গাজীপুর জেলা কলেজ এর এইচএসসি ছাত্র ছাত্রীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মু. সালাহ উদ্দিন আইউবী।
শনিবার (২০ জুন) সকালে গাজীপুর জেলা কলেজ ২০২৬ ইং এর এইচএসসি পরিক্ষার্থী ছাত্র ছাত্রীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কলেজের সভাপতি মোঃ আজহারুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মু. সালাহ উদ্দিন আইউবী।
প্রধান অতিথি ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, বিশ্ব আজ টেকনোলজিতে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এর সদ্ব্যবহার না হওয়ার কারনে তা মাদকাসক্তি থেকে বেশি মারাত্মক হয়ে উঠেছে। বিশ্বকে পরিবর্তন করতে তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজ এর অধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে ১ম বর্ষের মারিয়া ও সাঙ্গুনা রাণী দাস, বিদায়ী ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে লামিয়া ও সাদিক এবং শিক্ষক প্রভাষক ইফ্ফান জাহান একা। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন গাজীপুর জেলা কলেজের পরিচালক এ কে এম মতিউর রহমান।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সাংবাদিক পরিবার কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা ও ব্যাংকার এম. মহিউদ্দিন শরিফী, মেহের আফরোজ চুককি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, আব্দুল মজিদ আকন্দ, মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আ.সাত্তার, নোয়াপাড়া ময়েজ উদ্দিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা এর রেজিষ্ট্রার ড.মো. ফয়জুল্লাহ্ কোশিক, কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজ এর প্রভাষক মো. তারিক আল-আজিজ প্রমুখ।
ছাত্রলীগকর্মীদের স্লোগান (উপরে) ও আটক চারজন
নওগাঁর মহাদেবপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ চার ছাত্রলীগকর্মীকে আটক করেছে। গতকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে তাদেরকে উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের চকগোড়া থেকে আটক করে গত ১৬ জুন দায়ের করা নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ কোর্টে পাঠায়।
আটকরা হলেন, উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি চকগোড়া সরদারপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে রোকনুজ্জামান সোহাগ (২৫), তার সহযোগী মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে মাহমুদ রায়হান (৩০), চকগোড়া পূর্বপাড়া গ্রামের আবির উদ্দিন সরদারের ছেলে পিয়ারুল ইসলাম মুসা (১৯) ও সাইফুল ইসলামের ছেলে সোহেল (২১)। থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একই সাথে আরো একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেয়।
স্থানীয়রা জানান, গত রোববার দিবাগত রাতে চকগোড়া ও আশেপাশের কিছু উঠতি বয়সের যুবক গ্রামের পাশে পিকনিকের আয়োজন করে। পিকনিক শেষে তারা লাইন হয়ে দাঁড়িয়ে জয় বাংলা স্লোগান দেয়। এদের মধ্যে রোকনুজ্জামান সোহাগ আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা আসার বিষয়ে সহযোগীতা করার কথা বলে নাতিদীর্ঘ বক্তব্য দেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরই জের ধরে থানা পুলিশ অভিযানে নামে।
মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, চকগৌরীহাটে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা মামলায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাচাই বাছাই শেষে এক যুবক ঘটনার সাথে জড়িত না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযানের সময় তিনি কৌতুহলবশত: ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।
নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ
কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট এন্ড রেস্টুরেন্ট এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের ১০ দিন পর আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের পোড়া রিসোর্টের দ্বিতীয় তলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মুক্তা ঢাকার সাভারের আশুলিয়া গ্রামের মোস্তফা কামালের মেয়ে ও স্বপ্নবিলাস ইউনাইটেড স্কুলের শিক্ষক। তিনি ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি দেওয়ানের স্ত্রী।
পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে, ১৭ অক্টোবর সকালে টুপটুপ রিসোর্ট এন্ড রেস্টুরেন্ট এ আগুন লাগে। সেদিন সেখানে ১০ জনের পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। এরপর ১৮ অক্টোবর বিভিন্নভাবে জানা যায়, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১১ জন নিখোঁজ রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে সেদিন বিকেলেই ফায়ার সার্ভিস দ্বিতীয় দফা সেখানে অভিযান চালায়। কিন্তু রিসোর্টটি ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হওয়ায় ফায়ার সার্ভিস অভিযান সমাপ্তি করে চলে আসে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, একজন নিখোঁজের বিষয়টি আমরা জানতে পেরে তার মোবাইল ট্রাকিং করি। সেখানে তার শেষ লোকেশন ছিল পাটুয়ারটেক। পরে আজ দুপুরে আমাদের একটি টিম পোড়া রিসোর্টে যায়। টিমটি ওই রিসোর্টের দ্বিতীয় তলা থেকে একটি পোড়া মরদেহ খুঁজে পায়। মরদেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মরদেহ নিখোঁজ ১১ জনের সন্ধান মিলেছে। আগের ১০টি মরদেহ ডিএনএ প্রতিবেদনের মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়েছে। এই কারণে এই মরদেহটি মুক্তার সেটি নিশ্চিত। মরদেহ নিতে মুক্তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া মোবাইলগুলো প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামে হারানো, চুরি ও ছিনতাই হওয়া ১০৭ মোবাইল উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। জেলার ১৭ থানায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতায় এসব মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্ধার হওয়া মোবাইলগুলো প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।
পুলিশ সুপার বলেন, মোবাইল হারানো, চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা জিডির ভিত্তিতে ডিবির কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছেন। চুরি বা ছিনতাইয়ের পর মোবাইলগুলো একাধিকবার হাতবদল হওয়ায় উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কাজে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনেক পরিশ্রম করেছেন। তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া এসব মোবাইলের মধ্যে অনেকগুলো চার-পাঁচ মাস, ছয় মাস, এমনকি এক বছর পর মালিকরা ফিরে পেয়েছেন। শুরুতেই ফোনগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হলে আরও ভালো হতো। ভবিষ্যতে মানুষের হারানো, চুরি বা ছিনতাই হওয়া সম্পদ দ্রুত উদ্ধার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে জেলা পুলিশ কাজ করবে।
পুরোনো মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল কয়েক হাত ঘুরে এমন ব্যক্তির কাছে পৌঁছাতে পারে, যিনি হয়তো না জেনেই সেটি কিনেছেন। এতে তিনিও আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন। তাই পুরোনো মোবাইল কেনার আগে সেটির মালিকানা ও বৈধতা যাচাই করা জরুরি। এসব মোবইলের সঙ্গে বড় ধরনের অপরাধের, এমনকি ডাকাতিরও যোগসূত্র থাকতে পারে।
মোবাইল চুরির সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের বিষয়ে তিনি বলেন, অপরাধের বিভিন্ন পর্যায়ে একাধিক চক্র কাজ করে। এ বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, পাশাপাশি কয়েকটি বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে হাতবদলের শেষ পর্যায়ে যারা মোবাইল কেনেন, তাদের কাছ থেকে মোবাইলের মূল উৎস শনাক্ত করা কঠিন। এ জন্য কয়েকটি মোবাইল পরীক্ষামূলকভাবে তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়েছে।
মোবাইলগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং কার হাত ঘুরে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছেছে, তা শনাক্ত করা গেলে চক্রের পুরো কার্যক্রম উদ্ঘাটন সম্ভব হবে। জেলা পুলিশ জানায়, জনমুখী পুলিশি সেবা জোরদার এবং হারানো সম্পদ উদ্ধারের লক্ষ্যে জেলার ১৭টি থানায় মোবাইল হারানোর ঘটনায় করা জিডি পর্যালোচনা করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ১০৭টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
দীর্ঘদিন পর মোবাইল ফিরে পেয়ে মালিকরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সভাপতি ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক শরাফত উল্লাহ সোহাগ
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অব পেনসিলভানিয়া ইউএসএ ইনকের ২০২৭-২০২৯ মেয়াদের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শরাফত উল্লাহ সোহাগ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয় ৬২ রিচফিল্ড রোড, আপার ডারবি, পেনসিলভানিয়ায় নির্বাচন কমিশন নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করে।
কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন টিপু এবং সহসভাপতি হয়েছেন মো. সাহিদ কামাল সবুজ।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সহসাধারণ সম্পাদক নূর করিম রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন এরশাদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউসুফ নবী, সহকারী কোষাধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক জহিরুল আলম নয়ন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মেদ আরিফুর রহমান তারেক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাইনুর রহমান জনি এবং ক্রীড়া সম্পাদক বেলাল হোসাইন রতন।
এ ছাড়া নির্বাহী সদস্য হয়েছেন ইকবাল চৌধুরী রিপন, ইউসুফ নবী, সালেহ উদ্দিন, আরিফুল হক রনি ও নূরুল আফসার রাজিব।
কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাহফুজুল হক চৌধুরীর ছেলে ইব্রাহিম খলিল চৌধুরী রাকিব নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন। তার নেতৃত্বে প্রবাসে কোম্পানীগঞ্জের মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রবাসীদের কল্যাণে নতুন কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছে প্রবাসীরা।
সোহেল শেখ
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় সোহেল শেখ (৩৪) নামে ছাত্রদলের এক সাবেক নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বড় কড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সোহেলকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোহেল শেখ বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বড় কড়িয়া গ্রামের গনি শেখের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাতে বড় কড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেলে বসে ছিলেন সোহেল। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে তার ডান হাত ও পেটের ডান পাশে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সার্জারি ইউনিট-১-এর ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডে তাকে ভর্তি করা হয়।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। খবর পেয়ে বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও স্থানীয় বাইনতলা ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলের একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্বৃত্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
পুলিশ জানায়, সোহেল শেখ ওরফে সোহেল পারভেজের বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা রয়েছে।
দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাস
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের বড়কুমিরা কিং অব কুমিরা কনভেনশন হলের দক্ষিণ পাশে গত ঢাকামুখী লেনে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ধাক্কায় ৫ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত ২টার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী, একজন পুরুষ ও এক শিশু রয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২ জন বাসের ভিতরে ও ৩ জন বাইরে ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতরা সবাই দাঁড়িয়ে থাকা বাসের যাত্রী ছিলেন। বাসটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে সার্ভিসিংয়ের কাজ চলছিল। বাস থেকে অধিকাংশ যাত্রী নেমে পাশে একটি গাছের ডালের ওপর বসেছিলেন। এ সময় একইমুখী লেনে একটি লরি এসে বাসটিকে ধাক্কা দেয়। লরিটি বাসের পেছনে ধাক্কা দিলে তা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে বাসের ভিতরে থাকা ও বাইরে থাকা অনেক যাত্রী হতাহত হন।
খবর পেয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিস টিম উদ্ধার অভিযানে নামে। ঘটনাস্থল থেকে আহত-নিহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হতাহতের অধিকাংশের বাড়ি নেত্রকোনা এলাকায়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন—নেত্রকোনা জেলার সীবাশ্রম এলাকার ফাতেমা (৪০), আজহারুল (৪২), রাকিব (৮) ও বড়কান্দার আবুল হোসেন (৫০)।
কুমিরা ফায়ার স্টেশনের ফায়ার ফিটার হাবিবুর ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় তিনজন নারী, একজন পুরুষ ও একটি শিশু নিহত হয়েছে। আহত রয়েছে ২০ জনের অধিক। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।