সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ও থানায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে।
আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সোনাইমুড়ীর ফয়েজিয়া এতিমখানায় এতিমদের জন্য বরাদ্দ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর দৈনিক আমাদের সময়ের সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি ও দৈনিক নোয়াখালীর কথার স্টাফ রিপোর্টার গোলজার হানিফ এবং দৈনিক ভোরের চেতনার সোনাইমুড়ী উপজেলা প্রতিনিধি মনিরুজ্জামানের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় তাদের সপরিবারে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, হামলার ঘটনায় মামলা করতে গেলে সোনাইমুড়ী থানার ওসি মো. কবির হোসেন মামলা না নিয়ে অভিযোগটি রেখে দিয়েছেন। গত চার দিনেও মামলা গ্রহণ না করে তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। উল্টো আহত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই চাঁদাবাজির অভিযোগ নেওয়া হয়েছে।
তারা অভিযোগ করেন, ‘চড়ুইভাতি পার্টি সেন্টারে’ হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও এখনো পুলিশ সংগ্রহ করেনি। পাশাপাশি এতিমদের সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংবাদিকেরা।
মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা বলেন, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকের ওপর হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি। তারা হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ সময় বক্তব্য দেন নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন বিষাদ, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন বাবু, নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন সোহাগ, এ আর আজাদ সোহেল, দৈনিক মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার নাসির উদ্দিন বাদল, এটিএন নিউজের জেলা প্রতিনিধি ফয়জুল ইসলাম জাহান, আরটিভি ও দৈনিক আগামীর সময়ের নোয়াখালী প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন রনি, এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি মুজাহিদ ইসলাম সোহেল, সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি বেলাল হোসেন ভূঞা, সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন রাজ প্রমূখ।
নাবিলা নুসরাত (৩২) নামে এক নারী চিকিৎসকের মৃত্যু। ছবি: সংগৃহীত
ঝালকাঠির নলছিটিতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ঝালকাঠির নলছিটিতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ই নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভপিতিত্ব করেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতীক কুমার কুন্ডু।
সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান প্রতীক কুমার কুন্ডু।
বক্তব্য রাখেন নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো:আনিচুর রহমান (হেলাল) খান, নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: তৌহিদুজ্জামান সোহাগ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো:হাবিবুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা প্রনীসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আবু সালেহ, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন আকতার, উপজেলা (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী, বীর মুক্তযোদ্ধা রুস্তম আলী খলিফা, নলছিটি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন ও নলছিটি প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মো: শাহাদাত হোসেন মনু।
৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন বক্তারা।
সভায় অন্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান পলাশ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: এনামুল হক, উপ পরিদর্শক (ডিএসবি) মো: আজিজুর রহমান, উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম আতিকুর রহমান সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রিশাল বিভাগ সমিতি ঢাকার কার্যকরি পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত। ছবি: সংগৃহীত
শনিবার (৭ই নভেম্বর) বিকালে মতিঝিল কিচেন ইয়ার্ডে ভিআইপি রুমে বরিশাল বিভাগ সমিতি ঢাকার কার্যকরি পরিষদের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নতুন কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচন আয়োজন সিদ্ধান্ত আগামী ২৬ ডিসেম্বর শনিবার নির্ধারণ করা হয়েছে।
উক্ত সভায় সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিয়াউল কবির দুলু'র সভাপতিত্ব ও সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আবদুছ ছোবাহান এর সঞ্চালনায় কার্যকরি পরিষদের ২৫ জন কর্মকর্তা ও নির্বাহী সদস্য উপস্থিত ছিলেন ও প্রস্তাবনা পেশ করেন। সভায় আগামী ২৬ ডিসেম্বর শনিবার সম্মেলন ও নির্বাচনে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারন করা হয় এবং মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে একই অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় শের ই বাংলা এ কে ফজলুল হক এর ১৫৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠান শৃঙ্খলার সাথে সুসম্পন্ন হওয়ায় সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয় এবং স্মরনিকা প্রকাশ সহ অনুষ্ঠানের সর্বমোট খরচ ১,৫০,৫৩০ টাকা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীরকে জানাযা ও দাফনে বাধা দেয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বর্তমান অমানবিক পরিস্থিতিতে তাঁর পরিবারের পাশে দাড়ানো ও সমিতির পক্ষ থেকে আর্থিকভাবে ১০,০০০/(দশহাজার) টাকা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় এইচএসসি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল খারাপ হওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করা হয় এবং আগামীতে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল আরও ভালো করতে সভা থেকে সমিতির সভাপতি সরাসরি বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এর সাথে কথা বলে পরামর্শ প্রদান করেন এবং অতি শীঘ্রই সমিতির একটি প্রতিনিধি দল বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করে শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে মত বিনিময় করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় প্রতি বছরের মতো আসন্ন শীতে সমিতির মাধ্যমে শীতবস্ত্র/কম্বল বিতরন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং দুঃস্থ মানুষকে শীতবস্ত্র দিতে কম্বল ক্রয়ের জন্য সমিতির সদস্য, উপদেষ্টা ও সম্পদশালী ব্যক্তিদের নিকট থেকে আর্থিক অনুদানের অনুরোধ জানায় এবং সভাপতি মোবাইল ০১৭১০৯২৯৯৫৭ (বিকাশ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. মো: রুবেল হাওলাদার মোবাইল ০১৭৩০৮৮৭৭৭৭ পাঠাতে অনুরোধ করা হয়। সভায় সমিতির নির্বাচনকে সফল করার জন্য বরিশাল বিভাগের প্রত্যেক উপজেলার প্রতিনিধি নিশ্চিত ও সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপি পদস্থ কর্মকর্তাদেরকে সম্পৃক্ত করতে সভায় গুরুত্ব দেয়া হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর শওকত ইসলাম, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এড. মো: রুবেল হাওলাদার, সাংবাদিক কায়কোবাদ মিলন, সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম সুলতান আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এনায়েত হোসেন আকন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক, আনিসুর রহমান, আসাদুজ্জামান খান, মো: আবুল কালাম, ড. নাঈম হোসেন,খন্দকার আবুজাফর মো: সালেহ, মো: জাকারিয়া মোল্লা, মো: আবদুল মান্নান প্রমুখ।
সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিয়াউল কবির দুলু সকলকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে সমিতি ও এলাকার উন্নয়নে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান এবং সমিতির আসন্ন নির্বাচন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সার্বিক সফলতা কামনা করে উপস্থিত কর্মকর্তা ও নির্বাহী সদস্যগনকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।। ছবি: সংগৃহীত
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও ভাষণ প্রচারের কর্মসূচি নিয়েছিল চট্টগ্রাম নগর বিএনপি।। ছবি: সংগৃহীত
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও ভাষণ প্রচারের কর্মসূচি নিয়েছিল চট্টগ্রাম নগর বিএনপি। নগরের অন্যান্য এলাকার মতো আজ শনিবার সকাল থেকে আগ্রাবাদেও মাইকে গান বাজানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে মাইকে বেজে ওঠে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গানটি।
মাইকে গানটি বাজানোর ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ বলছে, বিএনপির কর্মসূচিতে অসতর্কতাবশত গানটি বেজে উঠেছিল। তবে বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি দেখলেও ঘটনার বিস্তারিত তাঁদের জানা নেই। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাইকে ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গানটি বাজছে। পাশের সড়কে চলাচল করছে রিকশা, অটোরিকশা, সাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।
জানতে চাইলে নগরের ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ ফয়সাল প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির কর্মসূচিতে অন্য একটি গান বাজানোর ভিডিও তাঁদের নজরে এসেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কর্মসূচির আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলেছে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ইউটিউব থেকে দলীয় গান বাজানো হচ্ছিল। একের পর এক গান চলার মধ্যেই এক পর্যায়ে ওই গানটি বেজে ওঠে। তবে দ্রুত গানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে গানটি বাজানো হয়নি।
চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। সারা দিন দলীয় কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তবে কারা গানটি বাজিয়েছেন, তা খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
দলের যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) শওকত আজম খাজা বলেন, ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও ভাষণ প্রচারের কর্মসূচি ছিল। আগ্রাবাদে দলের কর্মসূচিতে অন্য দলের গান বাজানোর একটি ভিডিও তাঁর নজরে এসেছে। তবে কারা গানটি বাজিয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।