সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার (৩৬) বিরুদ্ধে এক সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
ভুক্তভোগী মো. মামুন উদ্দিন ওরফে মামুন রাফী (২৬) দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালী জেলায় সাংবাদিকতা করছেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি এবং দ্যা ঢাকা নিউজ-এর স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত।
জিডি সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২ মে) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানাধীন কাপ্তাই রাস্তার মাথায় নিজ বাসায় অবস্থান করছিলেন রাফী। ওই সময় যুবদল নেতা জিয়া তার মুঠোফোন ফোনে কল করেন। একপর্যায়ে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের মালিকানাধীন আজিম গ্রুপের শ্রমিকদের বেতন না পাওয়ার বিষয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে রাফীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। ঘটনার পর নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে রাফী চান্দগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন (জিডি নং-১০৬)।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, আমি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাতিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, দুই দিন আগে সাংবাদিক রাফী তার ফেসবুক পোস্টে আজিম গ্রুপের মালিককে নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেন, আজিম গ্রুপের মালিক বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে। এখন শ্রমিকদের বেতন দিতে পারছেনা। কেন শ্রমিকদের আন্দোলনের দুদিন আগে ফেসবুকে এমন একটি পোস্ট দেন। এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার আমি তাকে ফোন দিয়েছি। তিনি ফোন রিসিভ করে নাই। একপর্যায়ে ফোন রিসিভ করে ফেলে রাখলে তাকে গালমন্দ করি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নূর হোসেন মামুন বলেন, গতকাল সিএমপিতে আজিম গ্রুপের প্রায় ৩হাজার শ্রমিক রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলন করে। শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলাম। জিডির বিষয়টি খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গুলসা,পাবদা ও টেংরা মাছের সাথে কার্প জাতীয় মাছের মিশ্র চাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার(১৫ অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ওই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।
প্রশিক্ষণে আধুনিক উপায়ে গুলসা পাবদা ও টেংরা মাছ চাষে জলাশয় প্রস্তুতি থেকে মাছ বিক্রয় পর্যন্ত নানান দিক তুলে ধরা হয়। জলাশয় প্রস্তুতিতে চুন ও লবণ প্রয়োগ খাবার ও পানি প্রস্তুতিতে ১৫ দিন পরপর পরিমাণ মতো অটোপালিশ,চিটাগুড়,ইস্ট পাউডারের সংমিশ্রণের প্রয়োগের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রশিক্ষণ প্রদান করেন, জেলা মৎস্য অফিসের সহকারী পরিচালক কামরুন নাহার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুন কুমার মন্ডল, কিশোরগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা(অ:দা:) আব্দুস সালাম, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান।
উল্লেখ্য, ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের রাজস্ব খাতের আওতায় উক্ত প্রশিক্ষণে উপজেলার ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করেছে পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। একই সাথে দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রধান সহ মন্দির পরিদর্শন করেছেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস।
বৃহস্পতিবার ( ১৫ অক্টোবর ) বিকেলে পঞ্চগড় পৌর শহরের দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় থাকা ৩৫টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সাথে নাশকতা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি।
এ ছাড়া জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য চালু করা হয়েছে মনিটরিং সেল বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
একই সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অপপ্রচার প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে। পরে তিনি পঞ্চগড় শহরের বিভিন্ন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন।
এসময় পঞ্চগড় ১৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ১৮ বিজিবি আওতাধীন পঞ্চগড় জেলায় সীমান্ত এলাকায় যতগুলো পূজা মন্ডপ রয়েছে সেগুলো নিরাপত্তায় আমরা কাজ করছি। আমাদের টহল দল সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। আমরা জেলা প্রশাসন এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছি। ২৪ ঘন্টা আমাদের বিজিবি টহল দল তৎপর রয়েছে। যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতিতে আমরা পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছি।
রাজশাহী ও নাটোর জেলার বিভিন্ন চলমান ও প্রস্তাবিত পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তিনি প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, বাস্তবায়ন পরিস্থিতি এবং নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
সকালে রাজশাহীতে পৌঁছে প্রতিমন্ত্রী পবা উপজেলার নওহাটা ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকায় ‘রাজশাহী ও নাটোর জেলার অন্তর্গত বারনই নদী পুনঃখনন, দূষণমুক্ত ও দখলমুক্তকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরে তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভা এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপর নদীপথে চর আসারিয়াদহ ইউনিয়নে যান। এ সময় নদীভাঙন রোধ, নদীতীরবর্তী জনপদ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা এবং স্থানীয় মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরে রাজশাহী শহরের আই-বাঁধ, টি-বাঁধ ও শহর রক্ষা বাঁধ এলাকাও পরিদর্শন করেন।
দুপুরে নাটোরে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত ‘বড়াল নদী অববাহিকায় পানিসম্পদ পুনর্বাসন (বড়াল নদী ড্রেজিং, নারদ নদ ও মুসা খাঁ নদী পুনঃখনন)’ শীর্ষক প্রকল্পের এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রকল্পের প্রস্তাবনা ও বাস্তবায়ন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অবহিত হন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, নদী, খাল ও জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ ও জনজীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনস্বার্থ, কারিগরি সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি সুফলকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল হক মিলন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন, রাজশাহীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী আবুল হোসেন তুহিনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা।
সফরকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিমন্ত্রীকে প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা, বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন।
খুলনা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক
খুলনায় শারদীয় দূর্গাপূজা ২০২৬ ইং উপলক্ষে আজ ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিং প্রদান করেন খুলনা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক।
এ সময় তিনি বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ব্রিফিংয়ে এসপি ডিউটিরত সকল সদস্যকে উৎসাহ যোগান এবং সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।
উক্ত ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিঃ পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এস. এম. আল বেরুনী, অতিঃ পুলিশ সুপার ট্রাফিক ও ডিএসবি, আবির সিদ্দিকী শুভ্র, অতিঃ পুলিশ সুপার, (বি-সার্কেল) মোঃ খায়রুল আনাম, বিপিএম-সেবা, অতিঃ পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) মোঃ সালাউদ্দিন সহ ডিউটিতে মোতায়েনকৃত ফোর্সবৃন্দ।
ড্রেনের পাশে নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ড্রেনের পাশে পড়ে থাকা একদিন বয়সী এক নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকেরা শিশুটিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশগঞ্জ এলাকায় সমীরের বাড়ির গলির পেছনে ড্রেনের পাশে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে মহেশগঞ্জ বাজার এলাকায় পথচারীরা নবজাতক কন্যাশিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, নবজাতকের পরিচয় ও তার মা-বাবার সন্ধান বের করার চেষ্টা চলছে। কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে রেখে গেছে, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬
"দূর্বার তারুন্য, দূর্নীতি রুখবেই" এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ঝালকাঠির নলছিটিতে দুর্নীতি দমন কমিশন পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল দশটায় সরকারি নলছিটি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় উপজেলার সরকারি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাওতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নলছিটি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নান্দিকাঠি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। বিচারকরা প্রতিযোগিতায় নলছিটি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কে বিজয়ী ও সরকারি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় রানারআপ ঘোষণা করেন। শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন নলছিটি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ইকরা অমি আলম।
বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন, নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতীক কুমার কুন্ডু, নলছিটি উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ সমিটির সভাপতি শামসুল আলম খান বাহারের সভাপতিত্বে এসময় আর-ও উপস্থিত ছিলেন, নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান, সরকারি নলছিটি মার্চেন্টস মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খায়রুল বাশার, প্রভাষক মানবেন্দ্র মুখার্জী, জয়নাল আবেদীন, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য আবদুল কুদ্দুস, শাহাদাত আলম, শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, নলছিটি সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মল্লিক মনিরুজ্জামান।