে আসে।
সেবাগ্রহীতাদের এসব প্রশ্ন, অভিযোগ ও মতামতের জবাব দেন ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. টি.এম.মেহেদী হাসান (সানী)।
তিনি সেবাগ্রহীতাদের বক্তব্যের মাধ্যমে হাসপাতালের ইতিবাচক দিক ও বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলো সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পাশাপাশি চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। হাসপাতালের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এ ছাড়া জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন আরএমও।
সভার শুরুতে এসিজির সদস্যরা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে কমিউনিটি মনিটরিংয়ের মাধ্যমে চিহ্নিত উন্নয়নযোগ্য বিষয়গুলোর তালিকা তুলে ধরেন। এসব বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। একই সঙ্গে হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করতে কোন কোন ক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রয়োজন এবং কী কী সমস্যা রয়েছে, সে বিষয়েও সেবাগ্রহীতা ও অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হয়।
অ্যাক্টিভ সিটিজেন্স গ্রুপের (এসিজি) সদস্য মো. আরিফুর রহমান (রায়হান) সভাটি সঞ্চালনা করেন। এতে ব্যবসায়ী, গৃহিণী, শ্রমিক, দিনমজুর, শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং টিআইবির কর্মীবৃন্দ অংশ নেন।
সভা আয়োজনে সহযোগিতা করেন টিআইবির সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সহযোগী সংগঠন ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) গ্রুপ।
জেলা তথ্য অফিস, গাইবান্ধা'র আয়োজনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই-সেপ্টেম্বর/২০২৬ কোয়াটারে "শিশু, কিশোর- কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম" শীর্ষক প্রকল্পের জিওবি খাতের আওতায় ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাতরামারী গ্রামে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তথ্য অফিসের সাইন অপারেটর মাসুদের সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসার ইশতিয়াক আহমাদ আবীর,গজারিয়ার মহিলা সদস্যা মিনারা বেগমসহ আরও অনেকেই।
অনুষ্ঠানে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, শিশুকে মাতৃদুগ্ধ দান, শিশু ও নারী অধিকার, শিশুর যথাযথ বিকাশ, অটিজম ও শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য, জন্ম নিবন্ধন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসমূহ, পরিবেশ সুরক্ষা ও দুর্যোগকালীন নারী, জেন্ডার সমতা, নিরাপদ মাতৃত্ব, বাল্য বিবাহ, ইভটিজিং, পরিস্কার পরিচ্চন্নতা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
দিবালোকে ছিনতাই, ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ২
ছিনতাইকৃত স্বর্ণালংকার উদ্ধারের দাবী, অপর এক আসামীকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত। দিনাজপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এক ছিনতাইকারী ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাইকৃত স্বর্ণ দিয়ে তৈরি ছয়টি নাকফুল, দুটি কানের দুল ও দুটি কানের রিং উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ১টা ৫১ মিনিটে দিনাজপুর কোতয়ালী থানাধীন মির্জাপুর এলাকায় বিআরটিসি বাস ডিপোর সংলগ্ন অর্পণা ছাত্রীনিবাসের প্রধান ফটকের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে মোটরসাইকেলযোগে একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রচারিত হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বেলী রানী (২২) বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত, তাদের অবস্থান যাচাই এবং ছিনতাইকৃত স্বর্ণের চেইন উদ্ধারে ছায়াতদন্ত শুরু করে।
পুলিশ জানায়, এরই ধারাবাহিকতায় দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আনোয়ার হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ডিবি দিনাজপুরের অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর পিপিএমের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে চিরিরবন্দর থানাধীন কাঁউগা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আজমীর আহমেদ সোহেল ওরফে পিচ্চি সোহেল (৩০) কে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আজমীর আহমেদ সোহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৮ সেপ্টেম্বর রাত ২টার দিকে বিরামপুর থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ছিনতাইকৃত স্বর্ণ দিয়ে তৈরি ৬টি নাকফুল, ২টি কানের দুল ও ২টি কানের রিং উদ্ধার করা হয়।
একই অভিযানে ছিনতাইয়ের ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে মোঃ রকিবুল ইসলাম রকিব (৩৩) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অপর আসামী মোঃ মুন্না (৪০) কে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের তদন্ত অব্যাহত
চাঞ্চল্যকর এ ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধারে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
রংপুরে আইনজীবী সমিতিতে সদস্য অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহকালে দৈনিক নওরোজ প্রতিনিধি ও দৈনিক দাবানলের মহানগর প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন অপু হেনস্থার শিকার হয়েছেন। এসময় আইনজীবীরা তাঁর ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে এবং বুম মাটিতে ফেলে দেন।
আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তিনি এই হেনস্থার শিকার। এ ঘটনার পরপরই সাংবাদিকরা সেখানে ছুটে যান এবং আইনজীবী সমিতির সংবাদ বয়কটের ঘোষণা দেন।
হেনস্থার শিকার আলমগীর হোসেন অপু জানান, নবীন আইনজীবীদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় একজন আইনজীবী ধাক্কাধাক্কি করেন এবং ভিডিও করার সময় ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে বুম মাটিতে ফেলে দেন। আমি এ ঘটনায় মর্মাহত হয়েছি।
নবীন আইনজীবী সুত্রে জানা যায়, বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১০৮ জনের মধ্যে ৪৫ জনকে সাধারণ এবং বাকি ৬৩ জনকে ভোটাধিকারহীন ‘সহযোগী সদস্য’ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে রংপুর আইনজীবী সমিতি। একই সাথে সমিতিতে ভর্তির ফি পূর্বে ৫০ হাজার টাকা থাকলেও বর্তমানে তা বয়সভেদে ১ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৫ বছরের বেশি বয়সি আইনজীবীদের কাছ থেকে স্ট্যাম্পে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হচ্ছে। যাতে তারা কখনও নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারেন।
এই বিধিবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায় এবং ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখতে মুচলেকা নেওয়ার প্রতিবাদে নবীন আইনজীবীরা আন্দোলন করছেন।
নবীন আইনজীবী আসমিন ফারহা আঁখি জানান, আগে ভর্তি ফি ৫০ হাজার টাকা থাকলেও বর্তমানে বয়সভেদে তা ১ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। এছাড়া, ৩৫ বছরের বেশি বয়সি আইনজীবীদের কাছ থেকে স্ট্যাম্পে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা ভবিষ্যতে কখনো ভোটাধিকার দাবি না করেন। এটা নবীন আইনজীবীদের প্রতি বৈষম্যমুলক আচরণ করা হচ্ছে। আমরা এটা মানি না। আমাদের দাবী মানা না হলে আমরা আমরণ অনশনে যাবো।
রংপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আফতাব উদ্দিন জানান, নবীন আইনজীবীদের বিষয়গুলো নিয়ে সমিতিতে আলোচনা চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে সিটি প্রেসক্লাব রংপুরের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর মানিক বলেন, আইনজীবীদের চলমান আন্দোলনে পেশাগত দায়িত্বপালনের সময় দৈনিক নওরোজ জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক দাবানলের মহানগর প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন অপুকে হেনস্থা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা আইনজীবী সমিতিকে জানানো হয়েছে। তারা এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে।
নীলফামারীতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা শিল্পকলা অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, নীলফামারী শহর শাখার আয়োজনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণসহ সংবর্ধনা দেয়া হয়।
ইসলামী ছাত্রশিবির, নীলফামারী শহর শাখার সভাপতি সেলিম উদ্দিন এঁর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক, রেজাউল করিম শাকিল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদসহ আরোও অনেকে।
শিক্ষাজীবনের চমৎকার এই অর্জনকে উদযাপন করতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪শ শিক্ষার্থীদের এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। এসময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মিলনমেলায় পরিণত হয় সংবর্ধনা স্থানটি।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "জিপিএ-৫ অর্জনই সাফল্যের শেষ ধাপ নয়, এটি সুনাগরিক হয়ে ওঠার একটি নতুন সূচনা। কেবল ভালো ফল করলেই চলবে না, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।"
সংবর্ধনা পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা জানায়, এই ধরনের সম্মাননা তাদের আগামী দিনে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করবে।"
এদিকে আজকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নীলফামারী জেলা শাখার আয়োজনে জলঢাকায় একটি এ+ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।ইসলামী ছাত্রশিবির, নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি রেজাউল করীম এঁর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুর রহমান, প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন গার্ডিয়ান পাবলিকেশনের এমডি নুর মোহাম্মদ আবু তাহের প্রমুখ।
কুমিল্লা নগরে অনুমোদিত নকশা ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে সাতটি ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কুউক)। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নগরের ডাক্তারপাড়া ও কান্দিরপাড় এলাকায় অভিযান চালায় কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান উৎবাদুল বারী আবু। এ সময় সহকারী অথোরাইজড অফিসার মো. শেরিফুল হকসহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে কর্মকর্তারা ভবনগুলোর অনুমোদিত নকশা, সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও নির্মাণসংক্রান্ত সরকারি বিধিমালা পর্যালোচনা করেন। এ সময় নির্ধারিত সেটব্যাক (ভবনের চারপাশে নির্দিষ্ট পরিমাণ জায়গা রাখা) না মানা এবং অনুমোদিত নকশার শর্ত লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় সাতটি ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
যেসব ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো— ডাক্তারপাড়া এলাকার সিলভার টাওয়ার, একতা টাওয়ার ও মাসুম টাওয়ার; ট্রমা হাসপাতালের বিপরীতে মজিবুর রহমান গংয়ের বাণিজ্যিক ভবন; জামান-জাহানারা প্যালেস; কান্দিরপাড় এলাকার সিলভার আলী ম্যানশন এবং কাজী টাওয়ার।
কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাদুল বারী আবু বলেন, কুমিল্লায় বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে অনুমোদিত নকশা ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় প্রাথমিকভাবে সাতটি ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।
তিনি আরো বলেন, কুমিল্লায় সুপরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে নকশাবহির্ভূত ও বেআইনিভাবে ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিধিমালা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।